আজঃ রবিবার ২১ জুলাই ২০২৪
শিরোনাম

বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্তে কঠোর নজরদারি রয়েছে : সেনাপ্রধান

প্রকাশিত:শনিবার ১৫ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ১৫ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
জেলা প্রতিনিধি

Image

সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ বলেছেন, বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্তে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর কঠোর নজরদারি রয়েছে। পরিস্থিতি এখনো নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। যেকোনো পরিস্থিতিতে দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সেনাবাহিনী, বিমান বাহিনী ও নৌবাহিনী প্রস্তুত রয়েছে।

শনিবার (১৫ জুন) দুপুরে শরীয়তপুরের শেখ রাসেল সেনানিবাসে নবগঠিত ১২৯ ব্রিগেড সিগন্যাল কোম্পানির পতাকা উত্তোলন অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

সেনাপ্রধান বলেন, আমাদের কথা একেবারে পরিষ্কার। দেশে যদি ভবিষ্যতে আক্রমণ হয়, সেক্ষেত্রে প্রতিহত করতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী যে প্রস্তুত সে বিষয়ে কোনো সন্দেহ নেই। বর্ডার ভায়োলেশন, যেমন রোহিঙ্গাদের অনুপ্রবেশ ঠেকাতে ওইখানে কোস্ট গার্ড ও বিজিবি রয়েছে। তারা বিষয়টি সম্পূর্ণ তদারকি করছে। সরকারের নিদের্শনা অনুযায়ী ব্যবস্থাও নিচ্ছে। আমরা প্রস্তুত আছি, যদি লেভেল ক্লোজ করে তাহলে সমুচিত ব্যবস্থা আমরা নেব।

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী জাতিসংঘ মিশনে সফলভাবে দায়িত্ব পালন করে আসছে। বর্তমানে কুয়েত ও কাতারে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সদস্যরা সফলতার সঙ্গে কাজ করছে। ভবিষ্যতে এসব দেশে সেনাসদস্য সংখ্যা আরও বাড়ানো হবে। পদ্মা সেতুর নিরাপত্তায় সার্বক্ষণিক কাজ করছে শেখ রাসেল সেনানিবাস।

বিদায়ী সেনাপ্রধান বলেন, আমার দায়িত্বকালীন সময়ে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে সেবার মানসিকতা নিয়ে প্রদত্ত দায়িত্বসমূহ যথাযথভাবে পালন করতে পারায় আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করছি। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। বিশ্বব্যাপী বাংলাদেশের মর্যাদা সমুন্নত ও স্বাধীন ভূখণ্ড নিরাপদ রাখতে অর্পিত সকল দায়িত্ব পালন করতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী অঙ্গীকারবদ্ধ। দেশের সংকটময় মুহূর্তসহ যেকোনো পরিস্থিতিতে অকুতোভয় দায়িত্ব পালনে সেনাবাহিনী সদা প্রস্তুত।

অনুষ্ঠান শুরুর আগে দুপুর ১২টা ১০ মিনিটে আকাশপথে বরিশাল থেকে শরীয়তপুরের শেখ রাসেল সেনানিবাসে আসেন সেনাপ্রধান জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ। আগামী ২৩ জুন অবসরে যাবেন তিনি। দীর্ঘ ৪৩ বছর সফলতার সঙ্গে একটি বাহিনীতে কাজ করে প্রধান হিসেবে দায়িত্ব শেষ করা ভাগ্যের ব্যাপার বলে উল্লেখ করেন তিনি।

পতাকা উত্তোলন ও কেক কাটা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন নতুন সেনাপ্রধান লেফটেন্যান্ট জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, সেনা সদরের জ্যেষ্ঠ সামরিক কর্মকর্তাগণসহ ঊর্ধ্বতন সেনা কর্মকর্তাগণ। এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন শরীয়তপুর-২ (নড়িয়া-সখিপুর) আসনের সংসদ সদস্য একেএম এনামুল হক শামীম, জেলা প্রশাসক মুহাম্মদ নিজাম উদ্দিন আহম্মেদ ও পুলিশ সুপার মো. মাহবুবুল আলম।


