নিবন্ধন : ডিএ নং- ৬৩২৯ || মঙ্গলবার , ২৩শে জুলাই, ২০১৯ ইং , ৮ই শ্রাবণ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ , ১৯শে জিলক্বদ, ১৪৪০ হিজরী
শিরোনাম

পার্বতীপুরে বোরো ধান ক্ষেতে নেক ব্লাষ্ট রোগের আক্রমণ

পার্বতীপুরে বোরো ধান ক্ষেতে নেক ব্লাষ্ট রোগের আক্রমণ

দিনাজপুরের পার্বতীপুরে বোরো ধান ক্ষেতে নেক ব্লাস্ট রোগের আক্রমণ দেখা দিয়েছে। ওষুধ ছিটিয়েও মিলছে না প্রতিকার। এ অবস্থায় বোরোর আবাদ নিয়ে কৃষকরা দুশ্চিতায় আছেন। কৃষক ভলো ফলনের স্বপ্ন দেখে। শীষ বের হওয়ার পূর্বে অথবা পরে হঠাৎই সেগুলো আক্রান্ত হচ্ছে বাইকোলারিস অরাইজি ছত্রাক সৃষ্ট নেক ব্লাস্ট রোগে। রোগের আক্রমনে ধানের পাতা, গিট, শীষের গোড়া, শাখা-প্রশাখা কালো, দুর্বল হয়ে এবং পানি ও খাদ্য গ্রহণ করতে না পারায় ধান পুষ্ট হওয়ার আগে চিটা হয়ে যাচ্ছে শীষের সব ধান, মরে যাচ্ছে ধানগাছগুলো।

উপজেলা কৃষি অফিস জানায়, চলতি বোরো মৌসুমে উপজেলায় ২৪ হাজার ২শ’ ১০ হেক্টর জমিতে বোরো আবাদের লক্ষ মাত্রা নির্ধারণ করা হয়। এতে উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ২৪ হাজার ১শ’ ৯০ হেক্টর জমি নির্ধারণ করা হয়। এবার উপজেলায় ৯৬ হাজার ৪৩৮ মেট্রেক টন বোরো চাল উৎপাদিত হবে। এর হাইব্রীড জাতের এসএলএইচ, পাইনিয়র, এসিআই-১-২, ব্রী ধান-৬৩ এক হাজার ৯৫০ হেক্টর এবং উপসি জাতের বিআর ধান-১৬, মিনিকেট, বিভিন্ন জাতের ব্রী ধান-২৮, ২৯, ৫৮, ৮১, ধানে ব্যাপক নেক ব্লাষ্ট দেখা দিয়েছে।

উপজেলার সব ইউনিয়ন ঘুরে দেখা গেছে এ অবস্থা। উপজেলার পলাশবাড়ী ইউনিয়নের বড় হলদীবাড়ী গ্রামের কৃষক নুরুজামান, হরিরামপুর এলাকার রাসেল মিয়া, আফছার আলী, চন্ডিপুর ইউনিয়নের কালিকাবাড়ী ডাঙ্গাপাড়া গ্রামের মফিজুল ইসলাম, আনিছুর রহমান, মনছার আলী, মন্মথপুর ইউনিয়নের তাজনগর গ্রামের আবুজার হোসেন, হাবড়া ইউনিয়নের উত্তর রসুলপুর গ্রামের রুবেল সরকার, নাজমুল হক, মোস্তাফিজার রহমান, মোস্তফাপুর ইউনিয়নে মামুনুর রশিদ বলেন, এলাকার ধান ক্ষেতে নেক ব্লাস্ট রোগের আক্রমনে ফসল ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। ওষুধ ছিটিয়েও প্রতিকার মিলছে না। এতে আমরা শংকিত হয়ে পরেছি।

রামপুর ইউনিয়নের বৃত্তিপাড়া গ্রামের মাহমুদুল হাসান বলেন, নেক ব্লাষ্ট আক্রমণ ঠেকাতে কৃষকরা কীটনাশক প্রয়োগ করছেন। কীটনাশক প্রয়োগ করে কোনো কাজ হয়নি।

পার্বতীপুর কৃষি অধিদপ্তরের কর্মকর্তা মো. রাকিবুজ্জামান জানান, সময়মত জমিতে পার্চিং না করায় ক্ষেতে নেক ব্লাষ্টের আক্রমণ দেখা দিয়েছে। জমিতে অতিরিক্ত নাইট্রোজেন সার প্রয়োগ, রোগাক্রান্ত বীজ ব্যবহার, দিনে প্রচণ্ড গরম ও রাতে ঠান্ডা অবস্থা বিরাজ করায় রোগটি দেখা দিচ্ছে। তবে কৃষি বিভাগের মাঠকর্মী সংশ্লিষ্টরা কৃষকের ফসল রক্ষার্থে সার্বক্ষণিক পরামর্শ দেয়া হচ্ছে।

Comments

comments

এমন আরো খবর:

Web developed by: AsadZone.Com
x

Send this to a friend