আজঃ মঙ্গলবার ২৫ জুন ২০২৪
শিরোনাম

প্রশ্নফাঁস: প্রাথমিকের সহকারী শিক্ষক নিয়োগে মৌখিক পরীক্ষা স্থগিত

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৮ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৮ মে ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আদালত প্রতিবেদক

Image

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক পদে তৃতীয় ধাপে অনুষ্ঠিত নিয়োগ প্রক্রিয়ার মৌখিক পরীক্ষা (ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগ) স্থগিত করেছেন হাইকোর্ট। পরীক্ষা ছয় মাসের জন্য স্থগিত করে প্রশ্নফাঁসের ঘটনা তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। এ বিষয়ে আগামী তিন মাসের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিল করতে বলা হয়েছে।

এছাড়া প্রশ্নফাঁসমুক্ত পরীক্ষা গ্রহণে বিবাদীদের নিষ্ক্রিয়তাকে কেন বেআইনি ঘোষণা করা হবে না এবং নতুন করে পরীক্ষা গ্রহণের কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না- তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন আদালত।

প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় দায়ের করা রিটের বিষয়ে প্রাথমিক শুনানি নিয়ে মঙ্গলবার (২৮ মে) হাইকোর্টের বিচারপতি মোস্তফা জামান ইসলাম ও বিচারপতি এস এম মাসুদ হোসেন দোলনের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

আদালতে রিটের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন। তার সঙ্গে ছিলেন অ্যাডভোকেট জহিরুল ইসলাম, অ্যাডভোকেট পিয়া জান্নাতুল, ব্যারিস্টার লিটন আহমেদ ও ব্যারিস্টার খুররম খান মুরাদ। অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল তুষার কান্তি দাস, সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল সেলিম আযাদ ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল আনিচ উল মাওয়া।

আদেশের পর আইনজীবী ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন সাংবাদিকদের বলেন, ২০২৩ সালের ১৪ জুন প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক নিয়োগের জন্য সার্কুলার হয় ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগের জন্য। এ পরীক্ষায় সাড়ে তিন লাখ পরীক্ষার্থী অংশ নেন। এ পরীক্ষায় প্রশ্নফাঁস ঘটে। এ ঘটনায় ডিবি পুলিশ অনেককেই গ্রেফতারও করে। আটকরা প্রশ্নফাঁসে জড়িত হওয়ার বিষয়ে দায়ও স্বীকার করেন।

তিনি বলেন, এ নিয়ে পত্রপত্রিকায় প্রতিবেদন প্রকাশ হলেও মন্ত্রণালয় এখন পর্যন্ত কোনো অনুসন্ধান তো দূরের কথা, কিছুই করেনি। বরং তারা এতবড় ঘটনা ইগনোর করে সামনে এগিয়ে ভাইভা নিচ্ছেন। এখন আমাদের বক্তব্য হলো প্রশ্নফাঁসের ঘটনা দিবালোকের মতো পরিষ্কার, সে ঘটনায় কেউ তদন্তও করলো না। আমাদের ধারণা এ ঘটনায় মন্ত্রণালয়ের কেউ জড়িত থাকতে পারেন। এজন্য আদালতে আমরা রিট দায়ের করি।

গত ২৯ মার্চ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক নিয়োগে তৃতীয় ধাপে ঢাকা-চট্টগ্রাম বিভাগের জেলাগুলোতে পরীক্ষা হয়। দুই বিভাগের ৪১৪টি কেন্দ্রে একযোগে লিখিত পরীক্ষা হয়। এতে প্রার্থী ছিলেন প্রায় সাড়ে তিন লাখ। এ পরীক্ষায় প্রশ্নফাঁসের অভিযোগ ওঠে। পরে এ পরীক্ষা বাতিল চেয়ে পরীক্ষায় অংশ নেওয়া জুয়েল রতন দাসসহ ১৫ জন রিট দায়ের করেন। ওই রিটের শুনানি নিয়ে এই আদেশ দেন আদালত।