আরও খবর



বসুন্ধরা চা ক্যাম্পেইনে বিজয়ীদের পুরস্কার প্রদান

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০২ জুলাই 2০২4 | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ০২ জুলাই 2০২4 | অনলাইন সংস্করণ
Image

বসুন্ধরা চা মন কী যে চায় ক্যাম্পেইনে বাকি ১১ জন বিজয়ীর মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করা হয়েছে। সোমবার বসুন্ধরা ফুড অ্যান্ড বেভারেজ ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের করপোরেট অফিসে এ পুরস্কার বিতরণ করা হয়।

বসুন্ধরা চা মন কী যে চায় ক্যাম্পেইন বিজয়ীদের পুরস্কার প্রদানের সমাপনী অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেনচিফ হিউম্যান রিসোর্স অফিসার ক্যাপ্টেন শেখ এহসান রেজা, ব্র্যান্ড অ্যান্ড মার্কেটিং সি ও ও এম. এম. জসীম উদ্দীন, হেড অব সেলস মো. রেদোয়ানুর রহমান, অ্যাকাউন্টস অ্যান্ড ফাইন্যান্স এজিএম সুমন কুমার কণ্ডু। এ ছাড়া বসুন্ধরা ফুড অ্যান্ড বেভারেজের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে, ২২ মে ঢাকার বসুন্ধরা সিটি শপিং কমপ্লেক্সে শুরু হওয়া ২৫ দিনব্যাপী এই ক্যাম্পেইনে অংশ নেয় ১৫ হাজারেরও বেশি চা প্রেমিক। বসুন্ধরা চা মন কী যে চায় ক্যাম্পেইন স্টলে বসুন্ধরা চা উপভোগ করে মতামত প্রকাশ করে সবাই। এ সময় চা প্রেমীরা শেয়ার করেছেন মন কী যে চায় অর্থাৎ তাদের একান্ত ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা।

ভাবনার গুরুত্ব ও বলার ভঙ্গির ওপর মূল্যায়ন করে তাদের মধ্য থেকে বাছাইকৃত ২৫ জন পেয়েছেন বসুন্ধরা চা এর পক্ষ থেকে আকর্ষণীয় পুরস্কার। প্রথম ধাপে গত ১২ জুন ১৪ জন বিজয়ীকে পুরস্কার প্রদান করা হয়েছে।


আরও খবর



শাহজালালে সাড়ে ৪ কোটি টাকার স্বর্ণ জব্দ

প্রকাশিত:বুধবার ০৩ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ০৩ জুলাই ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ৩৮টি স্বর্ণের বার জব্দ করেছে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর। আজ বুধবার ভোর সাড়ে ৫টার দিকে মাস্কাট থেকে আসা একটি ফ্লাইট থেকে স্বর্ণগুলো জব্দ করা হয়। বিমানবন্দরের কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত সার্কেলের পরিচালক প্রদীপ কুমার সরকার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

কাস্টমসের এই কর্মকর্তা জানান, চোরাচালানের গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বুধবার ভোরে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে কাস্টমসের সদস্যরা সতর্ক অবস্থান নেন। পরে মাস্কাট থেকে আসা সালাম এয়ারের একটি ফ্লাইটে (ওভি-৪৯৭) আনুমানিক ভোর সাড়ে ৫টার দিকে তল্লাশি করা হয়। ওই সময় বিমানের একটি সিটের উপরে থাকা লাগেজ রাখার কেবিনে কালো স্কচটেপ মোড়ানো দুটি ভারী বস্তু পরিত্যক্ত অবস্থায় পাওয়া যায়। পরবর্তীতে স্কচটেপ খুলে ৩৮ পিস (প্রতি পিস ১০ তোলা) স্বর্ণের বার পাওয়া যায়, যার ওজন ৪ কেজি ৪২০ গ্রাম।

