আজঃ রবিবার ২১ জুলাই ২০২৪
শিরোনাম

তামান্না ভাটিয়াকে সাইবার সেলে তলব

প্রকাশিত:শনিবার ২৭ এপ্রিল ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২৭ এপ্রিল ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
বিনোদন ডেস্ক

Image

দক্ষিণী ইন্ডাস্ট্রির আলোচিত অভিনেত্রী তামান্না ভাটিয়া এখন বলিউডেরও পরিচিত মুখ। বেশ দাপুটের সঙ্গে কাজ করছেন তিনি। ক্যারিয়ারে দুর্দান্ত সময় পার করছেন। তবে সম্প্রতি বিপাকে পড়েছেন এ তারকা। তাকে তলব করেছে ভারতের মহারাষ্ট্র সাইবার সেল।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, সাইবার সেলের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, মহাদেব অনলাইন গেমিং এবং বেটিং অ্যাপ্লিকেশনের একটি সহায়ক অ্যাপে আইপিএল ম্যাচ দেখতে কথিত প্রচারের জন্য তলব করা হয়েছে তামান্নাকে। দক্ষিণী এই নায়িকাকে আগামী ২৯ এপ্রিল মহারাষ্ট্র সাইবার সেলে হাজির হওয়ার জন্য বলা হয়েছে। সেখানে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।

এর আগে গত বছরও কিছু আইপিএল ম্যাচ অ্যাপে অবৈধভাবে স্ট্রিম করা হয়েছিল। এ ব্যাপারে একটি অভিযোগও রয়েছে। কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, সেই মামলায় সাক্ষী হিসেবে তার বক্তব্য রেকর্ড করার জন্য ডাকা হয়েছে।

এ মামলায় ইতোমধ্যে মহারাষ্ট্র সাইবার সেল গায়ক বাদশা, অভিনেতা সঞ্জয় দত্ত ও জ্যাকলিন ফার্নান্দেজের ম্যানেজারদের বক্তব্য নিয়েছে। আর মহাদেব অ্যাপটি অবৈধ অর্থ লেনদেন এবং বাজি ধরার জন্য বিভিন্ন তদন্ত সংস্থার মনিটরিংয়ে রয়েছে।

প্রসঙ্গত, তামান্না ভাটিয়া বাহুবলী এবং নেটফ্লিক্স অ্যান্থলজি লাস্ট স্টোরিজ-২ এর জন্য দর্শকমহলে বহুল পরিচিত।


আরও খবর



গাইবান্ধায় বন্যা পরিস্থিতির অবনতি, পানিবন্দি ৫০ হাজার মানুষ

প্রকাশিত:শনিবার ০৬ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ০৬ জুলাই ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
গাইবান্ধা প্রতিনিধি

Image

গাইবান্ধায় বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতি হয়েছে। নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকায় নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হচ্ছে। পানির প্রবল স্রোতে রাতে গাইবান্ধা সদর ও ফুলছড়ি উপজেলার অন্তত ১৫০টি বাড়িঘর বিধ্বস্ত হয়েছে। অনেক স্থানে ঘরের চালের ওপর দিয়ে পানির স্রোত বইছে। বাড়িঘর ধসে পড়া পরিবারগুলো উঁচু স্থান ও আশ্রয়কেন্দ্রে চলে গেছে।

শনিবার (৬ জুলাই) পানি উন্নয়ন বোর্ড জানায়, আজ সকাল ৬টায় গাইবান্ধায় ব্রহ্মপুত্রের পানি ফুলছড়িঘাট পয়েন্টে বিপৎসীমার ৮৬ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে এবং ঘাঘট নদীর পানি শহরের নতুন ব্রিজ পয়েন্টে ৩৭ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

