আজঃ রবিবার ২১ জুলাই ২০২৪
শিরোনাম

ঈদের দ্বিতীয় দিনে চলছে পশু কোরবানি

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৮ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৮ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

ঈদুল আজহার দ্বিতীয় দিনেও ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জায়গায় পশু কোরবানি করছেন ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা। আজ মঙ্গলবার ফজরের নামাজ পরপরই রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় পশু কোরবানি শুরু হয়।

রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, ঈদের দ্বিতীয় দিন সকালে পশু কোরবানি দিচ্ছেন অনেকে। কেউ কেউ পারিবারিক ঐতিহ্যের কারণে, আবার অনেকে ঈদের দিন কসাই না পাওয়ায় কোরবানি করতে পারেননি। তাই দ্বিতীয় দিনে কোরবানি দিচ্ছেন তারা। পাড়া-মহল্লার অলিগলি, বাসার নিচের গ্যারেজে, প্রধান সড়কে পছন্দের গরু, মহিষ, খাসি, ভেড়া কোরবানি করছেন সামর্থ্যবান মুসলমানরা।

দ্বিতীয় দিনে একাধিক কোরবানিদাতার সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, প্রথমদিন সবাই কোরবানি করেন, তাই কসাই পাওয়া কঠিন হয়ে পড়ে। এ কারণে তারা দ্বিতীয় দিনে পশু কোরবানি করেন।

ইসলামের শরীয়ত মতে, কোরবানির পশু জবাই করার সময় থাকে তিন দিন। হিজরি জিলহজ মাসের ১০, ১১ ও ১২ তারিখ সামর্থ্য অনুযায়ী কোরবানি করা যায়। ফলে কোনো কারণে ঈদের দিন কোরবানি করা সম্ভব না হলে, ঈদের পরের দুদিন পশু কোরবানি করা যায়।


আরও খবর



দুর্নীতি মামলা বাতিল চেয়ে হাইকোর্টে ড. ইউনূস

প্রকাশিত:সোমবার ০৮ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ০৮ জুলাই ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আদালত প্রতিবেদক

Image

শ্রমিক-কর্মচারীদের লভ্যাংশ আত্মসাতের মামলার অভিযোগ বাতিল চেয়ে হাইকোর্টে আবেদন করেছেন গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা নোবেলজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূস। সোমবার (৮ জুলাই) ড. ইউনূসের পক্ষে তার আইনজীবী ব্যারিস্টার আবদুল্লাহ আল মামুন আবেদনটি করেন।

জানা গেছে, বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি কাজী ইবাদত হোসেনের হাইকোর্ট বেঞ্চে আবেদনটির ওপর শুনানি হবে।

এর আগে, গত ১২ জুন এই মামলায় ড. মুহাম্মদ ইউনূসসহ ১৪ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন আদালত। আগামী ১৫ জুলাই এ বিষয়ে সাক্ষ্যগ্রহণের তারিখ রাখা হয়েছে।

গ্রামীণ টেলিকমের কর্মীদের লভ্যাংশের ২৫ কোটি ২২ লাখ ৬ হাজার ৭৮০ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে গত বছরের ৩০ মে মামলা করে দুদক।

এরপর চলতি বছরের ১ ফেব্রুয়ারি ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতে আসামিদের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা দুদকের উপপরিচালক গুলশান আনোয়ার।

দুদকের মামলায় আসামি ১৩ জন থাকলেও চার্জশিটে নতুন একজন আসামির নাম যুক্ত হয়েছে।


আরও খবর
কোটা নিয়ে আপিল বিভাগে শুনানি রোববার

বৃহস্পতিবার ১৮ জুলাই ২০২৪




‘বাজপাখি’ মার্তিনেজ নৈপুণ্যে সেমিতে আর্জেন্টিনা

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৫ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০৫ জুলাই ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
ক্রীড়া প্রতিবেদক

