আজঃ বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪
শিরোনাম

এসএসসিতে দুই বিষয়ে ফেল করলেও কলেজে ভর্তির সুযোগ

প্রকাশিত:বুধবার ২৯ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ২৯ মে ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

এসএসসিতে এক বা দুই বিষয়ে অকৃতকার্য হলেও একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির সুযোগ পাবে শিক্ষার্থীরা। তবে পরের দুই বছরের মধ্যে তাকে পাবলিক মূল্যায়নে অংশ নিয়ে বিষয়গুলোতে উত্তীর্ণ হতে হবে।

জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের (এনসিটিবি) তৈরি করা জাতীয় শিক্ষাক্রম ২০২২-এর মূল্যায়ন কৌশল ও বাস্তবায়ন নির্দেশনা’ সংক্রান্ত প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে। মঙ্গলবার (২৮ মে) কারিকুলাম ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড রিভিশন কোর কমিটিতে প্রতিবেদনটি পাস হয়েছে। তবে জাতীয় শিক্ষাক্রম সমন্বয় কমিটির সভায় এটি চূড়ান্ত হবে।

গত বছর প্রথম, ষষ্ঠ ও সপ্তম, চলতি বছর দ্বিতীয়, তৃতীয়, অষ্টম ও নবম শ্রেণিতে নতুন শিক্ষাক্রম বাস্তবায়ন করা হয়। ২০২৫ সালে পঞ্চম ও দশম, ২০২৬ সালে একাদশ এবং ২০২৭ সালে দ্বাদশ শ্রেণিতে এ শিক্ষাক্রম চালু হবে।

নতুন শিক্ষাক্রমে দশম শ্রেণির পাঠ্যসূচির ভিত্তিতে ২০২৬ সালে হবে এসএসসি পরীক্ষা। এরপর শিক্ষার্থীরা একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি হতে পারবে।

প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে, একাদশে ভর্তি হয়েও মান উন্নয়নের জন্য এক বা একাধিক অথবা সব বিষয়ে পুনরায় পাবলিক মূল্যায়নে (এসএসসি) অংশ নেওয়ার সুযোগ থাকছে। অনন্য, অর্জনমুখী, অগ্রগামী, সক্রিয়, অনুসন্ধানী, বিকাশমান ও প্রারম্ভিক– এই ৭টি সূচকের ভিত্তিতে প্রকাশ করা হবে শিক্ষার্থীর রিপোর্ট কার্ড। এতে সব বিষয়ে পারদর্শিতা বা সর্বোচ্চ সূচক অনন্য, আর সর্বনিম্ন সূচক হলো প্রারম্ভিক।

প্রসঙ্গত, বর্তমানে একজন শিক্ষার্থী এসএসসিতে এক বা দুই বিষয়ে ফেল করলে তার শুধু ওই দুই বিষয়ে পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ রয়েছে। কিন্তু কলেজে ভর্তি হওয়ার সুযোগ পায় না।


আরও খবর



ঈদ স্পেশাল ট্রেনের যাত্রা শুরু

প্রকাশিত:বুধবার ১২ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১২ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে আজ (১২ জুন) থেকে ১০ জোড়া ঈদ স্পেশাল ট্রেন চলা শুরু হয়েছে। ঘরমুখো মানুষের যাত্রার সুবিধার্থে এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ রেলওয়ে। ঈদুল আজহা উপলক্ষে বাংলাদেশ রেলওয়ের নেওয়া কর্মপরিকল্পনা থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

কর্মপরিকল্পনায় বলা হয়, ঈদুল আজহায় চাঁদপুর ঈদ স্পেশাল (১, ২, ৩ ও ৪) চট্টগ্রাম-চাঁদপুর-চট্টগ্রাম; দেওয়ানগঞ্জ ঈদ স্পেশাল (৫ ও ৬) ঢাকা-দেওয়ানগঞ্জ-ঢাকা; ময়মনসিংহ ঈদ স্পেশাল (৭ ও ৮) চট্টগ্রাম-ময়মনসিংহ-চট্টগ্রাম; কক্সবাজার ঈদ স্পেশাল (৮ ও ৯) চট্টগ্রাম-কক্সবাজার-চট্টগ্রাম রুটে ১২ জুন থেকে ঈদের আগের দিন পর্যন্ত ও ঈদের পরে ৭ দিন চলাচল করবে।

