আজঃ বুধবার ১২ জুন ২০২৪
শিরোনাম

আন্তর্জাতিক জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী দিবস আজ

প্রকাশিত:সোমবার ২৯ মে ২০২৩ | হালনাগাদ:সোমবার ২৯ মে ২০২৩ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

আজ সোমবার আন্তর্জাতিক জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী দিবস। বিশ্বব্যাপী দিবসটি যথাযোগ্য মর্যাদায় উদযাপন করা হবে। এ উপলক্ষে আজ পিস কিপার্স রান-২০২৩ অনুষ্ঠিত হবে।

বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে শহীদ শান্তিরক্ষীদের নিকটাত্মীয় ও আহত শান্তিরক্ষীদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন।

আরও পড়ুন: তৃতীয় মেয়াদে তুরস্কের প্রেসিডেন্ট এরদোয়ান

দিবসটির তাৎপর্য তুলে ধরে বিভিন্ন জাতীয় পত্রিকায় বিশেষ ক্রোড়পত্র প্রকাশ করা হবে। এছাড়া বাংলাদেশ টেলিভিশনসহ বিভিন্ন টেলিভিশন চ্যানেল এবং বাংলাদেশ বেতারে দিবসটির তাৎপর্য তুলে ধরতে বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে।

ডিএমপির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ছিলেন নিপীড়িত মানুষের মুক্তির নেতা। তিনি শুধু বাঙালি জাতির জন্য সংগ্রাম করেননি, বিশ্বের নির্যাতিত মানুষের অধিকার আদায়েও ছিলেন বলিষ্ঠ কণ্ঠস্বর। মানুষের অধিকার আদায় ও বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠায় বঙ্গবন্ধুর অঙ্গীকার বাংলাদেশের সংবিধানেও প্রতিফলিত হয়েছে।

বঙ্গবন্ধুর মানবতার কল্যাণ ও শান্তি প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকারকে ধারণ করে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশ পুলিশের পদযাত্রা শুরু হয় ১৯৮৯ সালে, নামিবিয়া মিশনের মধ্য দিয়ে। সেই থেকে আজ পর্যন্ত বাংলাদেশ পুলিশের ২১ হাজার ২৮৪ জন শান্তিরক্ষী ২১টি দেশের ২৩টি মিশনে পেশাদারিত্বের সাথে দায়িত্ব পালন করেন।

আরও পড়ুন: ফের অশান্ত মণিপুর, পুলিশের গুলিতে নিহত ৪০

বর্তমানে ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব কঙ্গো, মালি, সাইপ্রাস, সাউথ সুদান, সেন্ট্রাল আফ্রিকা, লিবিয়া ও সুদানে বাংলাদেশ পুলিশের ৫১২ জন শান্তিরক্ষী নিয়োজিত রয়েছেন।

উল্লেখ্য, ২০০০ সাল হতে বাংলাদেশ পুলিশের নারী পুলিশ কর্মকর্তারা জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করেন। বর্তমানে বাংলাদেশ পুলিশের ১৫৭ জন নারী পুলিশ শান্তিরক্ষী জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে নিয়োজিত রয়েছেন। ইতোমধ্যে বাংলাদেশ পুলিশের ১ হাজার ৭৬৬ জন নারী শান্তিরক্ষী বিভিন্ন শান্তিরক্ষা মিশনে সফলতার সাথে দায়িত্ব পালন করেছেন।

বাংলাদেশ পুলিশের শান্তিরক্ষীরা নানা প্রতিকূলতার মাঝে প্রচণ্ড মানসিক শক্তি নিয়ে মানুষকে আপন করে নিয়েছেন, তাদের পাশে দাঁড়িয়েছেন। বাংলাদেশ পুলিশ হাইতির ভূমিকম্প বিধ্বস্ত অসহায় মানুষের জন্য কাজ করেছেন, তেমনি আফ্রিকা এমনকি ইউরোপের বিভিন্ন যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশে তৃণমূল পর্যায়ে পুলিশের সেবা প্রদান, পুলিশের প্রতিষ্ঠানিক কাঠামো পুর্নবিন্যাস ও পুনর্গঠন এবং সক্ষমতা বৃদ্ধিতে বাংলাদেশ পুলিশের ভূমিকা আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে সমাদৃত হয়েছে।

আরও পড়ুন: প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন আজমত উল্লা খান

