আজঃ শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪
শিরোনাম

৫২ ডিগ্রি তাপমাত্রায় পুড়ছে পাকিস্তান

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৮ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৮ মে ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

তীব্র তাপদাহে পুড়ছে পাকিস্তান। দেশটির দক্ষিণাঞ্চলীয় প্রদেশ সিন্ধের ঐতিহাসিক শহর মোহেঞ্জোদারোর তাপমাত্রা পৌঁছেছে ৫২ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াসে।

আবহাওয়া দফতরের তথ্যানুসারে, সোমবার পাকিস্তানের দক্ষিণাঞ্চলীয় প্রদেশ সিন্ধের ঐতিহাসিক শহর মোহেঞ্জোদারোর তাপমাত্রা পৌঁছেছিল ৫২ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। যা এখন পর্যন্ত এই মৌসুমের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা।

বর্তমানে মোহেঞ্জোদারো সিন্ধ প্রদেশের একটি ছোট শহর। আর এই শহরের আবহাওয়া প্যাটার্ন হলো গ্রীষ্মকালে ব্যাপক গরম, শীতকালে মৃদু শীত এবং নিম্ন বৃষ্টিপাত, অর্থাৎ প্রায় মরু আবহাওয়া। তবে ছোটো শহর হলেও এখনো মার্কেট, বেকারি, চায়ের দোকান, মেশিন-ইলেকট্রনিক্স মেরামতসহ বিভিন্ন দোকানে রীতিমতো সরগরম থাকে মোহেঞ্জোদারো।

এ অঞ্চলের বাসিন্দা এবং রেস্টুরেন্ট মালিক ওয়াজিদ আলী (৩২) বলেন, লোকজন পারতপক্ষে ঘর থেকে বের হচ্ছে না। ফলে গত বেশ কয়েক দিন ধরে রেস্টুরেন্টে মানুষজন আসছে না। আমরা অলস সময় পার করছি।

মোহেঞ্জোদারোর স্থানীয় চিকিৎসক মুশতাক আহমেদ বলেন, অতি গরম আবহাওয়া থেকে বাঁচতে লোকজন খুব বেশি প্রয়োজন না থাকলে বাড়ি থেকে বের হচ্ছেন না।

দেশটির প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরীফের জলবায়ু বিষয়ক উপদেষ্টা রুবিনা খুরশীদ আলম বলেন, জলবায়ু পরিবর্তন ও উষ্ণতাবৃদ্ধির কারণে যেসব দেশ নিয়মিত বিভিন্ন আবহাওয়াগত দুর্যোগের শিকার হচ্ছে, সেসব দেশের তালিকায় পঞ্চম স্থানে রয়েছে পাকিস্তান।

প্রসঙ্গত, পাকিস্তানের ইতিহাসে সর্বোচ্চ দৈনিক তাপমাত্রার রেকর্ড ৫৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ২০১৭ সালের দেশটির দক্ষিণপশ্চিমাঞ্চলীয় প্রদেশ বেলুচিস্তানে এই তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছিল।


আরও খবর



সিলেটে ভারতীয় চিনি বোঝাই ১৪টি ট্রাক জব্দ

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৬ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৬ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
এস এ শফি, সিলেট

Image

সিলেটে নিয়ে আসার পথে ১৪টি ট্রাক বোঝাই ভারতীয় চিনি জব্দ করেছে পুলিশ। এ সময় একটি প্রাইভেটকার ও একটি মোটরসাইকেল আটক করা হয়।

বৃহস্পতিবার (৬ জুন) ভোর ৬টার দিকে জালালাবাদ থানার উমাইয়াগাও থেকে এসব চিনি জব্দ করা হয়।

সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-কমিশনার (উত্তর) আজবাহার আলী শেখ বলেন, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে আমরা অভিযান চালিয়ে ১৪টি ট্রাক ভর্তি ভারতীয় চিনি জব্দ করেছি। ১৪টি ট্রাকে মোট কত বস্তা চিনি রয়েছে তা এখন গণনা চলছে। পুলিশের ধারণা, কোটি টাকার বেশি মূল্য হবে।

তিনি বলেন, পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে চোরাকারবারিরা পালিয়ে যায়। কাউকে আটক করা যায়নি। তাদের ধরতে অভিযান চলছে।

