আজঃ বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪
শিরোনাম

শ্রম আইন লঙ্ঘন: ড. ইউনূসের মামলার রায় ১ জানুয়ারি

প্রকাশিত:রবিবার ২৪ ডিসেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:রবিবার ২৪ ডিসেম্বর ২০২৩ | অনলাইন সংস্করণ
আদালত প্রতিবেদক

Image

গ্রামীণ টেলিকমের চেয়ারম্যান ও নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূসসহ চার জনের বিরুদ্ধে শ্রম আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে দায়ের করা মামলার রায় ঘোষণার জন্য আগামী ১ জানুয়ারি তারিখ ধার্য করেছেন আদালত।

রবিবার (২৪ ডিসেম্বর) রাতে ঢাকার তৃতীয় শ্রম আদালতের বিচারক বেগম শেখ মেরিনা সুলতানা মামলাটির যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শুনানি শেষে রায় ঘোষণার এ তারিখ ঠিক করেন। শুনানিকালে ড. মুহাম্মদ ইউনূস ও বাকি তিন আসামি গ্রামীণ টেলিকমের এমডি মো. আশরাফুল হাসান, পরিচালক নুরজাহান বেগম এবং মো. শাহজাহান উপস্থিত ছিলেন।

আদালত রায়ের তারিখ ঘোষণার পর ড. ইউনুসের আইনজীবী আবদুল্লাহ আল মামুন বলেন, রাষ্ট্রপক্ষ অভিযোগ প্রমাণ করতে পারে নাই। আমার ক্লায়েন্টরা (ড. মুহাম্মদ ইউনূসসহ চারজন) খালাস পাবেন।

তবে রাষ্ট্রপক্ষ থেকে কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদফতরের আইনজীবী খুরশীদ আলম খান জানান, আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণ করতে পেরেছি। আশা করছি, আসামিরা দণ্ডিত হবেন।

গত ১১ অক্টোবর মামলার বাদী এবং প্রথম সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ হয়। এরপর গত ১৮ অক্টোবর দ্বিতীয় সাক্ষী, গত ২৬ অক্টোবর তৃতীয় সাক্ষী এবং সর্বশেষ গত ২ নভেম্বর চতুর্থ সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়।

গত ৯ নভেম্বর আত্মপক্ষ শুনানিতে ড. মুহাম্মদ ইউনূস নিজেকে নির্দোষ দাবি করে বলেন, আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগে মামলা করা হয়েছে। যা সম্পূর্ণ উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। আমি সম্পূর্ণ নির্দোষ। অপর আসামিরাও তাদের নিদোষ দাবি করেন। এরপর গত ১৭ নভেম্বর থেকে যুক্তিতর্ক শুনানি শুরু হয়।

২০২১ সালের ৯ সেপ্টেম্বর ঢাকার তৃতীয় শ্রম আদালতে কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান অধিদফতরের শ্রম পরিদর্শক আরিফুজ্জামান বাদী হয়ে ড. ইউনূসসহ চার জনের বিরুদ্ধে ওই মামলা করেন।

মামলায় শ্রমিক কল্যাণ ফাউন্ডেশনে নির্দিষ্ট লভ্যাংশ জমা না দেওয়া, শ্রমিকদের চাকরি স্থায়ী না করা, গণছুটি নগদায়ন না করায় শ্রম আইনের ৪-এর ৭, ৮, ১১৭ ও ২৩৪ ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।


আরও খবর



রাঙামাটিতে দুর্বৃত্তের গুলিতে ইউপিডিএফ কর্মীসহ নিহত ২

প্রকাশিত:শনিবার ১৮ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ১৮ মে ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
রাঙ্গামাটি প্রতিনিধি

Image

রাঙামাটির লংগদু উপজেলায় দুর্বৃত্তের গুলিতে ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্টের (ইউপিডিএফ) কর্মীসহ ২ জন নিহত হয়েছেন। আজ শনিবার সকালে উপজেলার কাট্টলী এলাকার ধনপুতি বাজারে এ ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন- ইউপিডিএফ কর্মী বিদ্যাধন তিলক (৪৯) ও স্থানীয় ধন্যমনি চাকমা (৩২)। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন লংগদু থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) হারুনুর রশিদ।

তিনি জানান, আমরা শুনেছি সন্তু লারমা জেএসএস কর্তৃক এক ইউপিডিএফ কর্মী ছাড়াও স্থানীয় একজন নিহত হয়েছেন। পুলিশ ঘটনাস্থলে যাচ্ছে। বিস্তারিত পরে জানানো যাবে।

ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট (ইউপিডিএফ) দলীয় সূত্র থেকে জানা যায়, আজ সকালে ধনপুতি এলাকায় সাংগঠনিক কাজ করার সময় জেএসএসের হামলায় দুইজন নিহত হন। এর মধ্যে একজন তাদের কর্মী আরেকজন স্থানীয় বাসিন্দা।

ইউপিডিএফের প্রচার ও প্রকাশনা বিভাগের নিরন চাকমা এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানান, সন্তু লারমা আবারও তার খুনি বাহিনীকে দিয়ে ইউপিডিএফের কর্মী-সমর্থকদের ওপর হত্যাকাণ্ড শুরু করেছেন। পার্বত্য চট্টগ্রামের জনগণের কাছে সন্তু লারমা একজন খুনি হিসেবে চিহ্নিত হয়ে থাকবেন।

বিজ্ঞপ্তিতে অবিলম্বে লংগদুতে ইউপিডিএফ কর্মী, সমর্থককে হত্যাকারীদের গ্রেপ্তার এবং মদদদাতা সন্তু লারমাকে গ্রেপ্তারপূর্বক আঞ্চলিক পরিষদ থেকে অপসারণ করে বিচারের আওতায় নিয়ে আসার দাবি জানানো হয়।

তবে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি লংগদু উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক মনি শংকর চাকমা বলেন, ওই এলাকায় জেএসএসএর কোনো কার্যক্রম নেই। এটা তাদের অভ্যন্তরীণ কোন্দলের কারণে হয়ে থাকতে পারে। তাদের নিজেদের অপকর্মের দায় আমাদের ওপর চাপাতে অপচেষ্টা চালাচ্ছে।


আরও খবর



ঘূর্ণিঝড় রেমাল: ঝালকাঠিতে মৎস্য কৃষি বিভাগে ক্ষতির পরিমান ৮১ কোটি টাকা

প্রকাশিত:শুক্রবার ৩১ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ৩১ মে ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
ঝালকাঠি প্রতিনিধি

Image

ঝালকাঠি জেলায় ঘূর্ণিঝড় রেমালের কারণে শহরে ৬৪ ঘন্টায় বিদ্যুৎ সরবরাহ চালু করা সম্ভব হয়নি। জেলায় বেড়িবাঁধ, কৃষি ও মৎস্য বিভাগের ব্যাপক ক্ষতি সাধিত হয়েছে। বিশেষ করে জেলার ঝালকাঠি কাঠিালিয়া রাজাপুর উপজেলার মোট ৭০ কিলোমিটার বেড়ি বাঁধের অধিকাংশই ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। এছাড়াও এ পর্যন্ত জেলার কৃষি বিভাগে ৭১ কোটি টাকা এবং মৎস্য বিভাগে প্রায় ১০ কোটি টাকার ক্ষতি সাধন হয়েছে। ক্ষয় ক্ষতির পরিমান ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে। পাশাপাশি মোবাইলের সকল নেটওয়ার্ক বিচ্ছিন্ন রয়েছে।

জেলা পানি উন্নয়ন বিভাগের সূত্র জানায়, ঝালকাঠি সদর উপজেলায় ১১ কিলোমিটার, রাজাপুর উপজেলায় ১৫০ মিটার এবং কাঠালিয়া উপজেলায় ৪ কিলো মিটার বেড়ি বাঁধ ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। তবে এই ক্ষয় ক্ষতির হিসেবে টাকার পরিমান কত তা জানাতে পারেনি পানি উন্নয়ন বিভাগ। সূত্র মতে জেলার বাঁধ সংস্কারে গত অর্থ বছরে কোন বরাদ্দ পাওয়া জায়নি। চলতি অর্থ বছরেও এখন পর্যন্ত বেড়ি বাঁধ সংস্কার বা নির্মানে কোন বরাদ্দ না এলেও নদী তীর সংরক্ষণে ৩ কোট টাকা বরাদ্দ পাওয়া গেছে বলে জানা যায়। যদি চাহিদা ছিল ১৬৫ কোটি টাকা।  তবে নজিরবিহীন জলোচ্ছাসের কারণে জেলার নদী ভাঙ্গনও বৃদ্ধি পেয়েছে।

এ বিষয়ে ঝালকাঠি পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী এ.কে.এম নিলয় পাশা জানান, জেলার বেড়ি বাঁধের সমিক্ষা চলমান। তবে রেমালে ক্ষতিগ্রস্থ বাঁধের ক্ষয়ক্ষতি নিরুপণ করে চলমান সমিক্ষায় অন্তর্ভূক্ত করা হবে। রাজাপুর কাঠালিয়া নদী ভাঙ্গন এলাকার সমিক্ষা জুন মাসে শেষ হবে। এরপর প্রকল্প প্রস্তুত করে অনুমোদনের জন্য প্রেরণ করা হবে।

