আজঃ শনিবার ২৩ অক্টোবর ২০২১
শিরোনাম

১১ বছরে বজ্রপাতে ২৮০০ মৃত্যু: এনামুর

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১২ অক্টোবর ২০২১ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১২ অক্টোবর ২০২১ | ৪০০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image
আশ্রয়কেন্দ্রগুলো বহুমুখী হবে। এখানে কৃষক ও মৎস্যজীবীরা সকালে নাস্তা করতে পারবেন। দুপুরে খেতে পারবেন। ঝড়-বৃষ্টিতে আশ্রয় নিতে পারবেন। কেউ চাইলে বিশ্রামও নিতে পারবেন

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী মো. এনামুর রহমান জানিয়েছেন, ২০১১ সাল থেকে এ পর্যন্ত গত ১১ বছরে বজ্রপাতে মোট ২ হাজার ৮০০ মানুষের মৃত্যু হয়েছে। বজ্রপাতে মৃত্যু ঠেকাতে ৪৭৬ কোটি টাকার একটি প্রকল্প নেওয়া হচ্ছে।

১৩ অক্টোবর আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস ও ঘূর্ণিঝড় প্রস্তুতি কর্মসূচির ৫ বছর পদার্পণ উদযাপন উপলক্ষে মঙ্গলবার (১২ অক্টোবর) সচিবালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে প্রতিমন্ত্রী এ কথা জানান।

এ প্রকল্পের আওতায় বজ্রপাতের ৪০ মিনিট আগে সতর্কবার্তা দেওয়ার যন্ত্র কিনবে সরকার। একই সঙ্গে বজ্রপাত থেকে বাঁচতে আশ্রয়কেন্দ্র করা হবে।

বর্তমানে দুর্যোগের ১৬টি ক্যাটাগরি রয়েছে। ২০১৫ সালে বজ্রপাতকে দুর্যোগের তালিকায় যুক্ত করা হয়। এসব কথা জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, বজ্রপাত নিয়ে ৪৭৬ কোটি টাকার একটি প্রকল্প নেওয়া হয়েছে। তিনটি পর্যায় রয়েছে এই প্রকল্পের। মানুষকে সচেতন করার জন্য কাজকর্ম করবো। বজ্রপাতের আগে মেঘের মধ্যে গুড়ুগুড়ু ডাক হবে। পজিটিভ-নেগেটিভ চার্জগুলো তৈরি হবে। চার্জ তৈরি হওয়ার ৪ মিনিট পরই বজ্রপাত হয়। এজন্য গুড়ুগুড়ু ডাক শুনলে যাতে মানুষ ঘরে থাকে বা মেঘ দেখে যাতে ঘরে থাকে। সেই সচেতনতা তৈরির কাজ আমরা করবো।

তিনি বলেন, আধুনিক বিশ্বে বজ্রপাতের ক্ষেত্রেও সাইক্লোনের মতো আগাম সতর্কবার্তা দেওয়ার ব্যবস্থা হয়েছে। কতগুলো মেশিন তৈরি করা হয়েছে যেগুলো ৪০ মিনিট আগেই শনাক্ত করতে পারে বজ্রপাত হবে এবং কোথায় হবে সেটা বলতে পারে। তাই বজ্রপাতের ক্ষেত্রে আর্লি ওয়ার্নিং দেওয়ার মেশিনগুলো আমরা বসাবো।

প্রাথমিকভাবে বজ্রপাত প্রবণ যে অঞ্চলগুলো আছে সেখানে বিশেষ করে হাওর-বাওড় এলাকায় গুরুত্ব আমরা বেশি দিয়েছি। এই সিগন্যালটা যাতে একটি অ্যাপের মাধ্যমে স্থানীয় মানুষের মোবাইলে ম্যাসেজ আকারে যেতে পারে, সেই কাজও আমরা শুরু করবো।

এনামুর রহমান বলেন, আমরা যতগুলো মৃত্যুর খবর দেখেছি, সবগুলো খোলা মাঠ ও হাওরের মধ্যে। শহরে যারা ঘরবাড়িতে বসবাস করে তারা বজ্রপাতে মৃত্যুবরণ করে না। আমরা বন্যা ও ঘূর্ণিঝড় আশ্রয়কেন্দ্রের মতো বজ্রপাত আশ্রয়কেন্দ্র করার পরিকল্পনা করেছি। বজ্রপাতপ্রবণ এলাকা এবং অন্য এলাকায়ও এটা হবে।

