নিবন্ধন : ডিএ নং- ৬৩২৯ || বৃহস্পতিবার , ১৮ই জুলাই, ২০১৯ ইং , ৩রা শ্রাবণ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ , ১৪ই জিলক্বদ, ১৪৪০ হিজরী
শিরোনাম

প্রশ্নপত্র ফাঁসমুক্তভাবেই পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে: শিক্ষামন্ত্রী

প্রশ্নপত্র ফাঁসমুক্তভাবেই পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে: শিক্ষামন্ত্রী

শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেছেন, উচ্চ মাধ্যমিক (এইচএসসি) পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস রোধে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কড়া নজরদারি রাখা হচ্ছে। আশা করা যাচ্ছে কোনো ধরনের প্রশ্নপত্র ফাঁস ছাড়াই এবার এইচএসসি পরীক্ষা শেষে হবে।

আজ সোমবার (১ এপ্রিল) সকালে এইচএসসি পরীক্ষা শুরু উপলক্ষে রাজধানীর সিদ্ধেশ্বরী গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজে কেন্দ্র পরিদর্শনে এসে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

এ সময় শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘ছাপাখানায় প্রশ্ন ছাপা হয়। তারপর এটা আর কেউ দেখেন না। বোর্ডের কেউ দেখেন না, মন্ত্রণালয়ের কেউ দেখেন না, কেউ দেখেন না। এই বিষয়গুলো জনগণের কিন্তু আসলে সেভাবে জানা নেই।’

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে গুজব ছড়ানোর বিষয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘গোয়েন্দা সংস্থা নজরদারি করছে। কেউ যদি কোনও অপকর্মের সঙ্গে জড়িত থাকে, প্রতারণা করে, গুজব ছড়ায় তাহলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। একই সঙ্গে অভিভাবকদের কোনও রকম গুজবে কান না দেওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি। কারও ফাঁদে পা দেবেন না, কারণ আমরা বিশ্বাস করি প্রশ্নপত্র ফাঁস হবে না। প্রশ্নপত্র ফাঁসমুক্তভাবেই পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।’

কোচিং সেন্টার বন্ধ রাখার বিষয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘১ এপ্রিল থেকে ৬ মে পর্যন্ত সব ধরনের কোচিং সেন্টার বন্ধ থাকবে। আমি আশা করছি প্রতিটি জেলা, উপজেলার প্রশাসন বিষয়টি মনিটরিং করবে। কোচিংগুলো সত্যিই বন্ধ থাকছে কিনা বিষয়টি তারা নিশ্চিত করবে।’

আজ সকাল ১০টা থেকে ১০টি শিক্ষা বোর্ডে একযোগে ২০১৯ সালের উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হয়েছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, এবার দেশের নয় হাজার ৮১টি প্রতিষ্ঠানের ১৩ লাখ ৫১ হাজার ৫০৫ শিক্ষার্থী পরীক্ষার আসনে বসেছে। এর মধ্যে ছাত্র ছয় লাখ ৬৪ হাজার ৪৯৬ জন এবং ছাত্রী ছয় লাখ ৮৭ হাজার নয়জন।

আটটি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের আওতায় এইচএসসি পরীক্ষায় মোট অংশ নিচ্ছে ১১ লাখ ৩৮ হাজার ৭৪৭ জন। এর মধ্যে ছাত্র পাঁচ লাখ ৭৩ হাজার ৮১২ জন এবং ছাত্রী পাঁচ লাখ ৬৪ হাজার ৯৩৫ জন।

এই পরীক্ষায় কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীন এসএসসি ভোকেশনাল পরীক্ষায় এক লাখ ২৪ হাজার ২৬৪ জন এবং মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীন আলিম পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছে ৮৮ হাজার ৪৫১ জন।

এবার দেশের বাইরের আটটি কেন্দ্রে পরীক্ষার্থী রয়েছে ২৭৫ জন। এ ছাড়া শারীরিক প্রতিবন্ধী পরীক্ষার্থীদের জন্য বাড়তি ২০ মিনিট সময় বরাদ্দ করা হয়েছে এবং অটিজমসহ বিশেষ বিবেচনার দাবি রাখে, এমন শিক্ষার্থীদের ৩০ মিনিট বাড়তি সময় দেওয়া যাবে।

এবারও পরীক্ষা শুরুর ৩০ মিনিট আগে অবশ্যই পরীক্ষার্থীদের কেন্দ্রে প্রবেশ করতে হয়েছে। লিখিত পরীক্ষা শেষ হবে ১১ মে। এর পর ১২ থেকে ২১ মের মধ্যে ব্যবহারিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

Comments

comments

এমন আরো খবর:

Web developed by: AsadZone.Com
x

Send this to a friend