আজঃ শনিবার ২৩ অক্টোবর ২০২১
শিরোনাম

১৬ বছরের হোল্ডিং ট্যাক্স বাকি বাফুফের

প্রকাশিত:সোমবার ১১ অক্টোবর ২০২১ | হালনাগাদ:সোমবার ১১ অক্টোবর ২০২১ | ৪৮৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

বকেয়া গৃহকর (হোল্ডিং ট্যাক্স) আদায়ে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে) ভবনে অভিযান চালিয়েছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) ভ্রাম্যমাণ আদালত। সোমবার (১১ অক্টোবর) দুপুরে বাফুফে ভবনে এ অভিযান শুরু হয়ে চলে বিকেল ৫টা পর্যন্ত।

রাজস্ব আদায়ে পরিচালিত এ অভিযানের নেতৃত্ব দেন করপোরেশনের সম্পত্তি কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. মুনিরুজ্জামান।

অভিযান চালিয়েও বকেয়া আদায় করতে পারেনি ডিএসসিসি। বাফুফে আগামী বৃহস্পতিবার পর্যন্ত সময় নিয়েছে। এ জন্য তারা ভ্রাম্যমাণ আদালতের কাছে লিখিত অঙ্গীকার করেছে।

বাফুফে আবেদনে বলেছে, ডিএসসিসির প্রাপ্য বকেয়া গৃহকরের মধ্যে ১০ লাখ টাকা পরিশোধ করা হবে। অভিযানের শুরু থেকে দেনদরবার করতে থাকা বাফুফে কর্তারা দক্ষিণ সিটির ভ্রাম্যমাণ আদালতের অনড় মনোভাবে বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে লিখিত এই প্রতিশ্রুতি দেন।

সেখানে উপস্থিত বাফুফে কর্তারা জানান, বাফুফের ব্যয়িত সব অর্থের দস্তখতকারী (সিগনেটরি) তিনজন। এর মধ্যে একজন দস্তখতকারী ঢাকার বাইরে অবস্থান করায় এই মুহূর্তে বকেয়া পরিশোধ করা সম্ভব হচ্ছে না। আমরা আগামী বৃহস্পতিবার ১০ লাখ টাকা দেবো। বাকি টাকা মেয়রের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা করে কিস্তি হিসেবে পরিশোধের সুযোগ চাইবো।

২০০৫-০৬ অর্থবছরের তৃতীয় কিস্তি থেকে ২০২১-২২ অর্থবছরের চতুর্থ কিস্তি পর্যন্ত বাফুফের কাছে গৃহকর বাবদ দক্ষিণ সিটির ১ কোটি ৫৩ লাখ টাকার বেশি পাওনা রয়েছে।

অভিযান প্রসঙ্গে করপোরেশনের সম্পত্তি কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. মুনিরুজ্জামান বলেন, করপোরেশনের বকেয়া আদায়ের লক্ষ্যে পরিচালিত অভিযানের অংশ হিসেবে আজ আমরা বাফুফে ভবনে অভিযান পরিচালনা করেছি।

বাফুফের কাছে বিগত ১৬ বছরের গৃহকর বাবদ ১ কোটি ৫৩ লাখ ৯০৪ টাকা বকেয়া পাওনা রয়েছে। অভিযানকালে বাফুফে তাৎক্ষণিকভাবে সমুদয় বকেয়া পরিশোধ না করলেও আংশিক অর্থ এই সপ্তাহে পরিশোধ করা হবে মর্মে লিখিতভাবে প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। বাকি অর্থ মেয়র মহোদয়ের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা করে পরিশোধ করা হবে বলে অবগত করেছেন।

করপোরেশনের প্রাপ্য বকেয়া পরিশোধ করতে গত ৬ জুন গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রকে ক্রোকের নোটিশ প্রদান করা হয় এবং গত ১৩ সেপ্টেম্বর তাগিদ পত্র দেওয়া হয়।

অভিযানকালে অন্যান্যের মধ্যে করপোরেশনের অঞ্চল-২ এর আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা সোয়ে মেন জো, করপোরেশনের উপ-প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা শাহজাহান আলী প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।


আরও খবর



সাম্প্রদায়িক অপশক্তির প্রধান পৃষ্ঠপোষক বিএনপি: কাদের

প্রকাশিত:রবিবার ১৭ অক্টোবর ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ১৭ অক্টোবর ২০২১ | ৩৬০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