এই পরীক্ষা চলাকালে প্রশ্নের উত্তরপত্র ও ডিভাইসসহ মাদারীপুরে সাতজন ও রাজবাড়ীতে একজন শিক্ষার্থীকে আটক করা হয়। দুই জেলায় আলাদাভাবে মামলা দায়ের করেন সংশ্লিষ্টরা। রাজবাড়ীতে আটক হওয়া পরীক্ষার্থী আদালতে নিজের দায় স্বীকার করে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দিও দিয়েছেন।

প্রশ্নফাঁসের পরও গত ২১ এপ্রিল রাতে ফল প্রকাশ হয়। এতে ৪৬ হাজার ১৯৯ জন প্রার্থীকে মৌখিক পরীক্ষার জন্য নির্বাচিত করা হয়েছে। এরপরই বিষয়টি চ্যালেঞ্জ করে রিট দায়ের করেন ১৫ পরীক্ষার্থী।

নিউজ ট্যাগ: হাইকোর্ট

আরও খবর



সারদা পুলিশ একাডেমি থেকে ১৬টি রাসেলস ভাইপার উদ্ধার

প্রকাশিত:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ | অনলাইন সংস্করণ
রাজশাহী প্রতিনিধি

Image

রাজশাহীর চারঘাট উপজেলার সারদায় বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমি থেকে ১৬টি রাসেলস ভাইপার বা চন্দ্রবোড়া সাপ উদ্ধার করা হয়েছে। এর মধ্যে বেশ কয়েকটি সাপ মেরে ফেলা হয়েছে। বাকি কয়েকটি সাপ বন বিভাগে দেয়া হয়েছে বলে জানান একাডেমির অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আব্দুল মাবুদ দুলাল।

রবিবার (২৩ জুন) সকাল থেকে দুই দফায় সাপগুলো জনসমক্ষে চলে আসে বলে জানা গেছে।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আব্দুল মাবুদ দুলাল বলেন, রবিবার সকাল থেকে দুই দফায় রাসেলস ভাইপার সাপের বাচ্চাগুলো জনসমক্ষে বের হয়ে আসে। প্রথমে সকাল ১০টার দিকে ৯টি সাপের বাচ্চা বের হয়। এরপর দ্বিতীয় দফায় ৭টি সাপের বাচ্চা দেখা যায়। সাপগুলো পুলিশ একাডেমির ভেতরেই ছিল। এর মধ্যে বেশ কয়েকটি সাপ মেরে ফেলা হয়েছে। বাকি কয়েকটি সাপ বন বিভাগের কর্মকর্তাদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

সম্প্রতি দেশের বিভিন্ন জেলার লোকালয়ে এই সাপ দেখা যাচ্ছে, যা নিয়ে জনমনে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।


আরও খবর



প্রধানমন্ত্রী ডাকল ‘আয় আয়’, ছুটে এলো খরগোশের দল

প্রকাশিত:শনিবার ১৫ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ১৫ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক

Image

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কণ্ঠ শুনেই ছুটে এলো খরগোশের দল। শনিবার (১৫ জুন) গণভবনে কৃষক লীগের তিন মাসব্যাপী বৃক্ষরোপণ অভিযানের উদ্বোধন উপলক্ষে গণভবন প্রাঙ্গণে বৃক্ষ রোপণ শেষে খরগোশের ঘরের সামনে গেলে এমন দৃশ্য দেখা যায়। এসময় প্রধানমন্ত্রী আয় আয় বলে ডাক দিলে ছুটে আসে খরগোশের দল।

এদিকে গণভবনে কৃষক লীগের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, কৃষি অর্থনীতি উন্নত করে আমরা শিল্পায়নে যাব। এজন্য ১০০টা অর্থনৈতিক অঞ্চল করেছি। এর বাইরে যত্রতত্র জমি নষ্ট করে শিল্প করা যাবে না। আমাদের জনসংখ্যা বাড়ছে, ফসল উৎপাদন বাড়াতে হবে। আমরা আমাদের ফসল উৎপাদন করবো, যাতে কারও কাছে হাত পাততে না হয়। আমাদের খুব তিক্ত অভিজ্ঞতা ৭৪ সালের। নগদ টাকায় কেনা খাদ্যও কিন্তু আসতে দেয়নি। কৃত্রিমভাবে সেখানে একটা দুর্ভিক্ষ সৃষ্টি করা হয়েছিল। সেটা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবকে যেভাবেই হোক মানুষের কাছ থেকে বিচ্ছিন্ন করতে। সেটাতেও যখন সফল হয়নি, তারপরই তো ১৫ আগস্ট ঘটালো। এখনো কিছু লোকের সেই চেষ্টাটা আছে।

