দেশ থেকে প্রতিবছর সাতশ’ থেকে আটশ’ কোটি টাকা পাচার হচ্ছে: হাছান মাহমুদ

0
0
সর্বমোট
0
শেয়ার

তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেন, বিদেশি ডিটিএইচ কোম্পানিকে বাংলাদেশে ডিভাইস বসিয়ে সম্প্রচার করার জন্য অনুমোদন দেওয়া হয়নি। সুতরাং বিদেশি যেসব ডিটিএইচ বিভিন্নজন ব্যবহার করছেন বা যাদের মাধ্যমে ব্যবহার করা হচ্ছে, পুরোটাই অবৈধ। বাংলাদেশে কয়েক লাখ বিদেশি ডিটিএইচ লাগানো হয়েছে। এগুলো বিদেশ থেকে কেনা হয়। বাংলাদেশের টাকা হুন্ডির মাধ্যমে যায়, সেখান থেকে কেনা হয়। বাংলাদেশের এগুলো যারা ব্যবহার করে, তাদের কাছ থেকে এক বছরের ফি নিয়ে নেওয়া হয়। কারণ, কোম্পানি বিদেশি হওয়ায় প্রতিমাসে ফি নেওয়া কঠিন। সেসব টাকাও আবার হুন্ডির মাধ্যমে বিদেশে পাচার করা হয়। এভাবে দেশ থেকে প্রতিবছর সাতশ’ থেকে আটশ’ কোটি টাকা পাচার হচ্ছে। এটি চলতে দেওয়া যায় না। আমরা এ বিষয়ে নিজেদের মধ্যে আলোচনা করেছি, ১৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত সময় দিচ্ছি। যারা এসব ডিভাইস ব্যবহার করছেন, তাদের ১৫ ডিসেম্বরের মধ্যে এসব সরিয়ে নিতে হবে। এরপর আমরা মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করবো ও আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

 

 

বুধবার (৯ অক্টোবর) সচিবালয়ে তথ্য মন্ত্রণালয় সভাকক্ষে টিভি শিল্পী, নাট্যকার ও অনুষ্ঠান নির্মাতাদের সার্বজনীন সংগঠন এফটিপিও’র (ফেডারেশন অব টিভি প্রফেশনালস অর্গানাইজেশনস) সঙ্গে মতবিনিময় কালে তিনি এসব কথা বলেন।

 

তিনি বলেন, এতদিন বাংলাদেশের টেলিভিশনে যেসব বিদেশি সিরিয়াল চলছিল, সেগুলোর জন্য অনুমতি নেওয়ার কোনো বালাই ছিল না। অনুমতি ছাড়াই বিদেশ থেকে সিলিয়াল এনে ডাবিং করে বিভিন্ন চ্যানেলে চালানো হচ্ছিল। কিন্তু, এটি সমীচীন নয়। তাই, আমরা ইতোমধ্যেই নির্দেশনা জারি করেছি যে, বিদেশ থেকে আনা যেকোন সিরিয়াল চালানোর জন্য সরকারের অনুমোদন লাগবে।

 

হাছান মাহমুদ বলেন, একটি বিদেশি সিনেমা আমদানির জন্য অনুমোদন লাগে। সিনেমা তো তিন ঘণ্টা চলে। সেখানে সিরিয়াল ঘণ্টার পর ঘণ্টা চলে। এছাড়া, সিরিয়াল অনেক বেশি মানুষ দেখে। এ জন্য অবশ্যই অনুমোদন লাগবে। বর্তমানে যেসব সিরিয়াল চলছে, সেগুলোর জন্য কর্তৃপক্ষ অনুমোদনের জন্য আবেদন করছে। এসব সিরিয়াল যেন বন্ধ হয়ে না যায়, সে জন্য প্রাথমিকভাবে অনুমোদন দিচ্ছি। তবে, সিরিয়াল যাচাই-বাছাইয়ের জন্য একটা প্রিভিউ কমিটি থাকতে হবে। শিগগিরই একটা প্রিভিউ কমিটি করে দেবো। এই কমিটির মাধ্যমে এগুলো অনুমোদন দেওয়া হবে।

0
0
সর্বমোট
0
শেয়ার

Comments

comments