নিজের এবং সন্তানের স্বীকৃতির দাবিতে নারীর অনশন

0
0
সর্বমোট
0
শেয়ার

পিরোজপুরের ভাণ্ডারিয়া উপজেলার এক নারী নিজের এবং ১৩ বছর বয়সী সন্তানের স্বীকৃতির দাবিতে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে অনশন করেছেন এক নারী।

সোমবার (২৭ মে) সকালে পিরোজপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে সন্তানকে নিয়ে অনশন শুরু করেন জেলার ভাণ্ডারিয়া উপজেলার দক্ষিণ শিয়ালকাঠী গ্রামের মৃত প্রমথ রঞ্জন হালদারের মেয়ে পল্লবী রাণী বৈরাগী এবং তার একমাত্র ছেলে মানিক বৈরাগী।

অনশনরত পল্লবী রানী বৈরাগী জানান, ২০০৪ সালের ২৪ নভেম্বর তার নিজ গ্রামের হিরা লাল বৈরাগীর ছেলে অ্যাডভোকেট মানস কুমার বৈরাগীর সাথে সামাজিকভাবে ধর্ম মেনে বিয়ে হয় পল্লবীর। বর্তমানে মানস কুমার বৈরাগী পিরোজপুর জজ আদালতের একজন আইনজীবী। বিয়ের তিন মাস পর তার পরিবারের কাছে যৌতুক দাবি করে না পেয়ে পল্লবীকে বাড়ি থেকে তাড়িয়ে দেয় অ্যাডভোকেট মানস। পরের বছর একটি পুত্র সন্তানের জন্ম দেয় পল্লবী। কিন্তু এ সন্তান নিজের নয় দাবি করে মানস। এ নিয়ে আদালতে মামলাও হয়।

পরবর্তীতে ডিএনএ টেস্টেও প্রমাণিত হয় যে, মানসই ওই সন্তানের পিতা। এরপরও সে পল্লবী ও তার সন্তানকে মেনে নিতে অস্বীকৃতি জানায়। পরবর্তীতে নিরুপায় হয়ে আজ পল্লবী স্ত্রী হিসেবে স্বীকৃতি, সন্তানের পরিচয় এবং ভরণ পোষণের দাবিতে অনশন ধর্মঘটে বসেন। তবে পল্লবীকে সহযোগীতা করার জন্য এগিয়ে এসেছে স্থানীয় অনেক মহিলা।

অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত অ্যাডভোকেট মানস কুমার বৈরাগীর কোন বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে বিষয়টি নিয়ে বিব্রত আইনজীবীরা বলে জানান জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি। মানসের বিষয়টি আদালতে বিচারাধীন থাকায় এ নিয়ে তিনি কোন মন্তব্য করতে রাজি হননি।

0
0
সর্বমোট
0
শেয়ার

Comments

comments