আজঃ মঙ্গলবার ২৩ জুলাই ২০২৪
শিরোনাম

১৩০ মিলিয়ন ডলার নিয়ে গেছেন বিদেশি নাগরিকরা: অর্থমন্ত্রী

প্রকাশিত:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ | অনলাইন সংস্করণ
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক

Image

জাতীয় সংসদে অর্থমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী জানিয়েছেন, গত বছরের জুলাই থেকে চলতি বছরের এপ্রিল পর্যন্ত বাংলাদেশে বসবাসকারী বিদেশি নাগরিকরা তাদের আয় থেকে ১৩০.৫৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার নিজ নিজ দেশে নিয়ে গেছেন।

সোমবার (২৪ জুন) সংসদে ফরিদপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য আব্দুল কাদের আজাদের এক লিখিত প্রশ্নের উত্তরে তিনি এ কথা জানান। স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে প্রশ্নোত্তর টেবিলে উপস্থাপিত হয়।

অর্থমন্ত্রী জানান, বাংলাদেশে বসবাসকারী বিদেশি নাগরিকদের বছরে আয় সংশ্লিষ্ট তথ্য বাংলাদেশ ব্যাংকে সংরক্ষিত নেই। গত বছরের জুলাই থেকে চলতি বছরের এপ্রিল পর্যন্ত বাংলাদেশে বসবাসকারী বিদেশি নাগরিকরা তাদের আয় থেকে ১৩০.৫৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার নিজ নিজ দেশে নিয়ে গেছেন।

কোন দেশের নাগরিকরা কত ডলার নিয়েছেন সেই তথ্য জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, ভারতের নাগরিকরা ৫০.৬০ মিলিয়ন ডলার, চীনের নাগরিকরা ১৪.৫৬ মিলিয়ন ডলার, শ্রীলঙ্কার নাগরিকরা ১২.৭১ মিলিয়ন ডলার, জাপানের নাগরিকরা ৬.৮৯ মিলিয়ন ডলার, কোরিয়ার নাগরিকরা ৬.২১ মিলিয়ন ডলার, থাইল্যান্ডের নাগরিকরা ৫.৩০ মিলিয়ন ডলার, যুক্তরাজ্যের নাগরিকরা ৩.৫৯ মিলিয়ন ডলার, পাকিস্তানের নাগরিকরা ৩.২৪ মিলিয়ন ডলার, যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকরা ৩.১৭ মিলিয়ন ডলার, মালয়েশিয়ার নাগরিকরা ২.৪০ মিলিয়ন ডলার ও এর বাইরে অন্যান্য দেশের নাগরিকরা ২১.৯২ মিলিয়ন ডলার নিজ দেশে নিয়ে গেছেন।

এমপি আব্দুল লতিফের অপর এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে অর্থ মন্ত্রণালয় বিভিন্ন পদক্ষেপ নিচ্ছে। মূল্যস্ফীতির চলমান সংকটের মূলে যে কারণগুলো রয়েছে তা হলো বৈশ্বিক পণ্য বাজারে সরবরাহে অনিশ্চয়তা, মার্কিন ডলারের বিপরীতে টাকার মান কমে যাওয়া এবং দেশের বাজারে সরবরাহ শৃঙ্খলে ত্রুটি। অর্থনৈতিক এ সংকট কাটিয়ে দ্রব্যমূল্য সাধারণ মানুষের ক্রয় ক্ষমতার মধ্যে রাখার জন্য সরকার বহুমুখী পদক্ষেপ নিয়েছে।


আরও খবর
মেট্রোরেল চলাচল পুরোপুরি বন্ধ

বৃহস্পতিবার ১৮ জুলাই ২০২৪




বেনজীর আহমেদের চার ফ্ল্যাটে প্রবেশে ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ

প্রকাশিত:রবিবার ৩০ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ৩০ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আদালত প্রতিবেদক

Image

রাজধানীর গুলশানে সাবেক পুলিশ মহারিদর্শক বেনজীর আহমেদ ও তার স্ত্রী-সন্তানের নামে ক্রয়কৃত ৪টি ফ্ল্যাটে প্রবেশে ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ করেছেন আদালত।

