নিবন্ধন : ডিএ নং- ৬৩২৯ || শুক্রবার , ১৫ই নভেম্বর, ২০১৯ ইং , ১লা অগ্রহায়ণ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ , ১৭ই রবিউল-আউয়াল, ১৪৪১ হিজরী
শিরোনাম

ড্রেজিংয়ের নামে ব্যয় হচ্ছে কোটি টাকা কিন্তু কাটছে না নাব্যতা সংকট

ড্রেজিংয়ের নামে ব্যয় হচ্ছে কোটি টাকা কিন্তু কাটছে না নাব্যতা সংকট

মাদারীপুরের শিমুলিয়া-কাঠালবাড়ি দেশের অন্যতম একটি গুরুত্বপূর্ণ ফেরিঘাট। এই রুটে প্রতিনিয়ত চলাচল করছে দক্ষিণাঞ্চলের ২১ জেলার প্রায় ৩০ হাজার মানুষ। তবে চলাচলের ক্ষেত্রে মাঝে মাঝেই পড়তে হয় বিড়ম্বনায়। নাব্যতার কারণে প্রায়-ই বন্ধ হয়ে যায় ফেরি চলাচল। প্রতিবছর ড্রেজিংয়ের নামে কোটি কোটি টাকা ব্যয় হলেও কোনক্রমেই দূর হচ্ছে না নাব্যতা সংকট নামের এই ভোগান্তি। সমাজের বিশিষ্টজনেরা এই সমস্যার সমাধান না হওয়ার ক্ষেত্রে দুর্নীতি আর উদাসীনতা অভিযোগ করছেন প্রকল্পে দায়িত্বরত প্রশাসনের দিকে।

 

শিমুলিয়া-কাঠালবাড়ি নৌরুটে চলাচলকারী ফেরিগুলোর স্বাভাবিকভাবে চলাচলের ক্ষেত্রে ৭ থেকে ৮ ফুট গভীরতার পানির প্রয়োজন হয়। জোয়ার-ভাটাসহ নানা কারণে চ্যানেলে পলি পড়ায় পানির গভীরতা নেমে আসে ৩-৫ ফুটে। তখন বন্ধ হয়ে যায় ফেরি চলাচল। এই নাব্যতা সংকট দূরীকরণে বছরের পর বছর কোটি টাকা ব্যয়ে ড্রেজিং করে পলি ফেলা হয় নদীর পাড়ে।তীব্র স্রোতের কারণে সেই পলি নদীর একই স্থানে পড়ে পুনঃরায় সৃষ্টি হয় নাব্যতা সংকট। আর একারণেই মাঝে-মাঝেই বন্ধ হয়ে যায় ফেরি চলাচল।

 

কথা হয় দুর্ভোগের শিকার হওয়া বরিশালের বরগুনা থেকে আসা আরমান হোসেন নামের এক যাত্রীর সাথে। তিনি বলেন, সকালে ফেরিঘাটে এসে পৌঁছেছি আর এখন বাজে বেলা ১২টা। বসে থাকতে হচ্ছে ঘন্টার পর ঘন্টা। ফেরি পাচ্ছি না। পারাপার হতে গেলেই আটকে যায় ফেরি আর চলে না।

 

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক নাগরিক কমিটির এক সদস্য বলেন, কর্তৃপক্ষের চরম উদাসীনতা আর দুর্নীতির ফলেই হচ্ছে না এই সমস্যার সমাধান। পলি জমলে তা ফেলা হয় নদীর পাড়ে। সেই পলি স্রোতের কারণে একই স্থানে পড়ে পুনঃরায় সৃষ্টি হয় নাব্যতা সংকট। তাহলে এই প্রক্রিয়ায় লাভটা হচ্ছে কি? প্রকল্পে দায়িত্বরতরা তো একটা স্থায়ী সমাধান গ্রহণ করতে পারে। কিন্তু তারা সেটা না করে ড্রেজিংয়ের নামে কোটি টাকা ব্যয় করছে। এর দায়ভার তারা এড়াতে পারে না।

 

এই বিষয়ে শিবচর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ আল নোমান জানান, খনন কাজে অনিয়মের কোনো তথ্য আমার জানা নেই। তবে দুর্নীতি বা অন্য কোন অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে ব্যাবস্থা নেয়া হবে।

Comments

comments

এমন আরো খবর:

Web developed by: AsadZone.Com

Send this to a friend