ভারত থেকে চোরাইপথে চিনি আসে সিলেট ও মৌলভীবাজারসহ বিভিন্ন এলাকা দিয়ে। তবে সবচেয়ে বেশি চিনি আসে সিলেট অঞ্চলের সীমান্ত দিয়ে। কয়েক দিন পরপরই সিলেটে ধরা পড়ে অবৈধ চিনির চালান। অবৈধপথে ভারত থেকে বিপুল পরিমাণ চিনি দেশে আনছে অসাধু চক্র। এতে সরকার বিপুল পরিমাণ রাজস্ব হারাচ্ছে। এছাড়া ভারতীয় নিম্নমানের চিনির কারণে মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকিতে রয়েছে ভোক্তারা।


আরও খবর



কক্সবাজারগামী সকল ফ্লাইট বাতিল

প্রকাশিত:রবিবার ২৬ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ২৬ মে ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

প্রভাব ফেলতে শুরু করেছে ঘূর্ণিঝড় রিমাল। যার কারণে কক্সবাজারগামী সকল ফ্লাইট এবং কলকাতাগামী দুটি ফ্লাইট বাতিল করেছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস।

শনিবার (২৫ মে) রাতে বিমানের মহাব্যবস্থাপক (জনসংযোগ) বোসরা ইসলাম এ তথ্য জানিয়েছেন। তিনি জানান, আগামীকাল ২৬ মে কক্সবাজারগামী সকল ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। এ ছাড়া ২৬ মের কলকাতাগামী বিজি ৩৯৫ ফ্লাইট এবং ২৭ মের বিজি ৩৯১ ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে।

এদিকে ভয়ংকর রূপ নিতে শুরু করেছে ঘূর্ণিঝড় রিমাল। ধারণা করা হচ্ছে রোববার (২৬ মে) দুপুর নাগাদ অতিপ্রবল হিসেবে দেশের উপকূল অঞ্চলে আঘাত হানতে পারে ঝড়টি।

এখন পর্যন্ত ৭ নম্বর বিপৎসংকেতের কথা জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস। এ অবস্থায় উপকূলের ১৩টিসহ ১৮ জেলা রিমালের আঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে বলে জানিয়েছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী মহিববুর রহমান।

ঘূর্ণিঝড়ে নিরাপদ থাকতে কী করবেন?

১. বাড়ির কাছাকাছি থাকা মরা গাছের ডাল ছেঁটে ফেলুন। গাছের ব্যাপারে সতর্ক থাকুন। যাতে বাড়ির ওপর এসে না পড়ে।

২. টিনের পাতলা শিট, লোহার কৌটা যেখানে সেখানে পড়ে থাকলে এক জায়গায় জড়ো করুন। না হলে ঝড়ের সময় এর থেকে বিপদ হতে পারে।

৩. কাঠের তক্তা কাছে রাখুন যাতে কাচের জানালায় সাপোর্ট দেওয়া যায়।

৪. ফোন, ল্যাপটপ ও অন্যান্য জরুরি বৈদ্যুতিক যন্ত্র আগে থেকেই চার্জ দিয়ে রাখুন।

৫. হালকা শুকনো খাবার রাখুন বড়সড় বিপদের জন্য।

৬. পর্যাপ্ত পানি মজুত রাখুন।

৭. যে ঘরটি সবচেয়ে নিরাপদ সেখানে আশ্রয় নিন।

৮. বাড়ির পোষ্য ও গবাদি পশুদেরও নিরাপদ স্থানে এনে রাখুন।

৯. বিদ্যুৎব্যবস্থা ঠিক থাকলে টিভি খবরে নজর রাখুন। না হলে রেডিও চালিয়ে রাখতে পারেন।

১০. ঝড় থামতেই বাইরে বের হবেন না। অপেক্ষা করুন কারণ ঘূর্ণিঝড় চক্রাকারে ঘোরে।


আরও খবর
নয় অঞ্চলে ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের আভাস

বৃহস্পতিবার ২০ জুন ২০24




একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির আবেদন শুরু, ফি কত?