বিএনপি সাম্প্রদায়িক অপশক্তির প্রধান পৃষ্ঠপোষক বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। সব অপকর্ম ও সাম্প্রদায়িকতার জনক ও ঠিকুজি বিএনপি এমন মন্তব্য করে মন্ত্রী বলেন, অপকর্মকারিদের কোনো দল নেই, এরা হচ্ছে দুর্বৃত্ত।

রবিবার সকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইউনিভার্সিটি ল্যাবরেটরি স্কুল অ্যান্ড কলেজে শেখ রাসেলের ৫৮তম জন্মদিন উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভা ও শিক্ষার্থীদের মাঝে মেধা বৃত্তি, দরিদ্র তহবিলে বিশেষ অনুদান ও শিক্ষা উপকরণ প্রদান অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি। স্বপ্ন ও সম্ভাবনার স্ফুলিঙ্গ- শেখ রাসেল শীর্ষক এই আলোচনা সভার আয়োজন করে আওয়ামী লীগের ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ উপকমিটি।

বিএনপি-জামায়াত থেকে সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, জামায়াত ছাড়া বিএনপি অচল এবং জামায়াতেরও নির্ভরযোগ্য ছাতা হচ্ছে বিএনপি। ভেতরে ভেতরে জামায়াত-বিএনপি মধুর বন্ধনে আবদ্ধ, যা কোনদিন বন্ধ হবে না। আগামী জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে অন্ধকারের এই অপশক্তি মাথা চাড়া দিয়ে উঠছে, সুযোগ পেলেই ছোবল মারবে। তাই এখন থেকেই সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে।

৭১ এর পরাজিত শক্তিই ৭৫ এর হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছিল এমনটা জানিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর এই চক্রের বিষবৃক্ষ অনেক গভীরে ছড়িয়ে পড়েছে, এদের নিষ্ক্রিয় মনে হলেও এরা তলে তলে এখনো সক্রিয়, তাই এখন থেকেই সতর্ক থাকতে হবে।

আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য বেগম মতিয়া চৌধুরীর সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য দেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দীন নাছিম, সাংগঠনিক সম্পাদক আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন, দপ্তর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া, সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার মো. মোজাফফর হোসেন।

অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. মো. আবদুল হালিম। সভাটি সঞ্চালনা করেন ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ উপকমিটির সদস্য সচিব সুজিত রায় নন্দী।

পরে নেতৃবৃন্দকে সঙ্গে নিয়ে শিক্ষার্থীদের মাঝে মেধাবৃত্তি ও দরিদ্র তহবিলে অনুদান এবং শিক্ষা উপকরণ বিতরণ করেন ওবায়দুল কাদের।


আরও খবর



আজ বিশ্ব খাদ্য দিবস আজ

প্রকাশিত:শনিবার ১৬ অক্টোবর ২০২১ | হালনাগাদ:শনিবার ১৬ অক্টোবর ২০২১ | ৩৪৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image
বাংলাদেশ বর্তমান বিশ্বে পাট ও কাঁঠাল উৎপাদনে দ্বিতীয়, ধান ও সবজি উৎপাদনে তৃতীয়, আম ও আলু উৎপাদনে সপ্তম, পেয়ারা উৎপাদনে অষ্টম, অভ্যন্তরীণ উন্মুক্ত জলাশয়ে মৎস্য উৎপাদনে তৃতীয় এবং বদ্ধ জলাশয়ে মৎস্য উৎপাদনে পঞ্চম অবস্থানে রয়েছে

বিশ্ব খাদ্য দিবস আজ। কৃষি মন্ত্রণালয় ও জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার (এফএও) যৌথ উদ্যোগে বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও পালিত হবে বিশ্ব খাদ্য দিবস-২০২১’।

দিবসটির এবারের প্রতিপাদ্য হলো- আমাদের কর্মই আমাদের ভবিষ্যৎ- ভালো উৎপাদনে ভালো পুষ্টি, আর ভালো পরিবেশেই উন্নত জীবন’। এ উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পৃথক বাণী দিয়েছেন।

রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ তার বাণীতে বলেন, জাতির পিতার পথ ধরেই গ্রামীণ ও কৃষি উন্নয়নের মাধ্যমে উন্নত, সুখী ও সমৃদ্ধিশালী সোনার বাংলা গড়ার স্বপ্ন বাস্তবায়নে সরকার নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

রাষ্ট্রপতি বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ছিলেন কৃষি অন্তপ্রাণ। সদ্যস্বাধীন দেশ পুনর্গঠনে জাতির পিতা কৃষি বিপ্লবের ডাক দিয়েছিলেন। তিনি কৃষির উন্নয়নে কৃষকদের মাঝে খাস জমি বিতরণ, ভর্তুকি মূল্যে সার, কীটনাশক, উন্নত বীজ, সেচ ও অন্যান্য কৃষি উপকরণ সরবরাহ নিশ্চিত করেন। জাতির পিতা গ্রামীণ ও কৃষি উন্নয়নের মাধ্যমে যে উন্নত, সুখী ও সমৃদ্ধিশালী সোনার বাংলা গড়ার স্বপ্ন দেখেছিলেন, সে স্বপ্ন বাস্তবায়নে সরকার নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

তিনি বলেন, সরকারের যুগোপযোগী নীতি ও পদক্ষেপে দেশ দানাদার খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করেছে। ফল, সবজির উৎপাদন অনেক গুণ বেড়েছে। দেশের অভ্যন্তরীণ জলাশয়ে উৎপাদিত মাছ এবং মাংস উৎপাদনে দেশের চাহিদা পূরণে সক্ষমতা অর্জিত হয়েছে। বাংলাদেশের কৃষিপণ্যে রফতানি দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষিকে লাভজনক করতে কৃষি যান্ত্রিকীকরণে উন্নয়ন সহায়তা প্রদান করা হচ্ছে।

তিনি আশা প্রকাশ করেন, সরকারের এসব উদ্যোগ দেশের কৃষি উৎপাদনকে আরও বেগবান করার পাশাপাশি নতুন কর্মসংস্থান ও উদ্যোক্তা সৃষ্টিতে সহায়ক হবে।

তিনি বিশ্ব খাদ্য দিবসের সব কর্মসূচির সার্বিক সাফল্য কামনা করেন।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার বাণীতে বলেন, সরকার মানুষের পুষ্টি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কাজ করে যাচ্ছে। তিনি বলেন, আমাদের সরকার গৃহীত কৃষিবান্ধব নীতি ও কার্যক্রমে দানাদার খাদ্য, মাছ, মাংস ও ডিম উৎপাদনে বাংলাদেশ আজ স্বয়ংসম্পূর্ণ এবং দুধ উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণতার দ্বারপ্রান্তে।

বাণীতে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ বর্তমান বিশ্বে পাট ও কাঁঠাল উৎপাদনে দ্বিতীয়, ধান ও সবজি উৎপাদনে তৃতীয়, আম ও আলু উৎপাদনে সপ্তম, পেয়ারা উৎপাদনে অষ্টম, অভ্যন্তরীণ উন্মুক্ত জলাশয়ে মৎস্য উৎপাদনে তৃতীয় এবং বদ্ধ জলাশয়ে মৎস্য উৎপাদনে পঞ্চম অবস্থানে রয়েছে। বর্তমানে আমাদের মোট খাদ্যশস্য উৎপাদন বেড়ে ৪ কোটি ৫৩ লাখ ৪৩ হাজার মেট্রিক টন হয়েছে।

তিনি বলেন, সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের পরিকল্পনা ও কার্যক্রমের ধারাবাহিকতায় বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকার গত সাড়ে ১২ বছরে কৃষি উন্নয়নে কৃষিবান্ধব ও বাস্তবমুখী বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করে যাচ্ছে।

