আজঃ শুক্রবার ১৪ জুন ২০২৪
শিরোনাম

বিচার ব্যবস্থায় বিদেশি হস্তক্ষেপ, ৫০ সম্পাদকের প্রতিবাদ

প্রকাশিত:শনিবার ০২ সেপ্টেম্বর 2০২3 | হালনাগাদ:শনিবার ০২ সেপ্টেম্বর 2০২3 | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

নোবেল জয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বিরুদ্ধে চলমান শ্রম আইন লঙ্ঘন মামলার বিষয়ে বিশ্বের ১৮৪ বিশিষ্ট ব্যক্তির খোলা চিঠির প্রতিক্রিয়ায় প্রতিবাদ ও উদ্বেগ জানিয়েছেন দেশের বিভিন্ন গণমাধ্যমের ৫০ জন সম্পাদক। শনিবার (২ সেপ্টেম্বর) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তারা এ উদ্বেগ জানান।

বিবৃতিতে তারা বলেন, প্রধানমন্ত্রীকে লেখা এ ধরনের খোলা চিঠি সার্বভৌম দেশের স্বাধীন বিচার ব্যবস্থার ওপর অযাচিত হস্তক্ষেপ। আমরা এর তীব্র প্রতিবাদ জানাই। বাংলাদেশের সংবিধানের ৯৪(৪) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী বাংলাদেশের বিচার বিভাগ সম্পূর্ণরূপে স্বাধীন। এ ধরনের চিঠি প্রদানের মাধ্যমে তারা অনৈতিক, বেআইনি ও অসাংবিধানিকভাবে বাংলাদেশের স্বাধীন বিচার ব্যবস্থার ওপর হস্তক্ষেপ করেছেন বলে আমরা মনে করি।

এ ধরনের বিবৃতি বা খোলা চিঠি আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা (আইএলও) এবং বাংলাদেশের আইনে শ্রমিকদের প্রদত্ত অধিকার সংক্রান্ত বিধানাবলীর সম্পূর্ণ পরিপন্থী বলেও দাবি করেন সম্পাদকরা।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, আন্তর্জাতিকভাবে সম্মানিত এবং নোবেল বিজয়ীদের এ ধরনের বিবৃতি এবং চিঠি অনাকাঙ্খিত এবং অনৈতিক। একজন অপরাধ করলে তার বিরুদ্ধে মামলা করা যাবে না এবং বিচার করা যাবে না এমন দাবি ন্যায়বিচার এবং আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার পরিপন্থী। আমরা মনে করি তারা মামলা সম্পর্কে পুরোপুরি না জেনে এমন দাবি করেছেন। তাই আমরা তাদেরকে অথবা তাদের প্রতিনিধি এসে মামলায় ড. ইউনূসকে আদৌ হয়রানি করা হচ্ছে কি না, তা তারা পর্যবেক্ষণ করতে পারেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাদের এই আহ্বান জানিয়েছেন আমরা তা সমর্থন করি।

বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, খোলা চিঠিতে বাংলাদেশের গণতন্ত্র এবং নির্বাচন সংক্রান্ত বিষয়ে যে ধরনের মন্তব্য করা হয়েছে, তা স্বাধীন-সার্বভৌম একটি রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে সরাসরি হস্তক্ষেপের শামিল। মহান মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে অর্জিত স্বাধীন দেশের নাগরিক হিসেবে বাংলাদেশের জনগণ যে কোনো মহলের এ ধরনের অবমাননাকর, অযাচিত ও বেআইনি হস্তক্ষেপ কোনোভাবেই মেনে নেবে না।

আমরা সংশ্লিষ্ট সবাইকে বাংলাদেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব, স্বাধীন বিচার ব্যবস্থা এবং শ্রমিকদের অধিকারের বিষয়ে সম্মান প্রদর্শনের জন্য আহ্বান জানাচ্ছি।

বিবৃতি দানকারী ৫০ জন সম্পাদক:

১। ইকবাল সোবাহান চৌধুরী, সম্পাদক, ডেইলি অবজারভার

২। গোলাম রহমান, সম্পাদক, আজকের পত্রিকা

৩। তাসমিমা হোসেন, সম্পাদক, ইত্তেফাক

৪। আবুল কালাম আজাদ, প্রধান সম্পাদক, বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা

