নিবন্ধন : ডিএ নং- ৬৩২৯ || মঙ্গলবার , ২০শে আগস্ট, ২০১৯ ইং , ৫ই ভাদ্র, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ , ১৮ই জিলহজ্জ, ১৪৪০ হিজরী
শিরোনাম

ডিআইজি মিজানের ভাগনে এসআই মাহমুদুল কারাগারে

ডিআইজি মিজানের ভাগনে এসআই মাহমুদুল কারাগারে

আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জনে দুদকের করা মামলায় সাময়িক বরখাস্ত পুলিশের উপ-মহাপরিদর্শক (ডিআইজি) মিজানুর রহমানের ভাগনে এসআই মাহমুদুল হাসানকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

বৃহস্পতিবার (৪ জুলাই) ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করেন এসআই মাহমুদুল। অপরদিকে দুদকের আইনজীবীরা জামিনের বিরোধিতা করেন। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে ঢাকা মহানগর দায়রা জজ কে এম ইমরুল কায়েশ জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

এসআই মাহমুদুলের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী রেজাউল করিম ও কাজী নজিবুল্লাহ হিরু। অপরদিকে দুদকের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী মোশারফ হোসেন কাজল ও জাহাঙ্গীর আলম।

এর আগে ১ জুলাই হাইকোর্টে আগাম জামিনের আবেদন করেন এসআই মাহমুদুল। বিচারক নিম্ন আদালতে হাজিরের নির্দেশ দেন। গত ২ জুলাই ডিআইজি মিজানুর রহমানের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন ঢাকা মহানগর দায়রা জজ কে এম ইমরুল কায়েশ।

১ জুলাই হাইকোর্টে আগাম জামিনের জন্য গেলে ডিআইজি মিজানকে গ্রেফতারের নির্দেশ দেন বিচারপতি ওবায়দুল হাসান ও বিচারপতি এসএম কুদ্দুস জামানের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ। এ সময় মিজানকে তাৎক্ষণিক হাইকোর্ট পুলিশের হাতে তুলে দেন আদালত। গ্রেফতারের পর তাকে শাহবাগ থানায় নেয়া হয়।

উল্লেখ্য, মিজানুর রহমান ঢাকা মহানগর পুলিশে (ডিএমপি) অতিরিক্ত কমিশনার হিসেবে কর্মরত ছিলেন। বিয়ে গোপন করে নিজের ক্ষমতার অপব্যবহার করে স্ত্রীকে গ্রেফতার করানোর অভিযোগ উঠেছিল তার বিরুদ্ধে। এছাড়া এক সংবাদ পাঠিকাকে প্রাণনাশের হুমকি ও উত্ত্যক্ত করার অভিযোগে মিজানুরের বিরুদ্ধে বিমানবন্দর থানায় সাধারণ ডায়েরিও (জিডি) হয়। নারী নির্যাতনের অভিযোগে গত বছরের জানুয়ারির শুরুর দিকে তাকে প্রত্যাহার করে পুলিশ সদর দফতরে সংযুক্ত করা হয়।

দুদক কর্মকর্তার সঙ্গে ঘুষ লেনদেনের বিষয়টি সামনে আসার পর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় মিজানকে সাময়িক বরখাস্তের প্রস্তাব রাষ্ট্রপতির অনুমোদনের জন্য পাঠায়। পরে ২৫ জুন মিজানুর রহমানকে সাময়িক বরখাস্তের প্রস্তাবে অনুমোদন দেন রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ।

অন্যদিকে মিজানের ঘুষ লেনদেনের বিষয়টি খতিয়ে দেখতে তিন সদস্যের কমিটি গঠন করেছে পুলিশ প্রশাসন। কমিটির প্রতিবেদন পাওয়ার পর তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে প্রশাসন।

২৪ জুন ৩ কোটি ৭ লাখ টাকার সম্পদের তথ্য গোপন ও ৩ কোটি ২৮ লাখ টাকা অবৈধভাবে অর্জনের অভিযোগে মিজানুরের বিরুদ্ধে মামলা করে দুদক। মামলায় মিজানুর রহমান, তার স্ত্রী সোহেলিয়া আনার রত্না, ছোট ভাই মাহবুবুর রহমান ও ভাগনে পুলিশের কোতোয়ালি থানার এসআই মো. মাহমুদুল হাসানকে আসামি করা হয়।

Comments

comments

এমন আরো খবর:

Web developed by: AsadZone.Com

Send this to a friend