থানার মধ্যে জুয়ার আসর, পুলিশ কর্মকর্তা প্রত্যাহার

0
0
সর্বমোট
0
শেয়ার

থানায় বসে পুলিশ সদস্যদের জুয়া খেলার ছবি ভাইরালের ঘটনায় দুইজনকে প্রত্যাহার (ক্লোজড) করা হয়েছে। তারা হলেন- সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) মো. হুমায়ুন এবং কনস্টেবল সুমন মাহমুদ। শনিবার রাতে তাদেরকে প্রত্যাহার করে পুলিশ লাইন্সে সংযুক্ত করা হয়।

থানায় বসে জুয়া খেলার এমন কর্মকাণ্ডের ছবি ছড়িয়ে পড়ায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়। তাদের এমন কাণ্ডে বিব্রত খোদ বাহিনীর ঊর্ধ্বতনরা। অনেকে বলছে, করোনা পরিস্থিতিতে সম্মুখ বহরে থেকে যুদ্ধ করছে পুলিশের দুই লাখ সদস্য। এরই মধ্যে সাড়ে তিন হাজারের বেশি সদস্য অদৃশ্য এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। মারাও গেছেন ১৩ জন। এই পরিস্থিতির মধ্যে পুলিশের এমন কাণ্ডে অনেকে বিব্রত হয়েছেন। ফেসবুকে অনেকে ছবিসহ পোস্ট দিচ্ছেন। সেখানে তাদেরকে আইনেরও আওতায় আনার দাবি জানিয়েছে।

জানা গেছে, এএসআই মো. হুমায়ুন এবং কনেস্টবল সুমন মাহমুদের বরগুনার বামনা থানার মধ্যে বসে জুয়া খেলছিল। এমন দুটি ছবি শনিবার রাতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে। এরপরই তাদের প্রত্যাহার করে পুলিশ লাইন্সে সংযুক্ত করা হয়।

থানায় বসে দুষ্টুমি করছিলেন বলে দাবি এএসআই হুমায়ুনের। তিনি বলেন- ‘আমরা অনেক আগে নিজেরা ব্যারাকে দুষ্টুমি করেছিলাম। আমাদের নিজেদের ভেতরের একজন সেই সময়ে গোপনে ছবি তুলে রেখেছিল। এখন তা প্রকাশ হয়েছে। এজন্য আমাকে থানা থেকে প্রত্যাহার করে পুলিশ লাইন্স সংযুক্ত করা হয়েছে।’

বামনা থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এস এস মাসুদুজ্জামান বলেন, ‘ইতোমধ্যেই এ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছেন পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। তদন্ত শেষে তারা এ বিষয়ে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।’

বরগুনার পুলিশ সুপার মারুফ হোসেন বলেন, ‘জুয়া খেলার ছবি প্রকাশিত হওয়ার পর ওই দুই পুলিশ সদস্যকে ইতোমধ্যেই থানা থেকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। এছাড়াও তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।’

0
0
সর্বমোট
0
শেয়ার

Comments

comments