আজঃ বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪
শিরোনাম

সম্ভাব্য ঘূর্ণিঝড় রেমাল, নজর রাখছে আবহাওয়া অধিদপ্তর

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২১ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২১ মে ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

আগামী দুই দিনের মধ্যে দক্ষিণ-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় একটি লঘুচাপ তৈরি হতে পারে। পরবর্তীতে এটি আরও শক্তি সঞ্চয় করে নিম্নচাপে পরিণত হয়ে ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিতে পারে। ঘূর্ণিঝড়টি সৃষ্টি হলে এর নাম হবে রেমাল’। এটি বাংলাদেশ ও পশ্চিমবঙ্গে আঘাত হানতে পারে।

ভারতের আবহাওয়া অধিদপ্তর বলছে, বুধবারের মধ্যে সাগরে লঘুচাপ তৈরি হতে পারে। সেখান থেকে নিম্নচাপ তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। নিম্নচাপটি শক্তি বাড়িয়ে ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হতে পারে। সাগরে ঘূর্ণিঝড় তৈরির অনুকূল পরিস্থিতি তৈরি হচ্ছে।

এদিকে, ঘূর্ণিঝড় নিয়ে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর থেকে এখনও কোনো তথ্য না জানালেও আবহাওয়াবিদরা বলছেন, ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে সাগরে লঘুচাপ সৃষ্টি হতে পারে। এরপর এটি ২৪ তারিখের পরে পূর্ণাঙ্গ ঘূর্ণিঝড়ের শক্তি অর্জন করতে পারে। তবে, ঘূর্ণিঝড়টি সৃষ্টি হওয়ার আগ পর্যন্ত এর গতিবিধি ও প্রভাব সম্পর্কে এখনই নির্দিষ্ট করে কিছু বলা যাবে না। বিষয়টি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।

ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে শুক্রবার থেকে বাংলাদেশে বৃষ্টিপাত শুরুর সম্ভাবনা রয়েছে। যা কয়েকদিন অব্যাহত থাকতে পারে।

ঘূর্ণিঝড় রেমাল’-এর নামকরণ করেছে ওমান। আরবিতে এর অর্থ বালি। এই নামে ফিলিস্তিনের গাজা থেকে ১ দশমিক ৭ কিলোমিটার দূরে একটি শহরও রয়েছে।

উল্লেখ্য, ২০২০ সালের মে মাসে বাংলাদেশের উপকূলে আছড়ে পড়েছিল ঘূর্ণিঝড় আম্ফান। সুন্দরবনের কারণে সে যাত্রায় রক্ষা পেয়েছিল দেশের উপকূল। এর আগে ২০০৯ সালের মে মাসেই সুন্দরবনে আঘাত হেনেছিল প্রলয়ঙ্করী আইলা।


আরও খবর



এমপি আনোয়ারুল আজিমের মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোক

প্রকাশিত:বুধবার ২২ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ২২ মে ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

ঝিনাইদহ-৪ আসনের এমপি ও কালীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আনোয়ারুল আজিম আনারের মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

বুধবার (২১ মে) দুপুরে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইং থেকে পাঠানো এক শোক বার্তায় প্রধানমন্ত্রী মরহুমের আত্মার শান্তি কামনা করেন এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

উল্লেখ্য, বুধবার সকালে কলকাতার অভিজাত এলাকা নিউটাউন থেকে আনোয়ারুল আজিম আনারের মরদেহ উদ্ধার করে কলকাতা পুলিশ। গত ১১ মে এমপি আনোয়ারুল আজিম আনার চিকিৎসার জন্য ভারতে যান।


আরও খবর



সাবেক আইজিপির অঢেল সম্পদে হতবাক হাইকোর্ট

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১১ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১১ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আদালত প্রতিবেদক

Image

একজন আইজিপি কীভাবে এত অঢেল সম্পদের মালিক হলেন তা নিয়ে বিষ্ময় প্রকাশ করে প্রশ্ন রাখেন হাইকোর্ট। এ সময় বিচারপতি কামরুল কাদের ও খিজির হায়াতের বেঞ্চ বলেন, আমাদের বিষয়টি হতবাক করেছে।

মঙ্গলবার (১১ জুন) যশোরে স্থানীয় সরকার বিভাগের কয়েকটি সেতু নির্মাণে অনিয়মের শুনানিকালে বিচারপতি কামরুল কাদের ও খিজির হায়াতের বেঞ্চ সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদ প্রসঙ্গে এ মন্তব্য করেন। রিটকারী আইনজীবী শামসুল হক বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

