আজঃ বুধবার ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪
শিরোনাম

প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় জালিয়াতি, গ্রেফতার ১২৪

প্রকাশিত:শনিবার ০৯ ডিসেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:শনিবার ০৯ ডিসেম্বর ২০২৩ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগে প্রথম ধাপের পরীক্ষায় জালিয়াতির অভিযোগে ১২৪ জনকে গ্রেফতার করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। তাদের মধ্যে রংপুর বিভাগের ৯৬ জন এবং বরিশাল বিভাগের ২৮ জন। ইলেকট্রনিক ডিভাইস ব্যবহার করে ডিজিটাল জালিয়াতির অভিযোগে তাদের গ্রেফতার করা হয়।

শুক্রবার (৮ ডিসেম্বর) রাত ১০টার দিকে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা এ তথ্য জানিয়েছেন।

জানা গেছে, শুক্রবার সকাল ১০টা থেকে বেলা সাড়ে ১১টা পর্যন্ত রংপুর, বরিশাল ও সিলেট বিভাগের ১৮ জেলায় একযোগে সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা নেওয়া হয়। এ পরীক্ষায় অংশ নিতে আবেদন করেছিলেন তিন লাখ ৬০ হাজার ৬৯৭ জন চাকরিপ্রার্থী। তবে কতজন পরীক্ষায় অংশ নিয়েছেন, তা এখনো জানায়নি অধিদপ্তর।

তিন বিভাগের পরীক্ষা কেন্দ্রীয়ভাবে তাদারকির দায়িত্বে ছিল প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের পলিসি ও অপারেশন বিভাগ। এ বিভাগের পরিচালক মনীষ চাকমা জাগো নিউজকে বলেন, আমাদের হাতে এখন পর্যন্ত যে তথ্য এসেছে, তাতে রংপুরে ৯৬ ও বরিশালে ২৮ জন গ্রেফতার হয়েছেন। তাদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় মামলা হয়েছে। তবে সিলেট বিভাগের কোথাও গ্রেফতারের তথ্য পাওয়া যায়নি।

কঠোর নিরাপত্তার মধ্যেও এত সংখ্যক জালিয়াত গ্রেফতার প্রসঙ্গে করা প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, পরীক্ষা খুব সুষ্ঠু ও সুন্দর হয়েছে। বলা যায়, স্বচ্ছ ও পরিচ্ছন্ন শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হলো। তবে অসাধু-প্রতারকচক্র তো থাকেই। জেলা ও উপজেলা প্রশাসন, পুলিশ, র‌্যাব, গোয়েন্দা সংস্থা, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরে মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা খুব তৎপর ছিলেন। ফলে যারাই জালিয়াতির চেষ্টা করেছেন, তারা কেউ ছাড় পাননি। তাদের পাকড়াও করা হয়েছে।

আরও পড়ুন>> প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় অবৈধ হস্তক্ষেপ-লেনদেনের সুযোগ নেই

কিছু পরিদর্শক লোভে পড়েছিলেন স্বীকার করে মনীষ চাকমা বলেন, জেলাপর্যায়ে পরীক্ষা কেন্দ্রগুলোতে যারা পরিদর্শকের দায়িত্বে ছিলেন, তাদের কেউ কেউ হয়তো লোভে পড়েছিলেন। তারাই হয়তো প্রশ্ন বাইরে পাঠানোর চেষ্টা করেছিলেন বা পাঠাবেন বলে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। তবে জালিয়াতি করে কেউ পরীক্ষা দিতে পারেনি। আগেই সবাইকে ধরে ফেলা হয়েছে।

অধিদপ্তর সূত্র জানায়, সরকারি কলেজ, পিটিআই, সরকারি মাধ্যমিক স্কুল, সরকারি কারিগরি কলেজ বা মাদরাসা, পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট ও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা কক্ষ পরিদর্শকের দায়িত্বে ছিলেন।

সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে সম্পন্নে কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছিল প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর। এ লক্ষ্যে তিন বিভাগের প্রতিটি কেন্দ্রে, অর্থাৎ ৫৩৫টি কেন্দ্রেই ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ করা হয়। পরীক্ষা শুরুর কমপক্ষে এক ঘণ্টা আগে অর্থাৎ ৯টার মধ্যে প্রার্থীদের কেন্দ্রে প্রবেশ করা বাধ্যতামূলক করা হয়। পরীক্ষা শুরুর ৩০ মিনিট আগে সতর্কীকরণ ঘণ্টা বাজিয়ে কেন্দ্রের সব প্রবেশপথ বন্ধ করে দেওয়া হয়।