অস্বাভাবিক পানি বৃদ্ধির কারণে ব্রহ্মপুত্র বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধের বাইরে সুন্দরগঞ্জ, ফুলছড়ি, সাঘাটা ও সদর উপজেলা ২৭টি ইউনিয়নের অন্তত ৫০ হাজার মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। সেখানে দেখা দিয়েছে বিশুদ্ধ পানি ও খাদ্য সংকট। তলিয়ে গেছে বিস্তীর্ণ এলাকার পাট, বাদাম ও শাক-সবজিসহ বিভিন্ন ফসল।

ব্রহ্মপুত্র, তিস্তা ও যমুনার চর বেষ্টিত ১৬৫টি চরের মানুষের গবাদিপশু প্রধান সম্পদ। বন্যায় বাড়িঘর ডোবার কারণে মানুষ, গরু-ছাগল, ভেড়া, হাস-মুরগি কোনো রকমে উঁচু স্থানে বসবাস করছে। সেখানে দেখা দিয়েছে গো-খাদ্যের সংকট। নিরাপত্তা না থাকায় নৌকা অভাবে তারা গবাদি পশুগুলো উঁচু আশ্রয় কেন্দ্রে নিয়ে যেতে পারছে না। চোর-ডাকাতের ভয়ে তারা গবাদি পশুর সঙ্গে গাদাগাদি করে বসবাস করছে।

বন্যার কারণে ৬৬টি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং ৪টি স্কুল ও মাদরাসা বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. শহীদুল ইসলাম প্রাথমিক বিদ্যালয় বন্ধের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, বন্যার্তদের মধ্যে ৩ হাজার ৫০ প্যাকেট শুকনা খাবার ও ১৬৫ টন জিআর চাল বিতরণ করা হয়েছে।

এদিকে সকালে গাইবান্ধা-৫ (সাঘাটা-ফুলছড়ি) আসনের সংসদ সদস্য মাহমুদ হাসান রিপন ফুলছড়ি উপজেলার ফজলুপুর, গজারিয়া ও ফুলছড়ি ইউনিয়নের ৩ হাজার পরিবারের মাঝে ১০ কেজি করে চাল বিতরণ করছেন। পর্যায়ক্রমে অন্যান্য ইউনিয়নে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করা হবে বলে জানা গেছে।


আরও খবর



ঠাকুরগাঁওয়ে শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রীর অনুষ্ঠান বর্জন

প্রকাশিত:রবিবার ১৪ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ১৪ জুলাই ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
রেদওয়ানুল হক মিলন, ঠাকুরগাঁও

Image

ঠাকুরগাঁওয়ে শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী বীর মুক্তিযোদ্ধা মো: নজরুল ইসলাম চৌধুরীর অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের পেশাগত কাজে বাধা, কক্ষে প্রবেশ করতে না দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে জেলা প্রশাসকের (ডিসি) বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় সাংবাদিকেরা। এ সময় শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রীর অনুষ্ঠান বর্জন করেন জেলার সাংবাদিকরা।

রোববার (১৪ জুলাই) দুপুর ১২টার দিকে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রীর একটি অনুষ্ঠানে পেশাগত কাজে জেলার সাংবাদিকেরা উপস্থিত হন। এসময় সাংবাদিকদের অনুষ্ঠান কক্ষে প্রবেশের বাঁধা দেওয়া হয়। এ ঘটনায় উপস্থিত সকল সাংবাদিকেরা এর প্রতিবাদ জানিয়ে অনুষ্ঠানস্থল ত্যাগ করেন। এবং প্রতিবাদস্বরূপ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের নিচে অনুষ্ঠান বর্জন করে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন।

এসময় সাংবাদিকরা বলেন, আমাদেরকে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী অনুষ্ঠানে প্রবেশ করতে না দেওয়ার প্রতিবাদে আমরা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের নিচে অবস্থান কর্মসূচি পালন করছি।

এবিষয়ে প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ফিরোজ আমীন সরকার বলেন, ঠাকুরগাঁও জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের একটি অনুষ্ঠানের সকল সাংবাদিকদের দাওয়াত দেওয়া হয়। দাওয়াত দেওয়ার পরও তাদেরকে প্রবেশ করতে দেওয়া হয়নি এবং তাদেরকে বসার কোন জায়গা দেওয়া হয়নি। আমরা সকল সাংবাদিকেরা জেলা প্রশাসকের সকল অনুষ্ঠান বর্জন করলাম।