বাংলাদেশ পুলিশের শান্তিরক্ষীরা দুর্গম ভৌগলিক পরিবেশ ও প্রতিকূল পরিস্থিতির মধ্যেও প্রচণ্ড মানসিক শক্তি নিয়ে মানবিকতায় উদ্বুদ্ধ হয়ে তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে বিশ্বশান্তি রক্ষায় নিরবচ্ছিন্নভাবে কাজ করে চলেছে।

জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে বাংলাদেশ পুলিশের গৌরবোজ্জ্বল ভূমিকা ও অনন্য অবদান রয়েছে, যা বাংলাদেশের ভাবমূর্তি ও মর্যাদা বাড়িয়েছে। জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে অংশগ্রহণের মাধ্যমে বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠায় বাংলাদেশ পুলিশ অঙ্গীকারবদ্ধ।


আরও খবর



ঘূর্ণিঝড় রেমাল: ঝালকাঠিতে মৎস্য কৃষি বিভাগে ক্ষতির পরিমান ৮১ কোটি টাকা

প্রকাশিত:শুক্রবার ৩১ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ৩১ মে ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
ঝালকাঠি প্রতিনিধি

Image

ঝালকাঠি জেলায় ঘূর্ণিঝড় রেমালের কারণে শহরে ৬৪ ঘন্টায় বিদ্যুৎ সরবরাহ চালু করা সম্ভব হয়নি। জেলায় বেড়িবাঁধ, কৃষি ও মৎস্য বিভাগের ব্যাপক ক্ষতি সাধিত হয়েছে। বিশেষ করে জেলার ঝালকাঠি কাঠিালিয়া রাজাপুর উপজেলার মোট ৭০ কিলোমিটার বেড়ি বাঁধের অধিকাংশই ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। এছাড়াও এ পর্যন্ত জেলার কৃষি বিভাগে ৭১ কোটি টাকা এবং মৎস্য বিভাগে প্রায় ১০ কোটি টাকার ক্ষতি সাধন হয়েছে। ক্ষয় ক্ষতির পরিমান ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে। পাশাপাশি মোবাইলের সকল নেটওয়ার্ক বিচ্ছিন্ন রয়েছে।

জেলা পানি উন্নয়ন বিভাগের সূত্র জানায়, ঝালকাঠি সদর উপজেলায় ১১ কিলোমিটার, রাজাপুর উপজেলায় ১৫০ মিটার এবং কাঠালিয়া উপজেলায় ৪ কিলো মিটার বেড়ি বাঁধ ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। তবে এই ক্ষয় ক্ষতির হিসেবে টাকার পরিমান কত তা জানাতে পারেনি পানি উন্নয়ন বিভাগ। সূত্র মতে জেলার বাঁধ সংস্কারে গত অর্থ বছরে কোন বরাদ্দ পাওয়া জায়নি। চলতি অর্থ বছরেও এখন পর্যন্ত বেড়ি বাঁধ সংস্কার বা নির্মানে কোন বরাদ্দ না এলেও নদী তীর সংরক্ষণে ৩ কোট টাকা বরাদ্দ পাওয়া গেছে বলে জানা যায়। যদি চাহিদা ছিল ১৬৫ কোটি টাকা।  তবে নজিরবিহীন জলোচ্ছাসের কারণে জেলার নদী ভাঙ্গনও বৃদ্ধি পেয়েছে।

এ বিষয়ে ঝালকাঠি পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী এ.কে.এম নিলয় পাশা জানান, জেলার বেড়ি বাঁধের সমিক্ষা চলমান। তবে রেমালে ক্ষতিগ্রস্থ বাঁধের ক্ষয়ক্ষতি নিরুপণ করে চলমান সমিক্ষায় অন্তর্ভূক্ত করা হবে। রাজাপুর কাঠালিয়া নদী ভাঙ্গন এলাকার সমিক্ষা জুন মাসে শেষ হবে। এরপর প্রকল্প প্রস্তুত করে অনুমোদনের জন্য প্রেরণ করা হবে।

ঝালকাঠি জেলা কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগের সূত্র অনুযায়ি এ ঘূর্ণিঝড়ে পানিয়ে তলিয়ে মোট ক্ষয় ক্ষতির পরিমান ৭১ কোটি টাকা। এরমধ্যে সম্পূর্ন ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে রোপা আমনসহ বীজতলা ৭ হাজার ৩১৩ হেক্টর জমির। এছাড়াও আখ, চিনাবাদাম, তিল, মরিচ, হলুদ, পেপে, কলা, পান, পাটসহ বিভিন্ন ধরনের মৌসুমি ফসলের অধিকাংশ বিনষ্ট হয়েছে।

