আজঃ বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪
শিরোনাম

নরেন্দ্র মোদি আর মাত্র ৭-৮ দিনের প্রধানমন্ত্রী: মমতা

প্রকাশিত:বুধবার ২৯ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ২৯ মে ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

নরেন্দ্র মোদি আর ক্ষমতায় ফিরবেন না উল্লেখ করে তৃণমূল প্রধান পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন, তাকে আর হয়ত ৭-৮ দিন প্রধানমন্ত্রী বলতে পারব। মঙ্গলবার (২৮ মে) এক সভায় এ কথা বলেন তিনি।

মমতা বলেন, এবার আর কেন্দ্রে ক্ষমতায় আসছে না বিজেপি। নরেন্দ্র মোদিকে হয়ত আর ৭-৮ দিন প্রধানমন্ত্রী বলতে পারব। তীব্র হুঁশিয়ারি দিয়ে তিনি বলেন, বাংলার উন্নয়ন দেখতে পায় না হিংসুটেরা।

একইদিন পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের উত্তর চব্বিশ পরগনা জেলার অশোকনগরে এক সভা নরেন্দ্র মোদি বলেন, বাংলাতেই সবচেয়ে ভালো ফল করবে বিজেপি। তিনি বলেন, তুষ্ট করার রাজনীতি করতে সিএএর বিরোধিতা করছে তৃণমূল। সিএএ নিয়ে মানুষকে বিভ্রান্ত করছে তারা।

মোদি বলেন, ভারতে বহু মানুষ নাগরিকত্ব পেয়ে গেছেন। কারো কাছ থেকে কিছু ছিনিয়ে নেওয়া হয়নি। নাগরিকত্ব দিয়ে তাদের ভারত মায়ের সন্তান বানানো হয়েছে। এই নাগরিকত্ব দিচ্ছে দেশের সংবিধান। পৃথিবীর কোনো শক্তি মোদির সংকল্পকে আটকাতে পারবে না।

সিএএর বিরোধিতা করে মমতা সম্প্রতি বলেছিলেন, আমি মোদিকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে যাচ্ছি, অমিত শাহকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে যাচ্ছি, চোর বিজেপিকে, সঙ্গে ওদের বন্ধু সিপিএমকে বলে যাচ্ছি এনআরসি হবে না, সিএএ করতে দেব না, ইউনিফর্ম সিভিল কোড করতে দেব না, ওবিসিদের রিজার্ভেশন কাড়তে দেব না। আমরা আইন অনুযায়ী করেছি, আইন অনুযায়ী চলব।


আরও খবর



বঙ্গোপসাগরে বিমান ঘাঁটি তৈরির চক্রান্ত প্রসঙ্গে যা বললো যুক্তরাষ্ট্র

প্রকাশিত:বুধবার ০৫ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ০৫ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্টের নিয়মিত ব্রিফিংয়ে উঠে এসেছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাম্প্রতিক মন্তব্যের বিষয় এবং নোবেলজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বিরুদ্ধে সরকারের মামলার প্রসঙ্গ। স্থানীয় সময় মঙ্গলবার (৪ জুন) এ বিষয়ে নানা প্রশ্নের জবাব দিয়েছেন ডিপার্টমেন্টের মুখপাত্র ম্যাথিউ মিলার।

সাংবাদিক প্রশ্ন করেন- বাংলাদেশের ক্ষমতাসীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সম্প্রতি দাবি করেছেন, একজন শ্বেতাঙ্গ লোক তাকে প্রস্তাব দিয়েছিল - তিনি যদি বাইরের কোনো দেশকে বিমানঘাঁটি করার সুযোগ দেন তাহলে বিনা চাপে ক্ষমতায় থাকতে পারবেন। শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশকে আরেকটি পূর্ব তিমুরে পরিণত করা এবং বঙ্গোপসাগরে ঘাঁটি বানিয়ে বাংলাদেশের ও মিয়ানমারের অংশ নিয়ে একটি খ্রিস্টান রাষ্ট্র গড়ে তোলার ষড়যন্ত্র চলছে। আপনি যেখানে অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন এবং আইনের শাসন ও দুর্নীতি দমনের দাবি করছেন; শেখ হাসিনা কি যুক্তরাষ্ট্রের দিকে খুব বেশি তীর ছুড়ছেন?

