আজঃ বৃহস্পতিবার ১৯ মে ২০২২
শিরোনাম

১০০ দিনে কেন দু’লক্ষ গ্রাহক হারাল নেটফ্লিক্স

প্রকাশিত:বুধবার ২০ এপ্রিল ২০22 | হালনাগাদ:বুধবার ২০ এপ্রিল ২০22 | ৪২৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

হুড়মুড়িয়ে কমল নেটফ্লিক্সের শেয়ার দর। চলতি অর্থবর্ষের প্রথম ত্রৈমাসিকেই এই ওটিটি প্ল্যাটফর্মের শেয়ারের দাম ২৫ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ২৬২ ডলারে। কেন এই অবনতি? তার কারণ ব্যাখ্যা করেছে সংস্থাটি। সেই সঙ্গে এ কথাও জানিয়েছে যে, গত এক দশকে এই প্রথম বার এমনটা ঘটল।

ঠিক কী কারণে সিনেমা এবং টেলিভিশন ধারাবাহিক এবং ওটিটি সিরিজ দেখার এই প্ল্যাটফর্ম এমন ক্ষতির মুখে, একে একে তার কারণ জেনে নেওয়া যাক।

করোনা: ২০২০ সালে করোনা সংক্রমণ শুরু হওয়ার পর নেটফ্লিক্স ব্যবহারকারীর সংখ্যা বেড়েছিল অনেকটাই। তবে তাতে আশা জাগলেও পরে ২০২১ সালে যখন করোনা সংক্রমণ কমল না তখন দেখা গেল না আশানুরূপ সংখ্যায় ব্যবহারকারী আসছেন না নেটফ্লিক্সে।

ব্যবহারকারী: বছরের প্রথম ত্রৈমাসিকে অর্থাৎ ১০০ দিনেরও কম সময়ে নেটফ্লিক্স ব্যবহারকারীর সংখ্যা অনেক কমেছে। প্রথম ত্রৈমাসিকে নেটফ্লিক্সের গ্রাহক সংখ্যা ছিল ২২ কোটি ১৬ লক্ষ। যা গত অর্থবর্ষের প্রথম ত্রৈমাসিকের থেকে বেশ কম।

যুদ্ধ: নেটফ্লিক্সের দাবি, তাদের ব্যবসায় প্রভাব ফেলেছে রাশিয়া-ইউক্রেনের যুদ্ধ। ইউক্রেনে রাশিয়ার হামলার প্রতিবাদে নেটফ্লিক্স তাদের সম্প্রচার বন্ধ করেছে রাশিয়ায়। এখন নেটফ্লিক্স জানাচ্ছে, সেই সিদ্ধান্তে ক্ষতির মুখে পড়তে হয়েছে সংস্থাটিকে।

ইন্টারনেট: তবে শুধু যুদ্ধ নয়, অনেকক্ষেত্রেই ইন্টারনেট সমস্যা একটা বড় কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে নেটফ্লিক্সের। গ্রাহক সংখ্যা কমে যাওয়ার এটাও একটা কারণ বলে মনে করছে তারা। টিভিতে ইন্টারনেটের সাহায্যে নেটফ্লিক্স দেখা যায় এখন। তবে স্মার্ট টিভি আর যথাযথ ইন্টারনেট সংযোগের অভাবে ব্যবহারকারীদের পরিষেবা দেওয়া যাচ্ছে না বলে নেটফ্লিক্সের দাবি।

অ্যাকাউন্ট ভাগ করে নেওয়া: নেটফ্লিক্সে ব্যবহারকারীরা নিজেদের মধ্যে অ্যাকাউন্ট ভাগ করে থাকেন। নেটফ্লিক্সের তরফেই এই সুবিধা দেওয়া হয়। কিন্তু নেট ফ্লিক্স জানিয়েছে এই সুবিধার গ্রাহকের সংখ্যা সে ভাবে বাড়েনি গত এক বছরে।