জেলা মৎস্য বিভাগের তথ্য অনুযায়ি অতিবৃষ্টি বণ্যা ও প্রবল জোয়ারের কারণে ৩ হাজার ৩৬১ টি পুকুর, ১৫৯ টি ঘের তলিয়ে মাছ ভেসে গেছে। এতে মাছ ও পোনাসহ চাষিদের ক্ষতির পরিমান ৯ কোটি ৪৬ লাখ টাকা।

এ বিষয়ে জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. রবিউল ইসলাম জানান, আমরা প্রাথমিক ভাবে এই ক্ষতির পরিমার নিরুপন করে দপ্তরে পাঠানো হয়েছে। এই ক্ষতি পোষাতে সরকার প্রয়োজনীয় সহায়াতা দিবে।

এদিক ঝালকাঠিতে রেমালের আঘাতের আগে থেকেই বিদ্যুৎ সরবরা বন্ধ হয়ে যায়। ঘূণিঝড়ে বিদ্যুত বিভাগের ক্ষয় ক্ষতির কারণে গাছপালা ও খুটি পরে যাওয়ায় জাতীয় গ্রীড থেকে ঝালকাঠি জেলা বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে।


আরও খবর



চট্টগ্রাম বন্দরের অপারেশনাল কার্যক্রম স্বাভাবিক

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৮ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৮ মে ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
চট্টগ্রাম প্রতিনিধি

Image

ঘূর্ণিঝড় রেমালের প্রভাব কেটে যাবার পর চট্টগ্রাম বন্দর জেটিতে শুরু করেছে জাহাজের পণ্য ওঠানামা। কয়েকদিন বন্ধ থাকার পর চট্টগ্রাম বন্দরের অপারেশনাল কাজ শুরু হয়েছে।

পণ্য খালাস বন্ধ করে গভীর সাগরে ফেরত পাঠানো ৪৯টি খোলা পণ্যবাহী জাহাজও বহির্নোঙ্গরে ফিরতে শুরু করেছে। ঘূর্ণিঝড়ের ক্ষয়ক্ষতি মোকাবিলায় এসব জাহাজের অবস্থান পরিবর্তন করা হয়েছিল।

আবহাওয়া অধিদফতর চট্টগ্রামে ৯ নম্বর মহাবিপদ সংকেত তুলে নেওয়ার পর ১৭ ঘণ্টা বন্ধ থাকার পর সোমবার ভোর ৫টা থেকে চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ফ্লাইট চলাচল শুরু হয়েছে। অন্যদিকে ১৮ ঘণ্টা পর খুলে দেওয়া হয়েছে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান টানেল।

মঙ্গলবার (২৮ মে) সকাল ১১টা থেকে জেটিতে জাহাজ ভেড়ার পরপর পণ্য উঠানামার কাজ শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছেন চট্টগ্রাম বন্দরের সচিব মো. ওমর ফারুক।

তিনি বলেন, ঘূর্ণিঝড় রেমালের প্রভাব কেটে গেলেও সাগর উত্তাল রয়েছে। পণ্য খালাস বন্ধ করে গভীর সাগরে ফেরত পাঠানো ৪৯টি পণ্যবাহী জাহাজও বহির্নোঙ্গরে ফিরতে শুরু করেছে। মঙ্গলবার সকালে ১৯টি জাহাজের মধ্যে ১১টি জাহাজ বন্দরের জেটিতে ভিড়েছে। পণ্য উঠানামার কাজ শুরু হয়েছে। বাকি ৯টি জাহাজ বহির্নোঙ্গর থেকে রওনা দিয়েছে। আবহাওয়া পুরোপুরি স্বাভাবিক হলে জাহাজ জেটিতে ফিরতে শুরু করবে।' 

ঘূর্ণিঝড় রেমাল ঝুঁকি মোকাবিলায় চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ রবিবার সকালে নিজস্ব অ্যালার্ট-৪ জারি করেছিল। এতে সমুদ্র বন্দরের অপারেশনাল কার্যক্রম পুরােপুরি বন্ধ হয়ে যায়। ৯ নম্বর মহাবিপদ সংকেত সোমবার সকালে প্রত্যাহার করা হয়। চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দরকে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখিয়ে যেতে বলার পর থেকেই বন্দর কর্তৃপক্ষ অ্যালার্ট-৪ প্রত্যাহার করে। ফলে বন্দরের কার্যক্রম স্বাভাবিক হয়।