জবাবে মিলার বলেন, আমি ঠিক নিশ্চিত নই যে এই মন্তব্যগুলো কাদের ইঙ্গিত করে করা হয়েছে। তবে যদি এটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র হয় - তবে আমি বলবো মন্তব্য সঠিক নয়।

সাংবাদিক আবার প্রশ্ন করেন- নোবেলজয়ী প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস গত রোববার আদালতকক্ষে আসামিদের অন্ধকার ও লোহার খাঁচার মতো ঘেরে প্রবেশ করে বলেছিলেন, তিনি তার অভিশপ্ত জীবনের সবচেয়ে খারাপ সময়ে আছেন। একইভাবে, গণতন্ত্রের অনুপস্থিতি, আইনের শাসন এবং ব্যাপক দুর্নীতির কারণে লাখ লাখ বাংলাদেশি তাদের অভিশপ্ত জীবনের সবচেয়ে খারাপ সন্ধিক্ষণে রয়েছে। আমরা দেখেছি আপনি কিছু নিষেধাজ্ঞা এবং ভিসা নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছেন, যার মধ্যে তাত্ক্ষণিকভাবে আছেন প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং পুলিশ প্রধান। আপনি কি মনে করেন গত বছরের ৭ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত নির্বাচনের পর শাসকগোষ্ঠীকে জবাবদিহিতার আওতায় আনার জন্য এটা যথেষ্ট হবে? নাকি আপনি বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক-গণতন্ত্রকামী জনগণের সাথে সংহতি প্রকাশের জন্য আরও পদক্ষেপ বিবেচনা করবেন, যেমনটা আপনি আগে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন?

জবাবে মিলার বলেন, ড. ইউনূসের বিরুদ্ধে মামলার অগ্রগতি আমরা নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছি। আমরা উদ্বেগ প্রকাশ করেছি যে, এই মামলাগুলো ড. ইউনূসকে হয়রানি ও ভয় দেখানোর জন্য বাংলাদেশের শ্রম আইনের অপব্যবহারের প্রতিনিধিত্ব করতে পারে। আমরা আরও উদ্বিগ্ন যে, শ্রম ও দুর্নীতিবিরোধী আইনের অনুমিত অপব্যবহার আইনের শাসন সম্পর্কে প্রশ্ন উত্থাপন করতে পারে এবং বিদেশি প্রত্যক্ষ বিনিয়োগকে নিরুৎসাহিত করতে পারে।

তিনি বলেন, আপিল প্রক্রিয়া চলমান থাকায় ড. ইউনূসের জন্য একটি সুষ্ঠু ও স্বচ্ছ আইনি প্রক্রিয়া নিশ্চিত করতে আমরা বাংলাদেশ সরকারকে উৎসাহিত করা অব্যাহত রাখবো। তবে আমার কাছে পূর্বরূপ দেখানোর মতো কোনো পদক্ষেপ নেই।


আরও খবর



আপনার ঘুস খাওয়ার জন্য দেশ স্বাধীন করিনি, প্রকৌশলীকে বীর মুক্তিযোদ্ধা

প্রকাশিত:শুক্রবার ৩১ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ৩১ মে ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
ঝালকাঠি প্রতিনিধি

Image

ঘূর্ণিঝড় রেমালে উপকূলীয় জেলা ঝালকাঠিতে বিদ্যুতের লাইন ছিঁড়ে ও খুঁটি ভেঙে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। ঝালকাঠি-বরিশাল আঞ্চলিক মহাসড়কের বিভিন্ন এলাকার ১১টি স্থানে ৩৩ হাজার কেভি লাইনের ওপর গাছ পড়ে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়। ফলে ওয়েস্ট জোন পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড (ওজোপাডিকো) ও পল্লী বিদ্যুতের প্রায় দেড় লাখ গ্রাহক বিপাকে পড়েন। চারদিন থেকে বিদ্যুৎবঞ্চিত ছিলেন তারা।