ঝালকাঠি জেলা কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগের সূত্র অনুযায়ি এ ঘূর্ণিঝড়ে পানিয়ে তলিয়ে মোট ক্ষয় ক্ষতির পরিমান ৭১ কোটি টাকা। এরমধ্যে সম্পূর্ন ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে রোপা আমনসহ বীজতলা ৭ হাজার ৩১৩ হেক্টর জমির। এছাড়াও আখ, চিনাবাদাম, তিল, মরিচ, হলুদ, পেপে, কলা, পান, পাটসহ বিভিন্ন ধরনের মৌসুমি ফসলের অধিকাংশ বিনষ্ট হয়েছে।

জেলা মৎস্য বিভাগের তথ্য অনুযায়ি অতিবৃষ্টি বণ্যা ও প্রবল জোয়ারের কারণে ৩ হাজার ৩৬১ টি পুকুর, ১৫৯ টি ঘের তলিয়ে মাছ ভেসে গেছে। এতে মাছ ও পোনাসহ চাষিদের ক্ষতির পরিমান ৯ কোটি ৪৬ লাখ টাকা।

এ বিষয়ে জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. রবিউল ইসলাম জানান, আমরা প্রাথমিক ভাবে এই ক্ষতির পরিমার নিরুপন করে দপ্তরে পাঠানো হয়েছে। এই ক্ষতি পোষাতে সরকার প্রয়োজনীয় সহায়াতা দিবে।

এদিক ঝালকাঠিতে রেমালের আঘাতের আগে থেকেই বিদ্যুৎ সরবরা বন্ধ হয়ে যায়। ঘূণিঝড়ে বিদ্যুত বিভাগের ক্ষয় ক্ষতির কারণে গাছপালা ও খুটি পরে যাওয়ায় জাতীয় গ্রীড থেকে ঝালকাঠি জেলা বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে।


আরও খবর



পিরোজপুরে বাসচাপায় প্রাণ গেল যুবলীগ নেতার

প্রকাশিত:শুক্রবার ১৭ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৭ মে ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
মশিউর রহমান রাহাত, পিরোজপুর

Image

পিরোজপুরের নাজিরপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় পরিতোষ রায় (৫৪) নামে এক যুবলীগ নেতার মৃত্যু হয়েছে।

শুক্রবার (১৭ মে) বেলা ১১টার দিকে উপজেলার রুহিতলাবুনিয়া এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

পরিতোষ রায় নাজিরপুর উপজেলার মাটিভাঙ্গা ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ড যুবলীগের সভাপতি এবং উপজেলার পশ্চিম বানিয়ারী গ্রামের ধীরেন্দ্রনাথ রায়ের ছেলে।

স্থানীয়দের বরাতে পুলিশ জানায়, শুক্রবার বেলা ১১টার দিকে পরিতোষ রায় একটি ভ্যানে করে স্থানীয় বাজারে যাচ্ছিলেন। এ সময় পিরোজপুরগামী দোলা পরিবহনের একটি বাস পিরোজপুর-গোপালগঞ্জ সড়কের রুহিতলাবুনিয়া এলাকায় সেই ভ্যানকে পেছন থেকে ধাক্কা দেয়। এতে পরিতোষ রায় বাসের চাকায় পিষ্ট হয়ে ঘটনাস্থলেই মারা যান।

স্থানীয় ইউপি সদস্য কমলেস জানান, দোলা পরিবহনের একটি বাস পরিতোষ রায়ের ভ্যানকে ধাক্কা দেয়। এতে তিনি মাটিতে পরে গেলে বাস তার গায়ের ওপর দিয়ে চলে যায়।

নাজিরপুর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহ আলম হাওলাদার বলেন, সড়ক দুর্ঘটনায় পরিতোষ রায় নামে একজনের মৃত্যু হয়েছে। ঘটনার পরেই পুলিশ মরদেহ উদ্ধার ও বাসটিকে আটক করেছে। এ ঘটনায় আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।


আরও খবর



বরগুনায় ঘূর্ণিঝড় রেমালে নিহত ১, আহত ৩৭

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৮ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৮ মে ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
অলিউল্লাহ্ ইমরান, বরগুনা

Image

ঘূর্ণিঝড় রেমালের প্রভাবে ঘরের ওপর ভেঙে পড়া গাছ অপসারণের সময় ডাল ভেঙে পড়ে আব্দুর রহমান বয়াতি (৫৫) নামে এক বৃদ্ধ নিহত হয়েছেন। মঙ্গলবার (২৮ মে) এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন বরগুনা সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. শামীম মিঞা।