Image

ম্যাচের নির্ধারিত সময় শেষ। ইকুয়েডরের বিপক্ষে ১-০ গোলে এগিয়ে আর্জেন্টিনা। অপেক্ষা রেফারির শেষ বাঁশির। যেই বাঁশিতে মিলবে সেমির টিকিট। কিন্তু হঠাৎই গ্যালারিতে শুনশান নীরবতা। স্তব্ধ গোটা আর্জেন্টাইন শিবির। অতিরিক্ত যোগ করা সময়ে জন ইয়েবোহের দারুণ ক্রস হেডে জালে জড়ান কেভিন রদ্রিগেজ। ১-১ গোলে সমতায় চলে আসে ম্যাচটা। এক্সটা সময়ের খেলা না থাকায় সরাসরি ম্যাচ গড়ায় টাইব্রেকারে। আর্জেন্টিনাকে টেনে তোলার দায়িত্বটা আরও একবার বর্তায় গোলরক্ষক এমেলিয়ানো মার্তিনেজের কাঁধে। এ দফায়ও টেনে তুলেছেন বাজপাখি খ্যাত মার্তিনেজ।

আর্জেন্টিনার হয়ে টাইব্রেকারে শট নিতে এসে প্রথম বলটিই পোস্টে রাখতে পারেননি মেসি। ইকুয়েডরের প্রথম শট রুখে দিয়ে আর্জেন্টিনাকে বাঁচান মার্তিনেজ। দ্বিতীয় শটে ভুল করেনি জুলিয়ান আলভারেজ। এগিয়ে নেন দলকে। এদিকে ফের ইকুয়েডরের শট রুখে দেন মার্তিনেজ। দলকে এগিয়ে নেন তিনি। এরপর আর ভুল করেনি কেউ। ১ গোলে এগিয়ে থেকে ম্যাচটা শেষ পর্যন্ত জিতে যায় আর্জেন্টিনা। টাইব্রেকারে ৪-২ গোলের জয়ে সেমিফাইনালে পা রাখে আর্জেন্টিনা। যেখানে আর্জেন্টিনার জয়ের নায়ক মার্তিনেজ।

এদিন প্রথমার্ধে ১-০ গোলে এগিয়ে থাকা আর্জেন্টিনা বড় ভুলটা করে বসে ম্যাচের ৫৮ মিনিটে। ম্যাচে সমতায় ফেরার সেরা সুযোগটা পেয়ে যায় ইকুয়েডর। ডি বক্সে প্রতিপক্ষের আক্রমণ ঠেকাতে গিয়ে ভুল করে বসেন ডি পল। বল লাগে তার হাতে। পেনাল্টি পেয়ে যায় ইকুয়েডর। শট নিতে আসেন এনার ভ্যালেন্সিয়া। পেনাল্টিতে আর্জেন্টাইন গোলরক্ষকে ঠিকই বোকা বানিয়েছিলেন তিনি। তার শট নেওয়ার উল্টো পাশে ঝাঁপ দিয়েছিল মার্তিনেজ। তবে শেষ পর্যন্ত বোকা হতে হয়েছে তাকেও। তার নেওয়া দুর্বল শট বাধা পায় গোলবারে। বড় বিপদ থেকে বেঁচে যায় আর্জেন্টিনা।

এরপর দলে বেশ কিছু পরিবর্তন এনেও ছন্দ খোঁজে পাচ্ছিল না আর্জেন্টিনা। ব্যবধান বাড়িয়ে নেওয়া দূরের কথা উল্টো ইকুয়েডর চাপে ফেলছিল আর্জেন্টিনাকে। আর্জেন্টিনার রক্ষণের কঠিন পরীক্ষাও নিচ্ছিল দলটি। তবে সেই পরীক্ষায় নির্ধারিত সময়ে পাস করে গেলেও হাল ছাড়েনি ইকুয়েডর। নির্ধারিত ৯০ মিনিট পর্যন্ত দারুণ লড়াই করেও ম্যাচে সমতা টানতে পারেনি ইকুয়েডর। মনে হচ্ছিল সেমিতে চলে যাচ্ছে আর্জেন্টিনা। তবে শেষ পর্যন্ত অতিরিক্ত যোগ করা সময়ে ঘটে বড় বিপত্তি। জন ইয়েবোহের দারুণ ক্রস হেডে জালে জড়ান কেভিন রদ্রিগেজ। স্তব্ধ হয়ে যায় পুরো গ্যালারি। ম্যাচ গড়ায় টাইব্রেকারে।