এ ছাড়া পার্বতীপুর ঈদ স্পেশাল (১৫ ও ১৬) জয়দেবপুর-পার্বতীপুর-জয়দেবপুর রুটে আগামী ১৩-১৫ জুন (৩ দিন) ও ঈদের পরে ২১-২৩ জুন (৩ দিন) চলাচল করবে।

অন্যদিকে শোলাকিয়া ঈদ স্পেশাল (১১ ও ১২) ভৈরব বাজার-কিশোরগঞ্জ-ভৈরব বাজার; শোলাকিয়া ঈদ স্পেশাল (১৩ ও ১৪) ময়মনসিংহ-কিশোরগঞ্জ-ময়মনসিংহ; গোর-এ-শহীদ ঈদ স্পেশাল (১৭ ও ১৮) পার্বতীপুর-দিনাজপুর-পার্বতীপুর; গোর-এ-শহীদ ঈদ স্পেশাল (১৯ ও ২০) ঠাকুরগাঁও-দিনাজপুর-ঠাকুরগাঁও রুটে শুধু ঈদের দিন চলাচল করবে।


আরও খবর



সর্বজনীন স্বাস্থ্য সুরক্ষা অর্জনে সরকারের সাফল্যে চট্টগ্রামে বিলবোর্ড স্থাপন

প্রকাশিত:বুধবার ২৯ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ২৯ মে ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
চট্টগ্রাম প্রতিনিধি

Image

সর্বজনীন স্বাস্থ্য সুরক্ষা অর্জনে সরকারের গৃহীত পদক্ষেপ ও সাফল্য সংক্রান্তে প্রচারাভিযানের অংশ হিসেবে চট্টগ্রাম জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয়ের সামনে বিলবোর্ড স্থাপন ও মাইকিংয়ের মাধ্যমে প্রচারাভিযান চালানোর পাশাপাশি ৩ হাজার পিস লিফলেট বিতরণ করা হয়েছে।

বুধবার (২৯ মে) জেলা সিভিল ডা. মোহাম্মদ ইলিয়াছ চৌধুরী বিলবোর্ড স্থাপন ও প্রচারাভিযানের উদ্বোধন করেন। এসময় সিভিল সার্জন কার্যালয়ের এমওসিএস ডা. মোহাম্মদ নওশাদ খান, সিনিয়র স্বাস্থ্য শিক্ষা কর্মকতা থোয়াইনু মং মারমা, আজমীর ইন্টারন্যাশনাল কনসাল্টিং ফার্মের প্রতিনিধি মোহাম্মদ সুমন ও সিভিল সার্জন কার্যালয়ের কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।  

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের স্বাস্থ্য শিক্ষা ব্যুরোর লাইফস্টাইল, হেলথ এডুকেশন এন্ড প্রমোশন-এর আওতায় ২০২৩-২৪ অর্থবছরের কার্যক্রম বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে আজমীর ইন্টারন্যাশনাল কনসাল্টিং ফার্মের সহযোগিতায় এলএন্ড এইচইপি ইনভাইট ইন অ্যাসিভমেন্ট অব ইউনিভার্সেল হেলথ কভারেজ, টুওয়ার্ডস এসডিজি এন্ড স্মার্ট বাংলাদেশ বিষয়ে জনসচেতনতা তৈরীর কার্যক্রম হিসেবে জনসমাগমস্থলে ১২ ফুট দৈর্ঘ্য ও ৮ ফুট প্রস্থ সাইজের বিলবোর্ড  স্থাপন করা হচ্ছে। একই সাথে সর্বজনীন স্বাস্থ্য সুরক্ষা অর্জনে মাইকিংয়ের মাধ্যমে প্রচারাভিযান ও লিফলেট বিতরণ করা হচ্ছে। আগামী ২০৩০ সালে এসডিজি অর্জন ও ২০৪১ সালে স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণের লক্ষ্যে সরকারের গৃহীত পদক্ষেপ।