প্রদীপ কুমার সরকার জানান, জব্দ করা স্বর্ণের বারের আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ৪ কোটি ৫০ লাখ টাকা। এসব স্বর্ণ ঢাকা কাস্টম হাউসে জমা করা হয়েছে।


আরও খবর



জাতীয় রপ্তানি ট্রফি পেল ৭৭ প্রতিষ্ঠান

প্রকাশিত:রবিবার ১৪ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ১৪ জুলাই ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
অর্থ ও বাণিজ্য ডেস্ক

Image

২০২১-২২ অর্থবছরে বৈদেশিক মুদ্রা আহরণ ও কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে অবদান রাখায় এবার ৭৭ প্রতিষ্ঠানকে জাতীয় রপ্তানি পদক দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ৭৬ প্রতিষ্ঠানকে জাতীয় রপ্তানি পদক এবং একটি প্রতিষ্ঠানকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব রপ্তানি ট্রফি দেয় সরকার। রোববার রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে এসব প্রতিষ্ঠানের উদ্যোক্তা ও প্রতিনিধিদের হাতে এ ট্রফি ও সম্মাননা তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

অনুষ্ঠানে সব খাত মিলিয়ে সর্বোচ্চ রপ্তানি আয় অর্জনকারী প্রতিষ্ঠানকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব রপ্তানি ট্রফি শিরোনামে ১টি বিশেষ ট্রফির (স্বর্ণ) পাশাপাশি বিভিন্ন খাতে মোট ২৯টি স্বর্ণ, ২৭টি রৌপ্য এবং ২১টি ব্রোঞ্জ ট্রফি দেওয়া হয়। এর মধ্যে রপ্তানিতে ২০২১২২ অর্থবছরে সর্বাধিক বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব রপ্তানি ট্রফি পেয়েছে হামীম গ্রুপের প্রতিষ্ঠান রিফাত গার্মেন্টস লিমিটেড। হামীম গ্রুপের পরিচালক সাজিদ আজাদের হাতে এ ট্রফি তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী। তৈরি পোশাক খাতের এ প্রতিষ্ঠান ২০১৮১৯ এবং ২০২০২১ অর্থবছরের রপ্তানির জন্যও বঙ্গবন্ধু রপ্তানি ট্রফি পেয়েছিল।

এবার বিভিন্ন পণ্য ও খাতভিত্তিক জাতীয় রপ্তানি ট্রফি পাওয়াদের মধ্যে হামীম গ্রুপের আরও দুই প্রতিষ্ঠান অ্যাপারেলে গ্যালারি তৈরি পোশাক (ওভেট) ক্যাটাগরিতে রৌপ্য ট্রফি এবং হামীম ডেনিম লিমিটেড টেক্সটাইল ফেব্রিক্সে রৌপ্য ট্রফি ট্রফি পেয়েছে।

জাতীয় রপ্তানি ট্রফির আওতায় তৈরি পোশাকের ওভেন ক্যাটাগরিতে স্বর্ণপদক উইন্ডি অ্যাপারেলস এবং ব্রোঞ্জপদক পেয়েছে চিটাগাং এশিয়ান অ্যাপারেলস। নিটওয়্যার ক্যাটাগরিতে স্বর্ণপদক পায় লিবার্টি নীটওয়্যার। রৌপ্য ডিভাইন ইন্টিমেটস এবং ব্রোঞ্জপদক পেয়েছে ফ্লামিংগো ফ্যাশন। সব ধরনের সুতা ক্যাটাগরিতে স্বর্ণ বাদশা টেক্সটাইলস, রৌপ্য স্কয়ার টেক্সটাইল এবং ব্রোঞ্জপদক পায় কামাল ইয়ার্ন।