আরও খবর



শ্রীলংকাকে দেওয়া নিষেধাজ্ঞা উঠিয়ে নিল আইসিসি

প্রকাশিত:সোমবার ২৯ জানুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২৯ জানুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
ক্রীড়া প্রতিবেদক

Image

শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট বোর্ডের (এসএলসি) ওপর দেওয়া নিষেধাজ্ঞা তুলে নিয়েছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট সংস্থা আইসিসি। আজ রবিবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায় বিশ্ব ক্রিকেটের সর্বোচ্চ এই নিয়ন্ত্রক সংস্থা।

গত বছরের নভেম্বরের শুরুর দিকে শ্রীলংকা ক্রিকেটের সদস্যপদ স্থগিত করেছিল আইসিসি। স্বায়ত্তশাসিত বোর্ড হওয়া সত্ত্বেও সরকার অতিরিক্ত হস্তক্ষেপ করায় বোর্ডের সদস্যপদ স্থগিত করা হয় বলে সেসময় জানিয়েছিল সংস্থাটি।

আজ বিজ্ঞপ্তিতে আইসিসি জানিয়েছে, নিষেধাজ্ঞা দেওয়ার পর থেকে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেছে তাদের বোর্ড। তার পর থেকে আইসিসির সদস্যপদের আর কোনো নিয়ম লঙ্ঘন করেনি লংকান ক্রিকেট। সে ব্যাপারে সন্তুষ্ট হওয়ার পরই নিষেধাজ্ঞা উঠানো হয়েছে।

এর আগে বিশ্বকাপ ব্যর্থতার কারণ দেখিয়ে শ্রীলংকান ক্রিকেট বোর্ড এসএলসিকে বরখাস্ত করেছিলেন দেশটির তখনকার ক্রীড়ামন্ত্রী রোশান রানাসিংহে। ক্রিকেট বোর্ডে সরকারের এমন হস্তক্ষেপের পরই এসএলসিকে বরখাস্ত করে আইসিসি। পরে গত ডিসেম্বরে এসএলসিকে বরখাস্ত করার সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করেন দেশটির ক্রীড়ামন্ত্রী হারিন ফার্নান্ডো।

শ্রীলংকা আইসিসির দ্বিতীয় পূর্ণাঙ্গ সদস্য, যাদের সদস্যপদ স্থগিত করা হয়েছিল। এর আগে, ২০১৯ সালে স্থগিত হয়েছিল জিম্বাবুয়ের সদস্যপদ। যদিও, জিম্বাবুয়েতে তহবিল স্থগিত করা ছাড়াও আকস্মিকভাবেই সমস্ত কার্যক্রম বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল।

সবশেষ ভারত বিশ্বকাপে শ্রীলংকার পারফরম্যান্স ছিল শোচনীয়। গ্রুপ পর্ব শেষ করা দলটি ৯ ম্যাচে মাত্র ২ জয় পেয়েছে। ৪ পয়েন্ট নিয়ে আছে পয়েন্ট তালিকার নয় নম্বরে। পাকিস্তানে অনুষ্ঠেয় আগামী বছরের চ্যাম্পিয়ন্স লিগে খেলার স্বপ্নও প্রায় শেষ দেশটির।


আরও খবর



আদানি থেকে বছরে ১ বিলিয়ন ডলারের বিদ্যুৎ কিনবে বাংলাদেশ

প্রকাশিত:বুধবার ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

প্রতিবছর ভারতের আদানি থেকে ১ বিলিয়ন ডলারের বেশি মূল্যের বিদ্যুৎ কেনার চুক্তি করেছে বাংলাদেশ। আদানি ভারতীয় ব্যবসায়ী গৌতম আদানির মালিকানাধীন।

বাংলাদেশ ব্যাংক ইতিমধ্যেই আদানি পাওয়ার (ঝাড়খন্ড) লিমিটেড (এপিজেএল) কে পরিশোধের জন্য ১ দশমিক ১২ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের বেশি বিল অনুমোদন করেছে। খবর অ্যাপারেল রিসোর্সের।