নিউজ ট্যাগ: চট্টগ্রাম

আরও খবর



আনোয়ারুল আজিম অপকর্মে জড়িত কি না তদন্তে বেরিয়ে আসবে: কাদের

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৩ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২৩ মে ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক

Image

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ভারতে নিহত ঝিনাইদহ-৪ আসনের এমপি অপকর্মে জড়িত কি না তা তদন্তে বেরিয়ে আসবে। তদন্ত শেষ হওয়ার আগে কিছু বলতে পারছি না। আওয়ামী লীগে অপরাধীদের কোনো ঠাঁই নেই। 

বৃহস্পতিবার ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে নবগঠিত যুব ও ক্রীড়া উপ-কমিটির সদস্যদের পরিচিতি সভায় এ কথা বলেন তিনি।

ওবায়দুল কাদের বলেন, ঝিনাইদহ-৪ আসনের এমপি আনোয়ারুল আজিম আনারকে তৃতীয়বার মনোনয়ন দেওয়া হয়েছিল তার জনপ্রিয়তার জন্য। এলাকায় গিয়ে দেখেন, তার জন্য শোকার্ত এলাকার মানুষ। ভেতরে সে কোনো অপকর্ম করে কি না, এসব যখন প্রমাণ হয় তখন শেখ হাসিনা কাউকে ছাড় দেন না, দলের লোক হলেও। জিরো টলারেন্স নীতি তার। ভারতের গণমাধ্যমে এসেছে চোরাচালানের কথা। তার মৃত্যুর আগে দেশের কোনো সাংবাদিকের অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে কেন বিষয়টি এলো না?

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডে জিয়াউর রহমান জড়িত না থাকলে খুনিদের কেন নিরাপদে বিদেশে পালিয়ে যাওয়ার সুযোগ দিলেন? বিভিন্ন দূতাবাসে খুনিদের চাকরি দিয়েছেন। সংবিধানের পঞ্চম সংশোধনী এনে খুনিদের দায়মুক্তি দিতে বিচারের পথরুদ্ধ করেছেন। সাংবিধানিকভাবে খুনিদের বিচারের পথ কেন রুদ্ধ করলেন? মির্জা ফখরুলের কাছে জানতে চাই।

জিয়াউর রহমানের বাকশালের সদস্যপদ নিয়ে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, সেনাবাহিনী প্রধানের বাকশালের সদস্য হওয়ার নিয়ম ছিল। কিন্তু উপ-সেনাপ্রধানের সে সুযোগ ছিল না। জিয়াউর রহমান বঙ্গবন্ধুর কাছে দরখাস্ত করে কাকুতি-মিনতি করে বাকশালের সদস্য হয়েছিলেন। এর প্রমাণ আছে। বাকশালের ৭১ নম্বর সদস্য ছিলেন তিনি। ইতিহাস নিয়ে বিএনপি বারবার মিথ্যাচার করছে।

ওবায়দুল কাদের বলেন, বিএনপি বলছে আজ ছাত্রলীগ-যুবলীগ নাকি অর্থপাচার করছে। অর্থপাচারে বিএনপি সুপরিচিত। সিঙ্গাপুর-আমেরিকায় কে অর্থপাচার করেছে? তারেক রহমান ও কোকো। সিঙ্গাপুরে পাচার হওয়া অর্থের একটা অংশ উদ্ধার করা হয়েছে। এফবিআই ঢাকায় এসে সাক্ষ্য দিয়ে গেছে। নিজেরা যে অপরাধে অপরাধী, তার দায় তারা ছাত্রলীগ-যুবলীগের ওপর চাপাতে চায়। এরা কত মিথ্যাচার অপপ্রচার করতে পারে!

বাংলাদেশের ক্রীড়াঙ্গন নিয়ে হতাশার কোনো কারণ নেই, এমন মন্তব্য করে মন্ত্রী বলেন, ক্রিকেট অনেক এগিয়ে গেছে। ফুটবলটা আরও এগোতে পারতো। বিশ্বকাপ ফুটবলে যখন দেখি আইসল্যান্ডের মতো দেশ খেলছে। তখন ভাবি আমরা কেন পারি না!