শেখ হাসিনা বলেন, ২০০৯ সালে সরকার গঠনের পর আমরা কৃষির উন্নয়ন ও কৃষকের কল্যাণকে সর্বোচ্চ বিবেচনায় নিয়ে রূপকল্প-২০৪১ এর আলোকে জাতীয় কৃষিনীতি-২০১৮, নিরাপদ খাদ্য আইন, টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট, ডেল্টা প্ল্যান-২১০০ সহ উল্লেখযোগ্য কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করে যাচ্ছি। কৃষির উন্নয়নে আমরা কৃষকদের জন্য সার, ডিজেল, বিদ্যুৎ ও কৃষিযান্ত্রিকীকরণে আর্থিক সহায়তা প্রদান এবং কৃষি প্রণোদনা/কৃষি পুনর্বাসন, কৃষিঋণ, কৃষি উপকরণ সহায়তা কার্ড বিতরণ, ১০ টাকায় ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খোলা, ই-কৃষির প্রবর্তন, জলবায়ু ও ঝুঁকি সহনশীল ফসলের জাত/প্রযুক্তি উদ্ভাবন ইত্যাদির ব্যবস্থা করেছি। কৃষি শিক্ষা-গবেষণা খাতে আরও বরাদ্দ বৃদ্ধি করেছি। যার ধারাবাহিকতায় খোরপোশের কৃষি আজ বাণিজ্যিক কৃষিতে রূপান্তরিত হচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশব্যাপী ১০০টি অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে তোলা হচ্ছে এতে কৃষিনির্ভর শিল্পের কাঁচামাল সরবরাহে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জনসহ ব্যাপক কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে।

তিনি বলেন, আমরা জাতির পিতার স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশ বিনির্মাণে কাজ করে যাচ্ছি। ইনশাআল্লাহ সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় বাংলাদেশকে উন্নত, সমৃদ্ধ ও আধুনিক দেশ হিসেবে বিশ্বে প্রতিষ্ঠিত করতে সক্ষম হব।

প্রধানমন্ত্রী বিশ্ব খাদ্য দিবস-২০২১’ উপলক্ষে নেওয়া সব কর্মসূচির সাফল্য কামনা করেন।

এদিকে বিশ্ব খাদ্য দিবস ২০২১ উদযাপন উপলক্ষে শুক্রবার ঢাকার ফার্মগেটে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিলের (বিএআরসি) মিলনায়তনে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক খাদ্য দিবসের বিস্তারিত তুলে ধরেন।

কৃষি মন্ত্রণালয় এবং জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার যৌথ আয়োজনে অনুষ্ঠিত ব্রিফিংয়ে সভাপতিত্ব করেন কৃষি মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো. মেসবাহুল ইসলাম ও গেস্ট অব অনার হিসেবে বক্তব্য রাখেন এফএও’র বাংলাদেশ প্রতিনিধি রবার্ট ডি. সিম্পসন। এ সময় কৃষি মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ও সংস্থা প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

কৃষিমন্ত্রী বলেন, করোনাকালে খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনা অনুযায়ী কৃষি মন্ত্রণালয় সময়োপযোগী পদক্ষেপ গ্রহণ ও তা বাস্তবায়ন করে যাচ্ছে। ফলে করোনাকালেও দেশে খাদ্য উৎপাদনের ধারা অব্যাহত রয়েছে ও তা আরও বৃদ্ধি পেয়েছে। ২০২০-২১ অর্থবছরে রেকর্ড পরিমাণ বোরো উৎপাদন হয়েছে ২ কোটি টনেরও বেশি, যা দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ। গত বছরের তুলনায় এ বছর সব ফসলের উৎপাদনই বেশি হয়েছে।

ব্রিফিংয়ে জানান হয়, দিবসটির গুরুত্ব তুলে ধরতে কৃষি মন্ত্রণালয় বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। দিবসের প্রথম ভাগে সকালে ঢাকার হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে প্রতিপাদ্যের ওপর একটি আন্তর্জাতিক সেমিনারের আয়োজন করা হয়েছে। এ সেমিনারে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন।

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবর্ষ স্মরণীয় করে রাখার জন্য কৃষি মন্ত্রণালয় বেশকিছু গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রম গ্রহণ করেছে। তার অংশ হিসেবে এ সেমিনারে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল (বিএআরসি) প্রকাশিত বইয়ের মোড়ক উন্মোচন এবং বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (ব্রি) উদ্ভাবিত বঙ্গবন্ধু ধান ১০০ অবমুক্ত করবেন। এছাড়া, প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু ধান ১০০ দিয়ে নির্মিত জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতি উন্মোচন করবেন।

