প্রাণিসম্পদ কার্যালয়ের পিপিই: স্বস্তি ফিরালো বিরামপুরের চিকিৎসকদের মাঝে

0
0
সর্বমোট
0
শেয়ার

করোনা পরিস্থিতি ভয়াবহ আকার ধারণ করতে যাচ্ছে। বর্তমানে চিকিৎসকদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বিগ্ন সবাই। পার্সোনাল প্রোটেকশন ইকুইপমেন্ট (পিপিই) না থাকায় অনেকটা ঝুঁকি নিয়েই সেবা দিয়ে যাচ্ছেন তারা। এ অবস্থায় বিরামপুর উপজেলা প্রাণিসম্পদ কার্যালয়ে খোঁজ মিলল অত্যাধুনিক ৫০টি পিপিই গিয়ারের।

বিরামপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তৌহিদুর রহমান বলেন, করোনাভাইরাস বাংলাদেশে ছড়িয়ে পড়ার পর স্থানীয় চিকিৎসকসহ ভাইরাসটি প্রতিরোধে কর্মরতদের সুরক্ষার বিষয়টি সামনে আসে। তাই স্থানীয়ভাবে সুরক্ষা সামগ্রী সংগ্রহ বা তৈরির ভাবনা শুরু হয়। এ অবস্থায় সোমবার এক বন্ধু জানান, বাংলাদেশে বার্ড ফ্লু ছড়িয়ে পড়লে প্রাণিসম্পদ কার্যালয়ে ইউএসএইড থেকে পিপিই দেওয়া হয়েছিল। সেগুলোই এখন ব্যবহার করা সম্ভব। পরে প্রাণিসম্পদ গুদামে খোঁজ করে ৫০টি অত্যাধুনিক গিয়ার অব্যবহৃত অবস্থায় পাওয়া যায় ।

বিরামপুর উপজেলা প্রাণিসম্পদ কার্মকর্তা মো. ইদ্রিস আলী জানান, গুদামে খোঁজ করে ৫০টি পার্সোনাল প্রোটেকশন ইকুইপমেন্ট (পিপিই) পান। সেগুলো সম্পূর্ণ অব্যবহৃত থাকায় বিতরণ করা হয়েছে।

বিরামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা মো. সোলায়মান হোসেন জানান, পিপিইগুলো সম্পূর্ণ নতুন এবং উন্নতমানের হওয়ায় ব্যবহার করা যাবে। এগুলো পেয়ে চিকিৎসকদের মাঝে কিছুটা স্বস্তি ফিরে এসেছে।

বিরামপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তৌহিদুর রহমান জানান, দেশের প্রায় প্রতিটি প্রাণিসম্পদ কার্যালয়ে এ ধরনের পিপিই দেওয়া হয়েছিল। এগুলো ব্যবহারের পদক্ষেপ নিতে জেলা প্রশাসকসহ ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছেন।

0
0
সর্বমোট
0
শেয়ার

Comments

comments