বেনাপোল বন্দরে আমদানি-রফতানি সাময়িক বন্ধ

0
0
সর্বমোট
0
শেয়ার

দেশের বৃহত্তম স্থল বন্দর বেনাপোল দিয়ে আমদানি রফতানি বন্ধ রয়েছে। সিঅ্যান্ডএফ স্টাফদের বাণিজ্যিক কাজে পেট্রাপোল বন্দরে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা জারি করায় বেনাপোল ও ভারতের পেট্রাপোল বন্দর দিয়ে আমদানি-রফতানি বন্ধ হয়ে যায়। তবে এ পথে দুই দেশের মধ্যে পাসপোর্টধারী যাত্রীদের যাতায়াত স্বাভাবিক রয়েছে।

মঙ্গলবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুর থেকে এ পথে আমদানি-রফতানি বন্ধ রয়েছে।

বেনাপোল সিঅ্যান্ডএফ স্টাফ অ্যাসোসিয়েশনের অর্থ সম্পাদক সুমন হোসেন জানান, বাণিজ্যিক সুবিধার্থে দুই পাশের সিঅ্যান্ডএফ স্টাফরা কাগজপত্র প্রস্তুত করতে বেনাপোল ও পেট্রাপোল বন্দরে যাতায়াত করে থাকেন। কিন্তু হঠাৎ করে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) সদস্যরা স্টাফদের বন্দরে যাতায়াতে নিষেধাজ্ঞা জারি করে। এতে আমদানি-রফতানি কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যায়।

বেনাপোল চেকপোষ্টে শান্তা এন্টার প্রাইজের মহসিন আলী ও জয়েন্ট ষ্টারের জাহান আলী বলেন, আমরা সকালে ভারতে প্রবেশ করতে চাইলে বিএসএফ বাধা দেয়। তারা বলে এভাবে প্রবেশ করা যাবে না। পাসপোর্ট নিয়ে প্রবেশ করতে হবে। তারা বলেন, আমরা ভারতে এবং ভারতের সিএন্ডএফ ব্যবসায়ীরা যদি কাগজপত্র আদান প্রদান করতে না পারি তবে ব্যবসা বানিজ্য মুখ থুবড়ে পড়বে। এই কাগজ পত্র পেয়ে উভয় দেশে আইজিএম খোলা হয় তারপর মালামাল দুই দেশে প্রবেশ করে।

বাংলাদেশি ট্রাকচালকেরা জানান, ভারতে প্রবেশের অপেক্ষায় পণ্য বোঝাই দুই শতাধিক ট্রাক আটকা পড়েছে। পেট্রাপোল বন্দরেও একই অবস্থা।

বেনাপোল বন্দরের উপ-পরিচালক (প্রশাসন) আব্দুল জলিল বলেন, কোনো আলোচনা ছাড়াই বিএসএফের এমন সিদ্ধান্ত বেআইনি। এতে বাণিজ্য বন্ধ রয়েছে। পেট্রাপোল বন্দর কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে বাণিজ্য সচল করার চেষ্টা করছি।

বেনাপোল কাস্টমসের কার্গ শাখার সহকারী কমিশনার উত্তম চাকমা জানান, সিএন্ডএফ এজেন্ট কর্মচারীরা যাতে তাড়া তাড়ি ভারতে প্রবেশ করতে পারে সেই চেষ্টা চালানো হচ্ছে। তবে ধারণা করা হচ্ছে সে দেশে আমেরিকান প্রেসিডেন্ট সফরের কারণে সীমান্ত জুড়ে কঠোর নজরদারীর ফলে বাংলাদেশ থেকে কোন সিএন্ডএফ কর্মচারীকে ভারতে ঢুকতে দিচ্ছে না।

0
0
সর্বমোট
0
শেয়ার

Comments

comments