যেখানে বরাবরের মতোই এদিনও দলকে টেনে তুলেছেন মার্তিনেজ। সবশেষ কোপা, কাতার বিশ্বকাপ থেকে শুরু করে টাইব্রেকারে কখনোই আর্জেন্টিনাকে হারতে দেননি মার্তিনেজ। সেই মার্তিনেজ আরও একবার তাই করে দেখালেন। দলকে জেতালেন দারুণ দক্ষতায় দুটি গোল আটকে দিয়ে। ৪-২ গোলে জয় পেল আর্জেন্টিনা। অথচ, এমন ম্যাচে নিষ্প্রভ মেসি, গোল করতে ব্যর্থ হয়েছেন টাইব্রেকারেও। তাতে বড় বিপদেই পড়ে গিয়েছিল দল। তবে এ যাত্রায় আর্জেন্টিনাকে বাঁচিয়ে দিয়েছেন দিবু ও দলের বাকিরা। দলকে নিয়ে গেছেন সেমিফাইনালে।

এর আগে কোয়ার্টার ফাইনালের ম্যাচে এদিন চোট শঙ্কা দূর করে ম্যাচের শুরুর একাদশেই মাঠে নেমেছেন লিওনেল মেসি। তার সঙ্গে আক্রমণভাগে রাখা হয়েছে দারুণ ছন্দে থাকা লাওতারো মার্তিনেজকে। দুজনে অবশ্য তেমন কোনো সুযোগ তৈরি করতে পারেননি গোলের। প্রথমার্ধে নিজেদের রক্ষণে কড়া পাহারা বসিয়ে আর্জেন্টিনাকে আটকে রাখছিল ইকুয়েডর। তাতে কঠিন হয়ে উঠছিল গোল পাওয়া। তবে সেই কঠিন বাধা টপকে দলকে এগিয়ে দিয়েছেন মার্টিনেজ।

ম্যাচের ৩৫ মিনিটে এঞ্জো ফার্নান্দেজ গোলের উদ্দেশ্যে ডি বক্সে ঢুকে জোরাল শট নিলে সেটি বাধা পেয়ে কর্নার কিক পায় আর্জেন্টিনা। আর সেই কর্নার কিকটিই শেষ পর্যন্ত আর্জেন্টিনার জন্য হয়ে উঠে আশীর্বাদ। কর্নার কিকটি প্রথমে হেড করেন ম্যাক অ্যালিস্টার। তার হেড এক রকম গোলবারের আরেক পাশে দাঁড়িয়ে থাকা লিসান্দ্রো মার্টিনেজ পেয়ে যান একা। যা খুব সহজেই হেড দিয়ে জালে পাঠিয়ে দেন তিনি। আর্জেন্টিনা লিড নেয় ১-০ গোলে।


আরও খবর



এবার সিটি কর্পোরেশন এলাকায় প্রাথমিক বিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণা

প্রকাশিত:বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক

Image

দেশের অন্যান্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পর এবার প্রাথমিক বিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন ৮টি বিভাগীয় শহরের সিটি কর্পোরেশনের এলাকাভুক্ত সব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, শিশু কল্যাণ ট্রাস্ট পরিচালিত প্রাথমিক বিদ্যালয় ও উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরো পরিচালিত লার্নিং সেন্টারগুলোর শ্রেণি কার্যক্রম পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত বন্ধ ঘোষণা করেছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়।

বুধবার (১৭ জুলাই) সকালে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা মাহবুবুর রহমান তুহিন এ তথ্য জানিয়েছেন। তিনি জানান, কোমলমতি শিশুদের নিরাপত্তা বিবেচনায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