৫। ইমদাদুল হক মিলন, প্রধান সম্পাদক, কালের কণ্ঠ

৬। আলমগীর হোসেন, সম্পাদক, সমকাল

৭। সাইফুল আলম, সম্পাদক, যুগান্তর

৮। নঈম নিজাম, সম্পাদক, বাংলাদেশ প্রতিদিন

৯। ফরিদ হোসেন, সম্পাদক, ইউএনবি

১০। শ্যামল দত্ত, সম্পাদক, ভোরের কাগজ

১১। নাঈমুল ইসলাম খান, ইমিরিটাস এডিটর

১২। আলতামাশ কবির, সম্পাদক, সংবাদ

১৩। আজিজুল ইসলাম ভূঁইয়া, সম্পাদক, পিপলস টাইম

১৪। রেজাউল করিম লোটাস, সম্পাদক, ডেইলি সান

১৫। শাহজাহান সরদার, সম্পাদক, বাংলাদেশ জার্নাল

১৬. নাসিমা খান মন্টি, সম্পাদক, আমাদের নতুন সময়

১৭। রফিকুল ইসলাম রতন, ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক, বাংলাদেশ বুলেটিন

১৮। ফারুক আহমেদ তালুকদার, সম্পাদক, আজকালের খবর

১৯। সন্তোষ শর্মা, সম্পাদক, কালবেলা

২০। শরীফ শাহাবুদ্দিন, সম্পাদক, বাংলাদেশ পোস্ট

২১। শামীমা এ খান, সম্পাদক, জনকণ্ঠ

২২। কমলেশ রায়, ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক, সময়ের আলো

২৩। মুস্তাফিজ শফি, সম্পাদক, প্রতিদিনের বাংলাদেশ

২৪। মোস্তফা মামুন, ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক, দেশ রূপান্তর

২৫। বেলায়েত হোসেন, সম্পাদক, ভোরের ডাক

২৬। চৌধুরী জাফরউল্লাহ শারাফাত, ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক, দৈনিক বাংলা

২৭। শামীম সিদ্দিকি, ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক, আলোকিত বাংলাদেশ

২৮। আব্দুল মজিদ, সম্পাদক, সংবাদ সারাবেলা

২৯। রিমন মাহফুজ, ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক, সংবাদ প্রতিদিন

৩০। মফিজুর রহমান খান বাবু, সম্পাদক, বাংলাদেশের আলো

৩১। আরিফুর রহমান দোলন, সম্পাদক, ঢাকা টাইমস

৩২। নুর হাকিম, সম্পাদক, সকালের সময়

৩৩। মো: জসিম, সম্পাদক, আমার বার্তা

৩৪। আখলাকুল আম্বিয়া, সম্পাদক, স্বাধীন বাংলা

৩৫। এস এম নূরে আলম সিদ্দিকী, সম্পাদক, আজকের দর্পণ

৩৬। ফরিদ বাঙ্গালী, সম্পাদক, লাখো কণ্ঠ

৩৭। ড. আসাদুজ্জামান, সম্পাদক, বাংলাদেশ সমাচার

৩৮। কিশোর আদিত্য, সম্পাদক, প্রথম কথা

৩৯। দীপক আচার্য্য, সম্পাদক, দ্যা সাউথ এশিয়ান টাইমস

৪০। আবু সাঈদ, সম্পাদক, আজকের সংবাদ

৪১। আতিকুর রহমান চৌধুরী, সম্পাদক, দর্পণ প্রতিদিন

৪২। রফিকুল ইসলাম, সম্পাদক, আলোর বার্তা

৪৩। মো: সেলিম, সম্পাদক, ডেইলি ইভিনিং নিউজ

৪৪। মোস্তফা হোসেন চৌধুরী, সম্পাদক, অগ্রসর

৪৫। নাজমুল হক সরকার, ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক, বর্তমান

৪৬। শাহাদাত হোসেন শাহীন, সম্পাদক, গণমুক্তি

৪৭। মো. সাইদুল ইসলাম, সম্পাদক, প্রতিদিনের সংবাদ

৪৮। নাজমুল আলম তৌফিক, সম্পাদক, ডেইলি সিটিজেন টাইমস

৪৯। হেমায়েত হোসেন, সম্পাদক, কান্ট্রি টুডে সহ ৫০ জন।


আরও খবর



চট্টগ্রামে ঝুটের গোডাউনে আগুন, নিয়ন্ত্রণে ৬ ইউনিট

প্রকাশিত:বুধবার ১২ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১২ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
রাহুল সরকার, চট্টগ্রাম ব্যুরো