এরপর বুধবার (২৯ মে) সকালে কয়েকটি স্থানে বিদ্যুৎ সংযোগ চালু করা হলেও ঝালকাঠি শহরের কৃষ্ণকাঠি এলাকার বীর মুক্তিযোদ্ধা খন্দকার শফিকুল আলমসহ (৭০) ওই এলাকার দুই শতাধিক পরিবার বিদ্যুৎ পাননি। এ কারণে ঝালকাঠি ওজোপাডিকো অফিসে বৃহস্পতিবার (৩০ মে) দুপুরে এসে ক্ষোভে ফেটে পড়েন বীর মুক্তিযোদ্ধা খন্দকার শফিকুল আলম।

এ সময় বিদ্যুৎ বিভাগের গাফিলতিকে দায়ী করে বীর মুক্তিযোদ্ধা খন্দকার শফিকুল আলম দায়িত্বরত ওজোপাডিকোর উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী (বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগ) মো. আব্দুস সালামকে বলেন, আপনার ঘুস খাওয়ার জন্য দেশ স্বাধীন করিনি। সঠিকভাবে দায়িত্ব পালন না করলে রিজাইন দিয়ে চলে যাবেন।’

বীর মুক্তিযোদ্ধা খন্দকার শফিকুল আলম প্রকৌশলীর কাছে জানতে চান, রেমালের চার দিন পার হলেও এখনও কেন তিনি বিদ্যুৎ সংযোগ পাননি?

প্রকৌশলীকে বলেন, আপনার দায়িত্ব কী ঘুস খাওয়া? ঘুষ খাওয়ার জন্য কী দেশ স্বাধীন করেছি? বলার পর আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে বিদ্যুৎ সংযোগ চালু করতে প্রকৌশলীকে হুঁশিয়ারি দিয়ে অফিস থেকে চলে যান মুক্তিযোদ্ধা।

এ বিষয়ে বীর মুক্তিযোদ্ধা খন্দকার শফিকুল আলম বলেন, গত রোববার থেকে একটানা চার দিন অতিবাহিত হলেও আমি বিদ্যুৎ পাইনি। বুধবার রাতে শহরের কয়েকটি স্থানে বিদ্যুৎ পেয়েছে, তাহলে আমি কেন পেলাম না। আমি বৃদ্ধ মানুষ, এই গরমে কি বিদ্যুৎ ছাড়া থাকা যায়। তারপর আবার পানির সংকট। কেননা বিদ্যুৎ না থাকলে পানি আসবে কেমনে। পানির জন্য তীব্র গরমে গোসল, খাবার পানি, বাথরুমের পরিচ্ছন্নতার কাজে অনেক কষ্ট করতে হয়।’

এ বিষয়ে উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী মো. আব্দুস সালাম বলেন, ঝড়ে ঝালকাঠি শহরসহ বিভিন্ন স্থানে ব্যাপক গাছ ও গাছের ডালপালা ভেঙে বিদ্যুতের লাইন ছিঁড়ে ও খুঁটি ভেঙে গেছে। যার জন্য বিদ্যুৎ অফিসের লোকসহ স্থানীয় শ্রমিক ভাড়ায় এনে কাজ করাচ্ছি, তারপরও সব স্থানে বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়া সম্ভব হয়নি। এখন যাদের বিদ্যুৎ লাইন সচল করে দিতে পারব তারা ভালো বলবে, ধন্যবাদ জানাবে। আর যাদের দিতে পারব না তারা খারাপ বলবে। যেহেতু এই ডিপার্টমেন্টে চাকরি করি সেহেতু এতে মন খারাপ করার কিছু নেই। দুই-তিন দিনের মধ্যে শহরের সব স্থানেই বিদ্যুৎ সংযোগ চালু করে দেওয়া হবে।’

জেলার ওজোপাডিকোর নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মতিউর রহমান বলেন, ঘূর্ণিঝড় রেমালের তাণ্ডবে বিভিন্ন এলাকায় গাছ ও গাছের ডালপালা ভেঙে বিদ্যুতের লাইন ও খুঁটি ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এগুলোর মেরামতের জন্য দিন-রাত বিদ্যুৎ অফিসের লোকসহ ভাড়ায় লোক দিয়েও কাজ করানো হচ্ছে। এত পরিমাণে ক্ষতি হয়েছে যা খুব দ্রুত সম্পূর্ণ করা সম্ভব না, সময় লাগবে। আমরা আশা করছি খুব তাড়াতাড়ি জেলার সব স্থানে বিদ্যুৎ লাইন সচল করতে পারব।’


