কমলগঞ্জ হাসপাতালে জেনারেটর না চলায় বাতি জ্বলে না, চলে না ফ্যান

0
0
সর্বমোট
0
শেয়ার

পল্লী বিদ্যুত সঞ্চালন লাইনের উন্নয়ন ও সংস্কারের কাজের কারণে শনিবার (০৩ আগস্ট) সকাল ৯টা থেকে টানা ৮ ঘন্টা অন্ধকারে ছিল মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জ উপজেলা। দিনের বাকিটা সময়ে ছিল বিদ্যুতের আসা-যাওয়ার ভেলকিবাজি। ভাপসা গরমের মধ্যে বিদ্যুতের আসা যাওয়া খেলায় চরম দুর্ভোগে ছিলেন উপজেলাবাসী। তার চেয়েও দুর্ভোগে ছিলেন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের রোগীরা।

 

 

সরজমিনে কমলগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গিয়ে এক ভুতুড়ে পরিবেশ দেখা যায়। বিদ্যুত না থাকায় ভাপসা গরমে চিকিৎসা সেবা নিতে আসা রোগীরা আরো অসুস্থ হয়ে পড়ছেন। বিশেষ করে শিশু রোগীদের অবস্থা ছিল করুন। গরমে শিশুদের কান্নায় এ এক অন্য রকম পরিবেশের তৈরি হয়। এ সময় রোগীর সাথে থাকা স্বজনরা হাত পাখা দিয়ে তাদের বাতাস করার চেষ্টা করেন। 

 

 

অথচ  সরকারি এ হাসপাতালটিতে একটি ক্ষমতা সম্পন্ন জেনারেটর রয়েছে। কেন জেনারেটর চলে না জানতে জেনারেটর রুমে গিয়ে দেখা গেল তালা ঝুলছে। তালা দেখে মনে হলো তালাটি বিগত দুই বছরেও  খুলা হয়নি। লোহার শিকলের ভিতরে দেখা গেল জেনেরেটরের লাইন লাগানো। কিন্তু জেনারেটরটি রহস্যজনক কারণে চলে না। জেনারেটর না চলায় ফ্যানও চলে না বাতিও জ্বলে না। হাসপাতালের পুরুষ ওয়ার্ডে গিয়ে দেখা যায় একাটা বাল্ব রয়েছে। একই অবস্থা মহিলা ওয়ার্ডেও।

 

 

ভুক্তভোগী জুয়েল আহমেদ বলেন, আমি আমার চাচাকে নিয়ে এসেছি, এত গরমে এখানে থাকা কষ্টকর এর একটা ব্যবস্থা নেয়ার জন্য কর্তৃপক্ষের কাছে আকুল আবেদন করেন।

 

তা ছাড়া ভুক্তভোগী পৃথক দুই বাচ্চার মা বলেন আজ সারা দিন বিদ্যুৎ না থাকায় এখানে/ হাসপাতালে থাকা ছিল অনেক কষ্টকর, আমরা দরিদ্র মানুষ যাদের টাকা আছে তারা প্রাইভেট ক্লিনিকে গিয়ে চিকিৎসা নিতে পারে, যেখানে এসি লাগানো থাকে।আমাদের টাকা নাই বলে কি আমারা সরকারি হসপিটালে ভাল ভাবে চিকিৎসা নিতে পারবনা, শুনেছি বর্তমান সরকার, সরকারি হসপিটালের জন্য বিভিন্ন অনুদান দিচ্ছে তাহলে কি আমাদের মত এই গরিবদের ক্লিনিকে একটা জেনারেটর লাগানো সম্ভব নয়।

 

এছাড়াও হসপিটালের বাহিরের অবস্থা ছিল ভিতরের থেকে আর ভুতুড়ে, হরর মুভি শুটিং করার মত সেরা একটা জায়গা কারণ বাহিরে ছিল না কোন বাল্ব ছিল শুধু অন্ধকার। 

0
0
সর্বমোট
0
শেয়ার

Comments

comments