এর আগে, কোটা সংস্কার আন্দোলন ইস্যুতে উদ্ভূত পরিস্থিতিতে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা বিবেচনায় সারা দেশের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের শ্রেণি কার্যক্রম অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বিদ্যালয় ও কলেজগামী শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ের সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং পলিটেকনিক ইন্সটিটিউটসমূহের শ্রেণি কার্যক্রম পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত বন্ধ থাকবে। একই সঙ্গে ১৮ জুলাইয়ের এইচএসসি পরীক্ষাও স্থগিত ঘোষণা করা হয়েছে।

অন্যদিকে, মঙ্গলবার রাত ১১টায় দেশের সব সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধের নির্দেশনা দেয় ইউজিসি। কমিশনের সচিব ড. ফেরদৌস জামানের সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। এতে বলা হয়, শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার বিষয়টি বিবেচনায় দেশের সব পাবলিক ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় এবং বিশ্ববিদ্যালয় অধিভুক্ত মেডিকেল, টেক্সটাইল, ইঞ্জিনিয়ারিং ও অন্যান্য কলেজসহ সব কলেজের শিক্ষা কার্যক্রম পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত বন্ধ থাকবে। একই সঙ্গে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার স্বার্থে আবাসিক হল ত্যাগের নির্দেশনা দিয়ে নিরাপদ আবাসস্থলে অবস্থানের নির্দেশনা প্রদান করা হলো।

এর আগে, রাত সাড়ে ১০টা ২০ মিনিটে এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তায় বিষয়টি বিবেচনায় অনির্দিষ্টকালের সব ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ করেছে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়। এতে জানানো হয়, পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত সব কলেজ ও প্রতিষ্ঠানগুলো বন্ধ থাকবে।


আরও খবর
আরও ৩ দিনের এইচএসসি পরীক্ষা স্থগিত

বৃহস্পতিবার ১৮ জুলাই ২০২৪




হজ চলাকালীন মারা গেছেন কমপক্ষে ১৩০১ জন: সৌদি আরব

প্রকাশিত:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

চলতি বছর হজে গিয়ে তাপপ্রবাহ ও অসহনীয় গরমে এ পর্যন্ত মৃত্যু হয়েছে কমপক্ষে এক হাজার ৩০১ জন হজযাত্রীর। মারা যাওয়া এসব মানুষের বেশিরভাগই ছিলেন অননুমোদিত হজযাত্রী। সোমবার (২৪ জুন) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চলতি বছরে হজের সময় কমপক্ষে ১৩০১ জন মারা গেছেন বলে সৌদি আরব জানিয়েছে। মৃতদের বেশিরভাগই ছিলেন অননুমোদিত হজযাত্রী যারা তীব্র গরমে দীর্ঘ পথ পায়ে হেঁটেছিলেন।

মূলত তীব্র তাপপ্রবাহের মধ্যেই এবারের হজ অনুষ্ঠিত হয়েছে এবং এসময় মধ্যপ্রাচ্যের এই দেশটিতে তাপমাত্রা কখনো কখনো ৫০ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছাড়িয়ে গিয়েছিল।

সৌদির সরকারি বার্তাসংস্থা এসপিএ জানিয়েছে, যারা মারা গেছে তাদের তিন-চতুর্থাংশেরও সেখানে থাকার আনুষ্ঠানিক অনুমতি ছিল না এবং তারা পর্যাপ্ত আশ্রয় ও উপকরণ ছাড়াই সরাসরি সূর্যের তাপের মধ্যে হেঁটেছেন।

এছাড়া যারা মারা গেছেন তাদের মধ্যে কয়েকজন বয়স্ক বা দীর্ঘস্থায়ী অসুস্থ ব্যক্তি ছিলেন বলেও বার্তাসংস্থাটি জানিয়েছে।

সৌদি আরবের স্বাস্থ্যমন্ত্রী ফাহাদ আল-জালাজেল বলেছেন, তীব্র তাপপ্রবাহের বিপদ এবং তাপ সম্পর্কিত চাপ হজযাত্রীরা কীভাবে প্রশমিত করতে পারেন সে সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ানোর প্রচেষ্টা চালানো হয়েছিল।