নিউজ ট্যাগ: নেটফ্লিক্স

আরও খবর



এসআই পদে মৌখিক পরীক্ষা ৯ মে থেকে ৯ জুন

প্রকাশিত:রবিবার ০১ মে ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ০১ মে ২০২২ | ৩৫৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

পুলিশের ২০২১ সালের ক্যাডেট সাব-ইন্সপেক্টর (নিরস্ত্র) পদে লিখিত ও মনস্তত্ত্ব পরীক্ষাসহ কম্পিউটার দক্ষতা পরীক্ষায় উত্তীর্ণ ২ হাজার ৫৫০ জন প্রার্থীর বুদ্ধিমত্তা ও মৌখিক পরীক্ষা আগামী ৯ মে থেকে ৯ জুন পর্যন্ত ঢাকা পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সে অনুষ্ঠিত হবে।

পুলিশের এআইজি (মিডিয়া অ্যান্ড পিআর) মো. কামরুজ্জামান বিপিএম স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে রোববার এ তথ্য জানানো হয়।

পরীক্ষার্থীদেরকে পরীক্ষা শুরুর ৩০ মিনিট আগে কেন্দ্রে উপস্থিত থাকতে হবে। পরীক্ষার্থীকে লিখিত ও মনস্তত্ত্ব এবং বুদ্ধিমত্তা ও মৌখিক পরীক্ষার প্রবেশপত্র, শিক্ষাগত যোগ্যতা, নাগরিকত্ব, জাতীয় পরিচয়পত্রসহ অন্য সব সনদের মূলকপি সঙ্গে আনতে হবে। 

এছাড়া, বীর মুক্তিযোদ্ধা/শহিদ মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের বয়স প্রমানের ক্ষেত্রে বীর মুক্তিযোদ্ধার নাম লাল মুক্তিবার্তায় থাকলে লাল মুক্তিবার্তা/বীর মুক্তিযোদ্ধার নাম ভারতীয় তালিকায় থাকলে ভারতীয় তালিকা/বীর মুক্তিযোদ্ধার নামে জারীকৃত গেজেটের মূলকপি এবং পরীক্ষার্থী বীর মুক্তিযোদ্ধা/শহিদ মুক্তিযোদ্ধার পুত্র-কন্যা এ মর্মে প্রত্যয়ন ও মুক্তিযোদ্ধার জন্ম নিবন্ধন সনদের মূলকপিসহ নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির শর্তানুযায়ী অন্য কাগজপত্র সঙ্গে আনতে হবে।

পরীক্ষার্থীদেরকে সরকার ঘোষিত স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করতে হবে।পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য কোন প্রকার টিএ/ডিএ দেওয়া হবে না।


আরও খবর



বাজেট: বাড়তে পারে গ্যাস, বিদ্যুৎ, পানি ও জ্বালানির দাম

প্রকাশিত:রবিবার ২৪ এপ্রিল ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ২৪ এপ্রিল ২০২২ | ৪২৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

করোনা মহামারির ভয়াবহতা কেটে যাওয়ার সঙ্গে নতুন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে বিশ্বব্যাপী। তা হলো জ্বালানির মূল্য বৃদ্ধির ফলে প্রায় সব ক্ষেত্রে ব্যয় বেড়েছে। অথচ বিশ্বব্যাপী সংকুচিত হয়ে এসেছে কর্মবাজার। এতে মানুষের আয় কমার সঙ্গে কমেছে উৎপাদনও। কিন্তু চাহিদা কমেনি মোটেও। তবে বিলাসী পণ্যের চাহিদায় কিছুটা ছেদ পড়েছে। বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে মূল্যস্ফীতির চাপ বেড়েছে। বাড়ছে অনবরত। সাধারণ ও খাদ্য উভয় খাতের মূল্যস্ফীতি চোখ রাঙাচ্ছে। ধারাবাহিকভাবে চাপ বাড়ছে মূল্যস্ফীতির। যার ফলে বাজেটে ভর্তুকি বাড়ছে।