তিনি আরও বলেন, আমরা ডিজাইন করেছি, এক ডেসিমেল জায়গায় একটা পাকা ঘর থাকবে। প্রত্যেক ঘরে একটি করে লাইটনিং অ্যারেস্টার দেওয়া হবে। যাতে ২০ থেকে ২৫ মিনিটের মধ্যে সতর্কবার্তা শোনার পর মানুষ সেই আশ্রয়কেন্দ্রে যেতে পারে। বজ্রপাত না হওয়া পর্যন্ত তারা অপেক্ষা করবে।

‘আশ্রয়কেন্দ্রগুলো বহুমুখী হবে। এখানে কৃষক ও মৎস্যজীবীরা সকালে নাস্তা করতে পারবেন। দুপুরে খেতে পারবেন। ঝড়-বৃষ্টিতে আশ্রয় নিতে পারবেন। কেউ চাইলে বিশ্রামও নিতে পারবেন’, বলেন প্রতিমন্ত্রী।

প্রকল্পের কাজ কবে শুরু হবে- জানতে চাইলে এনামুর রহমান বলেন, প্রকল্প প্রণয়ন হয়েছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এটার সম্ভাব্যতা যাচাই করছে, সেই রিপোর্ট আসলে আমরা প্রধানমন্ত্রীর কাছে অনুমোদনের জন্য পাঠাবো। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে মৌখিকভাবে আলোচনা হয়েছে। তিনি সামারি পাঠাতে বলেছেন, তিনি অনুমোদন দিলে আমরা কাজ শুরু করবো।’

২০১১ সাল থেকে এ পর্যন্ত ২৮০০ জন মানুষ বজ্রপাতে মারা গেছে। নিহতদের নাম ঠিকানাসহ তালিকা মন্ত্রণালয়ের কাছে রয়েছে বলে জানিয়েছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী।

২০১১ সালে ১৭৯, ২০১২ সালে ২০১ জন, ২০১৩ সালে ১৮৫ জন, ২১৪ সালে ১৭০ জন, ২০১৫ সালে ২২৬ জন, ২০১৬ সালে ৩৯১ জন, ২০১৭ সালে ৩০৭ জন, ২০১৮ সালে ৩৫৯ জন, ২০১৯ সালে ১৯৮ জন ও ২০২০ সালে ২৫৫ জন বজ্রপাতে মারা গেছেন। চলতি বছর এখন পর্যন্ত ৩২৯ জন মারা গেছেন বলে জানান এনামুর রহমান।

এ সময় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ সচিব মো. মোহসীন উপস্থিত ছিলেন।


আরও খবর



স্ত্রী-ছেলেসহ ডিবি কার্যালয়ে মুসা বিন শমসের

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১২ অক্টোবর ২০২১ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১২ অক্টোবর ২০২১ | ৫৩৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব পরিচয়ে প্রতারণার অভিযোগে গ্রেপ্তার আবদুল কাদেরের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে ধনকুবের মুসা বিন শমসেরকে জিজ্ঞাসাবাদ করবে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)। এ জন্য স্ত্রী-ছেলেসহ ডিবি কার্যালয়ে হাজির হয়েছেন মুসা বিন শমসের।

মঙ্গলবার (১২ অক্টোবর) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে ডিবি কার্যালয়ে প্রবেশ করেন তিনি।

গোয়েন্দা গুলশান বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মশিউর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

ডিবি সূত্র জানায়, ভুয়া অতিরিক্ত সচিব পরিচয়ে প্রতারণার অভিযোগে গ্রেপ্তার আব্দুল কাদেরের সঙ্গে মুখোমুখি করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে মুসা বিন শমসেরকে। মুসা বিন শমসেরের আইন উপদেষ্টা ছিলেন প্রতারক আব্দুল কাদের।

এর আগে গোয়েন্দা কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, অতিরিক্ত সচিব পরিচয়ে গ্রেপ্তার আব্দুল কাদেরের প্রতিষ্ঠানে শমসেরের একাধিক ছবি টাঙানো রয়েছে। তিনি নিজেকে শমসেরের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের অ্যাডভাইজার হিসেবে পরিচয় দিতেন। প্রতারক আব্দুল কাদেরের কাছ থেকে মুসা বিন শমসের ও তার স্ত্রীর সঙ্গে করা কিছু চুক্তিপত্র উদ্ধার করা হয়। এসব বিষয় জানতেই মূলত শমসেরকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।

