অবৈধ ভাবে বালু উত্তলোন: উর্বরতা হারাচ্ছে শার্শায় কৃষি জমি

0
0
সর্বমোট
0
শেয়ার

যশোরের শার্শা উপজেলার ৬নং গোগা ইউনিয়নের অগ্র ভুলোট এলাকার স্থানীয় ইউপি সদস্য প্রভাব খাটিয়ে অবৈধ ভাবে বালু উত্তোলনের কারণে প্রায় ১হাজার হেক্টর আবাদী জমি উর্বরতা হারিয়ে ধ্বংসের পথে।

এলাকাবাসীর নানা অভিযোগ সত্তেও কোন কিছুর তোয়াক্কা না করেই স্থানীয় প্রশাসন ও ক্ষমতাধর ব্যাক্তিদের ম্যানেজ করেই চালাচ্ছেন বালুর ব্যবসা। বালু উত্তোলন এরিয়ায় গ্রামের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় অবস্থিত হওয়ায় বালু বহনে ব্যাবহৃত যানবাহন (ট্রাকটর, ট্রাক ও টলি) জোর পূর্বক শিশুদের খেলার মাঠে রাখায় শিশুদের খেলাধুলায় ব্যাঘাত ঘটান বলে অভিযোগ জানিয়েছেন শিক্ষকসহ কোমলমতি শিক্ষার্থীরা।

বালু উত্তোলন স্থলে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ২টি ডুজার মেশিন, পাইপ, ব্যালচা, ট্রলি ট্রাকটর ও উত্তলোনকৃত বালুর পাহাড়।

গ্রামবাসীর অভিযোগ বহিরাগতদের দিয়ে ভয়-ভিতি দেখিয়ে এলাকাবাসীকে জিম্মি করেই গত চারমাস ধরে চালাচ্ছে বালুর ব্যাবসা। এ কারণে কৃষি জমিগুলোতে পানির অভাবে শশ্য উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে।

এ ব্যাপারে উপজেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার(ভুমি) জানান, শুনেছি ইউপি মেম্বার বালু তোলে। এ বিষয়ে বারবার ইউপি চেয়ারম্যান ও স্থানীয় নায়েবকে অবৈধ্য বালু উত্তোলন বন্ধে দিক নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। যদি আইন অমান্য করে অবৈধ বালু উত্তোলিত হয় তাহলে দ্রুত ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করে প্রয়োজনীয় ব্যাবস্থা গ্রহন করবো।

অবৈধ্য বালু উত্তোলনের ব্যাপারে তবি মেম্বারের মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে ঘটনার সত্যতা জানিয়ে তিনি বলেন ১০/১২দিন ধরে বালু তুলে সরকারি কাজে ঘরবাড়ী করতে দিচ্ছি। প্রকল্পের নাম জানতে চাইলে তিনি চড়াও হয়ে বলেন আপনাকে ওতো জবাব দিতে হবে কেন। আপনি ইউপি সদস্য হওয়া স্বত্তেও সরকার নিষিদ্ধ অবৈধ্য কাজ করছেন প্রশ্নে সংযোগ কেটে দেন।

গণমাধ্যমের মাধ্যমে জেলা প্রশাসকের দৃষ্টি আকর্ষণ করে জনদূর্ভোগসহ কৃষি জমি ধ্বংসের হাত হতে রক্ষায় দ্রুত পদক্ষেপ চেয়েছেন ভুক্তভোগী এলাকার জনগণ।

0
0
সর্বমোট
0
শেয়ার

Comments

comments