শিলংয়ে কারফিউ, ইন্টারনেট ও এসএমএস সেবা বন্ধ

0
0
সর্বমোট
0
শেয়ার

ভারতের সংসদে পাস হওয়া নাগরিকত্ব সংশোধনী বিলের (সিএবি) প্রতিবাদে ইতোমধ্যে ফুঁসে উঠেছে আসাম। সেখানে জারি রয়েছে জরুরি অবস্থা। এবার মেঘালয় রাজ্যের শিলংয়ে অস্থিরতা রুখতে রাজধানীর কিছু অংশে জারি করা হলো জরুরি অবস্থা। রাজ্যজুড়ে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে ইন্টারনেট ও এসএমএস সেবা।

শুক্রবার (১৩ ডিসেম্বর) ভারতীয় সংবাদমাধ্যম জানায়, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা থেকে এ কারফিউ জারি করা হয়েছে।মেঘালয়ের রাজধানী শিলং জরুরি অবস্থার কারণে কার্যত অচল হয়ে গেছে। এদিন মার্কেটগুলো বন্ধ ছিল এবং সড়কে দেখা যায়নি যানবাহনও।

স্থানীয়দের ধারণ করা ভিডিওতে দেখা যায়, পুলিশ বাজারের সড়কে দুটি গাড়িতে আগুন জ্বলছে।টুইটারে পোস্ট করা অন্য একটি ভিডিওতে দেখা যায়, শত শত মানুষের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত হয়েছে মশাল মিছিল।

উইলিয়ামনগরে একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিতে গেলে মুখ্যমন্ত্রী কনরাড সাংমাকে অবরুদ্ধ করে রাখে সিএবি বিলের বিরোধীতাকারীরা। এসময় তাদের ‘কনরাড গো ব্যাক’ লেখা ব্যানার বহন করতে দেখা যায়।এদিকে মেঘালয়ের পুলিশ এ পরিস্থিতিতে মিথ্যা তথ্য না ছড়ানোর অনুরোধ জানিয়েছে। রাজ্যের পরিস্থিতি শান্ত রাখতে জরুরি অবস্থা জারি এবং এসএমএস ও ইন্টারনেট সেবা বন্ধের বিষয়টিও জানানো হয়।

এর আগে ভারতে পাস হওয়া নাগরিকত্ব সংশোধনী বিলের (সিএবি) প্রতিবাদে আসামের গুয়াহাটিতে বিক্ষোভে পুলিশের গুলিতে তিনজন নিহত হয়েছেন। জরুরি অবস্থা উপেক্ষা করে মিছিল বের করা হলে তাদের ওপর গুলি চালানো হয়।বুধবার (১১ ডিসেম্বর) ভারতীয় সংসদের উচ্চকক্ষ রাজ্যসভায় নাগরিকত্ব সংশোধনী বিল (সিএবি) পাস হয়।

বিলে ১৯৫৫ সালের ভারতীয় নাগরিকত্ব আইন সংশোধন করে বাংলাদেশ, পাকিস্তান ও আফগানিস্তান থেকে যাওয়া হিন্দু, বৌদ্ধ, শিখ, জৈন, পারসিসহ অমুসলিম অবৈধ অভিবাসীদের নাগরিকত্ব দেওয়ার প্রস্তাব করা হয়।বিলটি পাসের পর আসামসহ ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্যগুলো বিক্ষোভে উত্তাল হয়ে ওঠে।বিক্ষোভকারীরা বলছেন, বিলটি পাস হওয়ার কারণে পাল্টে যাবে দেশের জনবিন্যাসের ধরন। কমে যাবে কাজের সুযোগ।

0
0
সর্বমোট
0
শেয়ার

Comments

comments