ডিসি মশিউর রহমান বলেন, আব্দুল কাদের চৌধুরীর আসল নাম, আব্দুল কাদের মাঝি। তার শিক্ষাগত যোগ্যতা দশম শ্রেণি। কিন্তু তিনি প্রতারণামূলকভাবে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের আইডি কার্ড, ভিজিটিং কার্ড ছাপিয়ে, নিজেকে অতিরিক্ত সচিব হিসেবে পরিচয় দিতেন। নিজের এক কোটি ২০ লাখ টাকার প্রাডো গাড়িতে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের স্টিকার লাগিয়ে ঢুকতেন সচিবালয়ে।

ডিবি জানায়, দীর্ঘ ১৪ বছর ধরে এভাবে মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন আব্দুল কাদের। নানা অভিযোগের ভিত্তিতে ৭ অক্টোবর মিরপুর ৬ নম্বরে বাসা থেকে বাইরে যাওয়ার সময় গ্রেপ্তার হন তিনি। একই সঙ্গে আরও তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

তারা হলেন- সততা প্রপার্টিজের চেয়ারপারসন ও আব্দুল কাদেরের দ্বিতীয় স্ত্রী শারমিন চৌধুরী ছোঁয়া, অফিস ম্যানেজার শহিদুল আলম ও অফিস সহায়ক আনিসুর রহমান।

শনিবার (৯ অক্টোবর) ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে ডিবি প্রধান অতিরিক্ত কমিশনার এ কে এম হাফিজ আক্তার বলেন, আব্দুল কাদেরের আদি বাড়ি নোয়াখালীর সুবর্ণচরের ভূমিহীন এক কৃষক পরিবারে। তার বাবা জীবিকার সন্ধানে সন্দ্বীপে পাড়ি জমিয়েছিলেন। মাছ ধরে ও মাঝির কাজ করে জীবিকা উপার্জন করতেন। এমন ভূমিহীন ভাসমান আব্দুল কাদেরের ঢাকা এবং ঢাকার বাইরে রয়েছে কোটি কোটি টাকার সম্পদ। এর মধ্যে গুলশান-১ নম্বরের জব্বার টাওয়ারের প্রায় ৬ হাজার স্কয়ার ফুট আয়তনের অফিস রয়েছে। কারওয়ান বাজারেও রয়েছে আরো একটি অফিস। মিরপুর-৬ নম্বরে বসবাস করলেও একাধিক ফ্ল্যাট রয়েছে তার।

ডিবি প্রধান আরো জানান, আব্দুল কাদের নয়তলা বাড়ি কিনেছেন গাজীপুরের বোর্ডবাজারে। গাজীপুরের পুবাইলে রয়েছে ৮ বিঘার বাগানবাড়ি। ডাচ্-বাংলা ব্যাংক, মার্কেন্টাইল ব্যাংক, আইএফআইসি ব্যাংক, সোনালী ব্যাংক ও সিটি ব্যাংকসহ আরো কয়েকটি ব্যাংকে রয়েছে তার একাধিক অ্যাকাউন্ট। যেখানে রয়েছে লাখ লাখ টাকা। অঢেল সম্পদের মালিক এ কাদেরের নেই কোনো বৈধ উপার্জন। প্রতারণা ও মিথ্যা তার একমাত্র পুঁজি বলে মন্তব্য করেন ডিবিপ্রধান।

আব্দুল কাদের, তার স্ত্রী ও তার সহকর্মীদের বিরুদ্ধে পল্লবী থানায় অস্ত্র মামলা, তেজগাঁও থানায় প্রতারণার মামলা রয়েছে। এর আগে তার বিরুদ্ধে পাসপোর্ট জালিয়াতি, বিভিন্ন প্রতারণা, ব্যাংকে নিয়োগ বিষয়ে কমপক্ষে অর্ধ ডজন মামলাও রয়েছে বলে জানায় ডিবি।


আরও খবর
শাহবাগে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ

শুক্রবার ২২ অক্টোবর ২০২১




পুঁজিবাজারে চার মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন লেনদেন

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৪ অক্টোবর ২০২১ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৪ অক্টোবর ২০২১ | ৪১০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

কিছুটা লেনদেন খরা দেখা দিয়েছে দেশের শেয়ারবাজারে। বৃহস্পতিবার (১৪ অক্টোবর) প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) প্রায় চার মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন লেনদেন হয়েছে। সেই সঙ্গে কমেছে লেনদেনে অংশ নেওয়া বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দামও।

