আজঃ বুধবার ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪
শিরোনাম

১২৩ কেন্দ্রের ফলে এগিয়ে জায়েদা

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৫ মে ২০২৩ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২৫ মে ২০২৩ | অনলাইন সংস্করণ
গাজীপুর প্রতিনিধি

Image

গাজীপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনের ফলাফলের দিকে চোখ সারা দেশের মানুষের। নির্বাচনে মোট কেন্দ্র ৪৮০টি। এর মধ্যে ১২৩ কেন্দ্রের ফলাফল পাওয়া গেছে। এতে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী আজমত উল্লা নৌকা প্রতীকে পেয়েছেন ৫২ হাজার ৯৯২ ভোট। স্বতন্ত্র প্রার্থী জায়েদা খাতুন টেবিল ঘড়ি প্রতীকে পেয়েছেন ৬৩ হাজার ৮৭৯ ভোট। স্বতন্ত্র প্রার্থী সরকার শাহনূর ইসলাম হাতি প্রতীকে পেয়েছেন ৮ হাজার ৩২৫।

এর আগে বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা থেকে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনে (ইভিএম) ভোটগ্রহণ শুরু হয়। বিকেল ৪টায় শেষ হয় ভোটগ্রহণ।

বৃহস্পতিবার সকাল পৌনে ৯টার দিকে ৫৭ নম্বর ওয়ার্ডে টঙ্গীর আরিচপুর মসজিদ রোডের দারুস সালাম মাদ্রাসা কেন্দ্রে ভোট দেন গাজীপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী অ্যাডভোকেট আজমত উল্লা খান।

ভোটদান শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপে তিনি বলেন, জনগণের ভালোবাসা থেকে আমি বলতে পারি, জয়-পরাজয় আল্লাহ কর্তৃক নির্ধারিত। আমি বিশ্বাস করি, ফয়সালা আসমান থেকে হয়। আল্লাহ যা চান তা জনগণের মাধ্যমে প্রকাশ করবেন।

আজমত উল্লা খান বলেন, উৎসবমুখর পরিবেশে সকাল থেকে মানুষ ভোটকেন্দ্রে লাইনে দাঁড়িয়েছে। সুতরাং একটি সুষ্ঠু এবং অবাধ নির্বাচন গাজীপুরে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। ভোটের যে কোনো ফলাফল অবশ্যই মেনে নেব। আমি একজন রাজনৈতিক কর্মী, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ একটি গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক দল। সবসময় জনগণের অপিনিয়নের প্রতি আমি শ্রদ্ধা দেখিয়ে আসছি। আজ জনগণ যাকে নির্বাচিত করবে, আমি সেটা অবশ্যই মেনে নেব। আমি রাজনৈতিক কর্মী হিসেবে সব সময় জনগণের সঙ্গে ছিলাম।

সকাল ১০টার পর কানাইয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে ভোট দেন গাজীপুর সিটির সাবেক মেয়র জাহাঙ্গীর আলমের মা জায়েদা খাতুন। ওই সময় তার ছেলে জাহাঙ্গীর আলমও ভোট দেন।

ভোট দেওয়ার পর জায়েদা খাতুন বলেন, বিভিন্ন কেন্দ্রে তার এজেন্টদের ঢুকতে বাধা দেওয়া হয়েছিল। এখন পর্যন্ত নির্বাচনী পরিবেশ ভালো, সুষ্ঠু ভোট হলে নির্বাচনী ফলাফল যাই হোক তা মেনে নেব।

এদিকে গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবন থেকে গাজীপুর সিটির ভোট সিসিটিভিতে মনিটরিং করে দুজনকে আটকের নির্দেশনা দেয় ইসি।


আরও খবর
সিলেট নগরী থেকে গৃহবধূর গলিত লাশ উদ্ধার

বুধবার ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ৪০ ফুট নিচে পাহাড়ের খাদে লরি, নিহত তিন

