নিবন্ধন : ডিএ নং- ৬৩২৯ || বুধবার , ১৬ই অক্টোবর, ২০১৯ ইং , ১লা কার্তিক, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ , ১৬ই সফর, ১৪৪১ হিজরী
শিরোনাম

কেন্দ্রীয় যুবলীগ নেতার বিরুদ্ধে ৫ ভূমিহীন পরিবারের জমি দখলের অভিযোগে

কেন্দ্রীয় যুবলীগ নেতার বিরুদ্ধে ৫ ভূমিহীন পরিবারের জমি দখলের অভিযোগে

কেন্দ্রীয় যুবলীগ নেতা ও সাবেক পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী মাহবুব তালুকদারের এপিএস অ্যাডভোকেট শামিম আল সাইফুল সোহাগের বিরুদ্ধে পাঁচ ভূমিহীন পরিবারের জমি দখলের অভিযোগ উঠেছে। শনিবার দুপুরে পটুয়াখালীর কলাপাড়া প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ করেন উপজেলার বালিয়াতলী ইউনিয়নের ইনারা বেগম। তবে যুবলীগ নেতা সোহাগ এ অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।

 

ইনারা বেগম লিখিত অভিযোগে বলেন, পাঁচটি বন্দোবস্ত মামলার মাধ্যমে সরকার তাদের এই সাড়ে সাত একর জমি বন্দোবস্ত দেয় এবং তারা ওই জমিতে বসবাসকরাসহ চাষাবাদ করে আসছিলেন। যার প্রকৃত মালিক তাঁরা পাঁচটি পরিবার। যুবলীগ কেন্দ্রীয় কমিটির নেতা হওয়ায় ক্ষমতার অপব্যবহার করে শামিম আল সাইফুল সোহাগ সোনাপাড়া মৌজার খাস খতিয়ান ৩১৯১/৩১৯নং দাগের পাঁচ একর জমি ভূমি অফিসকে ভুল বুজাইয়া ডিসিআর নিয়ে মাছের ঘের করে। সাত বছর পূর্বে তাঁর ডিসিআরের মেয়াদ শেষ হলে তিঁনি তাঁদের জমি দখলে নেয়ার চেষ্টা করে। এর প্রতিবাদ করায় ঢাকা,পটুয়াখালী ও কলাপাড়ায় তাদের নামে ১১টি মামলা করা হয় হয়রানী করার জন্য।

 

তাঁদের অভিযোগ, আদালত তাদের দখলে থাকা জমিতে কাউকে অনুপ্রবেশ করার নিষেধাজ্ঞা প্রদান করলেও যুবলীগ নেতা সোহাগ তাদের জমির উপর বাঁধ দিয়ে জলাবদ্ধাতা সৃষ্টি করে। এ জলাবদ্ধতা নিরসনে কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর আবেদন করলে তাঁর নির্দেশে সরেজমিনে সত্যতা পেয়ে ভূমি কর্মকর্তারা স্থানীয় জন প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে বাঁধ কেটে তাঁদের জলাবদ্ধতা থেকে রক্ষা করে। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে জনৈক মাকিত হোসেনকে বাদী বানিয়ে গত ১৭ সেপ্টেম্বর ভূমিহীন নুর ছায়েদ হাওলাদার, তহশিলদার কামরুল ইসলাম,সোহেল, নোয়াব আলী, নুর মোহাম্মদ, নুর ইসলাম, ও ইনারা বেগমকে আসামী কলাপাড়া জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে মামলা করেন।

 

ইনারা বেগমসহ ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারগুলোর আর্তি, যুবলীগ নেতা হওয়ায় তার সন্ত্রাসী বাহিনী মাকিত, রিপন, মাসুদ ও খলিল বহিনী দিয়ে তাঁদের প্রতিনিয়ত হুমকি দিচ্ছে। একের পর এক মামলা দিয়ে হয়রানী করছে। তাঁরা যুবলীগ নেতা সোহাগের রোষানল থেকে মৃক্তির জন্য প্রধানমন্ত্রীসহ প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন।

 

এ ব্যাপারে যুবলীগ কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী মাহবুব তালুকদারের এপিএস অ্যাডভোকেট শামিম আল সাইফুল সোহাগ, তাঁর বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, তিঁনি ওই পাঁচ পরিবারের জমিতে কোন ধরনের কর্মকান্ড পরিচালনা করছেন না।

Comments

comments

এমন আরো খবর:

Web developed by: AsadZone.Com

Send this to a friend