তিনি জানান, গতকাল সোমবার (২৭ মে) দুপুরে সদর উপজেলার আয়লা পাতাকাটা ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের লেমুয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত আব্দুর রহমান বয়াতি ওই এলাকার মৃত্যু খুতি বয়াতির ছেলে।

জেলা প্রশাসক মোহা. হাবিবুর রহমান বলেন, বরগুনায় ঘূর্ণিঝড় রেমালের প্রভাবে ঘরের ওপর ভেঙে পড়া গাছ অপসারণের সময় একজনের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়াও জেলায় প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী ৩৭ জন আহত হয়েছে বলে জানা গেছে।

তিনি আরও জানান, ঘূর্ণিঝড়ে বরগুনায় এখন পর্যন্ত যে তথ্য রয়েছে তাতে ৩ হাজার ৩৩৭টি ঘর সম্পূর্ণ বিধ্বস্ত হয়েছে। ১৩ হাজার ৩৪টি ঘর আংশিক বিধ্বস্ত হয়েছে। পুরো জেলায় ১২ কিলোমিটার বেড়িবাঁধ ভেঙে গিয়েছে। যার কারণে ৩০০ গ্রাম সাগরের পানিতে প্লাবিত হয়েছে। ৪ হাজার ১৫৭ হেক্টর মাছের ঘের পুকুর ভেসে গিয়েছে।

বিদ্যুৎ বিভাগের প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী বরগুনা জেলায় ৯০০ এর মতো খুঁটি পড়ে গিয়েছে। ২৫০টির মতো খুঁটি ভেঙে গিয়েছে। ১ হাজার ২০০ এর মতো স্পটে বিদ্যুতের তারের ওপর গাছ হেলে রয়েছে এবং ৯০০ এর মতো স্পটে বিদ্যুতের তারের গাছ পড়ে তার ছিঁড়ে গিয়েছে। পুরো জেলায় ২ লাখ ৩১ হাজার মানুষ বন্যার দুর্ভোগ আছে। তবে সবকিছু সচল করতে প্রত্যেকটি উপজেলাতেই প্রশাসন কাজ করছে।


আরও খবর



এপ্রিলে সড়ক দুর্ঘটনায় ৭০৮ জন নিহত

প্রকাশিত:বুধবার ২২ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ২২ মে ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

গত এপ্রিলে সারাদেশে ৬৮৩টি সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন ৭০৮ জন। এছাড়া দুই হাজার ৪২৬ জন আহত হয়েছেন। অপরদিকে রেলপথে ৪৪টি দুর্ঘটনায় ৪৭ জন নিহত ও ৩৬ জন আহত হয়েছেন। আর নৌপথে ছয়টি দুর্ঘটনায় আটজন নিহত, ১০ জন আহত এবং একজন নিখোঁজ হন।

বুধবার (২২ মে) বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতির মহাসচিব মো. মোজাম্মেল হক চৌধুরীর সই করা এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানানো হয়।

এতে বলা হয়, সড়ক দুর্ঘটনা মনিটরিং সেলের সদস্যরা জাতীয়, আঞ্চলিক ও অনলাইন সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত দুর্ঘটনার সংবাদ যাচাই এবং জাতীয় অর্থোপেডিক হাসপাতাল ও পুনর্বাসন কেন্দ্রে (পঙ্গু হাসপাতাল) সড়ক দুর্ঘটনায় আহত এক হাজার ৯৬ জন রোগীর তথ্য নিয়ে এ প্রতিবেদন তৈরি করা হয়।

তাদের তথ্যমতে, সড়ক, রেল ও নৌপথে মোট ৭৩৩টি দুর্ঘটনায় ৭৬৩ জন নিহত এবং ২ হাজার ৪৭২ জন আহত হয়েছেন।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এপ্রিলে ৩০৫টি মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় ২৭৪ জন নিহত, ৩২৮ জন আহত হন। যা মোট দুর্ঘটনার ৪৪ দশমিক ৬৫ শতাংশ, নিহতের ৩৮ দশমিক ৭০ শতাংশ ও আহতের ২৪ দশমিক ৬৬ শতাংশ। এই মাসে সবচেয়ে বেশি সড়ক দুর্ঘটনা সংগঠিত হয়েছে ঢাকা বিভাগে ১৫৫টি। এতে ১৭৯ জন নিহত ও ৩০৫ জন আহত হন। সবচেয়ে কম সড়ক দুর্ঘটনা সংগঠিত হয়েছে বরিশাল বিভাগে ৩৫টি। এতে ৫৩ জন নিহত ও ৪৮ জন আহত হন।


আরও খবর