আদানিকে অর্থ প্রদানের জন্য ক্রেডিট লেটার (এলসি) খোলে সোনালী ব্যাংক। এটি বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে আরও মার্কিন ডলার চেয়েছে।

আদানি গ্রুপ বর্তমানে ভারতের পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য ঝাড়খন্ডের গোড্ডা পাওয়ার প্ল্যান্ট থেকে ১ হাজার ৬০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ রপ্তানি করছে। আগামী ২৫ বছরের জন্য বাংলাদেশের সঙ্গে চুক্তি হয়েছে আদানির।

প্রাথমিকভাবে, আদানি পরীক্ষামূলক ভিত্তিতে ২০২৩ সালের মার্চ মাসে বাংলাদেশে তার বিদ্যুৎ রপ্তানি শুরু করে।

সরকারি সূত্র অনুসারে, রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন বিপিডিবির একজন সুপারিনটেনডেন্ট ইঞ্জিনিয়ার (এনার্জি অডিট) এর নেতৃত্বে তিন সদস্যের একটি কারিগরি দলের পরিদর্শনের পরে বাণিজ্যিক অপারেশন তারিখ (সিওডি) অনুমোদন করা হয়েছে।

২০১৭ সালে বাংলাদেশ সরকার আদানির সঙ্গে একটি চুক্তি স্বাক্ষর করে। ২০২০ সালে ঝাড়খণ্ড রাজ্যের গোড্ডায় পাওয়ার প্ল্যান্ট নির্মাণ শুরু হয়।


আরও খবর



যুক্তরাষ্ট্রে আবাসিক ভবনে বিমান বিধ্বস্ত, বহু হতাহতের আশঙ্কা

প্রকাশিত:শুক্রবার ০২ ফেব্রুয়ারী 2০২4 | হালনাগাদ:শুক্রবার ০২ ফেব্রুয়ারী 2০২4 | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণপূর্বাঞ্চলীয় অঙ্গরাজ্য ফ্লোরিডার মোবাইল হোম পার্কের আবাসিক ভবনে একটি ছোটো উড়োজাহাজ বিধ্বস্ত হয়েছে। এতে বহু মানুষের প্রাণহানির আশঙ্কা করা হচ্ছে। স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার (০১ ফেব্রুয়ারি) গভীর রাতে ফ্লোরিডার ক্লিন ওয়াটার শহরের যে আবাসিক এলাকায় বিমানটি বিধ্বস্ত হয়।

জানা গেছে, বিধ্বস্ত হওয়া উড়োজাহাজটি একটি সিঙ্গেল ইঞ্জিন বিচক্র্যাফট বোনানজা ভি ৩৫ বিমান। এসব বিমান বেশ হালকা এবং সর্বোচ্চ ৬ আসনের হয়।

বিধ্বস্ত হওয়া এলাকাটি ঘণবসতিপূর্ণ ছিল। মূলত দরিদ্র লোকজনই থাকেন সেখানে এবং অধিকাংশ বাড়িঘর ভ্রাম্যমান কিংবা অস্থায়ী (মোবাইল হোম)।

বিধ্বস্ত হওয়ার সময় উড়োজাহাজটিতে কতজন যাত্রী ছিলেন- তা জানা যায়নি। তবে বাড়িঘরের ওপর সেটি আছড়ে পড়ার পর অনেক বাড়িঘরে আগুন ধরে যায়। ফলত হতাহতের সংখ্যা অনেক বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।


আরও খবর
লোহিত সাগরে ইইউ’র অভিযান শুরুর ঘোষণা

বুধবার ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




টেক্সাসের চিড়িয়াখানায় সিজারে জন্ম নিল গরিলার বাচ্চা

প্রকাশিত:শনিবার ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

সিজারে, অর্থাৎ সি সেকশনের মাধ্যমে মানুষের বাচ্চা হওয়া খুব স্বাভাবিক একটি ব্যাপার। কিন্তু যদি শোনেন কোনো গরিলার বাচ্চা হয়েছে এ ধরনের অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে, তবে নিশ্চয় চমকে উঠবেন। এমন কাণ্ড ঘটেছে যুক্তরাষ্ট্রের একটি চিড়িয়াখানায়।