চট্টগ্রাম বন্দরের ডেপুটি কনজারভেটর ক্যাপ্টেন ফরিদুল আলম বলেন, 'ঘূর্ণিঝড় প্রভাব কেটে যাওয়ার পর বন্দরের কার্যক্রম এখন স্বাভাবিক রয়েছ। জোয়ারের সাথে মিল রেখে জাহাজ আনা-নেওয়া কার্যক্রম শুরু হয়েছে।'

ঘূর্ণিঝড় রেমালের প্রভাব কমে যাওয়ার পর চট্টগ্রাম বন্দরে জাহাজ ফেরত আনার উদ্যোগ নেয় বন্দর কর্তৃপক্ষ। বৈরি আবহাওয়ায় সাগর উত্তাল থাকায় পাইলটরা বহির্নোঙ্গর থেকে অনেস জাহাজ আনতে পারেননি। তবে ইয়ার্ডে অপারেশন আংশিকভাবে শুরু হয়েছিল।

গত রোববার (২৬ মে) সকালে চট্টগ্রাম বন্দরের জেটি থেকে ১৬টি জাহাজ বহির্নোঙ্গর থেকে ৪৯টি জাহাজ গভীর সাগরে চলে যায়।

বন্দর সূত্র জানায়, ঘূর্ণিঝড় রেমালের প্রভাবে প্রায় দুইদিন ধরে চট্টগ্রাম বন্দরে পণ্য ওঠা-নামা বন্ধ থাকে। দেশের প্রধান এই বন্দর দিয়ে আমদানি-রপ্তানির ৯২ শতাংশই হয়ে থাকে। বৃষ্টিতে বহির্নোঙরে লাইটার জাহাজের মাধ্যমে পণ্য খালাস ব্যাহত হয়। তবে সাগর কিছুটা উত্তাল থাকায় বহির্নোঙরে জাহাজ থেকে পণ্য খালাস কিছুটন বিলম্বিত হতে পারে।


আরও খবর



ফায়ার সার্ভিস সদর দফতর পরিদর্শন করলেন ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৪ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৪ মে ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
প্রেস বিজ্ঞপ্তি

Image

ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স-এর সদর দফতর পরিদর্শন করেছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. মহিববুর রহমান।

পূর্বনির্ধারিত কর্মসূচি অনুযায়ী মঙ্গলবার (১৪ মে) দুপুর ১২টায় ফায়ার সার্ভিসের সদর দফতরে পৌঁছালে অধিদফতরের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. মাইন উদ্দিন, বিএসপি (বার), এনডিসি, পিএসসি, জি, এম ফিল ফুলেল শুভেচ্ছায় তাকে স্বাগত জানান।

এরপর প্রতিমন্ত্রীকে একদল চৌকস অগ্নিসেনা সশ্রদ্ধ অভিবাদন জ্ঞাপন করেন।

এসময় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদফতরের মহাপরিচালক মো. মিজানুর রহমান, ফায়ার সার্ভিস-এর পরিচালকগণ, উপপরিচালকগণসহ ও বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

অভিবাদন গ্রহণ শেষে তিনি ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স-এর অগ্নিনির্বাপণ ও উদ্ধার সাজ-সরঞ্জাম ও গাড়ি-পাম্প পরিদর্শন করেন। এ সময় আগ্রহ সহকারে বিভিন্ন সরঞ্জামের কার্যপরিধি ও সুবিধাসমূহের বর্ণনা শোনেন। এরপর তিনি অগ্নিনির্বাপণ ও উদ্ধার কার্যক্রমের ওপর ঢাকা বিভাগ আয়োজিত মহড়া প্রদর্শনী উপভোগ করেন।

মহড়া শেষে অধিদফতরের সম্মেলন কক্ষে ফায়ার সার্ভিসের কার্যক্রমের ওপর প্রেজেন্টেশন উপস্থাপন করা হয়। প্রেজেন্টেশনটি উপস্থাপন করেন পরিচালক (প্রশিক্ষণ, পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) লে. কর্নেল মো. রেজাউল করিম, পিএসসি।