শুনানিকালে আদালত বলেন, আপনাদের অনিয়মের বিষয়টি আমরা খতিয়ে দেখব। দেশ-বিদেশে আলোচিত-সমালোচিত হচ্ছে একজন সরকারি কর্মকর্তার অনিয়ম-দুর্নীতি। একজন আইজিপি কীভাবে এত অঢেল সম্পদের মালিক হলেন। এটি আমাদের বিস্মিত করেছে।

উল্লেখ্য, সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদ দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) দাখিল করা সম্পদ বিবরণীতে উল্লেখ করেছেন, রাজধানীর গুলশানে মোট ৯ হাজার ১৯২ বর্গফুট আয়তনের চারটি ফ্ল্যাট মাত্র ২ কোটি ১৯ লাখ টাকায় কিনেছেন। সেই হিসেবে প্রতি বর্গফুটের দাম পড়েছে ২ হাজার ৩৮২ টাকা। তবে রাজধানীতে ফ্ল্যাট ও জমি ব্যবসার সঙ্গে জড়িতরা বলছেন, এই দামে গুলশানের মতো অভিজাত এলাকা তো দূরের কথা, ঢাকার আশপাশের এলাকায়ও ফ্ল্যাট পাওয়া যাবে না।

রিয়েল এস্টেট অ্যান্ড হাউজিং অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (রিহ্যাব) একাধিক সদস্য জানান, জমির দামের সঙ্গে নির্মাণ ব্যয় সমন্বয় করে ফ্ল্যাটের দাম নির্ধারণ করা হয়। বর্তমানে গুলশান-বনানীতে নির্মাণাধীন ফ্ল্যাট প্রতি বর্গফুট ২৫ থেকে ৩০ হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে। নামী রিয়েল এস্টেট কোম্পানিগুলোর ফ্ল্যাটের দাম আরও বেশি। সে হিসেবে ৯ হাজার বর্গফুট রিয়েল এস্টেটের মূল্য কমপক্ষে ২২ কোটি ৫০ লাখ টাকা।

তারা জানান, কর ফাঁকি দিতে অনেকে কম দাম দেখিয়ে ফ্ল্যাট রেজিস্ট্রেশন করেন। আবার কিছু গ্রাহক অবৈধ আয় (আয়কর রিটার্নে দেখানো হয় না) দিয়ে ফ্ল্যাট কেনেন। তাই তারা কম দামে ফ্ল্যাট রেজিস্ট্রেশন করেন।

দুদকের নথিপত্র পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, বেনজীর আহমেদের পরিবার ২০২৩ সালের ৫ মার্চ গুলশান সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে চারটি দলিলে ৯ হাজার ১৯২ বর্গফুট (বর্গফুট) ফ্ল্যাট কেনেন।

আদালতে উপস্থাপিত কাগজপত্র পর্যালোচনা করে দেখা যায়, বেনজীর রহমান ও তার পরিবার গুলশান আবাসিক এলাকার সিইসি (জি) ব্লকের ১৩৪ নম্বর প্লটে (পুরাতন নম্বর ১৩০ নম্বর) দুটি বেজমেন্টসহ নির্মিত র‌্যাংকন আইকন টাওয়ারের চারটি ফ্ল্যাট কিনেছেন। এর মধ্যে ১২/এ, ১২/বি এবং ১৩/এ এই তিনটি ফ্ল্যাট সাভানাহ ইকো রিসোর্ট প্রাইভেট লিমিটেডের নামে রেজিস্ট্রি করা হয়েছে এবং এর চেয়ারম্যান জিশান মির্জা এই কোম্পানির পক্ষে দলিলে সই করেন।

র‌্যাংকন আইকন টাওয়ারের ১৩/বি ফ্ল্যাটটি কেনা হয়েছে বেনজীর আহমেদের নাবালিকা কন্যা জাহরা জেরিন বিনতে বেনজীরের নামে। জাহরা জেরিন বিনতে বেনজিরের পক্ষে চুক্তিতে সই করেন বেনজীর আহমেদ।

দলিল পর্যালোচনা করে দেখা যায়, সাভানা ইকো রিসোর্ট প্রাইভেট লিমিটেডের পক্ষে জিশান মির্জা যে ১২/এ ফ্ল্যাটটি কিনেছেন তার দাম দেখানো হয়েছে ৫৬ লাখ টাকা। ১২/বি ফ্ল্যাটের দাম দেখানো হয়েছে ৫৬ লাখ টাকা এবং ১৩/এ ফ্ল্যাটের দাম দেখানো হয়েছে সাড়ে ৫৩ লাখ টাকা। এছাড়া ১৩/বি ফ্ল্যাটের দামও সাড়ে ৫৩ লাভ টাকা দেখানো হয়েছে।

সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদের বিরুদ্ধে আনা দুর্নীতির অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে ২৩ মে ঢাকার একটি আদালত তার ৮৩টি দলিলে উল্লিখিত সব সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার নির্দেশ দেন। এছাড়াও, ২৭টি ব্যাংক অ্যাকাউন্টসহ আর্থিক লেনদেনকারী মোট ৩৩টি অ্যাকাউন্ট জব্দ করার নির্দেশও দিয়েছেন আদালত।

দুদকের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকা মহানগর দায়রা জজ মোহাম্মদ আসসামছ জগলুল হোসেন এ আদেশ দেন।

এদিকে, অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে বেনজীর আহমেদ ও তার স্ত্রী-সন্তানদের জিজ্ঞাসাবাদ করার জন্য তলব করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। আগামী ৬ জুন বেনজীরকে এবং ৯ জুন স্ত্রী ও সন্তানদের জিজ্ঞাসাবাদ করবে দুদক।


আরও খবর



বেনজীরের ‘কালো টাকা’ সাদা হবে কি না, জানালেন এনবিআর চেয়ারম্যান

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৭ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০৭ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদ ১৫ শতাংশ কর দিলে তার অপ্রদর্শিত সম্পদ বৈধ হবে না বলে জানিয়েছেন জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) চেয়ারম্যান আবু হেনা মো. রহমাতুল মুনিম। আজ শুক্রবার রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে বাজেটোত্তর সংবাদ সম্মেলনে এক প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন তিনি।

২০২৪-২৫ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে ১৫ শতাংশ কর দিয়ে অপ্রদর্শিত আয় বা কালো টাকা সাদা করার সুযোগ দিচ্ছে সরকার। এ নিয়ে বাজেটোত্তর সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকরা জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) চেয়ারম্যানকে প্রশ্ন করেন, সাবেক আইজিপির বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগের তদন্ত চলছে। এ ক্ষেত্রে তিনি ১৫ শতাংশ কর দিলে তার অবৈধ সম্পদ বৈধ হয়ে যাবে কিনা?

জবাবে এনবিআর চেয়ারম্যান বলেন, এটা তো ফৌজদারি প্রক্রিয়া বা আইনি প্রক্রিয়ার মধ্যে পড়ে গেছে। এ ধরনের প্রক্রিয়ায় কীভাবে বৈধ হয়ে যাবে। এটা তো আইনি প্রক্রিয়া।

অপ্রদর্শিত আয় বা কালো টাকা সাদা করার সুযোগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আমাদের কাছে তথ্য ছিল বৈধ ব্যবসায়ীরা বেশি বেকায়দায় আছেন, অডিটজনিত কারণে তারা তাদের কিছু অ্যাসেট দেখাতে পারছেন না। সে জন্য আমরা প্রস্তাবটা করেছি।

বেনজীর আহমেদের বিষয়ে আরেক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রীর অর্থ উপদেষ্টা ড. মসিউর রহমান বলেন, সাবেক কর্মকর্তা নিয়ে আপনারা প্রশ্ন করেছেন, উনার বিচার হবে না এটা কেউ বলেননি। দুদক তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে। তার বিরুদ্ধে তথ্য সংগ্রহ না করে তাকে জেলে বা ফাঁসি দেব বিষয়টি এমন নয়, কারণ উনি তো এ দেশের মানুষ। বেনজীর বিদেশে আছেন, দুদকের কাছে সময় চেয়েছেন।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন অর্থমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী, পরিকল্পনামন্ত্রী আবদুস সালাম, শিল্পমন্ত্রী নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন, শিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী, গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রী র আ ম উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরী, স্থানীয় সরকার ও সমবায়মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম, অর্থ প্রতিমন্ত্রী ওয়াসিকা আয়েশা খান, বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী আহসানুল ইসলাম টিটুসহ আরও অনেকে।


আরও খবর



কৈলাশটিলায় ফের এলপি গ্যাস উৎপাদন শুরু

প্রকাশিত:বুধবার ০৫ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ০৫ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
এস এ শফি, সিলেট

Image

সিলেট গ্যাস ফিল্ডস লিমিটেডের (এসজিএফএল) আওতায় কৈলাশটিলা এলপিজি প্ল্যান্টে পুনরায় উৎপাদন প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। পেট্রোবাংলা এ তথ্য জানিয়েছে।