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
জেলা প্রতিনিধি

Image

চট্টগ্রাম-রাঙামাটি সড়কে একটি লরি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সিএনজি-চালিত অটোরিকশাকে চাপা দিয়ে পাহাড়ের খাদে পড়ে যায়। এ ঘটনায় তিনজন নিহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) সকালে জেলার কাউখালী উপজেলা সাপছড়ি কলাবাগান এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত একজন হলেন মো. হানিফ, বাকি দুইজনের নাম তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। আর দুর্ঘটনায় আহতরা হলেন- সৈকত চাকমা, সিএনজি চালক মো. নুরুল আমিন। এর মধ্যে নুরুল আমিনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রাম রেফার করা হয়েছে।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রাঙামাটি জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসক ডা. মো. শওকত আকবর।

প্রতক্ষদর্শীরা জানান, সকালে সিএনজি অটোরিকশাটি ৫ জন যাত্রী নিয়ে চট্টগ্রাম যাচ্ছিলো। এ সময় লরিটি চট্টগ্রাম যাওয়ার পথে সাপছড়ি কলাবাগান এলাকায় পৌঁছালে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সিএনজিকে ধাক্কা দিয়ে পাহাড়ের খাদে পড়ে যায়। পরে স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে রাঙামাটি জেনারেল হাসপাতালে প্রেরণ করে।

রাঙামাটির পুলিশ সুপার মীর আবু তৌহিদ জানান, সকালে লরিটি সিএনজিকে চাপা দিয়ে ৪০ ফুট নিচে পাহাড়ের খাদে পড়ে যায়। এই ঘটনায় ৩ জনের মৃত্যু হয়। ঘটনা তদন্ত করে দোষীদের শাস্তির আওতায় আনা হবে।


আরও খবর
সিলেট নগরী থেকে গৃহবধূর গলিত লাশ উদ্ধার

বুধবার ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




জয়পুরহাটে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেফতার

প্রকাশিত:বুধবার ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
সুজন কুমার মন্ডল, জয়পুরহাট

Image

জয়পুরহাটে আবু হোসেন হত্যা মামলার মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক আসামি আমিনা বেগমকে গ্রেফতার করেছে র‍্যাব। বুধবার দুপুরে জয়পুরহাট র‍্যাব ক্যাম্প থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এতথ্য জানানো হয়। এর আগে ভোররাতে সদর উপজেলার পুরানাপৈল এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃত আমিনা বেগম জেলার পাঁচবিবি উপজেলার দরগাপাড়া গ্রামের আবু রায়হানের স্ত্রী।

মামলার বিবরণে জানা গেছে, ২০১০ সালের ২৫ মার্চ সকালে পাঁচবিবি উপজেলার দরগাপাড়া গ্রামের আবু হোসাইনের বাবা আবু তাহের নিজের খড়ের পালায় কাজ করছিলেন। সে সময় আসামিরা পূর্ব শত্রুতার জের ধরে সেখানে এসে আবু তাহেরকে দেশীয় অস্ত্র দিয়ে মারপিট করেন। তখন তার ছেলে আবু হোসাইন বাবাকে বাঁচাতে এগিয়ে এলে তাকেও এলোপাতাড়ি মারপিট করে আসামিরা। এসময় মুমূর্ষ অবস্থায় আবু হোসাইনকে প্রথমে পাঁচবিবি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।

সেখানে তার অবস্থার আরও অবনতি হলে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তারপর ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। এ ঘটনায় নিহতের বাবা বাদী হয়ে পাঁচবিবি থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

জয়পুরহাট র‍্যাব ক্যাম্পের কোম্পানি অধিনায়ক মেজর মো: শেখ সাদিক জানান, এ মামলার দীর্ঘ শুনানি শেষে চলতি বছরের ১৯ ফেব্রুয়ারি জয়পুরহাটের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ-২ আদালতের বিচারক নুরুল ইসলাম ৫ জনের ফাঁসির রায় দেন।