Image

চট্টগ্রামে ঝুটের গোডাউনে আগুনের ঘটনা ঘটেছে। আজ বুধবার বেলা ১১টার দিকে নগরীর সিটি গেট এলাকার ওই গোডাউনে এ ঘটনা ঘটে।

খবর পেয়ে আগুন নেভাতে ফায়ার সার্ভিসের ছয়টি ইউনিট কাজ করছে। তাৎক্ষণিকভাবে আগুন লাগার কারণ জানা যায়নি।

চট্টগ্রাম ফায়ার সার্ভিসের উপ-সহকারী পরিচালক মো. আবদুল্লাহ জানান, বেলা ১১টার দিকে নগরীর সিটি গেট এলাকার ওই ঝুটের গোডাউনে আগুন লাগে। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের ছয়টি ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে। তবে তাৎক্ষণিকভাবে আগুন লাগার কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ জানা যায়নি।


আরও খবর
গৃহবধূকে ডেকে নিয়ে দলবদ্ধ ধর্ষণ

বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪




দেশের বিভিন্ন স্থানে ভূমিকম্প অনুভূত

প্রকাশিত:বুধবার ২৯ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ২৯ মে ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। কয়েক সেকেন্ড স্থায়ী ছিলো এ স্বল্পমাত্রার ভূমিকম্প।

বুধবার সন্ধ্যা সোয়া ৭টার দিকে এ ভূমিকম্প অনুভূত হয়। তাৎক্ষণিকভাবে ক্ষয়ক্ষতির কোনো খবর পাওয়া যায়নি।

মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা ইউএসজিএস জানিয়েছে, ৫.৪ মাত্রার এই ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল ভারতের মনিপুরের পাশে মিয়ানমারের মাওলাইক এলাকায়, মাটির ৯৪.৭ কিলোমিটার গভীরে।

নিউজ ট্যাগ: ভূমিকম্প

আরও খবর



সিলেটে বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি, আশ্রয়কেন্দ্র ছাড়ছেন মানুষ

প্রকাশিত:রবিবার ০২ জুন 2০২4 | হালনাগাদ:রবিবার ০২ জুন 2০২4 | অনলাইন সংস্করণ
এস এ শফি, সিলেট

Image

টানা দ্বিতীয় দিনের মতো সিলেটের বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি অব্যাহত রয়েছে। তবে শনিবার নগরের পানি বৃদ্ধি পেলেও রোববার থেকে নগরের পানিও কমতে শুরু করেছে। ইতোমধ্যে সিলেট নগরে সুরমা নদীর পানি বিপদৎসীমার নিচে নেমে গেছে। পানি কমছে প্লাবিত সাত উপজেলায়ও।

রবিবার (২ জুন) সুরমা নদীর পানি সিলেটে পয়েন্টে বিপদসীমা থেকে সামান্য (১ সে.মি.) নিচে নেমেছে বলে জানিছে পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো)। রবিবার দুপুর ১২টায় বিপদসীমার ১০.৮০ থেকে ১ সে.মি. কমে ১০.৭৯ নিচে নেমে এসেছে। টানাবৃষ্টি না হলে পানি আরও কমবে বলে জানায় পাউবো।

রোববার সিলেটের জেলা প্রশাসন জানায়, বৃষ্টিপাত ও উজানের ঢলে সিলেট সিটি করপোরেশনের ৯টি ওয়ার্ড, সিলেট সদর উপজেলার ৭টি ইউনিয়ন, কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার ৬টি ইউনিয়ন, জৈন্তাপুর উপজেলার ৬টি ইউনিয়ন, গোয়াইনঘাট উপজেলার ১৩টি ইউনিয়ন, কানাইঘাট উপজেলার ৯টি ইউনিয়ন, জকিগঞ্জ উপজেলার ১০টি ইউনিয়ন, বিয়ানীবাজার উপজেলার ৬টি ইউনিয়ন এবং গোলাপগঞ্জ উপজেলার ২টি ইউনিয়ন বন্যায় প্লাবিত হয়েছে।