অন্যান্য কর্মসূচির মধ্যে আন্তর্জাতিক সেমিনারের পর বিকালে খাদ্য নিরাপত্তার চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় করণীয় নিয়ে একটি কারিগরি সেশন অনুষ্ঠিত হবে। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে কৃষিমন্ত্রী উপস্থিত থাকবেন। সেখানে দেশে বিদেশের কৃষি ও খাদ্য বিষয়ে প্রথিতযশা বিশেষজ্ঞরা অংশগ্রহণ করবেন।


আরও খবর
২১ অক্টোবর: ইতিহাসের এই দিনে

বৃহস্পতিবার ২১ অক্টোবর 20২১

২০ অক্টোবর: ইতিহাসের এই দিনে

বুধবার ২০ অক্টোবর ২০21




অস্বাভাবিক পর্যায়ে পৌঁছেছে পণ্যের দাম

প্রকাশিত:শুক্রবার ১৫ অক্টোবর ২০২১ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৫ অক্টোবর ২০২১ | ৪৯০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

সরবরাহ ও মজুত পর্যাপ্ত থাকার পরও প্রতিবছরই ভোক্তার পকেট কেটে মোটা অঙ্কের টাকা নিয়ে যাচ্ছে অসাধুরা ।

গত কয়েক বছর ধরেই নিত্যপণ্যের বাজারে থেমে থেমে একরকম অস্থিরতা থাকছেই। একটু একটু করে প্রতি বছরেই বাড়ানো হয়েছে দাম।

বিশেষ করে গত পাঁচ বছরে প্রায় সব পণ্যের দাম বেড়ে অস্বাভাবিক পর্যায়ে পৌঁছেছে, যা এই মুহূর্তে মধ্য ও নিম্নবিত্তের মানুষের জন্য যেন লাগামহীন- এমন মন্তব্য সংশ্লিষ্টদের।

তাদের মতে, কখনো আন্তর্জাতিক বাজারে দাম বৃদ্ধি, আবার কখনো সরবরাহ সংকটের অজুহাত দেখিয়ে প্রতিবছরই এসব পণ্যের দাম বাড়িয়েছে মিল ও মোকাম মালিক এবং আমদানিকারকরা।

এর নেপথ্যে সক্রিয় থাকছে অসাধু ব্যবসায়ীদের সেই প্রভাবশালী সিন্ডিকেট সদস্যরা। যারা সবসময়েই থাকেন অধরা। ফলে প্রতিবছরই তারা ভোক্তার পকেট কেটে নিয়ে যাচ্ছে মোটা অঙ্কের টাকা।

বিদ্যমান পরিস্থিতিতে বাজারে নিত্যপণ্য কিনতে এসে বাড়তি দামে রীতিমতো হাঁসফাঁস করতে হয় ক্রেতাদের।

গত পাঁচ বছরের (২০১৬ অক্টোবর-২০২১ অক্টোবর) পণ্যমূল্যের দাম পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, রাজধানীর খুচরা বাজারে পাঁচ লিটারের বোতলজাত সয়াবিনের দাম বেড়েছে ২৩৫ টাকা।

কেজিতে গরুর মাংস ও রুই মাছ যথাক্রমে ১৫০ ও ১৩০ টাকা বেড়েছে। কেজিপ্রতি চালে ১৭-২০ টাকা, ডাল ৩০ টাকা, চিনি ২০ টাকা ও দেশি পেঁয়াজের দাম কেজিতে ৪০ টাকা বেড়েছে।

পাশাপাশি এই পাঁচ বছরে ব্রয়লার মুরগি কেজিতে ৬৫ টাকা বেশি দরে বিক্রি হচ্ছে। প্রতি ডজন ডিমের (১২ পিস) দাম বেড়েছে ২৫ টাকা। তাছাড়া সবজির দাম গত পাঁচ বছরে অনেক বেড়েছে।

সব মিলে ক্রেতা সাধারণের এসব পণ্য কিনতে সুনির্দিষ্ট কারণ ছাড়াই বাড়তি টাকা ব্যয় করতে হচ্ছে। এতে সবচাইতে বেশি ভোগান্তিতে পড়ছে নিম্ন আয় ও খেটে খাওয়া মানুষ।

গত ১৬ জুন জীবনযাত্রার ব্যয় ও ভোক্তাস্বার্থ সংশ্লিষ্ট অন্যান্য প্রাসঙ্গিক বিষয়ের ওপর প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব)।

