আজঃ শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪
শিরোনাম

রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠিতে ডেঙ্গু ব্যবস্থাপনা কঠিন: স্বাস্থ্য অধিদপ্তর

প্রকাশিত:রবিবার ২৮ মে ২০২৩ | হালনাগাদ:রবিবার ২৮ মে ২০২৩ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

ঢাকা মহানগরীর পর দেশের সবচেয়ে বেশি রোগী চট্টগ্রাম বিভাগের কক্সবাজারে। জেলার রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর মাঝে বেড়েই চলেছে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা। চলতি বছরও সহস্রাধিক ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত হয়েছে সেখানে। তবে ভাইরাসটি প্রতিরোধে ব্যবস্থাপনা কঠিন বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রোগ নিয়ন্ত্রণ শাখার পরিচালক অধ্যাপক ডা. মো. নাজমুল ইসলাম।

আরও পড়ুন: নিরাপদ মাতৃত্ব দিবস আজ

তিনি বলেন, রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর মানুষের মাঝে সচেতনতার যথেষ্ট ঘাটতি রয়েছে। তাদের কালচার আলাদা হওয়ায় এ ব্যাপারে কাজও সেভাবে করা যায় না। আজ রোববার সকালে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ডেঙ্গু পরিস্থিতি নিয়ে জরুরি সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

নাজমুল ইসলাম বলেন, ঢাকায় ওয়াসার পানি ধরে রাখতে হলেও রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর পানি সরবরাহের ব্যবস্থা খুব কম। ফলে তারা বিভিন্ন গর্ত থেকে পানি সংগ্রহ এবং অনেক সময় পানি খোলা পাত্রে রেখে দেয়। এ ছাড়া তাদের সচেতনতার বিষয়টি আরও কম।

অধিদপ্তরের এই পরিচালক বলেন, ঢাকায় জনগোষ্ঠী বেশি হলেও সেখানে জায়গা রয়েছে। কিন্তু রোহিঙ্গা ক্যাম্পে জায়গায় কম মানুষ বেশি। ফলে সেখানে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা অন্যান্য এলাকার চেয়ে বেশি। এখন পর্যন্ত সেখানে ১ হাজার ৬৬ জনের দেহে ভাইরাসটি শনাক্ত হয়েছে।

এদিক, ঢাকা মহানগরীতে রোগী বাড়লেও কোন এলাকায় বেশি সে সম্পর্তে জানতে চাইলে কোনো তথ্য দিতে পারেনি স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

আরও পড়ুন: পাকিস্তানে তুষারধসে চার বছরের শিশুসহ নিহত ১১

এ ব্যাপারে নাজমুল ইসলাম বলেন, ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন এলাকায় যেখানে ঘনবসতি বেশি সেখানে মশার উপদ্রব বেশি। তবে নির্দিষ্ট করে কোন এলাকায় সবচেয়ে বেশি সেটি বলা এই মুহূর্তে কঠিন। রোগীদের তথ্য যাচাই করে তারপর বলা যাবে। আমরা পুরো ঢাকা শহরকেই বিবেচনায় নিচ্ছি। আমাদের কাজ রোগী ব্যবস্থাপনা। ডেঙ্গু কোথায় বেশি এবং সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার দায়িত্ব স্থানীয় সরকারের।

রোগী জটিলতার ব্যাপারে অধিদপ্তরের অসংক্রামক রোগ নিয়ন্ত্রণ শাখার পরিচালক অধ্যাপক ডা. মো. রোবেদ আমিন বলেন, ঢাকা শহরে অপরিকল্পিত নগরী গড়ে উঠছে। ঠিক ব্রাজিলের মতোই। ফলে ডেঙ্গুর প্রকোপ বাড়ে। ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হলেই আমরা প্লাটিলেটকে সামনে আনি। অথচ এটি সেভাবেই গুরুত্বপূর্ণ নয়। আমাদের উচিত সচেতনতায় সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া।