কৃষিতে ভর্তুকির বিষয়ে তিনি বলেন, সারের দাম আমরা কমিয়ে দিয়েছি। এখনো ব্যাপক পরিমাণ ভর্তুকি দিচ্ছি। যেহেতু দেশের মানুষের খাদ্য চাহিদার বিষয়, সে ক্ষেত্রে আমরা কখনো কার্পণ্য করি না, বাজেটে সব সময় আমরা ভর্তুকি দেই।

গাছ লাগানোর গুরুত্ব তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ জলবায়ুর ক্ষতি করে না। কিন্তু জলবায়ু অভিঘাতে আমরা ক্ষতিগ্রস্ত। গাছ আমাদের প্রাণ, শ্বাস-প্রশ্বাস দেয়। ফল ও ঔষধি গাছের উপকারিতা অনেক। এজন্য গাছ লাগাতে হবে। নদীর পাড়, উপকূলে এবং ঘরবাড়িতে গাছ লাগান। তবে ফসলি জমি নষ্ট করা যাবে না। শহরে ছাদেও ছোট ছোট গাছ লাগাতে পারেন। উপকূলীয় অঞ্চলে সবুজ বেষ্টনি তৈরি করা। কৃত্রিম উপায়ে বৃক্ষরোপণ করা। ঘূর্ণিঝড়সহ প্রাকৃতিক দুর্যোগে মানুষকে বাঁচাতে আমাদের ম্যানগ্রোভ ফরেস্ট করতে হবে।

মাটির গুণ রক্ষায় পরামর্শ দিয়ে সরকারপ্রধান বলেন, বারবার একই ফসল করতে করতে মাটির গুণ নষ্ট হয়ে যায়। এজন্য মাঝখানে আরেকটা করলে মাটি পুষ্টি ফিরে পায়। যেমন- আমরা বারবার ধান করছি, এটার মাঝখানে আরেকটা করতে পারলে মাটির পুষ্টি বাড়বে।

শেখ হাসিনা বলেন, পেঁয়াজ নিয়ে এত ঝামেলা। আমরা কেন উৎপাদন করি না? ৪০ শতাংশ আমরা জোগান দেই। এটা আরও বাড়বে। পেঁয়াজ উৎপাদন করে কৃষাণী অনেক টাকা আয় করে। ভুট্টাও চাষ হতো না, সেটাও করছি। আগে সবজি শীতকালে পাওয়া যেত, কিন্তু এখন আমরা গবেষণা করে বারোমাসি সবজির জাত উদ্ভাবন করেছি। এখন এটার ফল পাওয়া যাচ্ছে।

কৃষক লীগের সভাপতি কৃষিবিদ সমীর চন্দের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে কৃষক লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক বিশ্বনাথ সরকার বিটুসহ মন্ত্রিপরিষদ সদস্য, আওয়ামী লীগের নেতা, সরকারের পদস্থ কর্মকর্তা ও কৃষক লীগের নেতারা অংশ নেন।


আরও খবর



সময় নিয়েও দুদকে হাজির হননি বেনজীর

প্রকাশিত:রবিবার ২৩ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ২৩ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদ দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) হাজির হননি। অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাকে দ্বিতীয়বারের মতো আজ রোববার (২৩ জুন) সকাল ১০টায় দুদকের প্রধান কার্যালয়ে ডাকা হয়েছিল।

বেলা ১১টা ২০ মিনিটি পর্যন্ত তিনি সেগুনবাগিচায় দুদকের প্রধান কার্যালয়ে যাননি। দুদকের তদন্ত কমিটির সামনে হাজির হওয়ার ব্যাপারে তার অনুরোধে তাকে অতিরিক্ত ১৭ দিন সময় দেওয়া হয়েছিল।