ঠাকুরগাঁও সময় টেলিভিশনের স্টাফ রিপোর্টার ও গণমাধ্যমকর্মী কল্যাণ ট্রাষ্টের সভাপতি জিয়াউর রহমান বকুল বলেন, আজকে শ্রম ও কর্মসংস্থার প্রতিমন্ত্রীর একটি অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের প্রবেশ করতে দেওয়া হয়নি। এটি গণমাধ্যমের জন্য একটি হুমকিস্বরূপ এর তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানাই।

ঠাকুরগাঁও প্রেসক্লাবের যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক ও দৈনিক ইত্তেফাক'র জেলা প্রতিনিধি তানভীর হাসান তানু বলেন, আজকে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে শ্রম ও কর্মসংস্থানের প্রতিবন্ধী অনুষ্ঠানে আমার সংবাদকর্মীদের প্রবেশ করতে দেওয়া হয়নি। এবং পেশাগত দায়িত্ব পালনে বাঁধা দেওয়া হয়। আমি তারপরও সে অনুষ্ঠানে প্রবেশ করি এবং দেখি যে আমার প্রেস ক্লাবের সভাপতি মুনসুর আলী অনুষ্ঠানে পিছনে। তার জন্য কোন ধরনের চেয়ারের ব্যবস্থা করা হয়নি এরই প্রতিবাদে আমরা জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করছি।

এ ব্যাপারে জেলা প্রশাসক মাহবুবুর রহমানের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বিষয়টি এড়িয়ে যান।

নিউজ ট্যাগ: ঠাকুরগাঁও

আরও খবর



নিরাপদ খাদ্য বিষয়ক প্রশাসনিক ব্যবস্থা পর্যবেক্ষণে ইন্দোনেশিয়া সফর

প্রকাশিত:শনিবার ১৩ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ১৩ জুলাই ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
প্রেস বিজ্ঞপ্তি

Image

মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোঃ মাহবুব হোসেন এর নেতৃত্বে বাংলাদেশের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের একটি প্রতিনিধি দল ইন্দোনেশিয়া সফর করেছেন। বাংলাদেশের নিরাপদ খাদ্য বিষয়ক প্রশাসনিক ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করার লক্ষ্যে JICA-STIRC প্রকল্প ইন্দোনেশিয়ায় এই সফরের আয়োজন করে। এই সফরে প্রতিনিধি দল ইন্দোনেশিয়ার কেন্দ্রীয় এবং স্থানীয় পর্যায়ে নিরাপদ খাদ্য বিষয়ক প্রশাসনিক ব্যবস্থা এবং খাদ্য ব্যবসা সংক্রান্ত একটি সুসংহত একক লাইসেন্সিং ব্যবস্থা পর্যবেক্ষণ করেন। প্রতিনিধি দল পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে  দেশীয় বাজারে কৃষি পণ্যের সম্প্রসারণ ও রপ্তানির জন্য প্রক্রিয়াাজাতকরণে সরকারের ভূমিকা, এবং বাংলাদেশের বর্তমান নিরাপদ খাদ্য খাদ্য বিষয়ক প্রশাসনিক ব্যবস্থার সীমাবদ্ধতা চিহ্নিত করেছেন।