রোববার (৩০ জুন) ঢাকা মহানগর দায়রা জজ মোহাম্মদ আসসামছ জগলুল হোসেনের আদালত আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এ আদেশ দেন। এর আগে ওই ফ্ল্যাটে প্রবেশের জন্য গেলেও চাবি না থাকায় দেখভালে নিয়োজিত দুদক কর্মকর্তা ফিরে আসেন। দুদকের পাবলিক প্রসিকিউটর মাহমুদ হোসেন জাহাঙ্গীর এ তথ্য জানিয়েছেন।

জানা গেছে, দুদকের পরিচালক মো. মঞ্জুর মোর্শেদ পরিচালক (সম্পদ ব্যবস্থাপনা ইউনিট) সংশ্লিষ্ট ফ্ল্যাটসমূহে অভিযোগসংশ্লিষ্ট ব্যক্তির অনুপস্থিতিতে বিনা বাধায় ফ্ল্যাটে রিসিভারের প্রবেশ, মালামালের ইনভেন্টরি, স্পেসের পরিমাপপূর্বক ভাড়া নির্ধারণ করার বিষয়ে সদয় আদেশ/নির্দেশনা চেয়ে আবেদন করেন। পরে দুদকের পাবলিক প্রসিকিউটর মাহমুদ হোসেন জাহাঙ্গীর এ বিষয়ে শুনানি করেন। শুনানি শেষে আদালত ফ্ল্যাটে প্রবেশে একজন প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ করেন। তার উপস্থিতিতে ফ্ল্যাটে প্রবেশ করবেন ৪টি ফ্ল্যাটের দেখভালে নিয়োজিত থাকা দুদক কর্মকর্তা।

দুদকের আবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, অভিযোগ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি সাবেক পুলিশ মহারিদর্শক বেনজীর আহমেদ ও তার স্ত্রী-সন্তানের নামে ক্রয়কৃত গুলশান-১ এ অবস্থিত রাংকন আইকোন টাওয়ারের ৪টি ফ্ল্যাটের সঠিক নিয়ন্ত্রণ, ব্যবস্থাপনা ও রক্ষণাবেক্ষণের জন্য দুদকের পরিচালক (সম্পদ ব্যবস্থাপনা ইউনিট) কে রিসিভার হিসেবে নিয়োগ প্রদান করা হয়।

এ আদেশ পাওয়ার পর পরিচালক (সম্পদ ব্যবস্থাপনা) একটি টিমসহ গত ১৩ জুন সংশ্লিষ্ট বিল্ডিং এর ফ্ল্যাটসমূহ পরিদর্শনে যান। এ ভবনের নিচতলায় রিসেপশনিস্ট মেহরাব হোসেন অপির সঙ্গে আলাপ করে জানা যায়, অভিযোগসংশ্লিষ্ট ব্যক্তি এ ফ্ল্যাটসমূহে বসবাস করেন না। ভবনের ম্যানেজার জসিমকে ভবনে পাওয়া যায়নি। পরে ফোন করেও তাকে পাওয়া যায়নি।

পরিদর্শনকালে আরও জানা যায়, সংশ্লিষ্ট ভবনের ১৩ ও ১৪ তলায় ডুপ্লেক্স আকারে ৯ হাজার বর্গফুটের অধিক স্পেস নিয়ে ৪টি ফ্ল্যাট রয়েছে। ওই ফ্ল্যাটসমূহের চাবি অভিযোগসংশ্লিষ্ট ব্যক্তির নিকট রয়েছে। তবে বর্তমানে তিনি এ ভবনে বসবাস করেন না এবং কোথায় গেছেন তা কেউ বলতে পারেন না বলে রিসেপশনিস্ট জামান। সংশ্লিষ্ট ফ্ল্যাটসমূহ রক্ষণাবেক্ষণ কাজে যেসব সার্ভিস চার্জ, ইলেকট্রিসিটি বিল, পানি ও গ্যাস বিলসহ অন্যান্য কিছু বিষয়ে আর্থিক খরচের বিষয়াদি রয়েছে। সংশ্লিষ্ট ফ্ল্যাটসমূহ ভাড়া প্রদান করতে হলে ওই ফ্ল্যাটসমূহ খুলতে হবে এবং এর বাণিজ্যিক/আবাসিক ভাড়ার হার নিরূপণ করার জন্য গণপূর্ত বিভাগের মাধ্যমে জায়গা পরিমাপ করা প্রয়োজন। এ ছাড়া ওই ফ্ল্যাট/ফ্ল্যাটসমূহের অভ্যন্তরে অভিযোগসংশ্লিষ্ট ব্যক্তির ব্যবহৃত জিনিসপত্রের একটি তালিকা। ইনভেন্ট্রি করার জন্য একজন প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ দেওয়া প্রয়োজন।