একই সঙ্গে প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা করে জরিমানা করেন। এ মামলার আসামি আমিনা বেগম পলাতক ছিলেন। এরপর সদর উপজেলার পুরানাপৈল এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়। পরবর্তীতে তাকে পাঁচবিবি থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।


আরও খবর
সিলেট নগরী থেকে গৃহবধূর গলিত লাশ উদ্ধার

বুধবার ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




উত্তর রাখাইনে সেনা প্রত্যাহার করছে জান্তা, দাবি আরাকান আর্মির

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২০ ফেব্রুয়ারী ২০24 | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২০ ফেব্রুয়ারী ২০24 | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

রাখাইনের উত্তর অঞ্চল থেকে জান্তা সৈন্য প্রত্যাহার করছে এবং রাজ্যের দক্ষিণে বেসামরিক নাগরিকদের বিরুদ্ধে আক্রমণ বাড়িয়েছে বলে জানিয়েছে আরাকান আর্মি (এএ) । বিদ্রোহী গ্রুপটি বলছে, কারণ তারা জানে যে মিয়ানমারের পশ্চিমাঞ্চলীয় রাজ্যে যুদ্ধে হেরে যাচ্ছে।’

রবিবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) রাখাইন রাজ্যের মায়বন টাউনশিপের দুটি পাহাড়ের চূড়া থেকে জান্তা তাদের সৈন্যদের বিমান দিয়ে সরিয়ে নিরাপত্তার জন্য দক্ষিণে পাঠানোর পর আরাকান আর্মি (এএ) বিবৃতি দেয়। খবর ইরাবতির।

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, জান্তার সামরিক বাহিনী নিশ্চিতভাবে হেরে যাবে যদি তারা আমাদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ যুদ্ধ করে। তাই আমরা যে শহরগুলো দখল করার চেষ্টা করছি সেখানে সামরিক ফাঁড়ি এবং পাহাড়ের চূড়া [ঘাঁটি] পুড়িয়ে দিয়ে তারা সেনা প্রত্যাহার করছে।

এএ জানিয়েছে, শনিবার বিকাল সাড়ে ৫টার দিকে মায়বনের পয়েন্ট ৪০২ এবং ৪০৮ পাহাড়ের চূড়ায় জান্তা সেনারা ফাঁড়ির ভেতরে অস্ত্র, গোলাবারুদ এবং কামান ধ্বংস করে।

হিন খা কাঁচা গ্রামের প্রায় ৩ কিলোমিটার উত্তর-পশ্চিমে অবস্থিত ফাঁড়িগুলি থেকে তারা কেবলমাত্র অস্ত্রগুলি নিয়ে গেছে, যা তারা সঙ্গে বহন করতে পারে।

উত্তর রাখাইনের দুটি ফাঁড়ি থেকে সৈন্যদের দক্ষিণ রাখাইনের অ্যান টাউনশিপে জান্তার ওয়েস্টার্ন কমান্ডে নিয়ে যাওয়ার জন্য হেলিকপ্টার ব্যবহার করা হয়। এএ বলেছে, জান্তা সৈন্যদের দুটি ঘাঁটি থেকে নিরাপদে নিয়ে যেতে চারটি ট্রিপ লেগেছে।

শাসক সেনারা রাখাইনের দক্ষিণে রামরিতে বোমাবর্ষণ চালিয়ে যাচ্ছে। স্থল, সমুদ্র এবং আকাশ থেকে জনপদে আঘাত হানছে।

শনিবার জান্তার গোলাবর্ষণ এবং বিমান হামলায় ৪ নং কিং টেই ওয়ার্ডের অন্তত ১৫০টি বাড়ি পুড়ে গেছে। থিম তাউং প্যাগোডা পাহাড়ে অবস্থানরত জান্তা সেনারাও রবিবার রামরি টাউনে আর্টিলারি শেল নিক্ষেপ করে। সপ্তাহান্তে রাজ্যের অন্যান্য শহরে সংঘর্ষ চলতে থাকে, তবে সেগুলি গত সপ্তাহের মতো ভারী ছিল না। এএ রাজ্যের সব জান্তা ঘাঁটি এবং আউটপোস্টগুলোতে আক্রমণ চালিয়ে যাওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে, যতক্ষণ না ভিতরে যারা রয়েছে তারা আত্মসমর্পণ করে।