প্রতিনিধি দল জাকার্তায় অবস্থিত খাদ্য ও ঔষধ কর্তৃপক্ষ, ইন্দোনেশিয়া (BPOM) এর প্রধান কার্যালয় পরিদর্শন করেন এবং খাদ্য ও ঔষধ কর্তৃপক্ষের (BPOM) এর শীর্ষস্থানীয় কর্মকর্তাবৃন্দ প্রতিনিধি দলটিকে স্বাগত জানান। কর্তৃপক্ষের প্রধান কার্যালয়ে বোগোর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (IPB)  অধ্যাপক ড. দেদি ফার্দিয়াজ নিরাপদ খাদ্য বিষয়ক একক লাইসেন্সিং ব্যবস্থার ইতিহাস এবং এ সংক্রান্ত আইন ও বিধিমালা সম্পর্কে ব্যাখ্যা দেন। প্রতিনিধি দলটি BPOM রেফারেন্স ল্যাবরেটরি পরিদর্শন করেন এবং সেখানে পরীক্ষাগার স্থাপন এবং পরীক্ষণ পদ্ধতি  নিয়ে দীর্ঘ আলোচনা হয়।

প্রতিনিধি দলটি ৯ই জুলাই, পূর্ব জাকার্তায় অবস্থিত খাদ্য ও ঔষধ কর্তৃপক্ষ, ইন্দোনেশিয়া (BPOM) এর প্রাদেশিক কার্যালয় এবং প্রাদেশিক ল্যাবরেটরি পরিদর্শন করেন। একই দিনে দলটি PT Indofood পরিদর্শন করেন, যা ইন্দোনেশিয়ার সবচেয়ে বড় খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ কোম্পানি  এবং ২০২৩ সালে যার বার্ষিক লেনদেনের পরিমাণ ৬৮.৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। ১০ই জুলাই, প্রতিনিধি দল জাকার্তার ইন্দোনেশিয়া খাদ্য ব্যবসায়িদের সাথেও একটি বৈঠকে করেন। 

বাংলাদেশে অনেক মন্ত্রণালয় তাদের নিজস্ব আইন অনুযায়ী নিরাপদ খাদ্য বিষয়ক কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে কিন্তু অনেক ক্ষেত্রেই একই কাজ ভিন্ন ভিন্ন মন্ত্রণালয় তাদের স্ব স্ব আইনে উল্লেখ থাকার কারনে বাস্তবায়ন করছে যা খাদ্য ব্যবসা পরিচালনাকে অনেক ক্ষেত্রে জটিল করেছে । ফলে জনসাধারণের জন্য নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করা সম্ভব হয়ে উঠেনি। বাংলাদেশ সরকারের এখন অধিক শক্তিশালী, সুবিন্যাস্ত ও সুগঠিত নিরাপদ খাদ্য বিষয়ক প্রশাসনিক ব্যবস্থা গড়ে তোলার লক্ষ্যে ঐকান্তিক আলোচনা শুরু করার জন্য কার্যকর পদক্ষেপের প্রয়োজন যা আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত হওয়ার মাধ্যমে  সকল জনসাধারণকে সুরক্ষিত রাখবে। 

বাংলাদেশ সরকারের মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোঃ মাহবুব হোসেন বলেছেন, আমরা ইন্দোনেশিয়ার নিরাপদ খাদ্য বিষয়ক প্রশাসনিক ব্যবস্থা পর্যবেক্ষণ করেছি এবং ইন্দোনেশিয়া যেভাবে আন্তঃ-সংস্থার সমন্বয়ের মাধ্যমে নিরাপদ খাদ্য বিষয়ক প্রশাসনিক ব্যবস্থা বাস্তবায়ন করছে তা দেখে আমি অভিভূত হয়েছি। মাহবুব হোসেন আরও উল্লেখ করেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশের খাদ্য শিল্পের সম্প্রসারণ এবং দেশীয় ও আন্তর্জাতিক বাজারে নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে আমাদের বর্তমান খাদ্য বিষয়ক প্রশাসনিক ব্যবস্থাকে সহজীকরণের  জন্য যথাযথ উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে  এবং  খাদ্য নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয় সাধনের মাধ্যমে তাদের কার্যক্রমসমূহ সঠিকভাবে নির্ধারণ করতে হবে যাতে একই কাজ একাধিক সংস্থা করার প্রবণতা দূর হয়।