প্রকাশিত:রবিবার ২৬ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ২৬ মে ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল গত ১২ মে রোববার প্রকাশিত হয়েছে। একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির কার্যক্রম রোববার (২৬ মে) থেকে শুরু। এ প্রক্রিয়া চলবে আগামী ১১ জুন পর্যন্ত। এবার তিন ধাপে আবেদন নেওয়া হবে। ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণির ভর্তির নীতিমালা প্রকাশ করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। নির্ধারণ করা হয়েছে কলেজে সর্বোচ্চ ভর্তি ফি।

এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় এবার ১১টি শিক্ষা বোর্ডে মোট পরীক্ষার্থী ছিল ২০ লাখ ১৩ হাজার ৫৯৭ জন। এর মধ্যে পাস করেছে ১৬ লাখ ৭২ হাজার ১৫৩ জন। সারা দেশে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তিযোগ্য আসন আছে ২৫ লাখের মতো। সব শিক্ষার্থী ভর্তি হলেও একাদশ শ্রেণিতে ৮ লাখের বেশি আসন ফাঁকা থাকবে এবার। তাই এবার ফল ভালো হলেও শিক্ষার্থীর সংকটে পড়বে অনেক কলেজ।

ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের কারিগরি সহায়তায় কেন্দ্রীয়ভাবে অনলাইনে ভর্তির কাজটি হয়। আগের মতো এবারও একাদশ শ্রেণির ভর্তিতে কোনো বাছাই পরীক্ষা হবে না। এসএসসি ও সমমানের ফলের ভিত্তিতে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হবে। অবশ্য ঢাকার নটর ডেম কলেজসহ কয়েকটি প্রতিষ্ঠান তাদের নিজেদের মতো শিক্ষার্থী ভর্তি করে থাকে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয় প্রকাশিত একাদশ শ্রেণির ভর্তি নীতিমালায় বলা হয়েছে, চলতি বছর অনলাইনে নির্ধারিত ওয়েবসাইটে একাদশ শ্রেণির ভর্তির আবেদনের কার্যক্রম চলবে। অনলাইন ছাড়া সাধারণ শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ম্যানুয়ালি ভর্তির আবেদন নেওয়া হবে না। ১৫০ টাকা আবেদন ফি দিয়ে শিক্ষার্থীদের সর্বনিম্ন ৫টি এবং সর্বোচ্চ ১০টি কলেজে পছন্দক্রম দিতে হবে। একজন শিক্ষার্থী যতগুলো কলেজে আবেদন করবে, এগুলোর মধ্য থেকে তার মেধা, কোটা ও পছন্দক্রমের ভিত্তিতে একটিমাত্র কলেজে ভর্তির অবস্থান নির্ধারণ করা হবে।

একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির ক্ষেত্রে মোট শূন্য আসনের ৯৩ শতাংশ মেধা কোটা হিসেবে বিবেচিত হবে। এসব শূন্য আসন সবার জন্য উন্মুক্ত থাকবে। বাকি ৭ শতাংশের মধ্যে ৫ শতাংশ আগের মতোই বীর মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের জন্য বরাদ্দ থাকবে। অবশিষ্ট ২ শতাংশের ১ শতাংশ শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও ১ শতাংশ মন্ত্রণালয়ের অধীন দপ্তর-সংস্থায় কর্মরত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সন্তানদের জন্য রাখা হয়েছে। আগের মতো এবারও এসব আসনে শিক্ষার্থী না থাকলে তা মেধা কোটায় বিবেচিত হবে। কোটার ক্ষেত্রে আবেদনকারী সংখ্যা বেশি হলে মেধার ভিত্তিতে তালিকা করা হবে।

সম্প্রতি প্রকাশিত একাদশ শ্রেণির ভর্তি নীতিমালা ক্লাস শুরু সংক্রান্ত শিডিউল থেকে জানা গেছে, প্রথম ধাপে ভর্তির জন্য নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের তালিকা প্রকাশ করা হবে ২৩ জুন। ভর্তি নিশ্চিত করতে হবে ২৯ জুনের মধ্যে। দ্বিতীয় ধাপে ভর্তির আবেদন শুরু হবে ৩০ জুন, চলবে ২ জুলাই পর্যন্ত।

ঢাকা শিক্ষা বোর্ড জানিয়েছে, দ্বিতীয় ধাপে আবেদন করা শিক্ষার্থীদের ফল প্রকাশ হবে ৪ জুলাই। একইদিন পছন্দক্রম অনুযায়ী প্রথম দফায় নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের মাইগ্রেশনের ফলও প্রকাশ করা হবে। দ্বিতীয় ধাপে ভর্তির জন্য নির্বাচিত শিক্ষার্থী ভর্তি নিশ্চয়ন শুরু হবে ৫ জুলাই থেকে, চলবে ৮ জুলাই পর্যন্ত।