সিটি করপোরেশনের ৯টি ওয়ার্ডসহ জেলার বন্যা কবলিত ৮টি উপজেলার মোট ৬৮টি ওয়ার্ড ও ইউনিয়নের ৭৬১টি গ্রাম ইতোমধ্যে বন্যায় প্লাবিত হয়েছে। এসব এলাকায় বন্যা কবলিত জনসংখ্যা ৬ লাখ ৮ হাজার ৩৩৫ জন। যা গতকাল শনিবার পর্যন্ত ছিলো ৬ লাখ ৯ হাজার ৩৩ জনে।

জেলা প্রশাসনের তথ্য মতে, এসব এলাকাগুলোতে ৫৫০টি আশ্রয়কেন্দ্রে রোববার পর্যন্ত ১ হাজার ৮শ ৬জন মানুষ আশ্রয়কেন্দ্রে রয়েছেন, তবে গতকাল তার সংখ্যা ৩ হাজার ৩শ ৪২ জনে। পানিবন্দি পরিবারগুলোকে আশ্রয়কেন্দ্রে স্থানান্তরের কার্যক্রম এখনও অব্যাহত রয়েছে। এছাড়া বন্যার্তদের স্বাস্থ্যসেবা প্রদানের জন্য ইউনিয়ন ভিত্তিক মেডিকেল টিম গঠন করা হয়েছে। এর পাশাপাশি সরকারি-বেসরকারিভাবে শুকনো খাবার ও রান্না করা খাবার এবং বিশুদ্ধ পানি বিতরণ কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

এদিকে, গেল ২৪ ঘন্টায় সিলেটের জাফলং এলাকায় সবচেয়ে বেশি বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে, যার পরিমাণ ছিল ১১৩ মিলিমিটার। তাছাড়া অঞ্চলে বৃষ্টিপাতের মাত্রা কম ছিলো বলে জানিয়েছে সিলেট পানি উন্নয়ন বোর্ড।

সিলেটের জেলা প্রশাসক শেখ রাসেল হাসান জানান, বন্যা পরিস্থিতি উন্নতি হওয়ায় গত ১২ ঘন্টায় আশ্রয়কেন্দ্র থেকে ২০৪ জন তাদের বাড়ি ফিরে গেছেন। বৃষ্টিপাত না হওয়ায় বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে এবং সার্বিক পরিস্থিতির উপর সর্তক দৃষ্টি রাখা হচ্ছে।


আরও খবর
গৃহবধূকে ডেকে নিয়ে দলবদ্ধ ধর্ষণ

বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪




উপকূলীয় এলাকায় লঞ্চ চলাচল বন্ধের নির্দেশ

প্রকাশিত:শনিবার ২৫ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২৫ মে ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট গভীর নিম্নচাপকে কেন্দ্র করে উপকূলীয় এলাকায় লঞ্চসহ সব ধরনের নৌযান চলাচল বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ)। তবে দেশের অভ্যন্তরীণ নৌরুটগুলোতে চলাচল করা লঞ্চ ও অন্যান্য নৌযানের ব্যাপারে এখনও এমন কোনও নির্দেশনা দেওয়া হয়নি।

শনিবার বিকালে গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন বিআইডব্লিউটিএ এর নৌ নিরাপত্তা ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা বিভাগের পরিচালক মো. জয়নাল আবেদীন।

তিনি বলেছেন, বঙ্গোপসাগরে যে গভীর নিম্নচাপটি সৃষ্টি হয়েছে সেটি ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সেজন্য আমরা ইতোমধ্যে সব ধরনের ব্যবস্থা নিয়েছি। সমুদ্র বন্দরগুলোতে ৩ নম্বর সতর্কতা সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। সেজন্য উপকূলীয় এলাকায় সব ধরনের লঞ্চ এবং নৌযান চলাচল নিষিদ্ধ করা হয়েছে। তবে নদীবন্দরগুলোতে চলাচল করা লঞ্চের জন্য এমন কোনও নির্দেশনা দেওয়া হয়নি। সেটি সময় সাপেক্ষ ব্যাপার। পরিস্থিতি বুঝে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

একইসঙ্গে বিআইডব্লিউটিএর সকল পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ছুটি বাতিল করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।