এর আগে গত ২৮ মে বেনজীর আহমেদকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ৬ জুন তলব করে দুদক। একই সঙ্গে বেনজীরের স্ত্রী ও সন্তানদের ৯ জুন তলব করা হয়। দুদকের তলবে হাজির হওয়ার আগের দিন অর্থ্যাৎ ৫ জুন, আইনজীবীর মাধ্যমে দুদকের অনুসন্ধান দলের কাছে বেনজীর ১৫ দিনের সময় চান।

এরপর ৬ জুন বিকেলে দুদক সচিব খোরশেদা ইয়াসমীন জানান, সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদ জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগের বিষয়ে দুদক তলব করলেও শুনানিতে অনুপস্থিত থাকায় আগামী ২৩ জুন নতুন তারিখ ঘোষণা করেছে দুদক।

এদিকে গত ২০ জুন সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গণে দুদকের আইনজীবী মো. খুরশীদ আলম খান সাংবাদিকদের জানান, ২৩ জুন দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) বেনজীর আহমেদকে হাজির হতে হবে। এ সময়ে তিনি হাজির না হলে তাকে আর সময় দেওয়া হবে না।

গত ৩১ মার্চ গণমাধ্যমে বেনজীরের ঘরে আলাদীনের চেরাগ শিরোনামে সংবাদ প্রকাশিত হয়। প্রতিবেদনে বলা হয়, পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক বেনজীর আহমেদ তার স্ত্রী জিশান মির্জা এবং দুই মেয়ে ফারহিন রিশতা বিনতে বেনজীর ও তাহসিন রাইসা বিনতে বেনজীরের নামে বিপুল পরিমাণ সম্পদ অর্জন করেছেন।

ওই প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, ঢাকার অভিজাত এলাকাগুলোতে বেনজীর আহমেদের দামি ফ্ল্যাট, বাড়ি আর ঢাকার পাশে বিঘার পর বিঘা জমি রয়েছে। দুই মেয়ের নামে বেস্ট হোল্ডিংস ও পাঁচতারা হোটেল লা মেরিডিয়ানের রয়েছে দুই লাখ শেয়ার। পূর্বাচলে রয়েছে ৪০ কাঠার সুবিশাল জায়গাজুড়ে ডুপ্লেক্স বাড়ি, যার আনুমানিক মূল্য কমপক্ষে ৪৫ কোটি টাকা। একই এলাকায় আছে ২২ কোটি টাকা মূল্যের আরও ১০ বিঘা জমি। অথচ গত ৩৪ বছর ৭ মাসের দীর্ঘ চাকরি জীবনে বেনজীর আহমেদের বেতন-ভাতা বাবদ মোট আয় ১ কোটি ৮৪ লাখ ৮৯ হাজার ২০০ টাকার মতো হওয়ার কথা।

এ অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে গত ২২ এপ্রিল পুলিশের সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদের দুর্নীতির অনুসন্ধান চেয়ে হাইকোর্টে রিট করা হয়।

এরপর গত ২৩ ও ২৬ মে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকা মেট্রোপলিটন সিনিয়র স্পেশাল জজ মোহাম্মদ আসসামছ জগলুল হোসেনের আদালত বেনজীর আহমেদ এবং তার স্ত্রী জিশান মির্জা, বড় মেয়ে ফারহিন রিশতা বিনতে বেনজীর ও ছোট মেয়ে তাহসিন রাইসা বিনতে বেনজীরের নামে বিভিন্ন সম্পত্তির দলিল, ঢাকায় ফ্ল্যাট ও কোম্পানির শেয়ার জব্দের নির্দেশ দেন।

এছাড়া তাদের বিও হিসাব (বেনিফিশিয়ারি ওনার্স অ্যাকাউন্ট) অবরুদ্ধ (ফ্রিজ) করতে সোমবার (২৭ মে) সেন্ট্রাল ডিপোজিটরি বাংলাদেশ লিমিটেডকে (সিডিবিএল) নির্দেশ দিয়েছে পুঁজিবাজারের নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটি অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)।