আরও পড়ুন: ভারতে নতুন সংসদ ভবন উদ্বোধন করলেন নরেন্দ্র মোদী

এ সময় অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) অধ্যাপক ডা. আহমেদুল কবীর বলেন, ডেঙ্গুর প্রকোপ বাড়ায় পরীক্ষা বেড়েছে। এজন্য গত বছরের ন্যায় এবারও সরকারিতে ১০০ টাকা এবং বেসরকারিতে ৫০০ টাকার বেশি নেওয়া যাবে না।


আরও খবর



গরমে চোখ ভালো রাখবে যে ৩ ভিটামিন

প্রকাশিত:শুক্রবার ৩১ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ৩১ মে ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
জীবন ধারা ডেস্ক

Image

গরম রাতারাতি কমে যাবে না, বরং আরও কিছু মাস এরকম আবহাওয়াতেই আপনাকে থাকতে হবে। বাইরে রোদের ভয়, ঘরে ভ্যাপসা গরম। এমন অবস্থায় নিজের দিকে খেয়াল না দিলেই নয় যেন। গরমের নিজের স্বাস্থ্যের দিকে নজর তো রাখবেনই, বিশেষ নজর রাখবেন চোখের দিকেও। আমাদের চোখের যত্নে আমরা অনেকটাই উদাসীন থাকি। কিন্তু এই অভ্যাস আমাদের চোখকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে। তাই গরমে খেতে হবে প্রয়োজনীয় ভিটামিনযুক্ত সব খাবার। যাতে চোখ ভালো রাখা সহজ হবে। চলুন জেনে নেওয়া যাক-

১. ভিটামিন এ

ভিটামিন এ সম্ভবত চোখের স্বাস্থ্যের জন্য সবচেয়ে পরিচিত পুষ্টি। এটি কর্নিয়া পরিষ্কার রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। কর্নিয়া হলো চোখের বাইরের আবরণ। গবেষণা অনুসারে, ভিটামিন এ হলো রোডোপসিনের একটি উপাদান, এটি চোখের একটি প্রোটিন যা কম আলোতেও দেখতে সাহায্য করে। তাপপ্রবাহের সময়, পানিশূন্যতা এবং অতিরিক্ত রোদের কারণে শুষ্ক চোখের ঝুঁকি বেড়ে যায়। ভিটামিন এ চোখের টিস্যু বজায় রাখতে সাহায্য করে। এটি রেটিনার সঠিক কার্যকারিতার ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় পিগমেন্ট তৈরির জন্য প্রয়োজনীয়। আপনার খাবারের তালিকায় ভিটামিন এ-সমৃদ্ধ খাবার যোগ করুন। এটি আপনার চোখকে লুব্রিকেটেড রাখতে এবং সামগ্রিক দৃষ্টিশক্তি উন্নত করতে সাহায্য করবে।

২. ভিটামিন সি

এক গবেষণায় দাবি করা হয়েছে যে, ভিটামিন সি-এর অক্সিডেন্ট সূর্যের ফ্রি র‌্যাডিক্যাল এবং অতিবেগুনী (UV) রশ্মির কারণে হওয়া ক্ষতি থেকে চোখকে রক্ষা করতে সাহায্য করে। এটি ছানি এবং ম্যাকুলার ডিজেনারেশনের ঝুঁকি কমাতেও ভূমিকা পালন করে। এই দুই সমস্যা অতিরিক্ত রোদে আরও বেড়ে যেতে পারে। তাপপ্রবাহের সময় বাইরে বের হলে ক্ষতিকারক UV রশ্মির সংস্পর্শ বৃদ্ধি পায়। ভিটামিন সি নিয়মিত গ্রহণ করলে তা আপনার চোখের রক্তনালীগুলোকে শক্তিশালী করতে এবং রেটিনাল কোষের সামগ্রিক স্বাস্থ্যের উন্নতি করতে সহায়তা করে। এটি রোদের কারণে সৃষ্ট ক্ষতি কমাতে সাহায্য করে।

