স্যাকমো দিয়ে চলছে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসা

0
0
সর্বমোট
0
শেয়ার

বগুড়ার শেরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ৫০ শয্যার অত্যাধুনিক ভবন নির্মিত হলেও মিলছেনা কাংখিত স্বাস্থ্যসেবা। চাহিদামত ডাক্তার না থাকায় চিকিৎসা চলছে উপ-সহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার (স্যাকমো) দিয়ে।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ২০১৮ সালের ২২ এপ্রিল শেরপুর উপজেলায় ১৩ কোটি ৮৮ লাখ ৪৪ হাজার টাকা ব্যয়ে নির্মিত অত্যাধুনিক চারতলা বিশিষ্ট ওপিডি ভবন সহ ৪টি ভবন সম্বলিত ৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতাল ভবনের উদ্বোধন করেন সাবেক স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা মন্ত্রী মোহাম্মাদ নাসিম এমপি। কিন্তু ভবন উদ্বোধনের এক বছর অতিক্রান্ত হলেও চালু হয়নি ৫০ শয্যার হাসপাতালের কাংখিত স্বাস্থ্যসেবা। ৩১ শয্যার জনবল, চিকিৎসক সংকটের কারনে রোগীদের ভোগান্তির মধ্যে দিয়েই চলছে সাড়ে ৪ লাখ মানুষের ভরসাস্থল শেরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটি।

শেরপুর উপজেলা হাসপাতালে বর্তমানে ১১ জন চিকিৎসকের পদ থাকলেও দুই জন চিকিৎসক প্রেষণে যাওয়ায় কর্মরত রয়েছেন ৭ জন চিকিৎসক। এর মধ্যে একজন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ও আরেক জন আবাসিক মেডিক্যাল অফিসার হিসাবে সার্বিক দায়িত্ব পালন করছেন। জুনিয়র কনসালটেন্ট (মেডিসিন), জুনিয়র কনসালটেন্ট (গাইনী) ও জুনিয়র কনসালটেন্ট (এনেস্থেথিয়া) পদে কোন চিকিৎসক নেই। বাকি ৫ জন চিকিৎসক ডিউটি রোষ্টার অনুসারে আন্তঃবিভাগ, জরুরী বিভাগে দায়িত্ব পালন করছেন।

কয়েকজন উপ-সহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার (স্যাকমো) বলেন, প্রয়োজনের তুলনায় ডাক্তার কম থাকায় আমাদের উপরে ভিষণ চাপ সৃষ্টি হয়েছে। এছাড়াও এমবিবিএস ডাক্তার না থাকায় জটিল রোগীদের নিয়ে আমাদের বিপাকে পরতে হচ্ছে। যদি দ্রুত প্রয়োজনীয় ডাক্তার নিয়োগ দেয়া না হয় তাহলে স্বাস্থ্যসেবা ভেংঙ্গে পরার সম্ভাবনা রয়েছে।

এ ব্যাপারে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. আব্দুল কাদের বলেন, আমার যদি ডাক্তার নিয়োগ দেয়ার ক্ষমতা থাকতো তাহলে আজকেই নিয়োগের ব্যবস্থা করতাম। এক্ষেত্রে আমার হাত-পা বাধা। আমি ডাক্তারের চাহিদা পাঠিয়েছি। উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ সুযোগমত ডাক্তার নিয়োগ দিবেন। তখন আর এরকম দুর্দশা থাকবেনা বলে আমি আশা করি।

0
0
সর্বমোট
0
শেয়ার

Comments

comments