নিবন্ধন : ডিএ নং- ৬৩২৯ || মঙ্গলবার , ২৪শে সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ইং , ৯ই আশ্বিন, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ , ২৩শে মুহাররম, ১৪৪১ হিজরী
শিরোনাম

মোহনপুরে গৃহবধূকে ধর্ষণের পর হত্যা মামলায় গ্রেফতার ২

মোহনপুরে গৃহবধূকে ধর্ষণের পর হত্যা মামলায় গ্রেফতার ২

রাজশাহীর মোহনপুরে গৃহবধূ আসমা বেগমকে (৪৫) ধর্ষণের পর কুপিয়ে হত্যা মামলার দুই আসামিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা হত্যার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন।

সোমবার (২৪ জুন) দুপুরে মোহনপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোস্তাক আহম্মেদ বাংলানিউজকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

গ্রেফতার আসামিরা হলেন- উপজেলার কেশরহাট পৌরসভার রায়ঘাটি গ্রামের মৃত ভাদু মন্ডলের ছেলে শামছুদ্দিন (৫০), হরিদাগাছি গ্রামের জহির উদ্দিনের ছেলে নুরুল ইসলাম (৫১)।

ওসি মোস্তাক আহম্মেদ জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রোববার (২৩ জুন) দিনগত রাতে কেশরহাট থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়। পরে সোমবার দুপুরে তাদের আদালতে হাজির করে পাঁচদিনের রিমান্ড চেয়ে রাজশাহী কারাগারে পাঠিয়েছে পুলিশ।

তাদের দেওয়া তথ্যানুযায়ী অন্য আসামিদের গ্রেফতারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলেও জানান পুলিশের এ কর্মকর্তা।

মোস্তাক আহম্মেদ জানান, হত্যা সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য উদঘাটন করার জন্য দুই আসামিকে আদালতে হাজির করে পাঁচ দিনের রিমান্ড চেয়ে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

রিমান্ডে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে হত্যাকাণ্ডের মূল রহস্য উন্মোচন করা যাবে বলেও উল্লেখ করেন এ পুলিশ কর্মকর্তা।

এর আগে গত শনিবার (২২ জুন) গৃহবধূর আসমা বেগমের মরদেহ উদ্ধারের পর ছেলে মাসুদ রানা বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা আসামি করে থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। ঘটনার পর থেকে রাজশাহী জেলা পুলিশের সদর সার্কেল অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সুমন দেবের নেতৃত্বে জেলা ডিবির সদস্যরা ও মোহনপুর থানার পুলিশ আসামি গ্রেফতারের জন্য চিরুনি অভিযান চালায়। এরই ধারাবাহিকতায় রোববার গভীর রাতে কেশরহাটে অভিযান চালিয়ে দুই আসামিকে গ্রেফতার করে মোহনপুর থানার পুলিশ।

মোহনপুর উপজেলার উষায়ের হাটরা গ্রামের মৃত মফিজ উদ্দিনের মেয়ে আসমা বেগম (৪৫) দ্বিতীয় বিয়ে করে বাবার বাড়িতে থাকতেন। সেখানে প্রথম স্বামীর পক্ষের এক ছেলে ও এক মেয়ে থাকতেন। মেয়ের বিয়ের পর ছেলে মাসুদ রানা (২২) নিয়ে হাটরা গ্রামে বাবার বাড়িতেই থাকতেন। শুক্রবার (২১ জুন) রাতে ওই গৃহবধকে বাড়ি থেকে প্রায় এক কিলোমিটার দূরে ক্ষেতের মধ্যে ধর্ষণের পর কুপিয়ে হত্যা করা হয়।

Comments

comments

এমন আরো খবর:

Web developed by: AsadZone.Com

Send this to a friend