নিবন্ধন : ডিএ নং- ৬৩২৯ || সোমবার , ১৮ই নভেম্বর, ২০১৯ ইং , ৪ঠা অগ্রহায়ণ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ , ২০শে রবিউল-আউয়াল, ১৪৪১ হিজরী
শিরোনাম

বসিলার ‘জঙ্গি আস্তানার’ অভিযান সমাপ্ত ঘোষণা

বসিলার ‘জঙ্গি আস্তানার’ অভিযান সমাপ্ত ঘোষণা

রাজধানীর মোহাম্মদপুরের বসিলায় ‘জঙ্গি আস্তানা’র অভিযান সমাপ্ত ঘোষণা করেছে র‌্যাব। সমাপ্ত ঘোষণার আগে বিকেল ৪টার দিকে আস্তানার ভেতর থেকে ছিন্ন-বিচ্ছিন্ন দু’টি মরদেহ ব্যাগে করে বের করে আনা হয়।

এর আগে র‌্যাবের বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট আস্তানার অবিস্ফোরিত আইইডি (ইমপ্রোভাইজড এক্সপ্লোসিভ ডিভাইস) নিষ্ক্রিয় করে। পরে সিআইডির ক্রাইম সিন ইউনিট ঘটনাস্থল থেকে বিভিন্ন আলামত সংগ্রহ করে।

র‌্যাব-২ এর পুলিশ সুপার (এসপি) মহিউদ্দিন ফারুকী বলেন, মরদেহ দু’টি ময়নাতদন্তের জন্য সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। অভিযান সমাপ্ত ঘোষণা করা হয়েছে। আপাতত জঙ্গি আস্তানার বাড়িটি কর্ডন করে রাখা হবে।

এর আগে অভিযানস্থল পরিদর্শন শেষে বেলা ১১টার দিকে র‌্যাবের মহাপরিচালক (ডিজি) বেনজীর আহমেদ সাংবাদিকদের জানান, বসিলায় ‘জঙ্গি আস্তানা’য় বিস্ফোরণে সেখানে থাকা সন্দেহভাজনদের মরদেহ ছিন্নভিন্ন হয়ে পড়ে আছে। আস্তানায় তিনটি পায়ের চিহ্ন পাওয়া গেছে। সে হিসেবে ধারণা করা হচ্ছে অন্তত দুইজনের মরদেহ রয়েছে।

তার আগে সকাল সোয়া ৯টার দিকে র‌্যাবের বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট ও স্পেশাল ফোর্সের সদস্যরা বাড়িটির ভেতরে ঢোকার খানিকক্ষণ পর মুফতি মাহমুদ সাংবাদিকদের জানান, আস্তানার ভেতরে কেউ জীবিত নেই। অবিস্ফোরিত অবস্থায় ইমপ্রোভাইজড এক্সপ্লোসিভ ডিভাইস (আইইডি) ছড়িয়ে-ছিটিয়ে রয়েছে।

জঙ্গি আস্তানার বাইরে র‌্যাব সদস্যদের সতর্ক অবস্থানখানিকক্ষণ পর মুফতি মাহমুদ খান বলেন, আস্তানার ভেতরে কেউ জীবিত নেই। অবিস্ফোরিত অবস্থায় আইইডি ছড়িয়ে-ছিটিয়ে রয়েছে। সেজন্য বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে কাজ করছে। অবিস্ফোরিত আইইডিগুলো নিষ্ক্রিয় করার কাজ করছে।

গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ভোর সাড়ে ৩টার দিকে ওই বাড়িটি ঘিরে ফেলা হয়। এরপর থেকেই বাড়িটি ঘিরে অভিযান চালাচ্ছে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব)। শুরুতেই ওই বাসার একটি কক্ষ থেকে বিস্ফোরণ ঘটানো হয়। এরপর ভেতর থেকে র‍্যাবকে লক্ষ্য করে গুলি ছুঁড়লে র‍্যাবও পাল্টা গুলি ছোঁড়ে।

এদিকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য বাসার কেয়ারটেকার সোহাগ, তার স্ত্রী মৌসুমী ও বাসার কাছের একটি মসজিদের ইমাম ইউসুফকে আটক করা হয়েছে। তবে বাসায় অবস্থান নেওয়া জঙ্গিদের বিষয়ে স্পষ্ট কোনো ধারণা পাওয়া যায়নি।

কেয়ারটেকার সোহাগ জানান, সন্দেহভাজন দুই যুবক এক/দেড় মাস আগে বাসাটি ভাড়া নেয়। তবে বাসা ভাড়া নেওয়ার সময় তারা কোনো নাম-ঠিকানা জমা দেয়নি।

ওই বাসার আরেক বাসিন্দা জুনায়েদ জানান, বাসাটিতে চারটি রুমে চার পরিবার থাকেন, তার একটিতে পরিবারসহ ভাড়া থাকেন তিনি। বাসার কেয়ারটেকার সোহাগ ডিশের ব্যবসা করেন। তবে সন্দেহভাজন জঙ্গিদের বিষয়ে স্পষ্ট ধারণা নেই তার।

Comments

comments

এমন আরো খবর:

Web developed by: AsadZone.Com

Send this to a friend