টেক্সাসের ফোর্ট ওয়র্থ জুতে জরুরি অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে জন্ম হয় অপরিণত গরিলাশাবকটির। প্রিঅ্যাক্লাম্পশিয়ায় ভুগছিল মা গরিলাটি। জমিলা নাম দেওয়া গরিলাশাবকটির অবস্থার উন্নতি হচ্ছে বলে ধারণা করছে চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষ। এসব তথ্য জানা যায় ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির এক প্রতিবেদনে।

জমিলার ঐতিহাসিক ও আবেগময় জন্মের বিষয়টি ফোর্ট ওয়র্থ চিড়িয়াখানা তার ফেসবুক পেজে নিশ্চিত করেছে। গরিলাশাবকটি বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের সাহায্যে নির্দিষ্ট সময়ের চার থেকে ছয় সপ্তাহ আগেই জন্ম নেয়। চিড়িয়াখানার ১১৫ বছরের ইতিহাসে এটিই প্রথম গরিলা, যেটি সিজারিয়ান অপারেশনের মাধ্যমে জন্ম নিয়েছে।

সোয়াহিলি ভাষায় জমিলা অর্থ সুন্দর। ৫ ফেব্রুয়ারি জন্ম নেয় গরিলাটি। এর মা সেকানির বয়স ৩৩ বছর, সে একটি ওয়েস্টার্ন লোল্যান্ড গরিলা। বিশেষজ্ঞের সঙ্গে পরামর্শ করে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ সিদ্ধান্ত নেয় মা এবং শিশু উভয়কে বাঁচানোর জন্য একটি সিজারিয়ান অপারেশন জরুরি। ভালোবাসা দিবস, অর্থাৎ ১৪ ফেব্রুয়ারি নিজেদের ফেসবুক পেজে পোস্ট দিয়ে গরিলা শাবকের জন্মের বিষয়টি নিশ্চিত করে।


সেকানির মতো ওয়েস্টার্ন লোল্যান্ড গরিলাদের বাস মধ্য আফ্রিকায়। শিকার ও রোগের কারণে ইন্টারন্যাশনাল ইউনিয়ন ফর কনজারভেশন অব নেচার (আইইউসিএন) এদের চরম সংকটাপন্ন ঘোষণা করেছে।

ওয়ার্ল্ড লাইফ ফান্ডের দেওয়া তথ্য বলছে, গত ২০-২৫ বছরে এই গরিলাদের সংখ্যা ৬০ শতাংশের বেশি কমেছে। এদিকে এই গরিলাদের জন্মহার কম হওয়ায় জনসংখ্যা হ্রাস থামাতে এটি বড় ভূমিকা রাখতে পারছে না।

এই অস্ত্রোপচার ও পরবর্তীতে বড় ভূমিকা ড. জেমি আরউইনের। তিনি জানান, জমিলার ডেলিভারি তাঁর কর্মজীবনের বড় ঘটনাগুলোর একটি।

সেকানির অ্যানাটমি আমার মানবরোগীদের সঙ্গে যেভাবে মিলেছে, তা আমাকে অবাক করে। এক বিবৃতিতে বলেন ড. আরউইন।

চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, জমিলার অপরিণত জন্মের কারণে তার জরুরি চিকিৎসাসেবা প্রয়োজন হয়।  চার থেকে ছয় সপ্তাহের আগে জন্ম নেওয়ায় জমিলার অবিলম্বে চিকিৎসা পর্যবেক্ষণ ও মনোযোগ প্রয়োজন হয়।

নবজাতক বিশেষজ্ঞ রবার্ট উরসপ্রুং গরিলা শাবকটির অবস্থা স্থিতিশীল করার প্রচেষ্টায় সহায়তা করেছিলেন। এর একটি সুষম খাবারের তালিকাও তৈরি করে দেন।

এই গরিলা মা-শিশুর পরিস্থিতির সঙ্গে একই পরিস্থিতিতে জন্ম নেওয়া শিশুদের জন্য হাসপাতালে যা দেখি তার অবিশ্বাস্য রকম মিল ছিল। ড. উরসপ্রুং বলেন, প্রসবের পরে কয়েক ঘণ্টার জন্য শিশুটির শ্বাস নিতে জরুরি সহায়তার প্রয়োজন ছিল, কিন্তু সে যখন গর্ভের বাইরে জীবনের সঙ্গে একটু অভ্যস্ত হয়, বেশ চমৎকারভাবে উন্নতি হয় তার অবস্থার।

