নিবন্ধন : ডিএ নং- ৬৩২৯ || মঙ্গলবার , ২৪শে সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ইং , ৯ই আশ্বিন, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ , ২৩শে মুহাররম, ১৪৪১ হিজরী
শিরোনাম

লাউয়াছড়ায় বন্যপ্রাণী অবমুক্ত

লাউয়াছড়ায় বন্যপ্রাণী অবমুক্ত

লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যানে বন্যপ্রাণী রক্ষায় তাদের খাদ্য উপযোগী ফলজ গাছ লাগাতে হবে। বনের গাছ চুরিতে বনকর্মী ও পাহারাদার জড়িত থাকলে তদন্ত অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে তাদের বিরুদ্ধে। লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান সংলগ্ন গ্রামগুলোর মানুষজনের হাত থেকে বনকে রক্ষায় গ্রামবাসীদের সরিয়ে আলাদা আবাসন তৈীর করা যায় কিনা সে বিষয়ে ভেবে দেখা হবে।

 

শনিবার (২৪ আগস্ট) বিকেল সাড়ে ৪টায় মৌলভীবাজাররে কমলগঞ্জের লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান পরিদর্শন ও কিছু বন্যপ্রাণী অবমুক্ত এবং কিছু ফলজ বৃক্ষরোপণ শেষে উপস্থিত সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে বন, পরিবেশ ও জলবায়ু বিষয়ক মন্ত্রী মো. শাহাব উদ্দীন এসব কথা বলেন।

 

লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যানে প্রবেশ করে আধা ঘণ্টার একটি একটি ট্রেইলে (পাহাড়ি পথে) সরকারি কর্মকর্তা ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের সঙ্গে হেঁটে বিকেল সাড়ে ৪টায় কিছু বন্যপ্রাণী অবমুক্ত করেন মন্ত্রী। বাংলাদেশ বন্যপ্রাণী সেবা ফাউন্ডেশনের আয়োজনে অবমুক্ত করা প্রাণীগুলোর মধ্যে ছিল ২টি অজগর সাপ, ১২টি অজগরের বাচ্চা, ২টি লজ্জাবতী বানর, ১টি মেছো বাঘ, ১টি হিমালয়ান পামসিভিট, ১টি খয়েরি ফনি মনসা, ১টি সবজু বোড়াল ২টি কালেম পাখি, ২টি সরালী হাঁস. ১টি সঙ্খিনী সাপ।

 

তাছাড়া ১টি বট বৃক্ষ ও বেশকিছু ফলজ ও ঔষধি গাছের চারা রোপণ করেন মন্ত্রী। পরে লাউয়্ছড়া বন বিশ্রামাগারের সন্নিকটে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে মন্ত্রী মো. শাহাব উদ্দীন বক্তব্য রাখেন।

 

লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যানসহ ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি মোসাদ্দেক আহমেদের সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন কমলগঞ্জ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মো. রফিকুর রহমান, মৌলভীবাজারের পুলিশ সুপার মো. ফারুক আহমেদ পিপিএম, কমলগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আশেকুল হক, শ্রীমঙ্গল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. নজরুল ইসলাম, সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (কমলগঞ্জ-শ্রীমঙ্গল সার্কেল) আশরাফুজ্জামান কমলগঞ্জ থানার ওসি মো. আরিফুর রহমান, শ্রীমঙ্গল থানার ওসি সালেক আহমদ, কমলগঞ্জ পৌরসভার মেয়র মো. জুয়েল আহমদ প্রমুখ।

 

বন ও পরিবেশ মন্ত্রী সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে বলেন, বন ও পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের বিধি অনুযায়ী বনাঞ্চলের ১০ কিলোমিটার এলাকার বাইরে করাতকল করতে হবে। আর পৌরসভা এলাকায় করা যাবে। অবৈধভাবে করাতকল হলে তদন্তক্রমে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। আর যেগুলো উচ্চ আদালতের মামলাধীন রয়েছে সেগুলো রায়েই সিদ্ধান্ত হবে।

Comments

comments

এমন আরো খবর:

Web developed by: AsadZone.Com

Send this to a friend