এরপর অধিদফতরের মহাপরিচালক প্রতিমন্ত্রীকে অধিদফতরের সাম্প্রতিক সময়ে পেশাগত বিষয়ে প্রকাশিত বিভিন্ন বই প্রদর্শন করেন। এসময় তিনি অধিদফতরের সকল কর্মকর্তা-কর্মচারীর পক্ষ থেকে প্রতিমন্ত্রীর হাতে স্মৃতির নিদর্শন হিসেবে শুভেচ্ছা ক্রেস্ট হস্তান্তর করেন।

কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময়কাল প্রতিমন্ত্রী অধিদফতরের সার্বিক কার্যক্রমে সন্তোষ প্রকাশ করে প্রেজেন্টেশনে উপস্থাপিত বিষয়ে অধিদফতরের প্রত্যাশা পূরণে উদ্যোগ গ্রহণ করবেন বলে সকলকে আশ্বস্ত করেন।

প্রতিমন্ত্রী সদর দফতর পরিদর্শনে ফায়ার সার্ভিসের সকল স্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা অণুপ্রাণিত ও উজ্জীবিত হয়েছেন বলে তারা অভিমত প্রকাশ করেন।

এসময় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদফতরের মহাপরিচালক মো. মিজানুর রহমান, ফায়ার সার্ভিসের পরিচালক, উপপরিচালকসহ ও বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।


আরও খবর



শপথ নিলেন বিজয়ী পাঁচ উপজেলার চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যানরা

প্রকাশিত:রবিবার ০২ জুন 2০২4 | হালনাগাদ:রবিবার ০২ জুন 2০২4 | অনলাইন সংস্করণ
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

প্রথম ধাপে অনুষ্ঠিত বরিশাল বিভাগের পাঁচটি উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে বিজয়ী চেয়ারম্যান এবং ভাইস চেয়ারম্যানদের শপথ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আজ রবিবার (২ মে) বিকেলে বরিশাল সার্কিট হাউজে শপথ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এসময় নবনির্বাচিত উপজেলা চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যানদের শপথ বাক্য পাঠ করান বিভাগীয় কমিশনার মো. শওকত আলী।

শপথ গ্রহণ করেন- বরিশাল সদর উপজেলা চেয়ারম্যান আব্দুল মালেক, ভাইস চেয়ারম্যান মো. জসিম উদ্দিন, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান হালিমা বেগম হ্যাপি। পিরোজপুর সদর উপজেলা চেয়ারম্যান এসএম বায়জিদ হোসেন, নাজিরপুর উপজেলা চেয়ারম্যান এসএম নূরে আলম সিদ্দিকী শাহীন, বাকেরগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যান রাজিব আহমেদ তালুকদার ও ইন্দুরকানী উপজেলা চেয়ারম্যান জিয়াউল আহসান গাজী।

শপথ অনুষ্ঠানে নব-নির্বাচিত উপজেলা চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান এবং মহিলা ভাইস চেয়ারম্যানরা শততা, নিষ্ঠা এবং বিশ্বস্ততার সাথে দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি দেশের প্রতি অকৃত্তিম বিশ্বাস ও আনুগত্য প্রশনের শপথ নেন। তাছাড়া নিজ নিজ উপজেলায় সন্ত্রাস, মাদক, জঙ্গিবাদ, নারী নির্যাতনসহ সকল ধরনের অপরাধ নিয়ন্ত্রণে প্রশাসনকে সহযোগিতার প্রতিশ্রুতি দেন তারা।

শপথ অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে বরিশাল রেঞ্জ ডিআইজি জামিল হাসান, অতিরিক্ত ডিআইজি খোন্দকার আনোয়ার হোসেন, বরিশাল র‌্যাব-৮ এর অধিনায়ক লে. কর্নেল কাজী যুবায়ের আলম শোভন ও বরিশালের জেলা প্রশাসক শহিদুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত ৮ মে বরিশালের দুটি ও পিরোজপুরের তিনটিসহ দক্ষিণাঞ্চলের মোট পাঁটটি উপজেলায় ৬ষ্ঠ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়।


আরও খবর



কলকাতায় উদ্ধার খণ্ডিত মাংস এমপি আনারের, ধারণা হারুনের

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ৩০ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ৩০ মে ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

কলকাতায় সেপটিক ট্যাংক থেকে উদ্ধার হওয়া মাংসের টুকরোগুলো এমপি আনোয়ারুল আজিম আনারের বলে মনে করছেন ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের প্রধান অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ।