আরাকান আর্মি রবিবারের দেওয়া বিবৃতিতে বলেছে, জান্তার সামরিক বাহিনী এখনও রাখাইন রাজ্যে তার ব্যর্থতার বাস্তবতাকে মেনে নিতে পারে না এবং এটি বেসামরিক নাগরিকদের বিরুদ্ধে ফ্যাসিবাদী সন্ত্রাস করার এবং পরিবহন, তথ্য ও পণ্যের প্রবেশাধিকার বন্ধ করে পশ্চিম রাজ্যকে বিচ্ছিন্ন করার অভিযোগ করেছে।

ব্রাদারহুড অ্যালায়েন্স বেসামরিক নাগরিকদের রাখাইন রাজ্যে ল্যান্ডমাইনের ক্রমবর্ধমান বিপদ সম্পর্কে সতর্ক করে বলেছে, জান্তার সামরিক বাহিনী সেখানে তাদের ফাঁড়ি এবং ঘাঁটির চারপাশে ল্যান্ডমাইন স্থাপন করছে।

রাজ্যের বাসিন্দারা জান্তার সামরিক বাহিনীর বিরুদ্ধে প্রতিদিন মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ তুরছে।

১৭ ফেব্রুয়ারি জান্তার সৈন্যরা কিয়াউকফিউ শহরে চারজন বেসামরিক নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছিল, যখন তারা মিন তাত তাউং গ্রামে তাদের বাড়িতে ফিরে যাচ্ছিল। তাদের মুখ ঢেকে একটি সামরিক ঘাঁটিতে নিয়ে যাওয়া হয়।

এএ হল ব্রাদারহুড অ্যালায়েন্সের তিনটি জাতিগত সেনাবাহিনীর মধ্যে একটি, যেটি গত বছরের ২৭ অক্টোবর উত্তরাঞ্চলীয় শান রাজ্যে অপারেশন ১০২৭ চালু করেছিল।

১৩ নভেম্বর এএ উত্তর রাখাইন রাজ্যজুড়ে এবং প্রতিবেশী চিন রাজ্যের পালেতওয়া টাউনশিপে শাসকদের লক্ষ্যবস্তুর বিরুদ্ধে একটি বড় আকারের আক্রমণ শুরু করে।

উত্তরাঞ্চলীয় শান রাজ্যে জান্তার সামরিক বাহিনীকে অপমানিত করার পর এএ রাখাইন রাজ্যে একই কাজ করেছে। তারা ১৩ নভেম্বর থেকে ১৭০টিরও বেশি জান্তা ঘাঁটি এবং ফাঁড়ি দখল করেছে। সেইসঙ্গে রাখাইন রাজ্যের ছয়টি শহর- পাউকতাও, কিউকতাও, মিনবিয়া, ম্রাউক-উ, তাংপিওলেটওয়ে ও মাইবোন এবং চিন রাজ্যের একটি পালেতোয়া দখল করে।


আরও খবর
সৌদি আরবে এক দিনে সাতজনের শিরশ্ছেদ

বুধবার ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




দেশের উন্নয়নে ভূমিকা রাখছে বাংলাদেশ বেতার : তথ্য প্রতিমন্ত্রী

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

সরকারের উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে জনসম্পৃক্ততা তৈরি করে দেশের উন্নয়নে বাংলাদেশ বেতার প্রশংসনীয় ভূমিকা রাখছে বলে মন্তব্য করেছেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত।

মঙ্গলবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ বেতার সদর দপ্তর চত্বরে বিশ্ব বেতার দিবস ২০২৪ উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন তিনি।