টেক্সটাইল ফেব্রিক্সে হামীম ডেনিম লিমিটেডের রৌপ্য পদকের পাশাপাশি স্বর্ণপদক নাইস ডেনিম মিলস এবং ব্রোঞ্জ পেয়েছে ফোর এইচ ডাইং এ্যান্ড প্রিন্টিং। হোম ও স্পেশালাইজড টেক্সটাইল খাতে স্বর্ণ জাবের অ্যান্ড জোবায়ের ফেব্রিক্স, রৌপ্য মমটেক্স এক্সপো এবং ব্রোঞ্জ পদক এসিএস টেক্সটাইলস (বাংলাদেশ)। টেরিটাওয়েলে স্বর্ণ নোমান টেরিটাওয়েল মিলস এবং রৌপ্যপদক পায় এসিএস টাওয়েল। হিমায়িত খাদ্য খাতে স্বর্ণ ছবি ফিস প্রসেসিং ইন্ডাষ্ট্রিজ, রৌপ্য প্রিয়াম ফিস এক্সপোর্ট এবং ব্রোঞ্জপদক পায় এমইউ সী ফুডস।

কাঁচা পাট খাতে স্বর্ণ পপুলার জুট এক্সচেঞ্জ, রৌপ্য তাসফিয়া জুট ট্রেডিং এবং ব্রোঞ্জপদক পেয়েছে মেসার্স ইন্টারন্যাশনাল জুট ট্রেডার্স। পাটজাত দ্রব্যে স্বর্ণ জনতা জুট মিলস এবং রৌপ্যপদক পেয়েছে আকিজ জুট মিলস। চামড়াজাত পণ্যে স্বর্ণপদক পিকার্ড বাংলাদেশ এবং রৌপ্য পায় এবিসি ফুটওয়্যার ইন্ডাস্ট্রিজ। ফুটওয়্যার খাতে স্বর্ণ বে-ফুটওয়্যার, রৌপ্য এডিসন ফুটওয়্যার এবং ব্রোঞ্জপদক পেয়েছে এফবি ফুটওয়্যার।

কৃষিজ পণ্যে (তামাক ব্যতীত) স্বর্ণপদক ইনডিগো কর্পোরেশন, রৌপ্য মনসুর জেনারেল ট্রেডিং এবং ব্রোঞ্জপদক পায় সিএসএস ইন্টারন্যাশনাল। কৃষি প্রক্রিয়াজাত পণ্যে (তামাকজাত পণ্য ব্যতীত) স্বর্ণ হবিগঞ্জ এগ্রো, রৌপ্য প্রাণ ডেইরি এবং ব্রোঞ্জপদক পায় প্রাণ ফুডস। হস্তশিল্পজাত পণ্য খাতে স্বর্ণপদক কারুপণ্য রংপুর, রৌপ্য বিডি ক্রিয়েশন এবং ব্রোঞ্জ পায় ক্ল্যাসিক্যাল হ্যান্ডমেইড প্রোডাক্টস।

মেলামাইন খাতে স্বর্ণপদক পায় ডিউরেবল প্লাস্টিক। প্লাস্টিক পণ্য খাতে স্বর্ণ অলপ্লাষ্ট বাংলাদেশ, রৌপ্য আকিজ বায়াক্স ফিল্মস এবং ব্রোঞ্জপদ পায় বঙ্গ প্লাস্টিক ইন্টারন্যাশনাল। সিরামিকসামগ্রী খাতে স্বর্ণ শাইনপুকুর সিরামিকস, রৌপ্য আর্টিসান সিরামিকস এবং ব্রোঞ্জপদক পেয়েছে প্রতীক সিরামিকস। হালকা প্রকৌশল খাতে স্বর্ণ এম এন্ড ইউ সাইকেলস, রৌপ্য মেঘনা বাংলাদেশ এবং ব্রোঞ্জপদক পায় রংপুর মেটাল ইন্ডাষ্ট্রিজ। ইলেকট্রিক ও ইলেকট্রনিকস পণ্য খাতে স্বর্ণ ওয়ালটন হাইটেক ইন্ডাস্ট্রিজ এবং  রৌপ্যপদক পেয়েছে বিআরবি কেবল ইন্ডাস্ট্রিজ।