ভর্তুকির চাপ কমাতে গ্যাস, বিদ্যুৎ, জ্বালানিসহ নানা পরিষেবার দাম নতুন করে আরেক দফা বাড়ানোর কথা ভাবছে সরকার। বাজেটের খসড়া রূপরেখা অনুযায়ী আসছে অর্থবছরের বাজেটে ভর্তুকি, প্রণোদনা ও নগদ ঋণে সরকারের ব্যয় বাড়বে অন্তত ১ লাখ ৭৭ হাজার ১৪৫ কোটি টাকা। চলতি বছর এসব খাতের জন্য বরাদ্দ রয়েছে ১ লাখ ৪৯ হাজার ২৩৫ কোটি টাকা। সে হিসাবে এ খাতের জন্য বরাদ্দ বাড়বে অন্তত ২৮ হাজার কোটি  টাকা। এ ছাড়া এ খাতের বড় ব্যয় হিসেবে ঋণের সুদ পরিশোধেই অন্তত ৮০ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দের প্রয়োজন হবে, এর মধ্যে চলতি বছর বরাদ্দ রাখা হয়েছে ৬৮ হাজার ৫৮৯ কোটি টাকা।

তবে আগামী বছরের বাজেটে যে কোনো উপায়ে ভর্তুকির চাপ কমাতে চায় সরকার। এতে বিভিন্ন ধরনের জ্বালানি, গ্যাস, বিদ্যুৎ ও অন্যান্য পরিষেবার দাম বাড়ানোর প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছে সরকার। বাজেটের খসড়া রূপরেখায় বলা হয়, বিদ্যুতের মূল্য সমন্বয় করা না হলে আসছে বাজেটে শুধু বিদ্যুৎ খাতেই ১৮ হাজার কোটি টাকা ভর্তুকির প্রয়োজন হবে।

গ্যাসের ক্ষেত্রে একই রকম পর্যবেক্ষণ তুলে ধরেছেন বাজেট প্রণয়নের সঙ্গে জড়িত কর্মকর্তারা। গ্যাসের মূল্য সমন্বয় করা না হলে এ খাতেও আগামী বাজেটে ১৭ হাজার ৩০০ কোটি টাকা ভর্তুকির প্রয়োজন হবে। এ ছাড়া সারের ক্ষেত্রে প্রয়োজন হবে ১৫ হাজার কোটি টাকা। তবে সারের দাম বাড়ালে সরাসরি কৃষির ওপর এর প্রভাব পড়বে, কৃষকের ওপর ব্যয়ের চাপ বাড়বে বলে মনে করে অর্থ বিভাগ। তবু ভর্তুকি কমাতে দাম বাড়ানোর কোনো বিকল্প নেই বলে মনে করে সরকার। খসড়া বাজেটের তথ্যানুসারে ভর্তুকি, প্রণোদনা ও নগদ ঋণ খাতের মোট জিডিপির ১ দশমিক ৯ শতাংশ বরাদ্দ দেওয়ার প্রয়োজন হবে।

রবিবার অর্থ মন্ত্রণালয়ে বাজেট মনিটরিং ও সম্পদ ব্যবস্থাপনা কমিটির একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। সেই বৈঠকে পরবর্তী বাজেটের রূপরেখা মোটামুটি চূড়ান্ত করা হয়েছে। অবশ্য শেষ মুহূর্তে প্রধানন্ত্রীর অনুমোদনের আগ পর্যন্ত এসব অঙ্ক যে কোনো সময়ই পরিবর্তনযোগ্য।