৩. ভিটামিন ই

ভিটামিন ই আরেকটি শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যা আপনার চোখকে অক্সিডেটিভ স্ট্রেস থেকে রক্ষা করে। এটি স্বাস্থ্যকর কোষের ঝিল্লি বজায় রাখতে এবং প্রদাহ কমাতে সাহায্য করে, যা তাপপ্রবাহের সময় বিশেষভাবে উপকারী হতে পারে। এসময় চোখে শুষ্কতা এবং জ্বালাপোড়ার প্রবণতা বেশি থাকে। অতিরিক্ত গরমে অশ্রু উৎপাদন কমে যেতে পারে, যার ফলে চোখ শুকিয়ে যায়। ভিটামিন ই টিয়ার ফিল্মের লিপিড স্তর বজায় রাখতে সাহায্য করে, যাতে চোখ আর্দ্র এবং আরামদায়ক থাকে। খাবারের তালিকায় ভিটামিন ই সমৃদ্ধ খাবার যোগ করুন। এ জাতীয় খাবার আপনার চোখকে হাইড্রেটেড রাখতে এবং জ্বালা হওয়ার ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করবে।


আরও খবর



বাজেটের প্রভাব নেই নিত্যপণ্যের বাজারে

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৭ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০৭ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

২০২৪-২৫ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট ঘোষণা করা হয়েছে বৃহস্পতিবার (৬ জুন)। বাজেট পেশ হলেও অন্য বছরের মতো প্রস্তাবিত বাজেটের পর নিত্যপণ্যের বাজারে কোনো প্রভাব পড়েনি। বাজার ঘুরে দেখা গেছে, সবজি, মাছ-মাংসসহ সব ধরনের পণ্যের দাম আগের মতোই আছে। ব্যবসায়ীরা বলছেন, অনেক পণ্য আগের কেনা রয়েছে তাই বাজেটের প্রভাব বুঝতে আরও কয়েকদিন সময় লাগবে।

শুক্রবার (৭ জুন) সকালে রাজধানীর বাড্ডা, রামপুরা এলাকা ঘুরে নিত্যপণ্যের বাজারের এই চিত্র দেখা গেছে।

ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, গত রমজান মাস থেকেই মূলত দ্রব্যমূল্যের বাজার ঊর্ধ্বগতির দিকে। তাছাড়া বাজেট ঘোষণার আগেই অনেক পণ্যের দাম বেড়ে গেছে। এজন্য ঘোষণার পর পণ্যের দাম বাড়ার আর কিছু থাকে না। তারপরও কিছু জিনিসে এর প্রভাব পড়তে পারে, যা হয়তো আগামী সপ্তাহের বাজারে দেখা যাবে।

সবজির বাজারে গিয়ে দেখা যায়, অন্যান্য সাপ্তাহিক ছুটির দিনের মতো এই দিনেও বাজার অনেকটা উত্তপ্ত। প্রায় অধিকাংশ সবজিই বিক্রি হচ্ছে ৫০ থেকে ১০০ টাকার মধ্যে। বাজারে কিছু সবজি আছে যেগুলো মানভেদে বিক্রি হচ্ছে সর্বনিম্ন ৩০ টাকার মধ্যে।

বাড্ডা পাঁচতলা বাজারের সবজি বিক্রেতা মো. সামছুল হক বলেন, আজকের বাজারে পেঁপে বিক্রি হচ্ছে ৫০ টাকা, যা পূর্বে ছিল ৮০ টাকা। বরবটি বিক্রি হচ্ছে ১০০ টাকায়, যা ছিল ৮০ টাকা। গাজর ১২০ টাকা, যা ছিল ১৬০ টাকা। শসা বিক্রি হচ্ছে আগের দামেই ৮০ টাকা। এছাড়াও ঢ্যাঁড়স ৫০ টাকা, যা গতকালও বিক্রি হয়েছে ৪০ টাকা। প্রতিকেজি করলা বিক্রি হচ্ছে ৬০ টাকা, যা ছিল ৫০ টাকা। এছাড়াও বেগুন বিক্রি হচ্ছে মানভেদে ৮০ থেকে ৬০ টাকা।

তিনি বলেন, টমেটোর সিজন শেষ হয়ে যাওয়ায় টমেটোর দামটা দিন দিন বাড়ছে। আজকের বাজারে টমেটো বিক্রি হচ্ছে ৮০ থেকে ১০০ টাকা। কচুর লতি বিক্রি হচ্ছে ৮০ টাকা এবং কচুর মুখি বিক্রি হচ্ছে প্রতিকেজি ১০০ টাকা করে।