আরও খবর



বিশ্ব শান্তি সূচকে ভারত-পাকিস্তানকে পিছনে ফেলে এগিয়ে বাংলাদেশ

প্রকাশিত:বুধবার ১২ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১২ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

বিশ্ব শান্তি সূচকে দক্ষিণ এশিয়ায় সবচেয়ে শান্তিপূর্ণ দেশের তালিকায় তৃতীয় অবস্থানে বাংলাদেশ। শান্তি সূচকের এ তালিকায় ভারত, পাকিস্তান এবং শ্রীলঙ্কার থেকে এগিয়ে আছে বাংলাদেশ। বৈশ্বিক সূচকে বাংলাদেশের অবস্থান ৯৩তম।

মঙ্গলবার (১২ জুন) প্রকাশিত হয়েছে গ্লোবাল পিস ইনডেক্স ২০২৪-এর প্রতিবেদন। এই তালিকা প্রকাশ করেছে অস্ট্রেলিয়াভিত্তিক ইন্সটিটিউট ফর ইকনমিক্স অ্যান্ড পিস’ নামের একটি সংস্থা। তারা জানিয়েছে, সামাজিক নিরাপত্তা ও সুরক্ষা, সামরিকীকরণ এবং চলমান অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক সংঘাতের পরিস্থিতি মূল্যায়ন করে দেশগুলোকে মুল্যায়ন করা হয়েছে।

প্রতিবেদনে দেখা গেছে, দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে ভারত, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা এবং আফগানিস্তানের থেকে এগিয়ে রয়েছে বাংলাদেশ। গ্লোবাল পিস ইনডেক্স (জিপিআই) ২০২৪-এর রিপোর্টে জানানো হয়েছে, ২ দশমিক ১২৬ স্কোর নিয়ে বাংলাদেশ ১৬৩টি দেশের মধ্যে ৯৩তম স্থানে একটি মাঝারি মানের শান্তির দেশ বলে চিহ্নিত হয়েছে।

সংস্থাটি জানিয়েছে, সূচকে যে দেশের স্কোর পয়েন্ট যত কম সেই দেশ তত বেশি শান্তিপূর্ণ। তারা বিশ্ব শান্তি সূচক অত্যন্ত মর্যাদাপূর্ণ উৎস থেকে ২৩টি গুণগত এবং পরিমাণগত সূচক ব্যবহার করেছে। সেইসঙ্গে সামাজিক নিরাপত্তা ও সুরক্ষার মাত্রা, চলমান অভ্যন্তরীণ এবং আন্তর্জাতিক সংঘাতের পরিধি এবং সামরিকীকরণের মাত্রা এই তিনটি ক্ষেত্রে শান্তি পরিস্থিতি পরিমাপ করেছে।

চলমান অভ্যন্তরীণ এবং আন্তর্জাতিক সংঘাতের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ২ দশমিক ৫১৫, সামাজিক নিরাপত্তা এবং সুরক্ষা ক্ষেত্রে ২ দশমিক ৩২২ এবং সামরিকীকরণ ক্ষেত্রে ১ দশমিক ৫০৬ স্কোর পেয়েছে।

দক্ষিণ এশিয়ায় সবথেকে শান্তিপূর্ণ দেশ হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে ভুটান। বিশ্ব শান্তি সূচকে ২০১১ সাল থেকে এই অবস্থান ধরে রেখেছে ভুটান। বিশ্বে সব থেকে শান্তিপূর্ণ দেশের তালিকায় ২১তম স্থানে আছে এই দেশ। দক্ষিণ এশিয়ায় ভুটানের পরেই আছে নেপাল। বিশ্ব সূচকে নেপাল ৮১তম আর দক্ষিণ এশিয়ায় দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে।

দক্ষিণ এশিয়ায় চতুর্থ এবং বিশ্বে ১১০তম স্থানে আছে শ্রীলঙ্কা। দক্ষিণ এশিয়ায় শান্তিপূর্ণ দেশগুলোর তালিকায় পঞ্চম স্থানে আছে ভারত। বিশ্বে ভারতের অবস্থান ১১৬তম। শান্তিপূর্ণ দেশের তালিকায় পাকিস্তান ১৪০তম এবং আফগানিস্তান ১৬০তম স্থানে আছে।