অর্থ বিভাগের সূত্রগুলো বলছে, দীর্ঘ দুই বছরের চলমান কভিড-পরবর্তী অর্থনীতি পুনরুদ্ধারের চাহিদা, রাশিয়া-ইউক্রেন দামামায় বিশ্বব্যাপী সরবরাহ চেইনে মারাত্মক প্রভাব পড়েছে। এর মধ্যে ঋণের চাপ সহনীয় পর্যায়ে আনতে অনুৎপাদনশীল খাতে ব্যয় কমানোর চাপও রয়েছে। সেই সঙ্গে আবার মূল্যস্ফীতিও চোখ রাঙাচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে আগামী অর্থবছরের বাজেট তৈরির কাজ চলছে। রাশিয়া-ইউক্রেন চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতিতে খাদ্য ও জ্বালানি পণ্যের দাম বাড়ার আশঙ্কা এবং দেশের প্রধান রপ্তানি বাজার ইউরোপীয় ইউনিয়নে মন্দার পূর্বাভাস সত্ত্বেও আগামী অর্থবছরে ৭ দশমিক ৫ শতাংশ জিডিপি প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করতে যাচ্ছে অর্থ মন্ত্রণালয়। একই সঙ্গে সার্বিক মূল্যস্ফীতির হার এখনকার তুলনায় নতুন অর্থবছর বেশ কমে আসবে বলে মনে করছেন মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা।

ফলে ২০২২-২৩ অর্থবছরের বাজেটে মূল্যস্ফীতির হার ৫ দশমিক ৫ শতাংশ নির্ধারণ করছে অর্থ মন্ত্রণালয়। খাদ্য মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার। এ জন্য আগামী ২০২২-২৩ অর্থবছরের বাজেটে ভর্তুকি খাতে বরাদ্দ বাড়ানো হচ্ছে। চলতি অর্থবছর প্রণোদনা ও ঋণ খাতে প্রকৃত ব্যয় জিডিপির ১ দশমিক ১৭ শতাংশ ধরা হয়েছে। এটি আগামী ২০২২-২৩ অর্থবছরে বাড়িয়ে ১ দশমিক ৯০ শতাংশ করা হচ্ছে। অর্থাৎ চলতি অর্থবছরের বাজেটে ভর্তুকি ও প্রণোদনা খাতে ১ লাখ ৪৯ হাজার ২৩৫ কোটি টাকা বরাদ্দ রয়েছে। আগামী অর্থবছর সেটি বাড়িয়ে ১ লাখ ৭৭ হাজার ১৪৫ কোটি টাকা করা হচ্ছে। তবে এটি আন্তর্জাতিক বাজারের ওপর নির্ভর করবে।

নিউজ ট্যাগ: বাজেট

আরও খবর
ফের বাড়লো স্বর্ণের দাম

মঙ্গলবার ১৭ মে ২০২২




রাশিয়ার সামরিক স্থাপনায় আগুন

প্রকাশিত:সোমবার ০২ মে 2০২2 | হালনাগাদ:সোমবার ০২ মে 2০২2 | ৪০০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

ইউক্রেন সীমান্তবর্তী রাশিয়ার দক্ষিণ বেলগোরোড অঞ্চলে একটি সামরিক স্থাপনায় রবিবার অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। টেলিগ্রামে দেওয়া পোস্টে অঞ্চলটির গভর্নর ভিয়েচেস্লাভ গ্লাদকভ এই অগ্নিকাণ্ডের খবর নিশ্চিত করেছেন। এক প্রতিবেদনে এ খবর জানিয়েছে যুক্তরাজ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম রয়টার্স।

সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করা ছবিতে ধোঁয়ার কুণ্ডলী উড়তে দেখা গেছে। টেলিগ্রাম পোস্টে গভর্নর জানিয়েছেন, এ ঘটনায় তাৎক্ষণিকভাবে ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের বিষয়ে কোনও তথ্য পাওয়া যায়নি।