বাজেটের প্রভাব বিষয়ে এই বিক্রেতা বলেন, বাজার আগের মতোই আছে। গতকাল বৃহস্পতিবার বাজেট হলেও আজকের বাজারে কোনো প্রভাব নেই। সবজির দাম তো এমনিতেই তুলনামূলক বেশি, এখানে আর কী দাম বাড়বে। তারপরও হয়তো আগামী সপ্তাহের বাজারে আসল চিত্র বোঝা যাবে।

বাজার করতে আসা মওদুদ আহমেদ নামের এক শিক্ষার্থী বলেন, গতকাল বাজেট হয়েছে দেখলাম, যদিও বাজেটের সাথে আমাদের মতো শ্রেণিপেশার মানুষের কোনো সম্পর্ক নেই। এই ধরনের বাজেটে সাধারণ মানুষের জন্য কিছু থাকে না। বাজেট কম হোক বা বেশি হোক, নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের দাম কখনোই কমবে না বরং উল্টো বাড়তেই থাকবে। যেকারণে বাজেটকেন্দ্রিক খুব বেশি একটা আগ্রহ নেই।

জসিম উদ্দিন নামে এক বেসরকারি চাকরিজীবী বলেন, আমাদের স্বল্প বেতনে প্রতিদিন মাছ বা মাংস খাওয়া যায় না। কিন্তু সবজির দামও যদি এমন বাড়তি যায় তাহলে এটা খাওয়াও কমিয়ে দিতে হবে। বাজারে সব ধরনের সবজিতে ভরপুর। কোনো সংকট নেই। তারপরও ব্যবসায়ীরা একজোট হয়ে দাম বাড়িয়ে দেয়। আমরা আসলে যাবো কোথায়? এভাবে একটা দেশ চলতে পারে?

প্রসঙ্গত, ২০২৪-২৫ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট ঘোষণা করা হয়েছে বৃহস্পতিবার (৬ জুন)। জাতীয় সংসদে বাজেট পেশ করেন অর্থমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী। দেশের ইতিহাসের ৫৪তম বাজেট এটি। এর আকার ধরা হয়েছে ৭ লাখ ৯৭ হাজার কোটি টাকা। রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে পাঁচ লাখ ৪১ হাজার কোটি টাকা। আর ঘাটতি ধরা হয়েছে ২ লাখ ৫৬ হাজার কোটি টাকা।

নিত্যপণ্যের ঊর্ধ্বগতি পরিস্থিতিতে ২০২৪-২৫ অর্থবছরের জন্য প্রস্তাবিত বাজেটে মূল্যস্ফীতি ৬ দশমিক ৫ শতাংশে নামিয়ে আনার লক্ষ্য ঠিক করেছে সরকার। এজন্য বিশেষ কিছু পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী।

নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজার স্থিতিশীল রাখা ও উচ্চ মূল্যস্ফীতির লাগাম টানতে অন্তত ২৭টি প্রয়োজনীয় পণ্য ও খাদ্যশস্য সরবরাহের ওপর উৎসে কর কমানো হচ্ছে। ২০২৪-২০২৫ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে এসব পণ্যে উৎসে কর ২ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১ শতাংশ করা হচ্ছে। পণ্যগুলোর মধ্যে রয়েছে পেঁয়াজ, রসুন, মটর, ছোলা, চাল, গম, আলু, মসুর, ভোজ্যতেল, চিনি, আদা, হলুদ, শুকনা মরিচ, ডাল, ভুট্টা, ময়দা, আটা, লবণ, গোলমরিচ, এলাচ, দারচিনি, লবঙ্গ, খেজুর, তেজপাতা, পাট, তুলা, সুতা এবং সব ধরনের ফলসহ ২৭ পণ্য।


আরও খবর



ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় রেমাল: রাতেই ১০ নম্বর মহাবিপদ সংকেত

প্রকাশিত:শনিবার ২৫ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২৫ মে ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

