নিবন্ধন : ডিএ নং- ৬৩২৯ || বৃহস্পতিবার , ২১শে মার্চ, ২০১৯ ইং , ৭ই চৈত্র, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ , ১৩ই রজব, ১৪৪০ হিজরী
শিরোনাম

নির্বাচন করা নিয়ে সমালোচনা, কড়া জবাব দিলেন হিরো আলম ( ভিডিও )

নির্বাচন করা নিয়ে সমালোচনা, কড়া জবাব দিলেন হিরো আলম ( ভিডিও )

আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে জাতীয় পার্টি (জাপা) থেকে বগুড়া-৪ আসনের মনোনয়ন ফরম কিনেছেন এ সময়ের আলোচিত মডেল-অভিনেতা হিরো আলম।  ইতিমধ্যেই তার নির্বাচনে আসা নিয়ে দেশজুড়ে নেতিবাচক মন্তব্যের ছড়াছড়ি শুরু হয়েছে। তাকে নিয়ে তৈরি হয়েছে ভিডিওভিত্তিক কৌতুক। প্রতিনিয়তই সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমগুলোয় দেশে ও দেশের বাইরে ট্রল হচ্ছেন তিনি। সকল নেতিবাচক মন্তব্যের বিপরীতে এবার কড়া জবাব দিলেন হিরো আলম।

সম্প্রতি একটি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলে সাক্ষাৎকারে দর্শকদের উদ্দেশে হিরো আলম বলেন, ‘তাদের উদ্দেশে একটা কথাই বলতে চাই, অনেক স্টার তারকা যদি মনে করেন, কোনো জায়গার জোর গলায় আমি এমপি হবো, আমি এইটা হতে চাই,আমি ওইটা হতে চাই। তাদেরকে নিয়ে কিন্তু কারও কোনো মাথা ব্যথা হয় না। হিরো আলম যখন কিছু পদে যায়, অনেক লোকেরই কিন্তু সেখানে মাথা ব্যথা বাইরা যায়। হিরো আলম কেন এ পদে যাবে, হিরো আলমের কী হইছে? নেগেটিভ-পজেটিভ কমেন্টস থাকবেই।

কিন্তু তাদের কথা শুনলে (শুনি) তাহলে তো আমি এমপি হতেও পারবো না,আমি হিরোও হতে পারবো না। নেগেটিভ অনেক লোকেরই আছে। তাদের উদ্দেশে একটা কথাই বলতে চাই,যারা আমাকে নেগেটিভ ভাবতেছেন।  আমি কিন্তু একটা জায়গাতেই দুর্বল, আমার চেহারা নাই, আমি হয়তো দেখতে খারাপ, তাছাড়া যদি মনে করেন বড় বড় ক্রিকেটাররা, বড় বড় শিল্পীরা যদি এ পদে আসতো, তাদের চেহারা সুন্দর দেখে আসতে পারে এ জায়গায়? আমার চেহারা সুন্দর কম দেখে আমি এ জায়গায় আসতে পারি না? কিন্তু চেহারা সুন্দর হলে কী? তাদের প্রতিভাটা দেখাক।  প্রতিভা দেখিয়ে এই জায়গাটায় আসুক।

 

আপনি একটা স্টারও হোক, একটা খেলোয়ার হোক আপনারা ম্যাচ দিয়ে তৈরি করে এ জায়গায় নিয়ে আসে, আমাকে হিরো আলমকে কে তৈরি করেছে? আমি নিজের জায়গায় থেকে তৈরি হয়েছি, আমাকে যদি ম্যাচ ট্রেডিং দিয়ে নিয়ে আমাকে কেউ নিয়ে আসতো তাহলে আমিও ওইরকম হতাম, আমাকে কেউ যদি ভালো অভিনয় শেখাতো তাহলে ভালো করে অভিনয় শিখতাম। আমার বাবার যদি টাকা-পয়সা থাকতো তাহলে কী করতাম? ভালো মতো লেখাপড়া করতাম।

মেলা লোক আমাকে ল্যাংগোয়েজ নিয়ে প্রশ্ন করে যে, হিরো আলম ভালোমতো কথা বলতে পারে না। ওই কী এমপি করবে? কিন্তু আমার বাপের যদি সেরকম অর্থ সম্পদ থাকতো, তাহলে কিন্তু আমি লেখাপড়া করে শুদ্ধ হয়ে কথা বলতাম। আজকে যারা বড় বড় কথা বলে যে, হিরো আলমের লেখাপড়া নাই, ওই কী সিনেমা করবে? ওদের পেছনে যদি বাপ না থাকে তাহলে তো ওদের রিক্সা চালানো লাগবে। ওদের তো গার্মেন্টসে চাকরি করা লাগবে। ওরা আমার মতো কথা বলতে পারবে না।  ভাই, স্বপ্ন দেখানো অনেক সহজ, বাস্তব করা কঠিন।’

Comments

comments

এমন আরো খবর:

Send this to a friend