ইউক্রেনে রাশিয়ার বিশেষ সামরিক অভিযান শুরুর পর থেকে বেলগোরোড অঞ্চলে গোলাবর্ষণ, বিস্ফোরণ নতুন নয়। গত বুধবারও শহরটিতে সিরিজ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে একটি গোলাবারুদের গুদামে আগুন ধরে যায়। গভর্নর ভিয়েচেস্লাভ গ্লাদকভ জানান, সেদিন ভোর ৩টা ৩৫ মিনিটের দিকে বিস্ফোরণের শব্দে তার ঘুম ভাঙ্গে।


আরও খবর



সরকার ৬০ হাজার মেট্রিক টন সার ক্রয় করবে

প্রকাশিত:বুধবার ২৭ এপ্রিল ২০২২ | হালনাগাদ:বুধবার ২৭ এপ্রিল ২০২২ | ৩৪৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

সরকার দেশের ক্রমবর্ধমান চাহিদা মিটাতে প্রায় ৩.৭৫ লাখ মেট্রিক টন জ্বালানী তেল এবং প্রায় ৬০,০০০ মেট্রিক টন সার ক্রয়ের পৃথক দুটি প্রস্তাব অনুমোদন দিয়েছে। অর্থমন্ত্রী এএইসএম মুস্তফা কামালের সভাপতিত্বে আজ ভার্চ্যুয়ালী অনুষ্ঠিত সরকারের ক্রয় সংক্রান্ত (সিসিজিপি) মন্ত্রিসভা কমিটির ১৪ তম বৈঠকে এই অনুমোদন দেয়া হয়।

বৈঠক শেষে মন্ত্রিসভা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মো. সাবিরুল ইসলাম সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন। তিনি বলেন, ৪,০৫৪.৩৮ কোটি টাকা মূল্যের ৩.৭৫ লাখ মেট্রিক টন জ্বালানী তেল ক্রয় করার জন্য খনিজ ও জ্বালানী সম্পদ বিভাগের দেয়া একটি প্রস্তাব সিসিজিপি বৈঠকে অনুমোদন দেয়া হয়েছে। ৩,২৭৪.৩২ কোটি টাকা মূল্যের প্রায় ৩ লাখ মেট্রিক টন জ্বালানী তেল প্যাকেজ এ ও বি এর অধিন ইন্দোনেশিয়ার পিটি বুমি সিয়াকপুসাকু জাপিন থেকে ক্রয় করা হবে। পাশাপাশি ৭৮০.০৬ কোটি টাকা মূল্যের প্রায় ৭৫ হাজার মেট্রিক টন জ্বালানী তেল ইউনিপেক সিঙ্গাপুর প্রা: লিমিটেডের কাছ থেকে ক্রয় করা হবে।

সাবিরুল আরও বলেন, জ্বালানী ও খনিজ সম্পদ বিভাগের অধীন পেট্রোবাংলা প্রায় ৯৯১.৭৭ কোটি টাকা মূল্যের ৩৩.৬০ লাখ এমএমবিটুইউ এলএনজি সিঙ্গাপুরের মেসার্স ভাইটল এশিয়া প্রা: লি: এর নিকট থেকে ক্রয় করবে।

তিনি আরও জানান, শিল্প মন্ত্রনালয়ের অধিন বাংলাদেশ রাসায়নিক কর্পোরেশন প্রায় ১০০.৮১ কোটি টাকা মূল্যের প্রায় ১০ হাজার মেট্রিক টন ফসফরিক এসিড সিঙ্গাপুরের মেসার্স পোটন ট্রেডার্স এর কাছ থেকে ক্রয় করবে।

অতিরিক্ত সচিব আরও বলেন, শিল্পমন্ত্রনালয়ের অধীন বিসিআইসি প্রায় ২৪০.৪২ কোটি টাকা মূল্যের আরও ৩০ হাজার মেট্রিক টন ইউরিয়া সার কাতারের মুনতাজাতের কাছ থেকে ক্রয় করবে। কৃষি মন্ত্রনালয়ের অধীন বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন (বিএডিসি) ২৫৯.৩৯ কোটি টাকা মূল্যের ৩০ হাজার মেট্রিক টন টিএসপি সার মরক্কোর ওসিপি, এসএ থেকে ক্রয় করবে।

সাবিরুল আরও জানান সিসিজিপি বৈঠকে মঙ্গলা বন্দর কর্তৃপক্ষের বাস্তবায়নাধীন তিনটি প্যাকেজের পুনঃদরপত্র আহ্বানের জন্য নৌ-পরিবহন মন্ত্রনালয়ের প্রতি অনুরোধন জানিয়েছেন।


আরও খবর



২০ বছর আগের নির্মিত সেতু এখন মরণ ফাঁদ!