বাংলাদেশ বেতারের মহাপরিচালক রবীন্দ্রশ্রী বড়ুয়ার সভাপতিত্বে আলোচনা অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো. হুমায়ুন কবীর খোন্দকার এবং ইউনেস্কোর ঢাকা অফিস প্রধান ও বাংলাদেশ প্রতিনিধি ড. সুজান মারি ভাইজ। স্বাগত বক্তব্য দেন বাংলাদেশ বেতারের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (অনুষ্ঠান) মো. ছালাহ্ উদ্দিন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী বলেন, সুশাসন প্রতিষ্ঠা, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ চর্চা এবং সরকারের উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে জনসম্পৃক্ততা তৈরি করে দেশের উন্নয়নে বাংলাদেশ বেতার প্রশংসনীয় ভূমিকা রাখছে। উন্নত বাংলাদেশ বিনির্মাণে বাংলাদেশ বেতারের পাশাপাশি অন্যান্য বাণিজ্যিক এফ এম রেডিও ও কমিউনিটি রেডিওকে নিরলস কাজ করতে হবে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, তথ্যপ্রযুক্তির উৎকর্ষের এ সময়ে বেতার বড় একটি চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হয়েছে। বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের সাথে প্রতিযোগিতা করে বেতারকে এগিয়ে যেতে হচ্ছে। এসব সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে চটকদার ও সস্তা বিনোদনের পাশাপাশি মিথ্যা, বানোয়াট ও উদ্ভট সংবাদ প্রচার এবং অসত্য ও গুজব ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে। এসব প্রতিকূলতা ও প্রতিযোগিতাপূর্ণ পরিস্থিতিতেও বেতার একটি নিজস্ব মানদণ্ড অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠ ও নির্ভরযোগ্য অনুষ্ঠান ও সংবাদ প্রচার করছে।

তিনি বলেন, মহান মুক্তিযুদ্ধসহ দেশের মানুষের সকল গণতান্ত্রিক আন্দোলনে বাংলাদেশ বেতার অবিস্মরণীয় ভূমিকা পালন করেছে। মহান মুক্তিযুদ্ধে রণাঙ্গনের যোদ্ধাদের সহযোগী শক্তি হিসেবে স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের ভূমিকা সর্বজনবিদিত। তৎকালীন পাকিস্তানি স্বৈরশাসকের বাধা সত্ত্বেও সে সময় বাংলাদেশ বেতারের কর্মকর্তাদের দুঃসাহসী ভূমিকায় বেতারে বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ প্রচার হয়। মুক্তিকামী বাঙালির পাশে থেকে দায়িত্ব পালনের জন্য জাতি বাংলাদেশ বেতারকে কৃতজ্ঞচিত্তে স্মরণ করে।

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, বর্তমান সরকার দেশে সুশাসন প্রতিষ্ঠা ও জাতীয় উন্নয়ন ত্বরাম্বিত করতে তথ্যের অবাধ প্রবাহে বিশ্বাস করে। দেশের গণমাধ্যমসমূহ এখন স্বাধীনভাবে কাজ করছে। এ বছরের বিশ্ব বেতার দিবসের প্রতিপাদ্য 'শতাব্দীজুড়ে তথ্য, বিনোদন ও শিক্ষা বিস্তারে বেতার'-এর গুরুত্ব অনুধাবন করে বেতারে কর্মরত কর্মকর্তা-কর্মচারী, শিল্পী-কলাকুশলীদের কাজ করে যাওয়ার জন্য আহ্বান জানান তিনি।

২০১১ সালের ০৩ নভেম্বর জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতিবিষয়ক সংস্থা (ইউনেস্কো)-এর ৩৬তম সম্মেলনে ১৩ ফেব্রুয়ারি বিশ্ব বেতার দিবস পালনের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। ২০১২ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারি প্রথমবারের মতো বিশ্বব্যাপী পালিত হয় বিশ্ব বেতার দিবস। এরই ধারাবাহিকতায় এ বছর ত্রয়োদশ বিশ্ব বেতার দিবস পালন করা হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষে বাংলাদেশ বেতার বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা, শ্রোতা সম্মেলন, আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজন করেছে।


আরও খবর



আজ হাগ ডে : আলিঙ্গনের যত গুণ!