ঘূর্ণিঝড় রেমালের ক্ষয়ক্ষতি এড়াতে রাতেই ১০ নম্বর মহাবিপদ সংকেত দেয়া হবে বলে জানিয়েছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী মুহিববুর রহমান। শনিবার (২৫ মে) সচিবালয়ে ঘূর্ণিঝড় রেমাল মোকাবিলায় নেয়া প্রস্তুতি সভা শেষে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি।

ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী বলেন, আগামীকাল রবিবার (২৬ মে) ভোর থেকে ঝড় আঘাত হানতে পারে। সন্ধ্যায় পুরোপুরি আঘাত হানবে বলে পূর্বাভাস রয়েছে। এজন্য আজ রাতে ১০ নম্বর মহাবিপদ সংকেত দেয়া হবে।

তিনি আরও বলেন, ঘূর্ণিঝড় রেমালের আঘাতে কক্সবাজার থেকে সাতক্ষীরার উপকূল অঞ্চল বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। এতে ৭ থেকে ৮ ফুট জলোচ্ছ্বাস হতে পারে। প্রচুর বৃষ্টিপাত হবে, এজন্য পাহাড়ি অঞ্চলে ভূমিধস হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। ঘূর্ণিঝড় মোকাবিলায় মন্ত্রণালয়ের সব প্রস্তুতি রয়েছে। ৮০ হাজার স্বেচ্ছাসেবক ও উপকূলে ৪ হাজার আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত আছে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদফতরসহ পৃথিবীর অন্যান্য দেশের সঙ্গে সমন্বয় রেখে আমরা বুঝতে পেরেছি, ঘূর্ণিঝড়টি আসন্ন। এখন ১ নম্বর দূরবর্তী সতর্ক সংকেত রয়েছে। আগামী ১ থেকে ২ ঘণ্টার মধ্যে সংকেত ৩-এ চলে যাবে। এটা (সতর্ক সংকেত) রাতে ৪-এর ওপরে চলে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। রাতে বিপদের পর্যায়ে চলে যেতে পারে। আবহাওয়ার পূর্বাভাস পর্যালোচনা করে আমরা ঝড়ের জন্য প্রস্তুতি নেয়া শুরু করেছি। রাত ১২টা-১টা নাগাদ এটা ১০ নম্বর মহাবিপদ সংকেত জারি হতে পারে। এমন একটা সম্ভাবনা রয়েছে।

এদিকে ঢাকা আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত গভীর নিম্নচাপটি আরও ঘনীভূত হয়ে ঘূর্ণিঝড় রেমালে রূপ নিতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। শুধু তাই নয়, ঘূর্ণিঝড়টি অতিপ্রবল হয়ে আঘাত হানতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এ পরিস্থিতিতে দেশের বিভিন্ন স্থানে ঝড়বৃষ্টি হতে পারে। কোথাও কোথাও হতে পারে অতি ভারি বর্ষণ।

ভারতের আবহাওয়া দফতর (আইএমডি) বলছে, রোববার সন্ধ্যায় রেমাল’ নাম নিয়ে ঘূর্ণিঝড়টি বাংলাদেশ ও ভারতের পশ্চিমবঙ্গের উপকূলীয় অঞ্চলে আঘাত হানতে পারে। ওই সময় ঘূর্ণিঝড়টির বাতাসের গতিবেগ থাকবে ঘণ্টায় ১০০ থেকে ১২০ কিলোমিটার।

সকালে আবহাওয়াবিদ মো. মনোয়ার হোসেন স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, গভীর নিম্নচাপটি আরও ঘনীভূত হয়ে উত্তরপূর্ব দিকে অগ্রসর হচ্ছে।

এ পরিস্থিতিতে শনিবার সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টা খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের অধিকাংশ জায়গায় এবং ঢাকা, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেইসঙ্গে দক্ষিণাঞ্চলের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারি থেকে অতি ভারি বর্ষণ হতে পারে।

এর পরের ৪৮ ঘণ্টা দেশের সব বিভাগের অধিকাংশ জায়গায় ঝড়বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। এ সময় সারা দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারি থেকে অতি ভারি বর্ষণ হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