পেট্রোবাংলা জানায়, পেট্রোবাংলার মালিকানাধীন সিলেট গ্যাস ফিল্ডস লিমিটেডের (এসজিএফএল) আওতায় পরিচালিত কৈলাশটিলা গ্যাস ফিল্ডের অপরিশোধিত গ্যাস, এলপিজির কাঁচামাল এনজিএল (ন্যাচারাল গ্যাস লিকুইড) সমৃদ্ধ। ১৯৯৫ সালে এই ফিল্ড থেকে উৎপাদিত গ্যাস থেকে এনজিএল আহরণের জন্য দেশের একমাত্র মলিকুলার সীভ টার্বো-এক্সপান্ডার (এমএসটিই) প্রসেস প্ল্যান্ট স্থাপন করা হয়।

ওই প্ল্যান্টে উৎপাদিত এনজিএল পেট্রোবাংলার অপর কোম্পানি রূপান্তরিত প্রাকৃতিক গ্যাস কোম্পানি লিমিটেডের (আরপিজিসিএল) কৈলাশটিলা এলপিজি প্ল্যান্টে ফ্র্যাকশনেশন করে এলপিজি ও পেট্রোল (অকটেন নম্বর ৮১) উৎপাদন করা হতো এবং বিপিসির মাধ্যমে বাজারজাত করা হতো।

২০২০ সালের সেপ্টেম্বর মাসে বিএসটিআই কর্তৃক বাজারজাত পেট্রোলের অকটেন নম্বর ৮৯ নির্ধারণ করায় এবং বিপিসি কর্তৃক এলপিজি প্ল্যান্টে উৎপাদিত পেট্রোল উত্তোলন না করায় প্ল্যান্টটি বন্ধ রাখতে হয়। আরপিজিসিএল কর্তৃক বিভিন্ন ব্যবস্থা গ্রহণ করেও পেট্রোলের অকটেন নম্বর বৃদ্ধি করা সম্ভব হয়নি।

এলপিজি প্ল্যান্ট না চালানোর কারণে এমএসটিই প্ল্যান্টটি ভিন্ন মোডে পরিচালনা করে এনজিএল-এর পরিবর্তে কনডেনসেট উৎপাদন করতে হতো। এজন্য এলপিজির উপাদানগুলো ফ্লেয়ার করতে হতো। ফলে একদিকে যেমন প্রাকৃতিক সম্পদের অপচয় হতো তেমনি অন্যদিকে পরিবেশের ক্ষতি হতো।

গত ৩০ মে কৈলাশটিলা এলপিজি প্ল্যান্টটি এসজিএফএলের নিকট হস্তান্তর করা হয়। প্রয়োজনীয় রক্ষণাবেক্ষণ শেষে এসজিএফএল কর্তৃক ২ জুন এলপিজি প্লান্টটি চালু করা সম্ভব হয়। এই প্ল্যান্টে উৎপাদিত এলপিজি কৈলাশটিলায় অবস্থিত বিপিসির একটি প্রতিষ্ঠান এলপি গ্যাস কোম্পানি লিমিটেডের বটলিং প্লান্টে সরবরাহ করা হবে।

মৌলভীবাজার জেলার বাহুবল উপজেলার রশিদপুরে এসজিএফএলেএর দুটি কনডেনসেট ফ্র্যাকশনেশন প্ল্যান্ট এবং একটি অকটেন উৎপাদনকারী ক্যাটালাইটিক রিফরমিং ইউনিট (সিআরইউ) রয়েছে। এলপিজি প্ল্যান্টে উৎপাদিত পেট্রোল (অকটেন নম্বর ৮১)-কে এসজিএফএল-এর ফ্র্যাকশনেশন প্ল্যান্টে উৎপাদিত পেট্রোলের সঙ্গে মিশ্রণ করে অতঃপর সিআরইউ-এর মাধ্যমে অকটেন নম্বর বৃদ্ধি করে বিপিসির মাধ্যমে বাজারজাত করা হবে।

এতে এলপিজি উৎপাদন যেমন নিশ্চিত হবে তেমনি কৈলাশটিলা এমএসটিই প্ল্যান্ট স্বাভাবিকভাবে চালানোর ফলে প্রাকৃতিক সম্পদের অপচয় ও পরিবেশের ক্ষতি রোধ হবে। এছাড়া প্রতি বছর এলপিজি প্ল্যান্টে উৎপাদিত ৪০০০ মেট্রিক টন এলপিজি দেশের জ্বালানি খাতে যোগ হবে বলেও জানানো হয়।