আরও খবর
কোটা নিয়ে আপিল বিভাগে শুনানি রোববার

বৃহস্পতিবার ১৮ জুলাই ২০২৪




মতিউরের সঙ্গে আরজিনার স্পর্শকাতর ফোনালাপ ফাঁস

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৫ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০৫ জুলাই ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

ছাগলকাণ্ডে আলোচিত জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সদ্য সাবেক সদস্য মতিউর রহমান ও তার অধস্তন নারী কর্মকর্তা আরজিনা খাতুনের মধ্যে মোবাইল ফোনে ব্যক্তিগত আলাপচারিতার অডিও রেকর্ড ফাঁস হয়েছে। এতে নতুন করে তোলপাড় শুরু হয়েছে।

এদিকে এনবিআরের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অভিযোগ, শুধু মতিউর রহমানের বান্ধবী হিসেবে বহু সুবিধা হাসিল করেছেন আরজিনা। অবৈধ পথে উপার্জিত অর্থে বনেছেন অঢেল সম্পত্তির মালিক। এছাড়া ঢাকায় অভিজাত অ্যাপার্টমেন্ট, গ্রামে বিলাসবহুল বাড়ি, ৫০০ ভরি স্বর্ণালংকারসহ নামে-বেনামে গড়েছেন বিপুল সম্পদ। আরজিনার দুর্নীতি ও অবৈধ সম্পদের অভিযোগ গড়িয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) পর্যন্ত।

ফাঁস হওয়া ফোনালাপ

মতিউর : তোমার কাছে ... চাই, কখন দিতে পারবা?

আরজিনা : আজকে...!

মতিউর : আজকের প্রোগ্রাম ঠিক আছে?

আরজিনা : আজকে... কালকে যাই। আজ শুক্রবারতো, মানে কি বলে বের হব, কোনো ইয়ে পাচ্ছি না। বাসায় আছেতো। কালকে হলে ভালো হয়। কালকেতো থাকবা ঢাকায়।

মতিউর : দীর্ঘশ্বাস... ঠিক আছে। কালকে মনে হয় পারব না।

আরজিনা : কষ্ট পেলে... মানে শুক্রবারতো, কোনো ইয়ে খুঁজে পাচ্ছি না। বাইরে যে থাকব, আবার মাইন্ড... মানে যদি কোনো সন্দেহ তৈরি হয়।

মতিউর : ফের দীর্ঘশ্বাস... ওকে।

জানা গেছে, মতিউর রহমানের সম্পর্ককে কাজে লাগিয়ে নানা অনৈতিক সুবিধা নিয়ে অঢেল সম্পদের মালিক হয়েছেন এনবিআরের ওই আরজিনা খাতুন। রাজধানীতে বিলাসবহুল ইন্টেরিয়রে মোড়ানো ফ্ল্যাট, গ্রামে আলিশান বাড়ি, পরিবারের সদস্যদের নামে-বেনামে জমিসহ বিপুল সম্পদের মালিক হয়েছেন এনবিআরের ওই আরজিনা খাতুন। মাত্র ৩ বছরে আরজিনা কিনেছেন অন্তত ৫০০ ভরি স্বর্ণালংকার। যার ২০০ ভরিই চোরাচালানের মাধ্যমে বিদেশ থেকে আনা হয়েছে বলে দুদকের কাছে অভিযোগ জমা পড়েছে। আরজিনা খাতুন বর্তমানে রাজস্ব বোর্ডের মূসক মনিটরিং, পরিসংখ্যান ও সমন্বয়ের দ্বিতীয় সচিব। এর আগে চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউজের উপকমিশনার ছিলেন তিনি।