ওবায়দুল কাদের বলেন, যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকার সময় বাংলাদেশ সাফ ফুটবলে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। বিশ্বকাপ ক্রিকেটে বাংলাদেশ খেলার সুযোগ পেয়েছে।

সেতুমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ যখন মালদ্বীপের সঙ্গে হারে তখন খারাপ লাগে। বাংলাদেশের মেয়েরা ভালো করছে। ক্রীড়াবান্ধব প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা খেলোয়াড়দের পুরস্কৃত করেন, সহযোগিতা করেন, বিভিন্নভাবে উৎসাহিত করার চেষ্টা করেন। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী আমাদের সবার চেয়ে ডায়নামিক। সে কারণে বাংলাদেশ আজ বিশ্বের বিস্ময়।

যুব ও ক্রীড়া উপ-কমিটির চেয়ারম্যান মোজাফফর হোসেন পল্টুর সভাপতিত্বে পরিচিতি সভায় উপস্থিত ছিলেন উপ-কমিটির কো-চেয়ারম্যান হারুনুর রশিদ, যুব ও ক্রীড়া উপ-কমিটির সদস্য সচিব ও হুইপ মাশরাফি বিন মর্তুজা, সংস্কৃতি বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী নাহিদ ইজহার খানসহ উপ-কমিটির সদস্যরা।


আরও খবর



তরুণদের উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তুলতে কাজ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত:রবিবার ১৯ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ১৯ মে ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, তরুণ প্রজন্মদের উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তুলতে ক্ষমতায় এসে কাজ শুরু করেছে আওয়ামী লীগ সরকার।’

রবিবার (১৯ মে) সকালে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে ১১তম জাতীয় ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের পণ্য মেলায় উদ্বোধনীয় অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, শুধু পণ্য উৎপাদন করলেই হবে না। পণ্য উৎপাদনের সঙ্গে সঙ্গে পণ্য বাজারজাত করণের দিকেও নজর দিতে হবে।’

শেখ হাসিনা আরও বলেন, বিশ্ব অর্থনীতির প্রভাব পড়ছে বাংলাদেশে। তবে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে সরকার। দেশের শিল্পখাতে ১০০টি অর্থনৈতিক অঞ্চল করা হয়েছে।’

তিনি বলেন, ২০০৯-২৩ এ বাংলাদেশ বদলে গেছে। প্রতিটি ক্ষেত্রেই ব্যাপক অগ্রগতি হয়েছে। সেই জায়গা থেকে আরও সামনে এগিয়ে যেতে হবে। কৃষি উৎপাদন বাড়াতে হবে। তারই পাশাপাশি শিল্পায়ন করতে হবে। মানুষের উদ্যম কাজে লাগাতে পারলেই সোনার বাংলাদেশ গড়ে তোলা যাবে। এসএমই উদ্যোক্তারা একক বা যৌথভাবে অর্থনৈতিক অঞ্চলে বিনিয়োগ করতে পারেন। নারী-পুরুষকে সমানভাবে উদ্যোক্তা করতে পারলে দেশ দ্রুত এগিয়ে যাবে।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, কোভিড, ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধ, স্যাংশন-পাল্টা স্যাংশন না হলে দেশ আরও এগিয়ে যেত। এর ওপর গাজায় ইসরায়েলের আক্রমণ। পণ্য পরিবহন, সঞ্চালন, আমদানি ব্যয় অনেক বেড়েছে। ফলে মূল্যস্ফীতি বেড়েছে। তবে তা নিয়ন্ত্রণে আপ্রাণ চেষ্টা করছে সরকার। আমাদের দেশীয় উৎপাদন বাড়াতে হবে।’


আরও খবর



শাহজালাল বিমানবন্দরে অগ্নিনির্বাপণ মহড়া অনুষ্ঠিত

প্রকাশিত:রবিবার ০২ জুন 2০২4 | হালনাগাদ:রবিবার ০২ জুন 2০২4 | অনলাইন সংস্করণ
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