আরও খবর



আজ সকালে ঢাকার বাতাস বিশ্বে সবচেয়ে দূষিত

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৩ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২৩ মে ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

বিশ্বের দূষিত বাতাসের শহরের তালিকায় আজ ১৮৭ স্কোর নিয়ে ১ নম্বরে অবস্থান করছে ঢাকা। বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা ৫০ মিনিটের দিকে এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্সে (একিউআই) ঢাকার এ অবস্থান দেখা গেছে। এই স্কোর বাতাসের মানকে অস্বাস্থ্যকর বলে নির্দেশ করে।

এদিকে, বিশ্বের দূষিত শহরের তালিকায় আজ ১৭৭ স্কোর নিয়ে দ্বিতীয় অবস্থান করছে পাকিস্তানের লাহোর। ১৬৩ স্কোর নিয়ে মিশরের কায়রো তৃতীয় এবং ১৬৪ স্কোর নিয়ে চতুর্থ অবস্থানে রয়েছে বাহরাইনের মানামা।

৫১ থেকে ১০০ স্কোর হলে তাকে মাঝারি বা গ্রহণযোগ্য মানের বায়ু হিসেবে বিবেচনা করা হয়। ১০১ থেকে ১৫০ এর মধ্যে হলে বাতাসের মান সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর, ১৫১ থেকে ২০০ এর মধ্যে একিউআই স্কোরকে অস্বাস্থ্যকর বলে মনে করা হয়।

এছাড়া ২০১ থেকে ৩০০ এর মধ্যে হলে খুবই অস্বাস্থ্যকর বলা হয় এবং ৩০১+ একিউআই স্কোরকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে বিবেচনা করা হয়, যা বাসিন্দাদের জন্য গুরুতর স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করে।

বাংলাদেশে একিউআই নির্ধারণ করা হয় দূষণের ৫টি বৈশিষ্ট্যের ওপর ভিত্তি করে। সেগুলো হলো- বস্তুকণা (পিএম১০ ও পিএম২.৫), এনও২, সিও, এসও২ ও ওজোন (ও৩)। দীর্ঘদিন ধরে বায়ু দূষণে ভুগছে ঢাকা। এর বাতাসের গুণমান সাধারণত শীতকালে অস্বাস্থ্যকর হয়ে যায় এবং বর্ষাকালে কিছুটা উন্নত হয়।


আরও খবর



৫৮ উপজেলায় সাধারণ ছুটি ঘোষণা

প্রকাশিত:সোমবার ০৩ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ০৩ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

উপজেলা পরিষদের সাধারণ নির্বাচন উপলক্ষে দেশের ৫৮টি উপজেলায় আগামী বুধবার (৫ জুন) সাধারণ ছুটি ঘোষণা করেছে সরকার। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন থেকে বিষয়টি জানা গেছে। মন্ত্রণালয় এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপনটি নির্বাচন কমিশনে (ইসি) পাঠিয়েছে।

মন্ত্রণালয়ের উপ-সচিব মো. কামরুজ্জামানের স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, অ্যালোকেশন অব বিজনেস অ্যামঙ দ্য ডিফারেন্ট মিনিস্ট্রিজ অ্যান্ড ডিভিশনসের জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের অংশে ৩৭ নম্বর ক্রমিকের অনুবলে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের চাহিদা মোতাবেক ৫৮টি উপজেলা পরিষদের সাধারণ নির্বাচন উপলক্ষে ভোটগ্রহণের দিন অর্থাৎ ৫ জুন সংশ্লিষ্ট নির্বাচনি এলাকায় সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হলো।

ইতিমধ্যে ষষ্ঠ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের তিন ধাপের ভোটগ্রহণ শেষ হয়েছে। আগামী ৫ জুন চতুর্থ ও শেষ ধাপে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এ ছাড়া ঘূর্ণিঝড় রেমালের কারণে স্থগিত হওয়া ২০ উপজেলার ভোট আগামী ৯ জুন অনুষ্ঠিত হবে।


আরও খবর