আজঃ মঙ্গলবার ১৬ জুলাই ২০২৪
শিরোনাম
চট্টগ্রামে সংঘর্ষে নিহতের সংখ্যা বেড়ে তিনজনে দাঁড়িয়েছে ঢাকা, চট্টগ্রাম, বগুড়া ও রাজশাহীতে বিজিবি মোতায়েন কোটা বহালে হাইকোর্টের রায় বাতিল চেয়ে লিভ টু আপিল ঢাকা কলেজের সামনে সংঘর্ষে একজনের মৃত্যু রাবিতে হলে ঢুকে মোটরসাইকেলে আগুন, ব্যাপক ভাঙচুর চট্টগ্রামে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে ছাত্রলীগের সংঘর্ষে নিহত ২ রায়সাহেব বাজারে গুলি, আহত জগন্নাথের ৪ শিক্ষার্থী রংপুরে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীর মৃত্যু রণক্ষেত্র সায়েন্সল্যাব: দফায় দফায় চলছে সংঘর্ষ, ঘটনাস্থলে নেই পুলিশ রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে বিক্ষোভ, শিক্ষার্থীদের সঙ্গে ছাত্রলীগের সংঘর্ষ

১৯ বছরে পা রাখল দুদক

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২১ নভেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২১ নভেম্বর ২০২৩ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

দুর্নীতি দমন ব্যুরো থেকে স্বাধীন দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) যাত্রা শুরু ২০০৪ সালের ২১ নভেম্বর। লক্ষ্য একটাই ব্যাহতভাবে দুর্নীতি দমন, নিয়ন্ত্রণ, প্রতিরোধ এবং উত্তম চর্চার বিকাশ। এরপর কেটে গেছে ১৮ বছর।

মঙ্গলবার (২১ নভেম্বর) ১৯তম বছরে পদার্পণ করবে রাষ্ট্রীয় দুর্নীতি দমন ও প্রতিরোধের একমাত্র প্রতিষ্ঠানটি।

কমিশনের ১৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে দিনব্যাপী কর্মসূচি গ্রহণ করেছে সংস্থাটি। কর্মসূচির অংশ হিসেবে এদিন সকাল দশটায় দুদকের প্রধান কার্যালয়ের সম্মেলনকক্ষে কমিশনের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অংশগ্রহণে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে। এছাড়াও সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের প্রধানগণ জেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সদস্যগণের সাথে আলোচনা সভায় অংশ নিবেন।

দিনটি উপলক্ষে দুদকের প্রধান কার্যালয়ে মঙ্গলবার দুপুরে গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা আয়োজন করা হয়েছে।

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে গৃহীত কর্মসূচিতে দুদক চেয়ারম্যান মোহাম্মদ মঈনউদ্দীন আবদুল্লাহ্, কমিশনার (তদন্ত) মো. জহুরুল হক, কমিশনার (অনুসন্ধান) মোছা. আছিয়া খাতুন, সচিব মো. মাহবুব হোসেন, মহাপরিচালকগণসহ কমিশনের সকল কর্মকর্তা-কর্মচারী অংশগ্রহণ করবেন।

সীমিত জনবল নিয়ে দুর্নীতির কয়েক হাজার অনুসন্ধান ও মামলার চাপে রয়েছে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানটি। দিন দিন বাড়ছে মামলা ও অনুসন্ধান। এক পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, চলতি বছরের জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দুদকে ৮৭ টি মামলায় আসামি করা হয়েছে ১৪৪ জনকে। আর ৯১২ টি চার্জশিট অনুমোদন করা হয়েছে। আলোচ্য সময়ে আসামিদের ২২ কোটি ৭ লাখ ১৬ হাজার ৫২৪ টাকার সম্পদ ক্রোক ও ৮ কোটি ৫৭ লাখ ৬৩ হাজার ৫২৬ টাকার সম্পদ অবরুদ্ধ করা হয়েছে।