আরও খবর



অনুমোদনহীন বিদেশি শিশু খাদ্য বিক্রি, লাজফার্মাকে লাখ টাকা জরিমানা

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৪ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ০৪ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

চট্টগ্রাম নগরের জিইসি মোড়ে ওষুধ বিক্রয়কারী প্রতিষ্ঠান লাজফার্মায় অভিযান চালিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। এ সময় অনুমোদনহীন বিদেশি শিশু খাদ্যপণ্য বিক্রয়, আমদানির পক্ষে সঠিক প্রমাণ দেখাতে না পারাসহ নানা অপরাধে প্রতিষ্ঠানটিকে এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।

মঙ্গলবার (৪ জুন) সকালে এ অভিযানে নেতৃত্ব দেন জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সদর সার্কেল সহকারী কমিশনার (ভূমি) ইমরান মাহমুদ ডালিম।

অনুমোদনহীন বিদেশি শিশু খাদ্য বিক্রি, লাজফার্মাকে লাখ টাকা জরিমানা

তিনি জানান, প্রতিষ্ঠানটিতে শিশু খাদ্যসহ অন্যান্য পণ্যের মোড়কে উৎপাদন-মেয়াদোত্তীর্ণের তারিখ ছিল না। এছাড়া পণ্যের ওজন-পরিমাণ নেই এবং ক্রয়ের কোনো রশিদ দেখাতে পারেনি।

ইমরান মাহমুদ ডালিম বলেন, প্রতিষ্ঠানটিতে অনুমোদনহীন বিদেশি শিশু খাদ্য বিক্রি হচ্ছিল। তারা আমদানির পক্ষে সঠিক প্রমাণ, আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানের তথ্য জানাতে পারেননি। এসব অপরাধে ওই প্রতিষ্ঠানকে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯ ও নিরাপদ খাদ্য আইন-২০১৩ এর সংশ্লিষ্ট ধারায় ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।


আরও খবর



জঙ্গি আস্তানা সন্দেহে ঘিরে রাখা সেই বাড়িতে অভিযান শুরু

প্রকাশিত:রবিবার ০৯ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ০৯ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
জেলা প্রতিনিধি

Image

নেত্রকোনায় জঙ্গি আস্তানায় সন্দেহে ঘিরে রাখা বাড়িটিতে অভিযান শুরু করেছে পুলিশের এন্টিটেরিজম ইউনিট। রোববার (৯ জুন) সদর উপজেলার কাইলাটি ভাসাপাড়া গ্রামের আব্দুল মান্নানের বাড়িতে অভিযান শুরু করে পুলিশ।

এন্টিটেরিজম ইউনিট এর পুলিশ সুপার সানোয়ার হোসেন জানান, বাড়িটির ভেতরের এখনও অভিযান চলছে। তিনি জানান, সেখানে জঙ্গি প্রশিক্ষণ ও তাদের তৎপরতার জন্য বিভিন্ন সরঞ্জাম রয়েছে। পুলিশ সুপার আরও জানান, অভিযান শেষে বিস্তারিত জানানো হবে।

এর আগে শনিবার (৮ জুন) দুপুর থেকে গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে উপজেলার কাইলাটি ইউনিয়নের ভাসাপাড়া এলাকায় চারদিকে উঁচু প্রাচীর ঘেরা দ্বিতল বাড়িটির চারপাশে অবস্থান নেয় পুলিশের একটি দল। তাদের ধারণা, ওই বাড়িতে জঙ্গি প্রশিক্ষণের জন্য ব্যবহার করা অস্ত্র ও বোমা থাকতে পারে। এরই মধ্যে কিছু সরঞ্জাম উদ্ধারের দাবি করেছে পুলিশ।

নেত্রকোণার পুলিশ সুপার ফয়েজ আহমেদ জানিয়েছেন, বাড়ির মালিক হচ্ছেন অবসরপ্রাপ্ত ইঞ্জিনিয়ার ড. আব্দুল মান্নান। বাড়িটি দুই বছর আগে আরিফ নামের এক ব্যক্তিকে ভাড়া দেয়া হয়েছে।


আরও খবর