অন্যান্য শিল্পজাত পণ্য খাতে স্বর্ণপদক মেরিন সেফটি সিস্টেম, রৌপ্য এশিয়া মেটাল মেরিন সার্ভিস এবং ব্রোঞ্জপদক তাসনিম কেমিক্যাল কমপ্লেক্স। ফার্মাসিউটিক্যাল পণ্যে স্বর্ণপদক পায় বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালস, রৌপ্য ইনসেপটা ফার্মাসিউটিক্যালস ও ব্রোঞ্জপদক স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস।

কম্পিউটার সফটওয়্যার ক্যাটাগরিতে স্বর্ণ সার্ভিস ইঞ্জিন এবং রৌপ্যপদক পায় গোল্ডেন হার্ভেস্ট ইনফোটেক। ইপিজেডভুক্ত বাংলাদেশি মালিকানাধীন তৈরি পোশাক ক্যাটাগরিতে স্বর্ণ ইউনিভার্সেল জিন্স, রৌপ্য প্যাসিফিক জিন্স এবং ব্রোঞ্জপদক পায় শাশা ডেনিমস। ইপিজেডভুক্ত বাংলাদেশি মালিকানাধীন অন্যান্য পণ্য ক্যাটাগরিতে স্বর্ণ স্টার প্যাকেজিং এন্ড এক্সেসরিজ, রৌপ্য পদ্মা স্পিনিং এন্ড কম্পোজিট এবং ব্রোঞ্জপদক পায় ফারদিন এক্সেসরিজ।

প্যাকেজিং ও এক্সেসরিজ পণ্য খাতে স্বর্ণপদক পায় এম অ্যান্ড ইউ প্যাকেজিং, রৌপ্য মনট্রিমস লিমিটেড এবং ব্রোঞ্জ ইউনিগ্লোরি প্যাকেজিং ইন্ডাষ্ট্রিজ। অন্যান্য প্রাথমিক পণ্যে স্বর্ণপদক পায় হেয়ার স্টাইল ফ্যাক্টরী, রৌপ্য রায় ট্রেড ইন্টারন্যাশানল এবং রৌপ্যপদক পেয়েছে ইকো ফ্রেশ ইন্টারন্যাশনাল। অন্যান্য সেবা খাতে স্বর্ণ এক্সপো ফ্রেইট এবং রৌপ্যপদক পায় মীর টেলিকম। নারী উদ্যোক্তা খাতে স্বর্ণ পাইওনিয়র নিটওয়ার্স, রৌপ্য বীকন নীটওয়্যার এবং ব্রোঞ্জপদক পায় ইব্রাহিম নিট গার্মেন্টস।


আরও খবর



বরগুনায় সনদ জালিয়াতি করে পরিবার পরিকল্পনা দপ্তরে চাকরি

প্রকাশিত:রবিবার ১৪ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ১৪ জুলাই ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
অলিউল্লাহ্ ইমরান, বরগুনা

Image

অন্যের শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদের সকল তথ্য সঠিক রেখে শুধুমাত্র পরীক্ষার্থীর নাম ও পিতার নাম পরিবর্তন করে জাল সনদ বানিয়ে ১০ বছর ধরে সরকারি চাকুরি করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। অভিযুক্তের নাম শিপ্রা সরকার। তিনি বরগুনার বামনা উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা অফিসের পরিবার কল্যান পরিদর্শিকা হিসাবে ডৌয়াতলা ইউনিয়ন স্বাস্থ্য কেন্দ্রে বর্তমানে কর্মরত রয়েছেন।

এঘটনায় সনদের প্রকৃত মালিক মঠবাড়িয়া উপজেলার বাশবুনিয়া রাশিদিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা সমাপ্তি বিশ্বাস তার এসএসসি সনদ জাল করে বামনা উপজেলায় শিপ্রা সরকার নামে এক নারী পরিবার কল্যান পরিদর্শিকা পদে চাকরি করছেন দাবী করে পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের বরাবরে একটি অভিযোগ দায়ের করেন।