আরও খবর
কে এই আবেদ আলী

সোমবার ০৮ জুলাই ২০২৪




সময় নিয়েও দুদকে হাজির হননি বেনজীর

প্রকাশিত:রবিবার ২৩ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ২৩ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদ দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) হাজির হননি। অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাকে দ্বিতীয়বারের মতো আজ রোববার (২৩ জুন) সকাল ১০টায় দুদকের প্রধান কার্যালয়ে ডাকা হয়েছিল।

বেলা ১১টা ২০ মিনিটি পর্যন্ত তিনি সেগুনবাগিচায় দুদকের প্রধান কার্যালয়ে যাননি। দুদকের তদন্ত কমিটির সামনে হাজির হওয়ার ব্যাপারে তার অনুরোধে তাকে অতিরিক্ত ১৭ দিন সময় দেওয়া হয়েছিল।

এর আগে গত ২৮ মে বেনজীর আহমেদকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ৬ জুন তলব করে দুদক। একই সঙ্গে বেনজীরের স্ত্রী ও সন্তানদের ৯ জুন তলব করা হয়। দুদকের তলবে হাজির হওয়ার আগের দিন অর্থ্যাৎ ৫ জুন, আইনজীবীর মাধ্যমে দুদকের অনুসন্ধান দলের কাছে বেনজীর ১৫ দিনের সময় চান।

এরপর ৬ জুন বিকেলে দুদক সচিব খোরশেদা ইয়াসমীন জানান, সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদ জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগের বিষয়ে দুদক তলব করলেও শুনানিতে অনুপস্থিত থাকায় আগামী ২৩ জুন নতুন তারিখ ঘোষণা করেছে দুদক।

এদিকে গত ২০ জুন সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গণে দুদকের আইনজীবী মো. খুরশীদ আলম খান সাংবাদিকদের জানান, ২৩ জুন দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) বেনজীর আহমেদকে হাজির হতে হবে। এ সময়ে তিনি হাজির না হলে তাকে আর সময় দেওয়া হবে না।

গত ৩১ মার্চ গণমাধ্যমে বেনজীরের ঘরে আলাদীনের চেরাগ শিরোনামে সংবাদ প্রকাশিত হয়। প্রতিবেদনে বলা হয়, পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক বেনজীর আহমেদ তার স্ত্রী জিশান মির্জা এবং দুই মেয়ে ফারহিন রিশতা বিনতে বেনজীর ও তাহসিন রাইসা বিনতে বেনজীরের নামে বিপুল পরিমাণ সম্পদ অর্জন করেছেন।

ওই প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, ঢাকার অভিজাত এলাকাগুলোতে বেনজীর আহমেদের দামি ফ্ল্যাট, বাড়ি আর ঢাকার পাশে বিঘার পর বিঘা জমি রয়েছে। দুই মেয়ের নামে বেস্ট হোল্ডিংস ও পাঁচতারা হোটেল লা মেরিডিয়ানের রয়েছে দুই লাখ শেয়ার। পূর্বাচলে রয়েছে ৪০ কাঠার সুবিশাল জায়গাজুড়ে ডুপ্লেক্স বাড়ি, যার আনুমানিক মূল্য কমপক্ষে ৪৫ কোটি টাকা। একই এলাকায় আছে ২২ কোটি টাকা মূল্যের আরও ১০ বিঘা জমি। অথচ গত ৩৪ বছর ৭ মাসের দীর্ঘ চাকরি জীবনে বেনজীর আহমেদের বেতন-ভাতা বাবদ মোট আয় ১ কোটি ৮৪ লাখ ৮৯ হাজার ২০০ টাকার মতো হওয়ার কথা।

এ অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে গত ২২ এপ্রিল পুলিশের সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদের দুর্নীতির অনুসন্ধান চেয়ে হাইকোর্টে রিট করা হয়।