তৃতীয় ধাপে ভর্তির আবেদন শুরু হবে ৯ জুলাই থেকে, চলবে ১০ জুলাই পর্যন্ত। দ্বিতীয় ধাপের মাইগ্রেশন এবং তৃতীয় ধাপের ফল প্রকাশিত হবে ১২ জুলাই। তৃতীয় ধাপের ভর্তি নিশ্চয়ন করতে হবে ১৩ থেকে ১৪ জুলাইয়ের মধ্যে। সব ধাপে নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের ভর্তি শুরু হবে ১৫ জুলাই থেকে, চলবে ২৫ জুলাই পর্যন্ত। আর ক্লাস শুরু হবে ৩০ জুলাই থেকে।

নির্দেশিকায় আরও বলা হয়েছে, ঢাকা মহানগরের এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠান সর্বোচ্চ ৫ হাজার টাকা এবং মহানগরের বাইরের এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠান সর্বোচ্চ ৩ হাজার টাকা ভর্তি ফি হিসাবে নিতে পারবে। জেলা সদর ও উপজেলার এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠান যথাক্রমে ২ হাজার ও ১ হাজার ৫০০ টাকা ভর্তি ফি নিতে পারবে।

ঢাকা মহানগরের নন-এমপিও বাংলা ভার্সন স্কুল সর্বোচ্চ ৭ হাজার ৫০০ টাকা এবং নন-এমপিও ইংরেজি ভার্সন স্কুল সর্বোচ্চ ৮ হাজার ৫০০ টাকা ভর্তি ফি নিতে পারবে। মহানগরের বাইরের নন-এমপিও বাংলা ভার্সন স্কুল ভর্তি ফি হিসাবে ৫ হাজার টাকা এবং ইংরেজি ভার্সন স্কুল ৬ হাজার টাকা নিতে পারে।

নিউজ ট্যাগ: এসএসসি

আরও খবর



বাংলাদেশ ব্যাংক সমবায় সমিতি হয়ে গেছে : সালেহউদ্দিন আহমেদ

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৩ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২৩ মে ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

বাংলাদেশ ব্যাংক সমবায় সমিতি হয়ে গেছে বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক গভর্নর ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ। বৃহস্পতিবার (২৩ মে) রাজধানীর একটি হোটেলে এক সেমিনারে এ কথা বলেন তিনি।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংক এখন দুষ্টের দমন সৃষ্টির পালন না করে, সৃষ্টির দমন দুষ্টের পালন করছে এবং এটি চলছে দীর্ঘদিন থেকে। বাংলাদেশ ব্যাংক এখন সমবায় সমিতির মতো হয়ে গেছে। বাংলাদেশ ব্যাংক, ব্যবসায়ী ও ব্যাংক ডিরেক্টর দেশসহ যৌথভাবে ডিসিশন নেয়। মানে তারা ব্যবসায়ীদের চাপে আছে। অর্থাৎ বাংলাদেশ ব্যাংক নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ এখনো হতে পারেনি।

সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেন, ২০২১-২২ এ আমাদের চাহিদা থাকার পরও টাকার দর ধরে রাখা হয়েছিল। এতে আমাদের ক্ষতি হয়েছে। টাকার দর এখন একসাথে অবমূল্যায়ন করতে হয়েছে। তাহলে আমাদের ১২ বিলিয়ন ডলার খরচ করে লাভটা হলো কী? এটা নিয়ন্ত্রক সংস্থার ফেইলিউর এবং বড় ফেইলিউর।

তিনি বলেন, এই যে ঋণ পুনঃতপশিলে ডাউন পেমেন্ট আপনারা মাত্র ২ শতাংশে নিয়ে এসেছেন। এটার কোনো মানে হয়? আমার সময় ছিল প্রথমবার পুনঃতপশিলে ১০ শতাংশ, দ্বিতীয়বারে ২০ শতাংশ, তৃতীয়বার পুনঃতপশিল করলে ৩০ শতাংশ ডাউন পেমেন্ট দিতে হবে। লোকজন ভয়ে তখন এ পরিস্থিতিতে যেত না। এখন পুনঃতপশিল করতে মাত্র দুই শতাংশ দিতে হচ্ছে। অর্থাৎ ১ লাখ টাকার ঋণে সে মাত্র দুই হাজার টাকা দিয়েই ঋণ পুনঃতপশিল করতে পারছে। এ জন্য সবাই মহা আনন্দে এ পথে পা বাড়াচ্ছে। তিনি বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংক এত ঘন ঘন সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করে কেন? এতগুলো সার্কুলার হচ্ছে কেন প্রতিনিয়ত? একটা সার্কুলার দেওয়ার পর একদিন-দুদিন পরেই আবার বলে না না, এটা হবে না। তারপর আরেকটা সার্কুলার দেয় সেটাও পরিবর্তন করে। আমি বলব, বাংলাদেশ ব্যাংকের এটি একটি পলিসি দুর্বলতা।

সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেন, এখন ব্যাংকের মালিক, ব্যবসায়ী ও রাজনীতিবিদ মিলে একাকার হয়ে গেছে। পৃথিবীর কোনো দেশে এই রকম নেই। এমনকি পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতেও এমন পরিস্থিতি নেই। সেখানে রাজনীতিবিদরা কি ব্যাংক লোন করে, বা ব্যবসায়ীরা কি ব্যাংক লোন করে? এখন রাজনীতিবিদ ব্যবসায়ী যদি ব্যাংক লোন করে তাহলে তো ব্যাংকের টাকা ফেরত দেবে না। এটা স্বাভাবিক।


আরও খবর



মাছ ধরতে টোপ দিতে হয়, কালো টাকা প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৭ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০৭ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

কালো টাকা সাদা করার প্রসঙ্গে আ.লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, মাছ ধরতে আধার (টোপ) দিতে হয়। এটা সেরকম একটা ব্যবস্থা। এতে অন্তত টাকাটা উদ্ধার করা যাবে।

শুক্রবার (৭ জুন) রাজধানীর তেজগাঁওয়ে ঢাকা জেলা আ.লীগ কার্যালয়ে ঐতিহাসিক ৬ দফা দিবস উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, একটা প্রশ্ন এসেছে কালো টাকা নিয়ে। অনেকে বলেন, তাহলে আর কেউ ট্যাক্স দেবে না। কিন্তু বিষয়টা তা নয়। এটা শুধু কালো টাকা নয়, জিনিসের দাম বেড়েছে। এখন সরকারি দামে কেউ জমি বিক্রি করেন না, বেশি দামে করেন। বাড়তি টাকা গুঁজে রাখেন। গুঁজে যাতে না রাখেন, সামান্য কিছু একটা দিয়ে টাকাটা পথে আসুক, জায়গা মতো আসুক। তারপর তো ট্যাক্স দেবেই। আমি ঠাট্টা করে বলি, মাছ ধরতে তো আধার দিতে হয়। সে রকম একটা ব্যবস্থা এটা। অন্তত টাকাটা উদ্ধার হোক। এটা তত্ত্ববধায়ক সরকার শুরু করেছে।

এ ছাড়া বাজেট ঘাটতি নিয়ে অনেকে কথা বলেন। সব সময় আমরা বাজেট ঘাটতি ৫ শতাংশ রাখি। সব দেশেই রাখে, উন্নত দেশেও রাখে। আমেরিকায় খোঁজ নেন কত রাখে?, যোগ করেন তিনি।

শেখ হাসিনা বলেন, একটা গ্রুপ আছে, যাদের কিছুই ভালো লাগে না। তারা ভালো না লাগা নিয়েই থাকুক। ওগুলোতে কান দেয়ার দরকার নেই। যখন অস্বাভাবিক সরকার আসে, তখন তারা খুব খুশি হন। আর জনগণের ভোটে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসলে তাদের নাকি কিছুই হয় না। মূল্যায়ন হয় না। এখন মূল্যায়নটা করব কীভাবে? তাহলে একটা দাঁড়িপাল্লায় উঠিয়ে ঠিক করে মাপব নাকি? মূল্যায়ন তো দেখেছি সেই তত্ত্ববধায়ক আমলে, কীভাবে তেল মারে! ওই তেল মারা গোষ্ঠী আমাদের দরকার নেই। আমাদের শক্তি জনগণ। জনগণ আমাদের ভোট দেয়, আমরা জনগণের জন্য কাজ করি।

তিনি আরও বলেন, আমরা সেভাবেই কাজ করি, যাতে জনগণের কষ্ট না হয়। আওয়ামী লীগের একমাত্র শক্তি জনগণ। অনেক জায়গায় অনেকে খেলতে চেষ্টা করেছেন। কিন্তু জনগণই আমাদের ওপর আস্থা রেখেছেন, বিশ্বাস করেছেন। তাদের ভোটেই আমরা টানা চতুর্থবার ক্ষমতায় থাকতে পেরেছি।


আরও খবর