অভিযোগে জানাগেছে, পিরোজপুর জেলার নাজিরপুর উপজেলার গৌরাঙ্গলাল বিশ্বাসের মেয়ে সমাপ্তি বিশ্বাস ২০১৯ সালে এনটিআরসির মাধ্যমে বাশবুনিয়া রাশিদিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা হিসাবে নিয়োগ পেয়েছেন। গত বছর ২রা অক্টোবর রাতে ওই শিক্ষিকাকে নাজিরপুর থানার ডিএসবি থেকে ফোন করে জানায় তার এসএসসি পরীক্ষা সনদের সকল তথ্য সঠিক রেখে শুধু নাম এবং পিতার নাম পরিবর্তন করে বরগুনায় শিপ্রা সরকার নামে একজন পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরে পরিবার কল্যান পরিদর্শিকা পদে চাকরি করছেন।

অভিযোগে সমাপ্তি বিশ্বাস জানায়, তার এসএসসি পরীক্ষার সনদে রোল নম্বর ১১৩৬৭৮ রেজিষ্ট্রেশন নম্বর ২৪৮৯৬৩ শিক্ষাবর্ষ ১৯৯৯-২০০০, পাশের সন ২০০১ এবং শিক্ষা বোর্ড বরিশাল। এদিকে সমাপ্তি বিশ্বাসের সনদ জাল করে চাকরি পাওয়া শিপ্রা সরকারের জাল সনদটি উদ্ধার করে কালেরকন্ঠ টিম। ওই জাল এসএসসি পরীক্ষার সনদে দেখাগেছে সমাপ্তি বিশ্বাসের নামের স্থানে হুবুহু ফন্টে টাইপ করে লেখা রয়েছে শিপ্রা সরকার এবং পিতার নাম নকুল চন্দ্র সরকার। এছারা বাকি সকল তথ্য রয়েছে প্রকৃত সনদ মালিক সমাপ্তি বিশ্বাস এর। চাকুরী প্রাপ্তির সময় ওই জাল সনদে বরগুনা সরকারি কলেজের রাষ্ট্র বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক সমরজিৎ হাওলাদারের সত্যায়িত করা স্বাক্ষর রয়েছে যেখানে তারিখ লেখা রয়েছে ২৫ অক্টোবর ২০১৪।

তবে বরগুনা সরকারি কলেজের সাবেক ওই অধ্যাপক সরমজিৎ হাওলাদার জানায়, তিনি ২০০৯ সালে বরগুনা থেকে বদলী হয়েছেন। ২০১৪ সালে তিনি কিভাবে ওই সনদে সত্যায়িত করবেন। এটা জাল করে তৈরী করা হয়েছে। তবে অবাক লাগে চাকরী প্রদানের সময় গোয়েন্দা বিভাগের তদন্তে  কিভাবে তিনি পার পেয়েছেন?

মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষাবোর্ডের ওয়েবসাইটে রেজাল্ট দেখতে গিয়ে বেরিয়ে আসে শিপ্রা সরকারের জালিয়াতির প্রকৃত রহস্য। সেখানে জাল করা শিপ্রা সরকারের সনদের রোল নম্বর ও রেজিষ্ট্রেশন নম্বর দিয়ে সার্চ করলে সমাপ্তি বিশ্বাসের নাম দেখা যায়।

এদিকে সমাপ্তি বিশ্বাসের অভিযোগের প্রেক্ষিতে বিষয়টি তদন্তের জন্য বরগুনা পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের উপপরিচালক মাহমুদুল হক আজাদকে দ্বায়িত্ব দেওয়া হয় মহাপরিচালকের দপ্তর থেকে। তবে অভিযোগ পাওয়াগেছে গত মাসের ২ জুন বরগুনা পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের উপপরিচালক মাহমুদুল হক আজাদ দায়সারা ভাবে একটি তদন্ত শেষ করে প্রতিবেদন ডিজির বরাবরে পাঠিয়েছেন।