প্রকাশিত:সোমবার ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
জীবন ধারা ডেস্ক

Image

ফ্রেব্রুয়ারি মাস এলেই যেন বাড়তি হাওয়া লাগে প্রেমের পালে। এ মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহের শেষ দিন অর্থাৎ বুধবার বিশ্ব মাতবে প্রেমে। ভালোবাসা দিবস ছাড়াও এই মাসে প্রেমিক-প্রেমিকাদের জন্য রয়েছে আরও কিছু দিবস। আর ৭ ফেব্রুয়ারি থেকে ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত তো উদযাপিত হচ্ছে ভ্যালেন্টাইন উইক বা ভালোবাসার সপ্তাহ।

ভালোবাসার সপ্তাহের প্রতিটি দিনেই প্রেমিক যুগলের জন্য রয়েছে কোনো না কোনো দিবস। তারই ধারাবাহিকতায় আজ অর্থাৎ ১২ ফেব্রুয়ারি পালিত হচ্ছে হাগ ডে অর্থাৎ আলিঙ্গন দিবস।

পরস্পরের মধ্যে ভালোবাসার আদান-প্রদানের অন্যতম মাধ্যম আলিঙ্গন। তবে, আলিঙ্গন যে শুধু ভালোবাসার মানুষকেই করতে হবে তেমনটা নয়; পরিবারের সদস্য, বন্ধুবান্ধব সবার সঙ্গেই আলিঙ্গন করা উচিত। কারণ, আলিঙ্গেনের কিছু স্বাস্থ্যগত উপকারও রয়েছে।

বিভিন্ন মনস্তাত্ত্বিক গবেষণায় দেখা গেছে, স্নেহপূর্ণ আলিঙ্গনসহ অন্যান্য সহানুভূতিশীল অযৌন শারীরিক স্পর্শ আমাদের মানসিক উত্তেজনা, উদ্বেগ, ভীতি, অবসন্নতা ইত্যাদি কমাতে সাহায্য করে।  যখন কারও মন খারাপ থাকে বা কেউ কোনো মানসিক পীড়ার মধ্যে থাকে, তখন তার একটু বেশি সহানুভূতি ও ভালোবাসার প্রয়োজন হয়।

সহানুভূতি প্রকাশের ক্ষেত্রে আমরা অনেকেই অন্যকে আলিঙ্গন করে থাকি। এটি একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। তবে অনেক সময় খুব সাধারণ একটি আলিঙ্গন বহু দিনের পুরনো কষ্ট এবং হতাশা দূর করে দেয়।

মনস্তত্ত্ববিদদের মতে, আলিঙ্গনের এমন প্রভাব রয়েছে যা একজন ব্যক্তির মানসিক অবস্থায় পরিবর্তন নিয়ে আসতে পারে। হতাশা এবং কষ্ট ভুলিয়ে মনকে শান্ত করে দিতে পারে।

আলিঙ্গন একজন মানসিকভাবে বিচলিত মানুষের নার্ভাস সিস্টেমকে ধীরে ধীরে শান্ত হতে সহায়তা করে। আলিঙ্গন এক ধরনের সাইকোথেরাপির মত কাজ করে যা আমাদের পূর্ণতা এবং সন্তুষ্টির অনুভূতি দেয়। আলিঙ্গন একজন মানুষকে যেকোনো ধরনের মানসিক ও শারীরিক পীড়ার ক্ষেত্রে যত্নশীলতার অনুভূতি দেয়। ছোট থেকে বড় সব বয়সী মানুষের মনের ওপর এই প্রতিক্রিয়া দেখতে পাওয়া যায়।