দুদক সূত্রে জানা গেছে, ১০ জুন আরজিনার দুর্নীতি ও অবৈধ সম্পদের খতিয়ান তুলে ধরে দুদকে অভিযোগ জমা দেন এক ব্যক্তি। তাতে বলা হয়, মিথ্যা তথ্য দিয়ে পণ্য আমদানি, মানি লন্ডারিং, স্বর্ণ চোরাচালান চক্রের সঙ্গে যোগসাজশ আর আলোচিত এনবিআরের সদ্য সাবেক সদস্য মতিউর রহমানের সংস্পর্শে এসে দুর্নীতির মাধ্যমে বিপুল সম্পদ অর্জন করেছেন আরজিনা।

দুদকে জমা অভিযোগের সূত্র ধরে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, রাজধানীর মিরপুরে প্রায় ২ হাজার বর্গফুটের একটি বিলাসবহুল ফ্ল্যাট রয়েছে তার। ১ কোটি ৩০ লাখ টাকায় কেনা ফ্ল্যাটটিতে পরিবার নিয়ে বসবাস করেন। কিন্তু রেজিস্ট্রেশনসহ দলিলে ফ্ল্যাটটির দাম দেখানো হয়েছে মাত্র ৬৮ লাখ। ফ্ল্যাটটি কেনার জন্য তিনি ২০২০ সালে ব্যাংক থেকে ঋণ নেন। কিন্তু অনুসন্ধানে দেখা গেছে, ঋণ নেওয়ার ১ বছর আগেই ফ্ল্যাট কিনে রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন করেন। তাও ঋণের টাকার দ্বিগুণ দামে। প্রায় ৫০ লাখ টাকা খরচ করে বাসায় বিলাসবহুল আসবাব ও অত্যাধুনিক ইন্টেরিয়র করেছেন। আরজিনার গ্রামের বাড়ি রাজবাড়ীর নারোয়া ইউনিয়নের তালুতপারা গ্রামে। কাস্টমসে চাকরির ৩ বছরের মধ্যে গ্রামের ছন আর টিনের বাড়িটিকে বদলে করেছেন আলিশান এক ভবন।

দুদকে জমা দেওয়া অভিযোগে বলা হয়েছে, চট্টগ্রামে বদলির পর ২০২২ সালেই গ্রামে তার পরিবারের সদস্যদের নামে কিনেছেন ৫টি জমি। যার বাজারমূল্য অর্ধকোটি টাকা। এছাড়াও গ্রামে আরও প্রায় এক কোটি টাকার জমি বন্ধক নিয়েছেন আরজিনা। সেসব জমির দলিলও এসেছে গণমাধ্যমের হাতে। তার ঘনিষ্ঠজনরা জানান, আরজিনার ব্যবহৃত বেশিরভাগ গহনাই অনেক দামি। তার অন্তত ১০ লাখ টাকা মূল্যমানের হীরার গহনা রয়েছে।

২০১৮ থেকে ২০২৩ সালের মধ্যে তিনি অন্তত ৫০০ ভরি স্বর্ণ আর ডায়মন্ডের অলংকার কিনেছেন নগদ টাকায়। যার ২০০ ভরি এক সিএন্ডএফ ব্যবসায়ীর মাধ্যমে ৩ ধাপে চোরাচালানের মাধ্যমে আনার তথ্য ও দালিলিক প্রমাণ দুদকে করা অভিযোগের সঙ্গে জমা দেওয়া হয়েছে। ২০২২ থেকে শেয়ার ব্যবসাও করেছেন তিনি। এক দিনে ১০ লাখ টাকা বিনিয়োগে দ্বিগুণ লাভের নজিরও আছে তার। তার তিনটি ব্যাংক অ্যাকাউন্টে বিপুল নগদ টাকা ও সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগও আছে।

অভিযোগ আছে-মতিউর রহমানের সঙ্গে নিবিড় সম্পর্কে জড়ানোর পর থেকে আলাদিনের চেরাগ হাতে পান আরজিনা। তরতর করে বাড়তে থাকে তার সম্পত্তি। মতিউরের সঙ্গে একই ব্রোকারেজ হাউজে শেয়ার ব্যবসায় বিনিয়োগ ছিল আরজিনার। অভিযোগ আছে, কারসাজি করে মতিউরই আরজিনাকে শেয়ার বাজারে মুনাফা তুলে দেন।