এব্যপারে জানতে চাইলে উপপরিচালক মাহমুদুল হক আজাদ বলেন, তদন্তের দিন অভিযোগকারীকে বরগুনায় আসতে চিঠি দেওয়া হয়েছে। তবে তিনি তদন্তের দিন উপস্থিত হয়নি। পরে ডিএসবি রিপোর্ট অনুযায়ী আমি তদন্ত প্রতিবেদন মহাপরিচালকের দপ্তরে পাঠিয়ে দিয়েছি।

এদিকে শিপ্রা সরকারের সনদ জালিয়াতির মাধ্যমে পরিবার পরিকল্পনা পরিদর্শিকা পদে চাকরী পাওয়ার বিষয়ে স্থানীয় সংবাদকর্মীরা তথ্য পেলে অভিযুক্তকে ফোন করে বিষয়টি জানতে চায়। এতে ক্ষীপ্ত হয়ে ওই পরিদর্শিকার স্বামী স্থানীয় এক সাংবাদিককে উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যানের মাধ্যমে মানহানী মামলা করা হুমকী প্রদান করেন।

স্থানীয় ওই সাংবাদিক জানান, শিপ্রা রানীর জালিয়াতির অভিযোগ পেয়ে তার ফোন নম্বরে ফোন করা হলেও তার ফোন বন্ধ পাওয়া গেছে। পরে তার স্বামীকে তথ্যের জন্য ফোন দিলে তিনি তার ওপর ক্ষীপ্ত হয়ে যায়। একপর্যায়ে তাকে হুমকি প্রদান করেন বলেন যদি আপনারা বারাবারি করেন তাহলে স্থানীয় উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যানের কাছে আপনাদের বিরুদ্ধে মানহানির অভিযোগ দিবো। 

এদিকে অনুসন্ধানে আরো জানাগেছে, অভিযুক্ত শিপ্রা সরকারের স্বামী তপন কুমার রায় ডৌয়াতলা ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যান কেন্দ্রের নৈশ প্রহরীর হিসাবে চাকরী করেন।

ওই অফিসের একজন কর্মচারী নাম প্রকাশ না করার শর্তে  জানান, তপন কুমার রায় নৈশ প্রহরী হিসাবে কর্মরত থাকলেও একদিনও তিনি অফিস করেন নাই। শুধু তাই নয় শিপ্রা সরকার সার্বক্ষনিক ইউনিয়ন স্বাস্থ্য কেন্দ্রে থাকার বিধান থাকলেও তিনি দুপুরের পরে বাড়ি চলে যায়।  সনদ জালিয়াতি করে চাকরি পাওয়া অভিযুক্ত শিপ্রা সরকারের বক্তব্য নেওয়ার জন্য তার মোবাইল ফোনে কল করা হলেও ফোন বন্ধ পাওয়া গেছে। গত শনিবার বেলা সারে এগারোটার সময় তার কর্মস্থলে গিয়েও তাকে পাওয়া যায়নি। সকালে এসে হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর করে তিনি চলে গেছেন।

পরে অভিযুক্ত শিপ্রা সরকারের স্বামী তপন কুমার রায়কে ফোন করা হলে তিনি বলেন, অভিযোগের জন্য একটি তদন্ত টীম গঠন করা হয়েছে। তারা তদন্ত করে প্রতিবেদন ঢাকায় পাঠিয়ে দিয়েছে। তবে মহাপরিচালকের কাছে যিনি অভিযোগ দিয়েছেন তিনি অনেকের কাছে ওই অভিযোগের কথা অস্বীকার করেছেন। তার পরেও তদন্তে আমি অভিযুক্ত হলে আপনারা সংবাদ প্রকাশ করবেন তার আগে আমাদের কাছে কেন আপনারা ফোন করেন।