এরপর গত ২৩ ও ২৬ মে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকা মেট্রোপলিটন সিনিয়র স্পেশাল জজ মোহাম্মদ আসসামছ জগলুল হোসেনের আদালত বেনজীর আহমেদ এবং তার স্ত্রী জিশান মির্জা, বড় মেয়ে ফারহিন রিশতা বিনতে বেনজীর ও ছোট মেয়ে তাহসিন রাইসা বিনতে বেনজীরের নামে বিভিন্ন সম্পত্তির দলিল, ঢাকায় ফ্ল্যাট ও কোম্পানির শেয়ার জব্দের নির্দেশ দেন।

এছাড়া তাদের বিও হিসাব (বেনিফিশিয়ারি ওনার্স অ্যাকাউন্ট) অবরুদ্ধ (ফ্রিজ) করতে সোমবার (২৭ মে) সেন্ট্রাল ডিপোজিটরি বাংলাদেশ লিমিটেডকে (সিডিবিএল) নির্দেশ দিয়েছে পুঁজিবাজারের নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটি অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)।


আরও খবর
কে এই আবেদ আলী

সোমবার ০৮ জুলাই ২০২৪




ঠাকুরগাঁওয়ে ১৭ শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা

প্রকাশিত:শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
রেদওয়ানুল হক মিলন, ঠাকুরগাঁও

Image

এবার ঠাকুরগাঁও সরকারি কলেজ থেকে একই ব্যাচের ১৭জন শিক্ষার্থী মেডিকেল কলেজে চান্স পাওয়ায় তাদের সংবর্ধনা দিয়েছে এসএসসি-৯৯ ব্যাচ ঠাকুরগাঁও। আজ জেলা সদর উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্সে হল রুমে তাঁদের এ সংবর্ধনা দেওয়া হয়।

একই সাথে এবছরে রংপুর বিভাগের মাধ্যমিক পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ শিক্ষার্থী ঠাকুরগাঁও সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্রী প্রাপ্তি সারোয়ারকেও সন্মাননা ও ক্রেস্ট দেওয়া হয়। তাদেরকে সন্মাননা করায় এসএসসি ৯৯ এর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন শিক্ষার্থীরা।

এছাড়াও এ সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে স্কাউটিং এ অসামান্য অবদান রাখা ও জাতীয় পর্যায়ে ২য় সর্বোচ্চ রৌপ্য ইলিশ পদকে ভূষিত ঠাকুরগাঁওয়ের শিক্ষক এবং রংপুর বিভাগীয় মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের সাবেক উপ-পরিচালক আখতারুজ্জামানকেও সংবর্ধনা প্রদান করা হয়।

অনুষ্ঠানে এসএসসি-৯৯ ব্যাচের সদস্য রক্তিম বড়ুয়ার সঞ্চালনায় প্রধাণ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, রংপুর বিভাগীয় মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের সাবেক উপ-পরিচালক আখতারুজ্জামান।

এছাড়া এসএসসি ৯৯ এর পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন, বীরগঞ্জ মনোরঞ্জন শীল গোপাল কলেজের অধ্যক্ষ শাহেদ কমল কাদেরী, ঠাকুরগাঁও জেলা পরিষদের সদস্য আফসানা আক্তার চামেলি, ঠাকুরগাঁও জেনারেল হাসপাতালের মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ডা. হাবিব রসুল লিটন, দন্তরোগ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ডা. সাব্বির মোর্শেদ সাথীসহ প্রমুখ।

অনুষ্ঠানে আমন্ত্রন করা হয় এবছর ঠাকুরগাঁও সরকারি কলেজ থেকে বিভিন্ন মেডিকেল কলেজে চান্সপ্রাপ্ত নিয়মিত ব্যাচের ১৭জন কৃতী শিক্ষার্থীদের। আমন্ত্রিত হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তাদের অভিভাবকরাও। পরে সংগীতায়োজন দিয়ে অনুষ্ঠান সমাপ্ত হয়।

নিউজ ট্যাগ: ঠাকুরগাঁও

আরও খবর



নাগরিকদের লেবানন ছাড়তে ৭ দেশের নির্দেশনা

প্রকাশিত:রবিবার ৩০ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ৩০ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