এদিকে, দুদকের আইনজীবী মাহমুদ হোসেন জাহাঙ্গীর বলেন, উপপরিচালক মো. আনোয়ার হোসেনের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে মতিউরের বিপুল সম্পদ ক্রোকের আদেশ দিয়েছেন আদালত। এসব সম্পদের মধ্যে আছে, বরিশালে মুলাদী উপজেলায় মতিউরের নামে থাকা ১১৪ শতাংশ জমি, তার প্রথম স্ত্রী লায়লা কানিজের নামে থাকা নরসিংদী জেলার রায়পুরা উপজেলার মারজাল ইউনিয়নের ২৬টি সম্পত্তির ৫২২ দশমিক ৫২ শতাংশ জমি ও রাজধানীর বসুন্ধরায় ডি ব্লকের ২৪৪৫ বর্গফুটের ফ্ল্যাট।

মতিউরের ছেলে আহম্মেদ তৌফিকুর রহমান অর্ণবের নামে ১৯ দলিলে থাকা ২৭৫ দশমিক ৮৫ শতাংশ জমি। এছাড়া আছে নরসিংদীর রায়পুরায় মতিউর-লায়লা দম্পতির মেয়ে ফারজানা রহমান ইপ্সিতার ৫টি দলিলে ১০৬ দশমিক ৫৬ শতাংশ জমি ও ঢাকার বসুন্ধরায় ডি ব্লকের এক নাম্বার রোডে ৫ কাঠা জমির ওপর বহুতল ভবন। মতিউরের দ্বিতীয় স্ত্রী শাম্মী আখতার শিভলীর নামে থাকা ধানমন্ডির জিগাতলার একটি প্লট এবং বসুন্ধরার এন ব্লকে ৫ কাঠা জমি।

গত ২৪ জুন দুদকের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকার জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ মোহাম্মদ আসসামছ জগলুল হোসেন মতিউর রহমান, তার স্ত্রী লায়লা কানিজ ও তাদের পুত্র আহম্মেদ তৌফিকুর রহমান অর্ণবকে (ইফাত) বিদেশ গমনে নিষেধাজ্ঞা দেন। যদিও ৩০ জুন বিদেশযাত্রা প্রত্যাহার চেয়ে আদালতে আবেদন করেছেন লায়লা কানিজ। ২৮ জুলাই এ বিষয়ে আদালতে শুনানি হওয়ার জন্য দিন ধার্য রয়েছে। ঈদুল আজহার আগে ছাগলকাণ্ডে আলোচিত হলে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সদস্য মো. মতিউর রহমান পরিবারের নানা অপকীর্তি ও বিপুল অবৈধ সম্পদের তথ্য সামনে আসতে থাকে।


আরও খবর
মেট্রোরেল চলাচল পুরোপুরি বন্ধ

বৃহস্পতিবার ১৮ জুলাই ২০২৪




ভারত বাংলাদেশের রাজনৈতিক বন্ধু, চীন উন্নয়নের: কাদের

প্রকাশিত:শনিবার ০৬ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ০৬ জুলাই ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক ভালো বলেই অনেক সুবিধা নিতে পেরেছি মন্তব্য করে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ভারত বাংলাদেশের রাজনৈতিক বন্ধু আর চীন উন্নয়নের বন্ধু। এ দেশের বহু উন্নয়নে চীনের অবদান আছে।

শনিবার (৬ জুলাই) রাজধানীর বেইলি রোডে শেখ হাসিনা পার্বত্য চট্টগ্রাম ঐতিহ্য ও গবেষণা কেন্দ্রে সাত দিনব্যাপী পাহাড়ি ফলমেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন তিনি।

ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের বিষয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, ভারতের সঙ্গে ২১ বছর বৈরি সম্পর্ক রেখে কি অর্জন করেছে ৭৫ পরবর্তী রাজনৈতিক দল? শেখ হাসিনা এবং নরেন্দ্র মোদির সম্পর্ক ভালো ছিল বলেই আমরা বাংলাদেশের সমান আরেকটি সমুদ্র পেয়েছি। সম্পর্ক ভালো ছিল বলেই সিটমহল সমস্যার সমাধান করেছি। সম্পর্ক ভালো থাকলে আলাপ-আলোচনা করে সমস্যার সমাধান করা যায়। গঙ্গাচুক্তিসহ বহুবিধ সুবিধা ভারত থেকে নিতে পেরেছেন শেখ হাসিনা। যারা বড় বড় কথা বলেন তারা গঙ্গার কথা ভুলে গিয়েছিলেন। খালি হাতে আগেও ফিরি নাই, এখনো ফিরি নাই।