এদিকে অভিযোগকারী সমাপ্তি বিশ্বাস এর স্বামী শ্যামল সাহা বলেন, আমরা ডিএসবির মাধ্যমে জালিয়াতির বিষয়টি অবহিত হওয়ার পরে পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের বরাবরে ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য আবেদন করেছি। বরগুনা উপপরিচালকের কার্যালয় থেকে আমাদের জানিয়েছেন তবে তদন্তের দিন আমরা যেতে পারিনি। কিন্তু তদন্ত টীম শিক্ষাবোর্ডের ওয়েব সাইটে প্রবেশ করলে তো জানতে পারে শিপ্রা সরকার জালিয়াতি করেছে কিনা।

এব্যাপারে বরিশাল বিভাগীয় উপ পরিচালক মো. আবদুর রাজ্জাক বলেন, এতো বড় জালিয়াতির বিষয়ে আমি কিছুই জানিনা। অনুগ্রহ করে সকল তথ্য আমাকে দিন আমি প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করবো।


আরও খবর



হাসপাতালে নেই এন্টিভেনম

ঠাকুরগাঁওয়ে সাপের কামড়ে এক শিশুসহ দুইজনের মৃত্যু

প্রকাশিত:রবিবার ০৭ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ০৭ জুলাই ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
রেদওয়ানুল হক মিলন, ঠাকুরগাঁও

Image

সারা দেশে যখন রাসেলস ভাইপার নিয়ে এক প্রকার আতঙ্ক বিরাজ করছে, ঠিক সেই সময়ে ঠাকুরগাঁওয়ে সাপের কামড়ে মারা গেছেন দুইজন। তবে তাদের কোন সাপ দংশন করেছে তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

রোববার (৭ জুলাই) ভোররাতে জেলার বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার ধনতলা ইউনিয়নের চৌটাকী গ্রামের আকালু চন্দ্রের নয় বছর বয়সী শিশুকন্যা সুভাত্রা ও একই উপজেলার পাড়িয়া ইউনিয়নের বামুনিয়া নিটাল ডোবা এলাকার মো: জয়নালের স্ত্রী শাহারা বানু (৪০) কে সাপ দংশন করে।

নিহত সুভাত্রার পরিবার সূত্রে জানা গেছে, আজ ভোররাতে ঘুমন্ত অবস্থায় বিছানায় সুভাত্রাকে সাপে কামড় দেয়। ব্যাথা অনুভব করায় সুভাত্রা তার মাকে জানান তাকে কি যেন কামড় দিয়েছে। পরে তার মা দেখে একটি সাপ ঘর থেকে বেড়িয়ে যাচ্ছে। তবে কোন সাপ তা বলতে পারে না তারা। তৎক্ষণাৎ সুভাত্রাকে চিকিৎসার জন্য ওঝা ডেকে আনা হয়। পরে তার অবস্থা অবনতির দিকে গেলে ভোর ৫ দিকে সুভাত্রার মৃত্যু হয়। সুভাত্রা চৌটাকী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রী ছিলো।

অন্যদিকে, শনিবার সন্ধ্যায় বাড়ির কাজ করতে গিয়ে হঠাৎ সাপেড় কামড়ে আক্রান্ত হয় শাহারা বেগম নামে এক নারী। পরবর্তীতে রাত ৮টায় তাকে উদ্ধার করে বালিয়াডাঙ্গী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ভর্তি করলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

এবিষয়ে বালিয়াডাঙ্গী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. মোঃ আহাদুজ্জামান সজিব জানান, সাপের কামড়ে আক্রান্ত নারী হাসপাতালে আসতে দেরি করায় সময়মত চিকিৎসা দেয়া সম্ভব হয়নি। সে কারণে তার মৃত্যু হয়েছে।

হাসপাতালেও পর্যাপ্ত এন্টিভেনম ইনজেকশন নেই। তাই সবাইকে সচেতন হবার আহবান এই চিকিৎসকের।

বালিয়াডাঙ্গী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফিরোজ কবির মৃত্যু দুটির বিষয় নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, সাপের কামড়ে এক শিশু ও এক নারীর মৃত্যু হয়েছে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলের দুই জায়গায় পুলিশ পাঠানো হয়েছে।


আরও খবর