সেখানে বলা হয়, ২০২০ সালে জীবনযাত্রার ব্যয় ৬ দশমিক ৮৮ শতাংশ এবং পণ্য ও সেবা-সার্ভিসের মূল্য ৬ দশমিক ৩১ শতাংশ বেড়েছে, যা গত তিন বছরে সর্বোচ্চ।

কারণ ২০১৯ সালে এই হার ছিল যথাক্রমে ৬ দশমিক ৫০ শতাংশ এবং ৬ দশমিক ০৮ শতাংশ। এছাড়া ২০১৮ সালে জীবনযাত্রার ব্যয় এবং মূল্যবৃদ্ধি ছিল যথাক্রমে ৬ দশমিক শূন্য শতাংশ এবং ৫ দশমিক ১৯ শতাংশ।

প্রতিবেদনে রাজধানী ঢাকায় ১৫টি খুচরা বাজার ও বিভিন্ন সেবা সার্ভিসের মধ্যে থেকে ১১৪টি খাদ্যপণ্য, ২২টি নিত্যব্যবহার্য সামগ্রী এবং ১৪টি সেবা-সার্ভিসের সংগৃহীত তথ্য-উপাত্ত বিবেচনায় নেওয়া হয়।

জানতে চাইলে ক্যাবের সভাপতি গোলাম রহমান বলেন, সর্বশেষ বিগত তিন বছর হিসাব করলে রাজধানীসহ দেশের প্রত্যেকটি অঞ্চলের মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় বেড়েছে।

প্রতিকেজি চিনি বিক্রি হচ্ছে ৬০ টাকা, তা এখন ৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। ভালোমানের মসুর ডাল (ছোট দানা) সর্বোচ্চ ১২০ টাকায় বিক্রি করছি, যা পাঁচ বছর আগে ৯০ টাকায় বিক্রি করেছি।

পাশাপাশি এক ডজন ফার্মের ডিম ১২০-১১৫ টাকা, যা পাঁচ বছর আগে ৮৫-৯০ টাকায় বিক্রি হতো। আর প্রতি কেজি দেশি পেঁযাজ ৩৫ টাকায় বিক্রি করেছি, যা এখন ৭৫ টাকা কেজি বিক্রি করতে হচ্ছে।

অন্যদিকে এই পাঁচ বছরে মাছ মাংসের দামও বেড়েছে। যেখানে বর্তমানে প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি ১৭৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, পাঁচ বছর আগে ১১০ টাকায় বিক্রি হয়েছে।

আবার সরবরাহ বেশি থাকলে ১০০ টাকায় পাওয়া গেছে। পাশাপাশি গরুর মাংস বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ৬০০ টাকা।

যা পাঁচ বছর আগে ৪৫০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। পাশাপাশি পাঁচ বছর আগে প্রতি কেজি রুই মাছ ২২০ টাকায় বিক্রি হলেও এখানে বিক্রি হচ্ছে ৩৫০ টাকা কেজি।

 


আরও খবর
নাটকীয় উত্থানে ঘুরে দাঁড়াল পুঁজিবাজার

বৃহস্পতিবার ২১ অক্টোবর 20২১

নাটকীয় উত্থানে ঘুরে দাঁড়াল পুঁজিবাজার

বৃহস্পতিবার ২১ অক্টোবর 20২১




সাত কলেজে ভর্তি পরীক্ষার তারিখ পরিবর্তন

প্রকাশিত:সোমবার ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:সোমবার ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ৪৯৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) অধিভুক্ত সরকারি সাত কলেজের স্নাতক ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষে ভর্তি পরীক্ষার তারিখ পরিবর্তন করা হয়েছে।

সোমবার সাত কলেজের সমন্বয়ক ও ঢাকা কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক আই কে সেলিমউল্লাহ খন্দকার এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, নতুন সময় অনুযায়ী কলা ও সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ভর্তি পরীক্ষার তারিখ পরিবর্তন করা হয়েছে। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ৩০ অক্টোবরের পরিবর্ততে ১৩ নভেম্বর এ ভর্তি পরীক্ষা হবে। এরপর ৫ নভেম্বর বাণিজ্য ইউনিট ও ৬ নভেম্বর বিজ্ঞান ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