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২১ এপ্রিল ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২১ এপ্রিল ২০২২ | ৩৫৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

বরিশালের আগৈলঝাড়া উপজেলার গৈলা ইউনিয়নের খালের উপর ২০ বছর আগে নির্মিত সেতু এখন মরণ ফাঁদে পরিণত হয়েছে। সেতুর মূল কাঠামো থেকে খসে পড়ছে পলেস্তার। নির্মাণের কয়েক বছরের মধ্যেই ভেঙে ছিল সেতুর রেলিং। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে সেতু দিয়ে চলাচল করছে এই অঞ্চলের সাধারণ মানুষ, স্কুল-কলেজের শত শিক্ষার্থীরা। সংস্কারের অভাবে সেতুটি চলাচলে অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। যেকোনও সময় ভেঙ্গে বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।

স্থানীয়রা জানান, ২০ বছর আগে উপজেলার গৈলা ইউনিয়নের মধ্যশিহিপাশা আরজান সরদার বাড়ি সংলগ্ন খালের ওপর এই সেতু নির্মাণ করা হয়েছে। নির্মাণের পাঁচ-ছয় বছর পর থেকেই সেতুর উপরের বিভিন্ন স্থানের রেলিং ভেঙে রড বের হয়ে যায়। সেতুর রেলিং ভেঙে যাওয়ায় যানবাহন চলাচল করতে পারছে না। মাঝেমধ্যে সেতু দিয়ে মোটরসাইকেল, ভ্যান চলাচল করতে গিয়ে দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছেন যাত্রী ও পথচারীরা।

ওই গ্রামের বাসিন্দা মনোয়ার সিকদারের আশঙ্কা, যেকোনো সময় সেতুটি ধসে পড়তে পারে। এতে ঘটে যেতে পারে কোনো বড় ধরনের প্রাণঘাতী দুর্ঘটনা। সেতুটি এখন রীতিমত মরণ ফাঁদে পরিণত হয়েছে। রফিকুল ইসলাম রেজা বলেন, সেতুর একপাশের রেলিং পুরোটা ভেঙে গেছে। যেকোনও ধরনের বড় দুর্ঘটনার শিকার হতে পারেন পথচারীসহ স্কুলের শিক্ষার্থীরা। সেতুটি সংস্কারের জন্য উপজেলার স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) কোনো ব্যবস্থা নিচ্ছে না বলে অভিযোগ করেন তিনি।

এ ব্যাপারে উপজেলা প্রকৌশলী শিপলু কর্মকার জানান, সেতুটি খুব শীঘ্রই সরেজমিনে পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, শনিবার (১৬ এপ্রিল) স্কুল ছুটির পর সাইকেল চালিয়ে বাড়ি ফেরার পথে ওই সেতুতে রেলিং না থাকায় সেতুর নিচে পরে গুরুতর আহত হয় স্কুলছাত্র। পরে তাকে বরিশাল রাহাত আনোয়ার হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে। এতে তার বুকের ছয়টি হাড় ভেঙ্গে যায় বলে জানান চিকিৎসকরা। আহত সিয়াম বেপারী শিহিপাশা গ্রামের ইউসুফ বেপারীর ছেলে ও সরকারি গৈলা মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ৬ষ্ঠ শ্রেণির ছাত্র।

নিউজ ট্যাগ: বরিশাল

আরও খবর