শিশুদের ক্ষেত্রে দেখা যায়, অভিভাবকেরা সন্তাদের যেকোনো কথা বোঝানো বা শারীরিক ও মানসিক কষ্ট ভোলানোর জন্য আলিঙ্গন করেন। আবার বয়স্ক ব্যক্তিদের ক্ষেত্রেও ভালবাসা পূর্ণ আলিঙ্গন তাদের ভরসা যোগায়, হতাশা দূর করে। অনেক মানসিক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা রোগীদের চিকিৎসা ভীতি ও হতাশা দূর করতে এবং দ্রুত আরোগ্য লাভের জন্য তাদের আত্মীয় স্বজন এবং কাছের লোকদের এ ধরনের সহানুভূতিশীল স্পর্শের পরামর্শ দেন।

তবে এ ধরনের আলিঙ্গনের জন্য মনস্তত্ত্ববিদরা কিছু নির্দেশনা দিয়ে থাকেন। তাদের মতে, একটি আলিঙ্গন তখনই একজন মানুষের চিত্তকে শান্ত করতে পারে এবং মানসিকভাবে সব চাপ মুক্ত করতে পারে যখন সেটি সম্পূর্ণভাবে স্নেহশীল এবং সহানুভূতিশীল হয়। আলিঙ্গন প্রদানকারী ব্যক্তির সম্পূর্ণ মনোযোগ আলিঙ্গনকৃত ব্যক্তির মানসিক অবস্থার দিকে থাকতে হবে। এটি সম্পূর্ণভাবে একটি আত্মিক যোগাযোগ যা দুজন মানুষের মধ্যে মানসিক ভাবের আদান প্রদানের কাজ করবে। তাকে বোঝাতে হবে যে তার মানসিক সুস্থতা সব থেকে বেশি জরুরি।

আলিঙ্গন একটি শারীরিক প্রক্রিয়া হলেও এর প্রভাব সম্পূর্ণ মনস্তাত্ত্বিক। এটি একজন ব্যক্তির মাঝে পুনরায় আস্থা, বিশ্বাস এবং নির্ভরতা ফিরিয়ে আনতে পারে। অনেক ক্ষেত্রেই একটি আলিঙ্গন ব্যক্তির একাকীত্ব দূর করতেও সক্ষম। তার চিন্তাশক্তি এবং আচার আচরণও এর দ্বারা প্রভাবিত হতে পারে।

আমাদের মস্তিষ্ক সব সময় বাস্তবের প্রতিই সাড়া দেয় এমন নয়; বরং যখন একজন মানুষ কল্পনা করে যে তিনি মোটেও একা নন এবং তার মাঝে সব কিছু পেছনে ফেলে ঘুরে দাঁড়াবার শক্তি আছে, তখন তার মস্তিষ্ক সেটিকে বাস্তব হিসেবে পরিগণিত করে শরীরে সেভাবে প্রতিক্রিয়া পাঠায়। এতে মানসিকভাবে ভেঙে পড়া ব্যক্তি পুনরায় মানসিক শক্তি ফিরে পায় এবং তার আচার আচরণে পরিবর্তন আসে।

একজন মানুষের সব থেকে বেশি প্রয়োজন তার কাছের মানুষদের সাহচর্য, ভালবাসা এবং সহানুভূতি। যেকোনো সমস্যায় একজন মানুষ যদি তার মনের জোর ধরে রাখতে পারে তাহলে তার পক্ষে সমস্যা মোকাবিলা করা সহজ হয়ে যায়। আর আলিঙ্গন মানুষের মনস্তত্ত্বে ঠিক এই ইতিবাচক পরিবর্তনটিই নিয়ে আসে।


আরও খবর
খাতনা করার আগে-পরে যেসব বিষয় জানা জরুরি

সোমবার ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

নারীর জন্য প্রয়োজনীয় পাঁচ ভিটামিন

রবিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