ডিএসইর পাশাপাশি অপর শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জেও (সিএসই) লেনদেনের গতি কমেছে। সেই সঙ্গে লেনদেন অংশ নেওয়া বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম কমেছে। ফলে কমেছে মূল্য সূচকও।

এদিন ডিএসইতে লেনদেন শুরু হয় প্রায় সবকটি প্রতিষ্ঠানের দাম বাড়ার মাধ্যমে। এতে প্রথম চার মিনিটেই ডিএসইর প্রধান মূল্য সূচক ডিএসইএক্স ১৬ পয়েন্ট বেড়ে যায়। তবে লেনদেনের প্রথম ১০ মিনিট পার না হতেই একের পর এক প্রতিষ্ঠানের দরপতন হতে থাকে। ফলে দেখতে দেখতে ঋণাত্মক হয়ে পড়ে সূচক।

সকাল ১০টা ২৯ মিনিটের মাথায় ডিএসইর প্রধান সূচক ৩৬ পয়েন্ট পড়ে যায়। এরপর আবার কিছু প্রতিষ্ঠানের শেয়ার দাম বাড়ার কারণে বেলা ১১টা ৩২ মিনিটে ডিএসইর প্রধান সূচক ২০ পয়েন্ট বেড়ে যায়। তবে এ দফাতেও সূচকের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি।

লেনদেন অংশ নেওয়া সিংহভাগ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম কমার কারণে দুপুর ১টা ২২ মিনিটের মাথায় ডিএসইর প্রধান সূচক ৫২ পয়েন্ট কমে যায়। এই দরপতনের মধ্যে আবার কিছু বড় প্রতিষ্ঠানের শেয়ার দাম বাড়ে। ফলে বড় পতন থেকে রক্ষা পায় শেয়ারবাজার।

দিনের লেনদেন শেষে ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স আগের দিনের তুলনায় ৫ পয়েন্ট কমে ৭ হাজার ২৪৩ পয়েন্টে নেমে গেছে। প্রধান মূল্য সূচক বাড়লেও কমেছে ডিএসইর অপর দুই সূচক। এর মধ্যে ডিএসই শরিয়াহ্ দশমিক ৮৩ পয়েন্ট বেড়ে ১ হাজার ৫৬৭ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। আর বাছাই করা ভালো কোম্পানি নিয়ে গঠিত ডিএসই-৩০ সূচক ১ পয়েন্ট বেড়ে ২ হাজার ৭১৯ পয়েন্টে অবস্থান করছে।

দিনভর ডিএসইতে লেনদেনে অংশ নেওয়া ১১৪টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিট দাম বাড়ার তালিকায় নাম লিখিয়েছে। বিপরীতে দাম কমেছে ২১৯টির। আর ৪৩টির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে।

বাজারটিতে লেনদেন হয়েছে ১ হাজার ৪৩৩ কোটি ৮৭ লাখ টাকা। যা প্রায় চার মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন। এর আগে গত ২৮ জুলাই ডিএসইতে এর থেকে কম লেনদেন হয়েছিল। ওইদিন ডিএসইতে লেনদেন হয় ১ হাজার ৩৬০ কোটি টাকা। এরপর বৃহস্পতিবারের আগে ডিএসইতে আর দেড় হাজার কোটি টাকার নিচে লেনদেন হয়নি।

লেনদেন কমার দিনে টাকার অঙ্কে ডিএসইতে সব থেকে বেশি লেনদেন হয়েছে ফরচুন সুজের শেয়ার। কোম্পানিটির ৯৫ কোটি ৭৩ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। দ্বিতীয় স্থানে থাকা বেক্সিমকোর ৮২ কোটি ৩০ লাখ টাকার লেনদেন হয়েছে। ৭৬ কোটি ৮৩ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেনের মাধ্যমে তৃতীয় স্থানে রয়েছে আইএফআইসি ব্যাংক।

এছাড়া ডিএসইতে লেনদেনের দিক থেকে শীর্ষ ১০ প্রতিষ্ঠানের তালিকায় রয়েছে- ওরিয়ন ফার্মা, এনআরবিসি ব্যাংক, লাফার্জহোলসিম বাংলাদেশ, ডেল্টা লাইফ ইন্স্যুরেন্স, পাওয়ার গ্রিড, ব্রিটিশ আমেরিকান টোবাকো এবং জিনেক্স ইনফোসিস।