চীনের সঙ্গে আমাদের পার্টনারশিপ রয়েছে জানিয়ে আওয়ামী লীগ সম্পাদক বলেন, ভারত আমাদের রাজনৈতিক বন্ধু, চীন আমাদের উন্নয়নের বন্ধু। এ দেশে বহু উন্নয়নে চীনের অবদান আছে। সাহায্য পেলে আমরা সাহায্য কেনো নেব না? আমার দেশের উন্নয়নের জন্য যেখানে সাহায্য দরকার আমরা সেখান থেকে সাহায্য নেব। মেট্রোরেল, পদ্মা সেতু, এক্সপ্রেসওয়ে এসব নিয়ে অনেকের জ্বলে, যাদের জ্বলে তাদের মন্তব্যের কোনো জবাব আমরা দেব না।

গত ১৬ বছরে বাংলাদেশ বদলে গেছে। সেই বদলের সঙ্গে তাল মিলিয়ে পার্বত্য অঞ্চলও বদলেছে জানিয়ে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী বলেন, সড়ক যোগাযোগে এখন পার্বত্য তিন জেলা অনেক উন্নত, একসাথে ৪২টি ব্রিজ উদ্বোধন হয়েছে খাগড়াছড়িতে। এখন সীমান্ত সড়ক তৈরি হচ্ছে। শেখ হাসিনা থাকলে সব সমস্যার সমাধান হবে।

ওবায়দুর কাদের আরও বলেন, বিদেশি বহু ফলের চেয়ে অনেক উন্নত মানের ফল উৎপাদিত হয় পার্বত্য তিন জেলায়। এক সময় আনারসই প্রধান ফল ছিল। কিন্তু এখন বহু ধরনের ফল উৎপাদিত হয়। এক সময় যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নত না থাকার কারণে ফল পচে যেত। আজকে যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নের কারণে আপনাদের পাহাড়ের সুমিষ্ট ফল ঢাকায় চলে আসে। সিঙ্গাপুরের চেয়ে উন্নতমানের ফল আমাদের পাহাড়ি অঞ্চলে উৎপাদিত হয়।


আরও খবর
মেট্রোরেল চলাচল পুরোপুরি বন্ধ

বৃহস্পতিবার ১৮ জুলাই ২০২৪




রাজধানীর উত্তরা পূর্ব থানায় আগুন

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৮ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৮ জুলাই ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

রাজধানীর উত্তরা পূর্ব থানায় অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের দুইটি ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) বেলা ১টা ৩০ মিনিটে উত্তরা পূর্ব থানায় অগ্নিসংযোগের সংবাদ পায় ফায়ার সার্ভিস।

বিষয়টি নিশ্চিত করে ফায়ার সার্ভিসের নিয়ন্ত্রণ কক্ষের ডিউটি অফিসার লিমা খানম বলেন, বৃহস্পতিবার বেলা দেড়টার দিকে উত্তরা পূর্ব থানায় অগ্নিসংযোগ করা হয়েছে বলে একটি সংবাদ আসে। এরপর আমাদের দুইটি টিম ঘটনাস্থলে গিয়ে কাজ শুরু করেছে। তবে থানায় কে বা কারা আগুন দিয়েছে তা জানা যায়নি।

মিরপুর কাজীপাড়ায় কোটাবিরোধী শিক্ষার্থীদের সঙ্গে পুলিশের দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। একপর্যায়ে পুলিশ পিছু হটলে ট্রাফিক পুলিশের বক্সে আগুন ধরিয়ে দেন শিক্ষার্থীরা।

মিরপুর ১০ নম্বর এলাকা থেকে মিছিল নিয়ে শিক্ষার্থীরা এই এলাকায় অবস্থান নেন। এ সময় উপস্থিত পুলিশ সদস্যরা বাধা দিলে শিক্ষার্থীরা পাল্টা ইটপাটকেল ছোড়েন। পরে পুলিশও টিয়ারশেল নিক্ষেপ করে। এ সময় শিক্ষার্থীদের উপর্যুপরি ইটপাটকেল নিক্ষেপের কারণে পুলিশ পিছু হটেন। পরে বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা পুলিশ বক্সে আগুন ধরিয়ে দেন। এই মুহূর্তেই পুরো এলাকাজুড়ে থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে।