যেভাবে মূল্যায়ন হবে

মোট ১২০ নম্বরের ভিত্তিতে প্রার্থীদের অর্জিত মেধা স্কোরের ক্রমানুসারে মেধাতালিকা তৈরি করা হবে। এ জন্য মাধ্যমিক, ও লেভেল বা সমমানের পরীক্ষায় প্রাপ্ত জিপিএকে ২ দিয়ে গুণ; উচ্চ মাধ্যমিক ও এ লেভেল বা সমমানের পরীক্ষায় প্রাপ্ত জিপিএকে ২ দিয়ে গুণ করে এই দুইয়ের যোগফল ভর্তি পরীক্ষায় ১০০ নম্বরের মধ্যে প্রাপ্ত নম্বরের সঙ্গে যোগ দিয়ে ১২০ নম্বরের মধ্যে মেধা স্কোর নির্ণয় করা হবে। সে অনুযায়ী তৈরি করা হবে মেধাতালিকা।

ঢাবি অধিভুক্ত সাত কলেজ

ঢাকা কলেজ, ইডেন মহিলা কলেজ, সরকারি তিতুমীর কলেজ, সরকারি শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজ, কবি নজরুল সরকারি কলেজ, বদরুন্নেসা সরকারি মহিলা কলেজ ও সরকারি বাঙলা কলেজ।


আরও খবর



ফাইনালের হাতছানি নিয়ে মাঠে বাংলাদেশ

প্রকাশিত:বুধবার ১৩ অক্টোবর ২০২১ | হালনাগাদ:বুধবার ১৩ অক্টোবর ২০২১ | ৪৭৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে বাংলাদেশ বনাম নেপালের ম্যাচটি অলিখিত ফাইনালে রূপ নিয়েছে। তবে দুই দলের সামনে ভিন্ন দুই সমীকরণ। ২০০৫ সালের পর এই টুর্নামেন্টে আবার ফাইনাল খেলতে গেলে যেখানে জিততেই হবে বাংলাদেশ দলকে, সেখানে জামাল ভূঁইয়াদের জয় আটকে কোনোরকম ড্র করে ১ পয়েন্ট পেলেই ফাইনালে যাবে নেপাল। ১৬ বছর পর ফাইনালে উঠার এই লড়াইয়ে মাঠে নেমেছে বাংলাদেশ দল।

২০১৮ সালে ঢাকা সাফে সেমিফাইনালে খেলার জন্য এমন সমীকরণ দাঁড়িয়েছিল। তখন নেপালের প্রয়োজন ছিল জয় আর বাংলাদেশের ড্র। বাংলাদেশ সেই কাঙ্ক্ষিত ড্র আদায় করতে পারেনি। উল্টো হেরে টুর্নামেন্ট থেকে টানা চতুর্থবারের মতো গ্রুপ পর্ব থেকে বিদায় নেয়। এবার সেই ক্ষততে প্রলেপ দেওয়ার সুযোগ বাংলাদেশ দলের সামনে। মালদ্বীপের রাজধানী মালেতে ম্যাচটি শুরু হয় বাংলাদেশ সময় বিকেল ৫টায়।

নেপালের বিপক্ষে গ্রুপের শেষ ম্যাচে ফাইনাল নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ দলের কোচ অস্কার ব্রুজন আগের ম্যাচের একাদশ থেকে চারজন পরিবর্তন করেছেন।

বাংলাদেশ নেপালের সর্বশেষ লড়াইয়ে নেপাল ২-১ গোলে জিতেছিল নিজেদের মাঠে। আর সাফের সর্বশেষ তিন ম্যাচে (২০১১, ২০১৩ ও ২০১৮) বাংলাদেশ নেপালের বিপক্ষে হেরেছে। এবার নেপাল ড্র করলে প্রথমবারের মতো ফাইনাল খেলবে আর বাংলাদেশ জিতলে চতুর্থবারের মতো শিরোপার মঞ্চে থাকবে।

নেপালের বিরুদ্ধে বাংলাদেশের একাদশ: আনিসুর রহমান জিকো (গোলরক্ষক), তপু বর্মণ, তারিক কাজী, বিশ্বনাথ ঘোষ, টুটল হোসেন বাদশা, জামাল ভূঁইয়া (অধিনায়ক), ইব্রাহীম, বিপলু, সাদ উদ্দিন, রাকিব হোসেন ও সুমন রেজা।

 


আরও খবর