তিনি বলেন, হজের সময় হাসপাতাল ও স্বাস্থ্য অবকাঠামোগুলোতে প্রায় ৫ লাখ হজযাত্রীর চিকিৎসা করা হয়েছে, যার মধ্যে ১ লাখ ৪০ হাজারেরও বেশি হজযাত্রী রয়েছেন যাদের হজ করার পারমিট ছিল না। এমনকি অসুস্থ হয়ে পড়াদের কেউ কেউ এখনো তাপ ক্লান্তির জন্য হাসপাতালে রয়েছেন।

ফাহাদ আল-জালাজেল বলেন, আল্লাহ ক্ষমা করুন এবং মৃতদের প্রতি রহম করুন। তাদের পরিবারের প্রতি আমাদের আন্তরিক সমবেদনা জানাই।

বিবিসি বলছে, সৌদি আরব হজকে নিরাপদ করতে আরও পদক্ষেপ না নেওয়ার জন্য সমালোচিত হয়েছে, বিশেষ করে অনিবন্ধিত হজযাত্রীদের জন্য যাদের শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত তাঁবু এবং অফিসিয়াল হজ পরিবহনের মতো সুবিধা ব্যবহারের সুযোগ নেই।

সৌদি আরবের জাতীয় আবহাওয়া কেন্দ্রের তথ্য অনুসারে, হজের সময় মক্কায় তাপমাত্রা ৫১.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত বেড়েছিল। এর মধ্যেই বিশ্বজুড়ে বহু দেশ তাদের নাগরিকদের মৃতের সংখ্যা সম্পর্কে আপডেট দিয়েছে, তবে সৌদি আরব রোববারের আগপর্যন্ত মৃত্যুর বিষয়ে প্রকাশ্যে মন্তব্য করেনি বা মৃত্যুর সংখ্যা সম্পর্কে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো সংখ্যা প্রদান করেনি।

বার্তাসংস্থা এএফপি একজন আরব কূটনীতিকের উদ্ধৃতি দিয়ে জানিয়েছে, এবারের হজে ৬৫৮ জন মিসরীয় মারা গেছেন। ইন্দোনেশিয়া বলেছে, তাদেরও ২০০ জনেরও বেশি নাগরিক প্রাণ হারিয়েছেন এবং ভারতও তাদের ৯৮ জন হাজির মৃত্যুর কথা জানিয়েছে।

এছাড়া পাকিস্তান, মালয়েশিয়া, জর্ডান, ইরান, সেনেগাল, সুদান এবং ইরাকের স্বায়ত্তশাসিত কুর্দিস্তান অঞ্চলও তাদের হাজিদের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।


আরও খবর
আজ নেলসন ম্যান্ডেলার জন্মদিন!

বৃহস্পতিবার ১৮ জুলাই ২০২৪




চা বিক্রেতার মেয়ের কিডনি প্রতিস্থাপনে প্রয়োজন ১৭ লাখ টাকা

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৪ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৪ জুলাই ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
উপজেলা প্রতিনিধি

Image

গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়া উপজেলার পাটগাতী বাজারের চা বিক্রেতা জামাল মোল্লা। ৫ বছর আগে একমাত্র মেয়ে সাদিয়াকে বিয়ে দিয়েছিলেন খুলনার তেরখাদা উপজেলার কৃষক রমজান খানের সাথে। বিয়ের ৫ বছরে দুটি সন্তানও হয়েছে সাদিয়ার। অভাব অনটনের মধ্যেও সুখেই স্বামীর ঘর করছিলো সাদিয়া। কিন্তু ঘুণাক্ষরেও টের পায়নি কখন যে মরণ অসুখ বাসা বেধেছে তার কিডনিতে। যখন টের পেলো তখন তার একটি কিডনি অকেজ ও আরেকটার ৫০ শতাংশ নষ্ট হয়ে গেছে। চিকিৎসার অভাবে মৃত্যু পথযাত্রী এ দুই সন্তানের জননী, জীবনের শেষ প্রান্তে দাঁড়িয়ে।