রাজধানীর রামপুরা হাজীপাড়া বেটার লাইফ হাসপাতালের সামনে পুলিশের একটি পিকআপ ভ্যান গাড়িতে আগুন দিয়েছে কোটা আন্দোলনকারীরা। আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা রাস্তা অবরোধ করে রাখায় ঘটনাস্থলে পৌঁছাতে পারেনি ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা। ফলে গাড়িটি পুড়ে যায়।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, পুলিশের গাড়ি যাওয়ার সময় দুপুর সোয়া ১টার দিকে বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা গাড়িতে আগুন দেয়। খবর পেয়ে দমকল কর্মীরা ঘটনাস্থলে এলেও আন্দোলনরতরা আগুন নেভাতে দেয়নি। পরে পুরো গাড়িটিই আগুনে পুড়ে যায়।


আরও খবর



স্মারকলিপি দিতে বঙ্গভবনে শিক্ষার্থীদের প্রতিনিধি দল

প্রকাশিত:রবিবার ১৪ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ১৪ জুলাই ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

সরকারি চাকরিতে কোটার যৌক্তিক সংস্কারের এক দফা দাবিতে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক প্যানেলের ১২ সদস্য বিশিষ্ট প্রতিনিধি দল বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির কাছে স্মারকলিপি প্রদান করতে গেছেন।

রোববার (১৪ জুলাই) আন্দোলন চলাকালে বেলা সোয়া ২টার দিকে পুলিশের সহায়তায় তারা বঙ্গভবনে যান।

প্রতিনিধি দলে রয়েছেন- সারজিস আলম, নাহিদ ইসলাম, আসিফ মাহমুদ, হাসিব আল ইসলাম, রিফাত রশিদ, সুমাইয়া আক্তার, আব্দুল কাদের, নিদ্রা, আশিক, মাহিন, মাসুদ ও সিফাত।

অন্যদিকে, পুলিশের বাধার মুখে গুলিস্তানের পাতাল মার্কেট সংলগ্ন বঙ্গবন্ধু চত্বরে অবস্থান করছেন আন্দোলনকারীরা।

এর আগে, পর্যায়ক্রমে সচিবালয় ও গুলিস্তান জিরো পয়েন্টে দেওয়া পুলিশের ব্যারিকেড ভেঙে সামনে অগ্রসর হন আন্দোলনকারীরা।

এর আগে, গত ১১ জুলাই শাহবাগ মোড়ে পুলিশের সঙ্গে আন্দোলকারীদের ধাক্কাধাক্কির ঘটনা ঘটে। এমনকি ব্যারিকেড ভেঙে খানেকটা সামনে অগ্রসর হয় এবং জলকামানের ওপর উঠে উল্লাসও করেন অনেক আন্দোলনকারী। এ ঘটনায় শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে রাজধানীর শাহবাগ থানায় মামলা হয়। মামলাটি প্রত্যাহার ও নিজেদের এক দফা দাবি নিয়ে গতকাল বঙ্গভবন অভিমুখে গণপদযাত্রা ও রাষ্ট্রপতি বরাবর স্মারকলিপি প্রদানের কর্মসূচি হাতে নেয় প্ল্যাটফর্মটি। এ ছাড়া তাদের বিরুদ্ধে করা এই মামলাকে মিথ্যা অভিহিত করে তা প্রত্যাহারের জন্য ২৪ ঘণ্টার আলটিমেটামও দেয় এ প্ল্যাটফর্মটি।

গতকাল সাড়ে ৬টার দিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির সামনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে কর্মসূচি ঘোষণা করে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেন, কোটাবৈষম্য নিরসন করে সংসদে আইন পাসের লক্ষ্যে জরুরি অধিবেশন আহ্বান ও ২৪ ঘন্টার মধ্যে মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে রোববার (আজ) সকাল ১১টায় বঙ্গভবন অভিমুখে গণপদযাত্রা ও মহামান্য রাষ্ট্রপতি বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করা হবে।


আরও খবর
আরও ৩ দিনের এইচএসসি পরীক্ষা স্থগিত

বৃহস্পতিবার ১৮ জুলাই ২০২৪