উড়োজাহাজে আগুন লাগলে তা কীভাবে নেভানো হয়, সেটির ভেতর থেকে যাত্রীদের উদ্ধার করা, নিরাপদ জায়গায় নেওয়া এবং যারা আহত হন তাদের কীভাবে চিকিৎসা দেওয়া হয় তা অনেকেই জানেন না। তাই এসব বিষয়ে ধারণা দিতেই হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের থার্ড টার্মিনালে আয়োজন করা হয়েছিল অগ্নিনির্বাপক মহড়া। এতে দেখানো হয় প্লেনে আগুন লাগার পর থেকে আদ্যোপান্ত।

রোববার (২ জুন) দুপুরে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এমন একটি মহড়ার আয়োজন করে কর্তৃপক্ষ।

শাহজালাল বিমানবন্দরের সকল সংশ্লিষ্ট বিভাগ, বিমান বাহিনী, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স, এয়ারপোর্ট আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন) এবং জাহানারা ক্লিনিকের যৌথ উদ্যোগে অনুষ্ঠিত দুর্ঘটনা কবলিত বিমানের অগ্নি নির্বাপণ মহড়া ছিল এটি।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল মো. মুফিদুর রহমান বলেন, এ ধরনের প্রত্যেকটি মহড়ায় আমরা আমাদের ভুল ত্রুটিগুলো ধরার চেষ্টা করি। আমাদের সিস্টেমগুলোকে আমরা রিভিউ করি। এভাবে আমরা এগিয়ে যাচ্ছি। আমাদের ইকোনমিতে এ ধরনের মহড়া ক্যাটালিস্ট ভূমিকা রাখতে পারে। আর সেই ভূমিকাটা পালন করার জন্য আমাদের দক্ষতার প্রয়োজন আছে।

তিনি আরও বলেন, আমরা যারা গ্রাউন্ডে আছি, আমাদের এয়ারলাইন্স গুলো আকাশে, যারা সাপোর্ট সংগঠন আছে, প্রত্যেককেই কিন্তু তাদের ক্যাপাসিটির উন্নয়ন ঘটাতে হবে। আমরা যদি এসব না করি তাহলে আমরা ওই লক্ষ্যে পৌঁছতে পারব না।

মহড়ার শুরুতেই হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নির্বাহী পরিচালক গ্রুপ ক্যাপ্টেন মো. কামরুল ইসলাম বক্তব্য রাখেন। তিনি এয়ারপোর্ট ইমার্জেন্সী এক্সারসাইজ ফায়ার-২০২৪ এর সাজানো কাল্পনিক চিত্রটি বর্ণনা করেন।

তিনি বলেন, আজকের এ মহড়ার উদ্দেশ্য হলো, বিভিন্ন সংস্থার মধ্যে সমন্বয় করে বিমানবন্দরে দুর্ঘটনা কবলিত উড়োজাহাজের অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা যাচাই করা। সেই সঙ্গে মহড়ার মাধ্যমে বিভিন্ন সংস্থার মধ্যে সমন্বয়ের কোনো ঘাটতি থাকলে সেটি ঠিক করা। প্রকৃতপক্ষে আসল দুর্ঘটনার দৃশ্যটি মঞ্চায়ন করা খুবই দূরুহ কাজ। তবে, আমরা একটি দৃশ্যপট সাজিয়েছি সকলকে অবহিত করার জন্য।

প্রতি দুই বছর পর পর এই মহড়া অনুষ্ঠিত হয়। মহড়ার মুখ্য উদ্দেশ্য হলো, বিমানবন্দরে দুর্ঘটনা কবলিত উড়োজাহাজের দ্রুততার সাথে জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিতকল্পে অগ্নিনির্বাপণ এবং যাত্রীদের উদ্ধার কাজের সাথে সম্পৃক্ত অন্যান্য সরকারি-বেসরকারি সংস্থার সাথে সহযোগিতা ও সমন্বয়ের মাধ্যমে দ্রুততম সময়ে কিভাবে দুর্ঘটনা কবলিত উড়োজাহাজের উদ্ধার কার্যক্রম পরিচালিত হয় তা নির্ণয় এবং মূল্যায়ন করা।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন এয়ার কমোডর এ এফ এম আতিকুজ্জামান। এছাড়া সামরিক ও বেসামরিক বিভিন্ন সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা, এয়ারলাইন্স এর প্রতিনিধিরা এবং বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।


আরও খবর