সন্তানদের জন্য তার বেঁচে থাকার তীব্র আকুতি। স্বামী কিংবা স্বজনদের সামর্থ্য নেই এত টাকা ব্যয় করে তাকে বাঁচিয়ে রাখার। তারপরও তার বাবা চা বিক্রেতা জামাল একমাত্র মেয়েকে বাঁচাতে সাহায্যের আশায় ধরনা দিচ্ছে বিভিন্ন মহলে।

সাদিয়ার বাবা জামাল মোল্লা বলেন, দ্বিতীয় সন্তান জন্মের পর হঠাৎ সাদিয়ার সারা শরীর ফুলে যায়। তখন তার স্বামী খুলনায় আড়াই শ শয্যা হাসপাতালে ভর্তি করে। তখন চিকিৎসকেরা জানায় সাদিয়ার কিডনিতে সমস্যা রয়েছে, উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নিতে হবে। তখন ঢাকায় জাতীয় কিডনি ইনস্টিটিউটে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা জানায় সাদিয়ার একটি কিডনি পুরোপুরি নষ্ট ও আরেকটি ৫০ শতাংশ নষ্ট হয়ে গেছে। পুনরায় কিডনি স্থাপন করতে ১৭ লাখ টাকার প্রয়োজন।

জামাল মোল্লা বলেন, এ কথা সাদিয়ার স্বামী রমজান জানার পর ১ বছর আগে ২ সন্তানসহ তাকে আমার বাড়িতে রেখে যায়। তারপর স্ত্রী সন্তানের আর কোন খোঁজ খবর নেয়নি রমজান। সঞ্চিত অর্থ ও ধার দেনা করে এতদিন মেয়ের চিকিৎসা চালিয়ে আসছি। এখন শুধুমাত্র ভিটে বাড়ি ছাড়া আর কিছুই নেই। আর টাকার অভাবে বর্তমানে সাদিয়ার চিকিৎসা বন্ধ রয়েছে ।

বাবা জামাল মোল্লা আরও বলেন, ইতিমধ্যে সাদিয়ার ডান পাশের কিডনি কেটে ফেলে দেয়া হয়েছে। আর বাম পাশের কিডনি ৫০ শতাংশ নষ্ট হয়ে গেছে। এছাড়াও প্রসাবের থলি ফুলে অনেক বড় হয়ে গেছে। সাদিয়ার অবস্থা ক্রমেই অবনতির দিকে যাচ্ছে। এ অবস্থায় সাদিয়ার চিকিৎসা করানো আমার পক্ষে অসম্ভব হয়ে পড়েছে। আমার একমাত্র মেয়েটি বাড়িতেই মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছে। তাই বিত্তবান, প্রবাসীসহ স্বহৃদয়বান ব্যক্তিদের কাছে আমার আকুল আবেদন আমার মেয়েকে বাঁচাতে এগিয়ে আসুন।

সাহায্য পাঠানোর ঠিকানা ইসলামী ব্যাংকের হিসাব নং ২০৫০৪০০০২০০৪৯১২০৮ (সাদিয়ার মা খাদিজা বেগম) ও সাদিয়ার বাবা জামাল মোল্লার বিকাশ নাম্বারে ০১৯৭৯-১৪১৩০০ পাঠাতে পারেন।

টুঙ্গিপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. জসিম উদ্দিন বলেন, চিকিৎসকরা তার কিডনি প্রতিস্থাপনের পরামর্শ দিয়েছে। কিডিনি প্রতিস্থাপন করা হলে সাদিয়ার জীবন রক্ষা পাবে।

এবিষয়ে টুঙ্গিপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. মঈনুল হক বলেন, আপনাদের (সাংবাদিক) মাধ্যমে বিষয়টি জানতে পারলাম। উপজেলা প্রশাসন থেকে তাদের যথাসম্ভব সাহায্য করা হবে।

ফারহান লাবিব, টুঙ্গিপাড়া (গোপালগঞ্জ)

নিউজ ট্যাগ: টুঙ্গিপাড়া

আরও খবর