অপর শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সার্বিক মূল্য সূচক সিএএসপিআই কমেছে ৬৭ পয়েন্ট। বাজারটিতে লেনদেন হয়েছে ৪৬ কোটি ২২ লাখ টাকা। লেনদেনে অংশ নেওয়া ২৯৪টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ৯০টির দাম বেড়েছে। বিপরীতে দাম কমেছে ১৭৯টির এবং ২৯টির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে।

 


আরও খবর
নাটকীয় উত্থানে ঘুরে দাঁড়াল পুঁজিবাজার

বৃহস্পতিবার ২১ অক্টোবর 20২১

নাটকীয় উত্থানে ঘুরে দাঁড়াল পুঁজিবাজার

বৃহস্পতিবার ২১ অক্টোবর 20২১




ইন্টারপোলের মাধ্যমে দেশে আনা হবে রিং আইডির মালিককে

প্রকাশিত:সোমবার ১১ অক্টোবর ২০২১ | হালনাগাদ:সোমবার ১১ অক্টোবর ২০২১ | ৫২৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

আলোচিত রিং আইডির মালিক কানাডা প্রবাসী শরিফ ইসলাম ও আইরিন ইসলামকে দেশে ফেরাতে ইন্টারপোলের সহযোগিতা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে সিআইডি।

সিআইডির মিডিয়া সেন্টারে সোমবার দুপুরে সংবাদ সম্মেলনে সিআইডির সাইবার টিমের অতিরিক্ত ডিআইজি কামরুল আহসান এ কথা জানান।

তিনি বলেন, রিং আইডির প্রায় ২শ কোটি টাকা সিআইডির অনুরোধে বাংলাদেশ ব্যাংক জব্দ করেছে। তবে রিং আইডির হাতিয়ে নেওয়া টাকার পরিমাণ আরও অনেক। সেই টাকা কোথায় জমা আছে তা এখনো জানা যায়নি।

সিআইডির এ কর্মকর্তা আরও বলেন, রিং আইডির মালিক শরিফ ইসলাম ও আইরিন ইসলাম কানাডায় অবস্থান করছেন বলে আমরা জানতে পেরেছি। তাদেরকে দেশে ফিরিয়ে আনতে ইন্টারপোলের সহযোগিতা নেওয়া হবে।

গত রবিবার বিকালে রাজধানীর কামরাঙ্গীরচরের বড়গ্রাম এলাকা থেকে রিং আইডির অন্যতম এজেন্ট রেদোয়ান রহমানকে গ্রেফতার করে সিআইডি।

জিজ্ঞাসাবাদে সে সিআইডিকে জানিয়েছে, ২০১৮ সাল থেকে রিং আইডির ইউজার হিসাবে কাজ শুরু করে। গত ৭-৮ মাস আগে সে রিং আইডির এজেন্ট হিসাবে নিয়োগ পায়। তখন থেকে ৬ শতাধিক আইডি বিক্রি করে সে ১ কোটির বেশি টাকা আত্মসাৎ করেছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সে জানায়, প্রতিটি সিলভার আইডি ১২ হাজার টাকা, গোল্ড আইডি ২২ হাজার টাকা, প্রবাসী গোল্ড আইডি ২৫ হাজার টাকা, প্রবাসী প্লাটিনাম আইডি বাবদ ৫০ হাজার টাকা করে নিয়েছে।বিভিন্ন ই-কমার্স সাইটের মতো তারাও অস্বাভাবিক ডিসকাউন্টে বিভিন্ন গ্রাহকদের সঙ্গে প্রতারণা করে আসছিল। 

নিউজ ট্যাগ: রিং আইডি

আরও খবর



প্রাথমিকভাবে ৩০ লাখ শিক্ষার্থী পাবে ফাইজারের টিকা

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৪ অক্টোবর ২০২১ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৪ অক্টোবর ২০২১ | ৩৩৬০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

প্রাথমিকভাবে ৩০ লাখ শিক্ষার্থীকে ফাইজারের টিকা দেওয়া হলে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক। তিনি বলেছেন, আমাদের দেশে প্রায় এক কোটির বেশি ছেলে-মেয়ে রয়েছে। আমরা তাদের টিকা দেবো।