তিনি বলেন, আলামত উদ্ধার, পারিপার্শ্বিক ডিজিটাল তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করায় আনার হত্যার তদন্ত অনেকটাই এগিয়েছে। ফরেনসিক রিপোর্ট পেলেই তা নিশ্চিত হওয়া যাবে।

বৃহস্পতিবার (৩০ মে) বিকেলে ঝিনাইদহ-৪ আসনের সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আজিম আনার হত্যাকাণ্ড নিয়ে তদন্ত শেষে কলকাতা থেকে বাংলাদেশে নেমে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

হারুন অর রশীদ বলেন, আনোয়ারুল আজিম আনারকে গত ১৩ মে কলকাতার মাটিতে হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনায় বাংলাদেশে একটি মামলা রুজু হয়েছে। একই ঘটনায় কলকাতায়ও একটি হত্যা মামলা রুজু হয়েছে। ইতোমধ্যে আমাদের কাছে তিনজন ঘাতক গ্রেপ্তার রয়েছেন। এর মধ্যে মূল ঘাতক আমানুল্লাহ ওরফে শিমুল ভূঁইয়া। হত্যার পরিকল্পনা হয়েছে বাংলাদেশের মাটিতে আর হত্যাটি সংগঠিত হয়েছে কলকাতায়। মামলাটির তদন্তের জন্য আমরা কলকাতায় গিয়েছিলাম। আমাদের কাছে গ্রেপ্তার হওয়া আসামিদের দেওয়া তথ্য যাচাই-বাছাই করার জন্য ও ঘটনাস্থলে ডিজিটাল এভিডেন্সগুলো দেখতে আমরা সেখানে গিয়েছিলাম।

তিনি বলেন, মামলায় ভিকটিমের মরদেহ বা মরদেহের অংশবিশেষ না পাওয়া গেলে তদন্তকারী কর্মকর্তার সুরতহাল, ভিসেরা ও মেডিকেল রিপোর্ট দিতে বেগ পেতে হয়। এগুলো না পাওয়া গেলে মামলাটি নিষ্পত্তি করাও অনেক কঠিন হয়ে যায়। আমরা সেখানে গিয়ে আমাদের হাতে গ্রেপ্তার আসামিদের তথ্য ক্রস এক্সামিনেশন করেছি। এ ছাড়া কলকাতায় গ্রেপ্তার আসামির তথ্য যাচাই-বাছাই করেছি। কলকাতার সিআইডিকে সঙ্গে নিয়ে আমরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি এবং আসামিদের কাছ থেকে পাওয়া তথ্য মিলিয়ে দেখার চেষ্টা করেছি।

তিনি আরও বলেন, আমরা কলকাতা পুলিশকে অনুরোধ করেছিলাম সুয়ারেজ লাইন ও সেপটিক ট্যাংক দেখার জন্য। আমরা মনে করি, সেখান থেকে কিন্তু ভিকটিমের মরদেহের খণ্ডাংশ উদ্ধার করা হয়েছে। ভারতীয় পুলিশ ফরেনসিক ও ডিএনএ পরীক্ষা করে এ বিষয়ে জানাবে। আমরা প্রাথমিকভাবে মনে করি, স্বাভাবিকভাবে ফ্লাশের মাধ্যমে মাংসগুলো সেখানে যায়নি। তাই আমরা মনে করছি, মরদেহের খণ্ডাংশগুলো এমপি আনারের।

হারুন বলেন, মূল পরিকল্পনাকারী আখতারুজ্জামান শাহীন যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করছেন। আরেকজন অভিযুক্ত নেপালে। ইন্টারপোলের মাধ্যমে তাদের ফিরিয়ে আনা হবে। আমরা কাঠমুন্ডুর সঙ্গে যোগাযোগ করছি। শাহীনকে ফেরাতে ইন্টারপোলের সহায়তা নিতে ভারতকে অনুরোধ করেছি।

গত ১২ মে চিকিৎসার জন্য ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ থেকে চুয়াডাঙ্গার দর্শনার গেদে সীমান্ত দিয়ে ভারতে যান সংসদ সদস্য আনার। ওঠেন পশ্চিমবঙ্গে বরাহনগর থানার মণ্ডলপাড়া লেনে গোপাল বিশ্বাস নামে এক বন্ধুর বাড়িতে। পরদিন ডাক্তার দেখানোর কথা বলে বাড়ি থেকে বের হন। এরপর থেকেই রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ আনোয়ারুল আজিম।


আরও খবর