নিবন্ধন : ডিএ নং- ৬৩২৯ || রবিবার , ২৫শে আগস্ট, ২০১৯ ইং , ১০ই ভাদ্র, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ , ২৩শে জিলহজ্জ, ১৪৪০ হিজরী
শিরোনাম

ওসির নেতৃত্বে গণধর্ষণ: ঘটনা তদন্তে ৩ সদস্যের কমিটি পুলিশের

ওসির নেতৃত্বে গণধর্ষণ: ঘটনা তদন্তে ৩ সদস্যের কমিটি পুলিশের

খুলনার জিআরপি (রেলওয়ে) থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ওসমান গনি পাঠানের নেতৃত্বে পাঁচ পুলিশ কর্মকর্তার হাতে এক নারী আসামির গণধর্ষণের ঘটনা তদন্তে একটি কমিটি গঠন করেছে পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স।

 

বাংলাদেশ পুলিশের এআইজি (মিডিয়া অ্যান্ড পিআর) মো. সোহেল রানা স্বাক্ষরিত এক প্রেস বার্তায় জানানো হয়, তিন সদস্যের এ কমিটির প্রধান করা হয়েছে পুলিশ সুপার (এসপি) পদমর্যাদার একজন নারী পুলিশ কর্মকর্তাকে। কমিটিকে আগামী সাত কার্য দিবসের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।

 

এতে বলা হয়, রেলওয়ে পুলিশ খুলনার ৫ পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধে করা এক নারী আসামিকে ধর্ষণের অভিযোগ সংক্রান্ত বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদ পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের নজরে এসেছে। অভিযোগটি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে এ বিষয়ে অনুসন্ধান করে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য পুলিশ সুপার পদমর্যাদার একজন নারী পুলিশ কর্মকর্তার নেতৃত্বে ৩ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্ত কমিটিকে সাত কার্যদিবসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করতে বলা হয়েছে।

 

এর আগে একই ঘটনায় পাকশী জিআরপির পুলিশ সুপার মো. নজরুল ইসলাম তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছেন। তদন্ত কমিটির প্রধান করা হয়েছে জিআরপির সহকারী পুলিশ সুপার ফিরোজ আহমেদকে।

 

কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন পুলিশ পরিদর্শক (নিরস্ত্র) শ. ম কামাল হোসাইন ও মো. বাহারুল ইসলাম। আগামী সাতদিনের মধ্যে কমিটিকে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেয়ার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

 

এদিকে, গণধর্ষণের শিকার নারীর (২১) ডাক্তারি পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে। সোমবার (৫ আগস্ট) দুপুরে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ফরেনসিক বিভাগে তার ডাক্তারি পরীক্ষা সম্পন্ন হয়।

 

এর আগে রবিবার (৪ আগস্ট) খুলনার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারকের কাছে থানার ভেতরে আটকে পাঁচ পুলিশের হাতে গণধর্ষণের বর্ণনা দেন ওই নারী। জিআরপি থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ওসমান গনি পাঠানসহ পাঁচ পুলিশ সদস্য থানায় আটকে তাকে ধর্ষণ করেছে বলে বিচারককে জানান ওই নারী।

 

২ আগস্ট সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে বেনাপোল থেকে খুলনাগামী একটি কমিউটার ট্রেনে ওই নারীকে এক নারী এসআইয়ের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল থানায় নিয়ে যায়। পরে ৫ বোতল ফেনসিডিল থাকার অভিযোগে খুলনা রেলওয়ে থানায় তার বিরুদ্ধে একটি মাদক মামলা রুজু করা হয়। পরের দিন সকাল সাড়ে ৯টার দিকে আসামি নারীকে আদালতে হাজির করা হয়।

Comments

comments

এমন আরো খবর:

Web developed by: AsadZone.Com

Send this to a friend