বৃহস্পতিবার (১৪ অক্টোবর) দুপুর ২টার দিকে মানিকগঞ্জ কর্নেল মালেক মেডিকেল হাসপাতালে ১২ থেকে ১৭ বছর বয়সী মাধ্যমিক শিক্ষার্থীদের পরীক্ষামূলকভাবে টিকা দেওয়ার কর্মসূচির উদ্বোধন অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।

তিনি বলেন, প্রাথমিকভাবে ৩০ লাখ ছাত্রছাত্রীদের টিকা দেবো এবং পর্যায়ক্রমে আমরা সব শিক্ষার্থীদের টিকা দেবো। কারণ আমাদের হাতে প্রায় ৩০ লাখ ফাইজারের টিকা আছে। এতে করে ৩০ লাখ শিক্ষার্থীদের টিকা দিতে পারবো।

ফাইজারের টিকা ভালো ও নিরাপদ টিকা জানিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেন, ফাইজার টিকা আমেরিকা ও ইউরোপসহ অন্যান্য দেশে দেওয়া হচ্ছে। এ কারণে এ টিকা আমরা ছাত্রছাত্রীদের দিচ্ছি। কারণ আমরা চাই আমাদের শিশুরা নিরাপদে থাকুক।

অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আবুল বাসার মোহাম্মদ খুরশীদ আলম, অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা, অতিরিক্ত মহাপরিচালক (পরিকল্পনা) অধ্যাপক ডা. মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা, ঢাকা বিভাগীয় পরিচালক ডা. মো. বেলাল হোসেন, জেলা প্রশাসক মুহাম্মদ আব্দুল লতিফ ও পুলিশ সুপার মোহাম্ম গোলাম আজাদ খান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।


আরও খবর



বিশাল জয়, মুখ্যমন্ত্রীই থাকছেন মমতা

প্রকাশিত:রবিবার ০৩ অক্টোবর ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ০৩ অক্টোবর ২০২১ | ৬৫৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image
ভবানীপুর উপনির্বাচনে ভোট পড়েছে ৫৭ শতাংশের বেশি। গত ২৬ এপ্রিলের বিধানসভা ভোটে এই কেন্দ্রে ভোট পড়েছিল প্রায় ৬২ শতাংশ

অবশেষে পশ্চিমবঙ্গের বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মমতা ব্যানার্জীর ভাগ্য ফিরেছে। আবারও ক্ষমতায় থাকছেন তিনি। মুখ্যমন্ত্রী থাকতে হলে মমতার জয়ী হওয়া ছাড়া বিকল্প ছিল না। যদিও তার জয়ী হওয়া নিয়ে সংশয় ছিল না তৃণমূল কংগ্রেসের। তাদের ভাবনা ছিল ভোটের ব্যবধান। এবার সেটিও সফল হলো। ভবানীপুরে ৫৮ হাজার ৮৩২ ভোটে জিতলেন মমতা।

ভবানীপুর বিধানসভা আসনের উপনির্বাচনে প্রার্থী হয়েছিলেন মমতা ব্যনার্জী। ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয় বৃহস্পতিবার (৩০সেপ্টেম্বর)। আজ রোববার (৩ অক্টোবর) ভোট গণনা শেষে ফলাফল প্রকাশ করা হলো।

পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী পদে মমতা আর থাকতে পারছেন কিনা এনিয়ে বেশ কিছুদিন ধরেই শোরগোল চলছিল। সেই ভাবনার অবসান ঘটলো আজ।

ভবানীপুর উপনির্বাচনে ভোট পড়েছে ৫৭ শতাংশের বেশি। গত ২৬ এপ্রিলের বিধানসভা ভোটে এই কেন্দ্রে ভোট পড়েছিল প্রায় ৬২ শতাংশ। তৃণমূলের প্রার্থী শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় জয়ী হন ২৮ হাজার ৭১৯ ভোটের ব্যবধানে।

২০১১ সালেও মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর এই কেন্দ্রেই উপনির্বাচনে জিতে আসেন মমতা। ভোট পড়েছিল ৪৫ শতাংশেরও কম। মমতা জিতেছিলেন ৫৪ হাজারের কিছু বেশি ভোটে। ভবানীপুরে এবার মোট প্রার্থীর সংখ্যা ১২। নির্বাচনে মুখ্যমন্ত্রীর প্রতিদ্বন্দ্বী বিজেপি প্রার্থী ছিলেন আইনজীবী প্রিয়ঙ্কা টিবরেওয়াল।


আরও খবর