অন্যান্যদের মধ্যে, প্রাক্তন মুখ্য সচিব মোঃ নজিবুর রহমান, খাদ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব মোঃ ইসমাইল হোসেন এনডিসি, বিএসটিআই এর মহাপরিচালক, জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর এর মহাপরিচালক, বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান, এফবিসিসিআই এর সিনিয়র সহ-সভাপতি, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ এর যুগ্ম সচিব, বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের সচিব এবং প্রকল্প পরিচালক, STIRC প্রকল্প এবং প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের পরিচালক ইন্দোনেশিয়া সফরের প্রতিনিধি দলের সদস্য ছিলেন।


আরও খবর



যুক্তরাজ্যের প্রথম নারী অর্থমন্ত্রী র‌্যাচেল রিভস

প্রকাশিত:শনিবার ০৬ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ০৬ জুলাই ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

প্রথমবারের মতো নারী অর্থমন্ত্রী নিয়োগ দিয়েছে যুক্তরাজ্য। দেশটির এবারের সাধারণ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ জয় পেয়ে ক্ষমতায় বসেছে লেবার পার্টি। শুক্রবার (৫ জুলাই) বাকিংহাম প্রাসাদে রাজা তৃতীয় চার্লস আনুষ্ঠানিকভাবে লেবার পার্টির নেতা স্যার কিয়ার স্টারমারকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ দেন।

এদিকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের অল্প সময়ের মধ্যেই সরকারের বিভিন্ন পদে মন্ত্রীদের নাম ঘোষণা করেছেন কিয়ার স্টারমার।

ব্রিটেনের নতুন সরকারের প্রধান আকর্ষণ এখন র‌্যাচেল রিভস। তাকে দেশটির চ্যান্সেলর অব দ্য এক্সচেকার (রাজকোষের চ্যান্সেলর) বা অর্থমন্ত্রী করা হয়েছে। যুক্তরাজ্যের ইতিহাসে ৪৫ বছর বয়সী রিভসই প্রথম নারী অর্থমন্ত্রী হয়েছেন।

তিনি ২০০০ সাল থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত ব্যাংক অব ইংল্যান্ডে (যুক্তরাজ্যের কেন্দ্রীয় ব্যাংক) দায়িত্ব পালন করেছেন। র‌্যাচেল বলেন, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির পথ হলো স্থিতিশীলতা, বিনিয়োগ এবং সংস্কার। যুক্তরাজ্যের পাবলিক সার্ভিসের পুনর্নির্মাণে অর্থায়নের বিষয়টিকে গুরুত্ব দেবেন তিনি।

যুক্তরাজ্য সরকারের তৃতীয় গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি হচ্ছেন দেশটির অর্থমন্ত্রী। দক্ষিণ লন্ডনে বেড়ে ওঠা র‌্যাচেল ২০১০ সালে লিডস ওয়েস্ট থেকে প্রথমবার সংসদ সংদস্য হিসেবে নির্বাচিত হন। এবার তিনি লিডস ওয়েস্ট এবং ফাডজি আসন থেকে নির্বাচিত হয়েছেন।


আরও খবর
আজ নেলসন ম্যান্ডেলার জন্মদিন!

বৃহস্পতিবার ১৮ জুলাই ২০২৪




আর্জেন্টিনা-কলম্বিয়ার ফাইনালে ব্রাজিলের ৫ রেফারি

প্রকাশিত:শুক্রবার ১২ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১২ জুলাই ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
ক্রীড়া প্রতিবেদক

Image

শেষের পথে কোপা আমেরিকার ৪৮ তম আসর। আমেরিকার মাটিতে অনুষ্ঠিত ১৬ দলের এই টুর্নামেন্টে শিরোপার লড়াইয়ে টিকে আছে কেবল দুই দল। টানা দ্বিতীয়বারের মতো ফাইনালে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা। অন্যদিকে, ২৩ বছর পর প্রথমবারের মতো কোপার ফাইনাল নিশ্চিত করেছে কলম্বিয়া।

