নিবন্ধন : ডিএ নং- ৬৩২৯ || শুক্রবার , ১৫ই নভেম্বর, ২০১৯ ইং , ১লা অগ্রহায়ণ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ , ১৭ই রবিউল-আউয়াল, ১৪৪১ হিজরী
শিরোনাম

কৃষক-কৃষি বাদ দিয়ে উন্নয়ন-শিল্পায়ন নয়: শেখ হাসিনা

কৃষক-কৃষি বাদ দিয়ে উন্নয়ন-শিল্পায়ন নয়: শেখ হাসিনা

কৃষক ও কৃষি বাদ দিয়ে দেশের উন্নয়ন ও শিল্পায়ন নয় বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বুধবার রাজধানীর ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে কৃষক লীগের সম্মেলনে দেয়া বক্তব্যে তিনি এ কথা জানান।

 

শেখ হাসিনা বলেন, কৃষকের স্বার্থ রক্ষার পাশাপাশি আমরা উন্নত হবো, শিল্পায়ন করবো, কৃষকদের বাদ দিয়ে নয়, কৃষিকে বাদ দিয়ে নয়। কাজেই আমাদের উন্নয়নে কৃষকদের সবসময় গুরুত্ব দিয়ে থাকি।

 

প্রধানমন্ত্রী বলেন, যত্রতত্র শিল্প কারখানা করা যাবে না। এজন্য ১০০টি অর্থনীতিক অঞ্চল করা হচ্ছে। যারা শিল্প কারখানা করতে চান তাদের সেখানে প্লট দেওয়া হবে।

 

বঙ্গবন্ধুকন্যা বলেন, ‘আওয়ামী লীগ কৃষি ও কৃষকবান্ধব সরকার। দেশের উন্নয়নের জন্য কৃষি ও কৃষকের উন্নয়ন জরুরি। কৃষকদের অধিকারকে গুরুত্ব দিয়েই পরিকল্পনা হাতে নিচ্ছে বর্তমান সরকার। উন্নয়ন প্রকল্প হাতে নেওয়ার সময় তাদের অগ্রাধিকার দেয়া হবে।’

 

কৃষকদের প্রতি সরকারের সহযোগিতার কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আওয়ামী লীগ সারের দাম কমিয়েছে। বিনা জামানতে কৃষকদের ঋণ দেওয়া হচ্ছে। কৃষকদের ১০ টাকায় একাউন্ট খোলার সুযোগ করে দিয়েছে। বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থদের বীজ ও সার দিয়ে সহায়তা করছে সরকার। ১১ বছরে দেয়া হয়েছে ৬৫ হাজার কোটি টাকা ভতুর্কি। কৃষির উন্নয়নের মাধ্যমে দেশ খাদ্য স্বয়ংসম্পূর্ণ হয়েছে।

 

কৃষক লীগের সভাপতি মোতাহার হোসেন মোল্লার সভাপতিত্বে সম্মেলন পরিচালনা করেন সাধারণ সম্পাদক শামসুল হক রেজা।

 

সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, অল ইন্ডিয়া কৃষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক অতুল কুমার অঞ্জনসহ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতারা।

 

বুধবার বেলা ১১টার দিকে রাজধানীর ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে পৌঁছান আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এ সময় সম্মেলন মঞ্চ থেকে স্লোগান দিয়ে তাকে অভিবাদন জানানো হয়।

 

দেশে কৃষির উন্নয়ন এবং কৃষকের স্বার্থরক্ষার জন্য বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭২ সালের ১৯ এপ্রিল বাংলাদেশ কৃষক লীগ প্রতিষ্ঠা করেন। সংগঠনটির কেন্দ্রীয় সম্মেলন হয় সর্বশেষ ২০১২ সালের ১৯ জুলাই। তিন বছর কমিটির মেয়াদ থাকলেও চলেছে প্রায় আট বছর। শুধু কেন্দ্রীয় কমিটি নয়, জেলা পর্যায়ের কমিটিগুলোও বিভিন্ন কারণে ঝিমিয়ে পড়েছে।

 

এমন অবস্থায় জাতীয় সম্মেলন ঘিরে প্রাণচাঞ্চল্য ফিরে এসেছে কৃষক লীগে। প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে গতকাল সকাল ১০টা থেকে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে অবাধ প্রবেশ বন্ধ করে দেয়া হয়। এ ছাড়া উদ্যোনে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।

Comments

comments

এমন আরো খবর:

Web developed by: AsadZone.Com

Send this to a friend