ফিলিস্তিন ইসরায়েল যুদ্ধের উত্তেজনা ছড়িয়েছে লেবনানেও। দেশটির প্রতিরোধ গোষ্ঠী হিজবুল্লাহর সাথে ইসরায়েলে হামলা-পাল্টা হামলা চলে আসছে। এমন পরিস্থিতিতে সাতটি দেশ তাদের নাগরিকদের লেবানন ছাড়ার জন্য অনুরোধ জানিয়েছে। শনিবার (২৯ জুন) আনাদোলু এজেন্সির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বৈরুতে অবস্থিত সৌদি দূতাবাস শনিবার লেবাননে অবস্থানরত দেশটির নাগরিকদের অবিলম্বে লেবাননের ভূখণ্ড ত্যাগ করার আহ্বান জানিয়েছে। এছাড়া যেকোনো পরিস্থিতিতে দূতাবাসের সাথে যোগাযোগ রাখার প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দিয়েছে সৌদি।

অস্ট্রেলিয়াও নিজেদের নাগরিকদের একই পরামর্শ দিয়েছে।অস্থিতিস্থীল পরিবেশের কথা উল্লেখ করে দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী নাগরিকদের লেবানন ছাড়ার নির্দেশনা দিয়েছেন। আপাতত দেশটি ভ্রমণ না করার অনুরোধ জানান তিনি।

একই অনুরোধ জানিয়েছে নেদারল্যান্ডসের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। বাণিজ্যিক বিমান চালু থাকা অবস্থায় দেশটি থেকে নিজেদের নাগরিকদের দেশে ফেরার আহ্বান জানিয়েছে দেশটি। এ ছাড়া জার্মানি, কানাডা ও উত্তর মেসিডোনিয়া এবং কুয়েত একই আহ্বান জানিয়েছে। এ ছাড়া গত ২২ জুন কুয়েত তাদের নাগরিকদের যতদ্রুত সম্ভব লেবানন ছাড়ার অনুরোধ জানিয়েছে।

এর আগে লেবাননের প্রতিরোধ গোষ্ঠীর সঙ্গে ইসরায়েলের দফায় দফায় হামলা-পাল্টা হামলার বিষয়ে ইসরায়েলকে সতর্ক করে যুক্তরাষ্ট্র-জার্মানি। সংবাদমাধ্যম ডয়েচে ভেলে জানায়, ইসরায়েলের পরিকল্পনা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র, জার্মানি ও তুরস্ক উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। বার্লিন ও ওয়াশিংটন জানিয়েছে, যুদ্ধ আরও প্রসারিত হলে ফল কী হবে তা নিয়ে তারা উদ্বিগ্ন।

জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক সিনিয়র কর্মকর্তা মার্টিন গ্রিফিথস বলেন, যুদ্ধের পরিধি ও তীব্রতা বাড়লে তার ফল মারাত্মক হবে। আমি এটিকে ফ্লাশ পয়েন্ট হিসেবে দেখছি।

গত সাত অক্টোবর থেকে গাজায় হামলা চালিয়ে আসছে ইসরায়েল। দেশটির এ হামলার পর থেকে সংঘাতে জড়িয়েছে লেবাননের হিজবুল্লাহও। অন্যদিকে এ হামলায় ইসরায়েলকে সহযোগিতা করে আসছে যুক্তরাষ্ট্রসহ বিভিন্ন দেশ।

জার্মানির পররাষ্ট্রমন্ত্রী বেয়ারবক বলেন, আরেকটি যুদ্ধ মানে আঞ্চলিক সংঘাতের সম্ভাবনা অভাবনীয় আকারে বেড়ে যাওয়া। ইসরায়েল ও লেবাননের মধ্যে যুদ্ধ হলে বিপদ বাড়বে বলেও জানান তিনি।

মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী লয়েড অস্টিন বলেন, ইসরায়েল ও হিজবুল্লাহর মধ্যে যুদ্ধ হলে তা আঞ্চলিক যুদ্ধে রূপ নেবে। কূটনৈতিক পথে এ উত্তেজনা কমাতে হবে বলেও জানান তিনি।