তবে বর্ধিত ৫ দিনের আবহাওয়ার অবস্থায় বলা হয়েছে, বৃষ্টিপাতের প্রবণতা কমতে পারে। সেইসঙ্গে সারা দেশে বাড়তে পারে তাপমাত্রা।


আরও খবর
নয় অঞ্চলে ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের আভাস

বৃহস্পতিবার ২০ জুন ২০24




অর্থ আত্মসাৎ মামলায় আলেশা মার্টের কর্মকর্তা রিমান্ডে

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আদালত প্রতিবেদক

Image

৪২১ কোটি টাকা আত্মসাতের মামলায় ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান আলেশা মার্টের কর্মকর্তা আল মামুনকে একদিনের রিমান্ড দিয়েছেন আদালত।

বৃহস্পতিবার (১৩ জুন) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ফারহা দিবা ছন্দা এ রিমান্ড মঞ্জুর করেন। এর আগে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মনিরুজ্জামান পাঁচদিনের রিমান্ড আবেদন করেন।

মামলার সূত্রে জানা যায়, ২০২১ সালের ৭ জানুয়ারি ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান হিসেবে আলেশা মার্ট লিমিটেড আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু করে। যাত্রার পর থেকে আকর্ষণীয় বা লোভনীয় ছাড়ে বিভিন্ন পণ্য বিক্রির অফার দিয়ে বহু গ্রাহকের কাছ থেকে মোটরসাইকেল ও ইলেক্ট্রনিক বিভিন্ন পণ্য সরবরাহের জন্য অগ্রিম অর্থ নেয়।

কিন্তু গ্রাহককে পণ্য বা টাকা ফেরত না দিয়ে ই-কমার্স ব্যবসার আড়ালে প্রতারণার মাধ্যমে অর্থ উপার্জন করেন আসামিরা। এ বিষয়ে গত বছরের ১ মে ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর সিআইডিতে মামলা করে।

নিউজ ট্যাগ: আলেশা মার্ট

আরও খবর



বিজেপিকে টপকে পশ্চিমবঙ্গে এগিয়ে মমতার তৃণমূল

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৪ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ০৪ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

ভারতের লোকসভা নির্বাচনের ভোট গণনা চলছে। এতে বেশিরভাগ আসনে বিজেপি এগিয়ে থাকলেও পশ্চিমবঙ্গে এখন পর্যন্ত এগিয়ে রয়েছে রাজ্যের শাসকদল তৃণমূল।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম আনন্দবাজারের তথ্যানুসারে, পশ্চিমবঙ্গের ৪২ আসনের ২৬টি আসনে এগিয়ে আছে তৃণমূল। আর ১১টি আসনে এগিয়ে বিজেপি। কংগ্রেস দুটি আসনে এগিয়ে থাকলেও এখনও কোনও আসনে আশা দেখছে না সিপিএম।

পশ্চিমবঙ্গের ৪২টি আসনে এবার কোন দল জয়ী হবে সেদিকে তাকিয়ে আছে পুরো দেশ। ওই রাজ্যের প্রায় সবকটি বুথফেরত সমীক্ষাতেও বিজেপি এগিয়ে ছিল। তবে আজ ভোট গণনায় সে সমীক্ষা পাল্টে যেতে দেখা যাচ্ছে।

মঙ্গলবার (৪ জুন) সকাল ৮টায় ভারতের ৫৪২টি কেন্দ্রে ভোটগণনা শুরু হয়েছে। সুরাট কেন্দ্রে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়লাভ করেছেন বিজেপি প্রার্থী। ফলে গণনা শুরুর আগেই এক আসনে এগিয়ে গেছে বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ।

এদিকে, কেরালার ওয়েনাড় এবং উত্তর প্রদেশের রায়বরেলি- দুটি আসনেই এগিয়ে আছেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী। অন্যদিকে, বারানসীতে এগিয়ে রয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

প্রাথমিক তথ্য বলছে, এখন পর্যন্ত ভোট গণনায় এগিয়ে আছে বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির তথ্যানুসারে (এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত) ৫৪৩ আসনের মধ্যে বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ জোট ২৯৯ আসনে এগিয়ে আছে, আর ইন্ডিয়া জোট ২১৩ আসনে।


আরও খবর