আরও খবর



কনডেম সেলে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তদের রাখা নিয়ে রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করবে সরকার

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৪ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৪ মে ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আদালত প্রতিবেদক

Image

মৃত্যুদণ্ডাদেশ চূড়ান্ত হওয়ার আগে আসামিদের কনডেম সেলে বন্দি রাখা যাবে না বলে হাইকোর্ট যে রায় দিয়েছেন, তার বিরুদ্ধে আপিলের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। মঙ্গলবার (১৪ মে) অ্যাটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিন এ তথ্য জানিয়েছেন।

তিনি বলেছেন, হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষ আপিল বিভাগে আবেদন করবে।

এর আগে সোমবার (১৩ মে) মৃত্যুদণ্ডাদেশ চূড়ান্ত হওয়ার আগে আসামিদের কনডেম সেলে বন্দি রাখা অবৈধ ও বেআইনি ঘোষণা করেন হাইকোর্ট।

বিচারপতি শেখ হাসান আরিফ ও মো. বজলুর রহমানের হাইকোর্ট বেঞ্চের ওই রায়ে বলা হয়, মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামির আপিল, রিভিউ, রাষ্ট্রপতির কাছে ক্ষমা প্রার্থনার ধাপগুলো নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত আসামিকে কনডেম সেলে রাখা যাবে না।

সেইসঙ্গে বর্তমানে মৃত্যুদণ্ডাদেশ চূড়ান্ত হওয়ার আগে সারা দেশে যত আসামিকে কনডেম সেলে রাখা হয়েছে তাদের দুই বছরের মধ্যে ক্রমান্বয়ে সাধারণ সেলে রাখার কথা বলা হয়েছে রায়ে। তবে বিশেষ কারণে (স্বাস্থ্যগত কারণ, সংক্রামক রোগ) কোনো ব্যক্তিকে নির্জন কক্ষে রাখতে পারবে কারা কর্তৃপক্ষ। সেক্ষেত্রে ওই ব্যক্তির উপস্থিতিতে শুনানি হতে হবে।

হাইকোর্টে রিটের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ শিশির মনির। সঙ্গে ছিলেন অ্যাডভোকেট আসাদ উদ্দিন। আর রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন অ্যাটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিন ও ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল অমিত তালুকদার। সঙ্গে ছিলেন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল এমএমজি সারোয়ার পায়েল, নাসিম ইসলাম রাজু।

এর আগে ২০২২ সালের ৩ সেপ্টেম্বর মামলা চূড়ান্তভাবে নিষ্পত্তি হওয়ার আগে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিকে কনডেম সেলে রাখার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট দায়ের করা হয়। চট্টগ্রাম কারাগারে কনডেম সেলে থাকা জিল্লুর রহমানসহ মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত তিন বন্দির পক্ষে আইনজীবী শিশির মনির এ রিট দায়ের করেন। রিট আবেদনকারীরা হলেন– চট্টগ্রাম কারাগারের কনডেম সেলে থাকা সাতকানিয়ার জিল্লুর রহমান, সিলেট কারাগারে থাকা সুনামগঞ্জের আব্দুল বশির ও কুমিল্লা কারাগারে থাকা খাগড়াছড়ির শাহ আলম। মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত এই তিন আসামির আপিল বিচারাধীন রয়েছে।

গত বছরের ৫ এপ্রিল এ বিষয়ে রুল জারি করেছিলেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে কনডেম সেলে থাকা বন্দিদের বিষয়ে ছয় মাসের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেওয়া হয় সেদিন। বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়া ও বিচারপতি আহমেদ সোহেলের হাইকোর্ট বেঞ্চ ওই আদেশ দেন।

পরে গত বছরের ১২ ডিসেম্বর মৃত্যুদণ্ডাদেশ চূড়ান্ত হওয়ার আগে আসামিদের কনডেম সেলে বন্দি রাখা কেন বেআইনি হবে না এবং কেন জেলকোডের ৯৮০ বিধি অসাংবিধানিক ঘোষণা করা হবে না, এই মর্মে জারি করা রুলের শুনানি শেষ হয়। বিচারপতি শেখ হাসান আরিফ ও মো. বজলুর রহমানের হাইকোর্ট বেঞ্চ শুনানি শেষে মামলাটি রায় ঘোষণার জন্য অপেক্ষমাণ রাখেন।


আরও খবর