বিচারপতি সালমা মাসুদ চৌধুরীর বিরুদ্ধে রায় পাল্টে দেওয়ার অভিযোগ

0
0
সর্বমোট
0
শেয়ার

সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের এক বিচারপতির বিরুদ্ধে অনৈতিকভাবে আর্থিক লেনদেনের মাধ্যমে রায় পাল্টে দেয়ার অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ ওঠা সালমা মাসুদ চৌধুরী হাইকোর্ট বিভাগের দ্বিতীয় জ্যেষ্ঠ বিচারপতি।

বৃহস্পতিবার সকালে প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বাধীন আপিল বেঞ্চে এ অভিযোগ তোলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম। ন্যাশনাল ব্যাংকের ঋণ সংক্রান্ত এক রিট মামলায় অবৈধভাবে ডিক্রি জারির মাধ্যমে তিনি রায় পাল্টে দেন বলে অভিযোগ করেন তিনি।

অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে আপিল বিভাগ উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, ‘কত টাকার বিনিময়ে এই রায় দেয়া হয়েছে? আমাদের তা জানান। এমন আদেশ হাইকোর্ট দিতে পারে না। এটা নজিরবিহীন।’ পরে আপিল বিভাগ সংশ্লিষ্ট রায়টি বাতিল করে দেন।

পরে অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম, জ্যেষ্ঠ আইনজীবী খন্দকার মাহবুব হোসেন, ফিদা এম কামাল ও রোকন উদ্দিন মাহমুদসহ বেশ কয়েকজন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী প্রধান বিচারপতিকে বিচারপতি সালমা মাসুদের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপতির কাছে অভিযোগ দেয়ার পরামর্শ দেন।

জানা যায়, সকাল ১০টা ৪০ মিনিটে বিচারপতি সালমা মাসুদ চৌধুরী এজলাসে বসেন। তবে এই অভিযোগ ওঠার পর কোনও আইনজীবী হাইকোর্টের সেই বেঞ্চে হাজির হননি। পরে তিনি এজলাস ছেড়ে যান।

প্রসঙ্গত, দুই বাসের চাপায় হাত হারিয়ে নিহত রাজীবের মামলার রায়সহ অসংখ্য রায় দিয়েছেন তিনি। ১৯৮১ সালে সালমা মাসুদ চৌধুরী ঢাকা জেলা জজ আদালতে আইন পেশা শুরু করেন। পরে হন হাইকোর্টের আইনজীবী। কোর্টের আপিল বিভাগে আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্ত হওয়ার পর ২০০২ সালে ফেব্রুয়ারি সালমা মাসুদ চৌধুরী হাইকোর্টের অতিরিক্ত বিচারক নিযুক্ত হন। এর দুই বছর পর তিনি হাইকোর্টের স্থায়ী বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ পান।

0
0
সর্বমোট
0
শেয়ার

Comments

comments