আগামী সোমবার (১৫ জুলাই) বাংলাদেশ সময় ভোর ৬টায় মায়ামির হার্ডরক স্টেডিয়ামে ফাইনালে মুখোমুখি হবে দুই দল। রেকর্ড ১৬তম শিরোপা জয়ের অপেক্ষায় মেসি-ডি মারিয়ারা। অন্যদিকে, নিজেদের ইতিহাসে দ্বিতীয় কোপার শিরোপা জেতার সুযোগ কলম্বিয়ার সামনে। চলমান আসরে দুই দলই এখনও পর্যন্ত অপরাজিত আছে।

কোপার ফাইনাল কারা পরিচালনা করবেন তালিকা প্রকাশ করেছে কনমেবল কর্তৃপক্ষ। ম্যাচ পরিচালনা করবেন ব্রাজিলের রেফারি রাফায়েল ক্লস। এ ছাড়া ক্লাউসের সহকারী হিসেবে দায়িত্বে থাকবেন ব্রুনো পাইরেস ও রদ্রিগো কোরেয়া। এই দুই রেফারিও ব্রাজিলিয়ান।

চতুর্থ ও পঞ্চম রেফারির দায়িত্ব পেয়েছেন যথাক্রমে প্যারাগুয়ের হুয়ান বেনিতেজ ও এদুয়ার্দো কারদোজা। ভিডিও অ্যাসিস্ট্যান্ট ও সহকারী ভিএআর রেফারির দায়িত্ব পালন করবেন দুই ব্রাজিলিয়ান। তারা হচ্ছেন রডোলফো টস্কি এবং দানিলো মেনিস।

২০১৫ সাল থেকে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দায়িত্ব পালন করে আসছেন রাফায়েল ক্লাউস। চলমান কোপা আমেরিকার বেশকিছু ম্যাচও পরিচালনা করেছেন তিনি। এ ছাড়া বিশ্বকাপ, বিশ্বকাপ বাছাই, অনূর্ধ্ব-২০ বিশ্বকাপসহ প্রায় সব বৈশ্বিক টুর্নামেন্টেই ম্যাচ পরিচালনা করার অভিজ্ঞতা আছে তার। দক্ষিণ আমেরিকান ফুটবলে অন্যতম সেরা অফিসিয়াল হিসেবে বিবেচনা করা হয় ক্লাউসকে।

এদিকে, ফাইনালে কলম্বিয়াকে হারালেই দারুণ এক রেকর্ড গড়বে লিওনেল মেসির আর্জেন্টিনা। এখনও পর্যন্ত টানা তিন আন্তর্জাতিক শিরোপা জেতার রেকর্ড নেই দক্ষিণ আমেরিকার কোনো দেশের। দুইবার মহাদেশীয় শিরোপা এবং এক বিশ্বকাপ জেতার কীর্তি গড়তে পারেনি লাতিনের কালজয়ী সব দল। এমনকি ইউরোপে প্রজন্ম বা সর্বকালের সেরা দলগুলোও পারেনি নিজেদের ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে। একমাত্র দেশ হিসেবে এই কৃতিত্ব আছে স্পেনের। ২০০৮ সালের ইউরো, ২০১০ বিশ্বকাপ এবং ২০১২ সালের ইউরো টানা জয় করেছিল দেশটি।

এবার আর্জেন্টিনার সামনে আছে সেই সুযোগ। ২০২১ সালে কোপা আমেরিকা আর ২০২২ সালে বিশ্বকাপ নিজেদের ঝুলিতে পুরেছে লিওনেল মেসিরা। এবার বাকি ২০২৪ সালের কোপা আমেরিকা। স্বপ্নের এই ট্রেবলের চক্রপূরণ করতে আর্জেন্টিনার দরকার আর এক জয়। ১৫ জুলাইয়ের ফাইনালে জিতলেই ফুটবলের বিরল এই রেকর্ড স্পর্শ করবে আর্জেন্টিনা।


আরও খবর