অপরদিকে সাগরে সৃষ্ট গভীর নিম্নচাপ এবং সম্ভাব্য ঘূর্ণিঝড়ের সম্ভাবনাকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের ভবনের ৬ষ্ঠ তলায় কন্ট্রোল রুম স্থাপন করা হয়েছে। কন্ট্রোল রুমে সংস্থাটির কর্মকর্তা-কর্মচারী উপস্থিত থেকে আবহাওয়া অফিস, কর্তৃপক্ষের সকল নদীবন্দরে স্থাপিত নিয়ন্ত্রণ কক্ষ, বন্দরের ফোকাল পয়েন্ট কর্মকর্তা, নদীবন্দরের বিভিন্ন বিভাগের নিয়ন্ত্রণ কর্মকর্তা এবং ড্রেজার বেইজের নিয়ন্ত্রণ কর্মকর্তা সঙ্গে নিরবচ্ছিন্ন যোগাযোগ রাখবেন।

নিয়ন্ত্রণ কক্ষে যোগাযোগ করার জন্য টেলিফোন নম্বর +৮৮০২২২৩৩৫২৩০৬ ও মোবাইল নম্বর ০১৯৫৮৬৫৮২১৩ ব্যবহারের অনুরোধ করা হয়েছে।

এছাড়া বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় সম্ভাব্য ঘূর্ণিঝড় পরিস্থিতিতে অভ্যন্তরীণ নৌপথে চলাচলকারী সব ধরনের নৌযানকে আবহাওয়া সংকেত ও বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) জারি করা নির্দেশনা অনুসরণের নির্দেশ দিয়েছে সংস্থাটি।


আরও খবর



মুম্বাই বিমানবন্দরে বোমা আতঙ্ক, জরুরি অবতরণ

প্রকাশিত:শনিবার ০১ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ০১ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

বোমা আতঙ্কের জেরে মুম্বাই বিমানবন্দরে সাত সকালে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করা হয়। আজ শনিবার সকালে চেন্নাই থেকে মুম্বাইয়ে অবতরণের পরই একটি বিমানে বোমা আছে বলে খবর আসে মুম্বই বিমানবন্দরে। সঙ্গে সঙ্গেই বিমানে শুরু হয় তল্লাশি অভিযান।

ভারতীয় গণমাধ্যম বলছে, এক বিবৃতিতে ইন্ডিগো জানিয়েছে, সব যাত্রীকে নিরাপদে বিমান থেকে নামানো হয়। পরে বিমানটি পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হয়। সব নিরাপত্তা পরীক্ষা শেষ হওয়ার পরে, বিমানটিকে আবার টার্মিনাল এলাকায় স্থাপন করা হবে।

জানা গেছে, ১৭২ জন যাত্রী নিয়ে সকাল ৭টা নাগাদ ওই বিমান চেন্নাই থেকে মুম্বাই বিমানবন্দরের উদ্দেশে যাত্রা শুরু করে। বেসরকারি সংস্থার ওই বিমানের উড়ান সংখ্যা ছিল ৬ই৫৩১৪। বিমানটি মুম্বাই বিমানবন্দরে নামে সকাল পৌনে ৯টা নাগাদ।

এর আগে গত সোমবার দিল্লি থেকে বারাণসীগামী একটি বিমানে বোমাতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। তবে আকাশে ওড়ার আগেই রানওয়েতে থামানো হয় বিমানটি। পরে জরুরি ভিত্তিতে বিমানের সকল যাত্রীকে নামিয়ে চলে তল্লাশি অভিযান। তবে সন্দেহজনক কিছুই খুঁজে পাইনি পুলিশ।

তারও আগে গত ১৫ মে দিল্লি বিমানবন্দরে এয়ার ইন্ডিয়ার একটি বিমানে এমন কাগজের টুকরো মিলেছিল। যেখানে লেখা ছিল, বোমা রাখা রয়েছে বিমানে। পাশাপাশি গত মাসে দিল্লির একাধিক হাসপাতাল, বিমানবন্দরে বোমাতঙ্ক ছড়ানো হয়েছে। যদিও সবকটি ক্ষেত্রেই তল্লাশি চালিয়ে সন্দেহজনক কিছুই পাওয়া যায়নি।


আরও খবর