চিড়িয়াখানাটি জানিয়েছে, মা সেকানি তারপর সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে উঠেছে। তবে এখনো তার নতুন শিশুর জন্য প্রস্তুত হয়নি।

মা এবং শিশুর পুনর্মিলনের বারবার প্রচেষ্টা সত্ত্বেও সেকানি তার শিশুর যত্ন নেওয়ার ব্যাপারে খুব কমই আগ্রহ দেখিয়েছে। জানায় চিড়িয়াখানাটি।

তারা যোগ করে, কেন সঠিকভাবে মা এবং শিশুর বন্ধন হচ্ছে না তা জানা কঠিন। তবে চিড়িয়াখানা বিশেষজ্ঞরা সন্দেহ করেন যে সেকানি হরমোনের সংকেত অনুভব করেনি যা একটি পুরোপুরি প্রাকৃতিক ও স্বাভাবিক জন্মের সঙ্গে আসতে পারে।

স্টাফরা তখন থেকে তাদের মনোযোগ গ্রেসি নামের ২৪ বছর বয়সী একটি গরিলার দিকে সরিয়ে নিয়েছে। তাকে জমিলার পলক মা হওয়ার জন্য প্রশিক্ষণ দিচ্ছে।


আরও খবর
লোহিত সাগরে ইইউ’র অভিযান শুরুর ঘোষণা

বুধবার ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




সৌদি আরবে প্রথমবারের মতো খুলছে মদের দোকান

প্রকাশিত:বুধবার ২৪ জানুয়ারী 20২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ২৪ জানুয়ারী 20২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

প্রথমবারের মতো মদের দোকান খুলতে যাচ্ছে সৌদি আরব। রাজধানী রিয়াদের ওই মদের দোকান থেকে শুধুমাত্র অমুসলিম বিদেশি কূটনীতিকরা মদ কিনতে পারবেন।

বুধবার (২৪ জানুয়ারি) এক প্রতিবেদনে এ খবর জানিয়েছে বার্তাসংস্থা রয়টার্স। মদের দোকান খোলার যে নথি রয়েছে সেগুলো হাতে পেয়েছে ব্রিটিশ এ বার্তাসংস্থা।

প্রতিবেদন মতে, ওই দোকান থেকে মদ কিনতে হলে একটি মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে রেজিস্ট্রেশন করতে হবে। এরপর পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে একটি ক্লিয়ারেন্স কোড আসবে। প্রত্যেক মাসে নির্দিষ্ট পরিমাণ মদ কিনতে পারবেন রেজিস্ট্রেশনকারীরা।

মদের দোকানটি রিয়াদের কূটনীতিক পাড়ায় হবে; যেখানে বিভিন্ন দেশের দূতাবাস রয়েছে। ওই এলাকাটিতেই দূতাবাসের কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা থাকেন। তবে দোকানটিতে মুসলিমদের যাওয়ার সুযোগ নেই।

পর্যটন ও অন্যান্য ব্যবসা খাতকে সমৃদ্ধ করতে মদের দোকান খোলার মতো সিদ্ধান্ত নিয়েছেন ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমান। এছাড়া এটি মোহাম্মদ বিন সালমানের ভিশন-২০৩০ এরও একটি অংশ। তার ইচ্ছা ২০৩০ সালের পর সৌদির অর্থনীতিকে তেল বাণিজ্যের প্রভাব থেকে মুক্ত করবেন।

বিষয়টির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র জানিয়েছে, আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে মদের দোকানটি খোলা হবে।

মদপানের বিরুদ্ধে সৌদি আরবে কঠোর আইন রয়েছে। কেউ যদি মদ পান করে ধরা পড়েন তাহলে তাকে কয়েকশ বেত্রাঘাত করা, সৌদি থেকে বের করে দেয়া, কারাদণ্ড দেয়া অথবা আর্থিক জরিমানা করা হয়।

বর্তমানে দেশটিতে যেসব অমুসলিম কূটনীতিক রয়েছেন তারা কূটনৈতিকভাবে অথবা কালোবাজার থেকে মদ কিনে থাকেন।


আরও খবর
লোহিত সাগরে ইইউ’র অভিযান শুরুর ঘোষণা

বুধবার ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