আরও খবর



চট্টগ্রাম বন্দর থেকে কন্টেইনার ভর্তি বিদেশি সিগারেট জব্দ

প্রকাশিত:শুক্রবার ২৮ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৮ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
রাহুল সরকার, চট্টগ্রাম ব্যুরো

Image

পানির ফিল্টারের ঘোষণায় চট্টগ্রাম বন্দরে এলো কনটেইনারভর্তি বিদেশি সিগারেট। হামকো কর্পোরেশন নামে একটি ঢাকার প্রতিষ্ঠান এসব আমদানি করা সিগারেট জব্দ করেছে চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউস ও শুল্ক দফতরের গোয়েন্দারা। এতে ৫০ লাখ পিস মন্ড ব্র্যান্ডের সিগারেট পাওয়া যায়। যার দাম ৫ কোটি টাকা।

স্থানীয়ভাবে বিদেশি সিগারেট উৎপাদন ব্যাহত করার চেষ্টায় অবৈধভাবে বিদেশ হতে সিগারেটগুলো আনা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার রাত ১২টায় চট্টগ্রাম চট্টগ্রাম কাস্টম হাউস তল্লাশি চলাকালে অবৈধ সিগারেট জব্দ করা হয়। এ তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন চট্টগ্রাম কাস্টম ডেপুটি কমিশনার এ কে এম খাইরুল বাশার।

তিনি বলেন, 'গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে বুধবার (২৬ জুন) দুপুর ১টায় চট্টগ্রাম বন্দরে আসা একটি ২০ ফুটের কন্টেইনার জব্দ করা হয়। বৃহস্পতিবার রাত ১২ টায় তল্লাশি করা হয়। এসময় কাস্টমসের নিরীক্ষা, অনুসন্ধান ও গবেষণা (এআইআর) শাখা কায়িক পরীক্ষায় ২৫০০ হাজার কার্টুন মন্ড সিগারেট উদ্ধার করা হয়েছে। ২৫০টি প্যাকেজে ৫০ লাখ শলাকা সিগারেট উদ্ধার। সেখানে গ্রিন আপেল ও স্ট্রবেরি ফ্লেভারের মন্ড সিগারেটগুলো পানি ফিল্টারের নামে আমদানি করার চেষ্টা করছিলো হামকো কর্পোরেশন লিমিটেড নামে ঢাকার একটি প্রতিষ্ঠান। প্রতিষ্ঠানটি দ্যা সিটি ব্যাংক লিমিটেড থেকে এলসি নিয়ে ব্যাংককের এশিয়ান গ্লোবাল কোম্পানি লিমিটেড থেকে চট্টগ্রাম বন্দরে আনে। এতে বিপুল পরিমাণ রাজস্ব ফাঁকি দেওয়া চেষ্টা করা হয়েছিলো। সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।'

কাস্টমস সূত্র জানায়, পানি বিশুদ্ধকরণ যন্ত্র আমদানিতে করহার ২৫ শতাংশ। আর সিগারেট আমদানিতে ৬০০-৬৫০ শতাংশ কর দিতে হয়। নিয়ম অনুযায়ী সিগারেটের মান ঠিক থাকলে চালানটি বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশনের কাছে বিক্রি করা হবে। যদি না হলে আইন অনুযায়ী ধ্বংস করা হবে


আরও খবর



টালমাটাল এনবিআর: মতিউর-ফয়সালের পর ফাঁসছেন আরেক কর্মকর্তা

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০২ জুলাই 2০২4 | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ০২ জুলাই 2০২4 | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

ছাগলকাণ্ডে টালমাটাল অবস্থা জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর)। সাদিক এগ্রোর ১৫ লাখ টাকার ওই ছাগল কিনে নেট দুনিয়ায় ঝড় তুলে দেন মুশফিকুর রহমান ইফাত নামে এক তরুণ। এ নিয়ে গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের সঙ্গে সঙ্গেই সামনে চলে আসে তারা বাবা মতিউর রহমানের নাম। এনবিআরের উচ্চপদস্ত একজন কর্মকর্তা তিনি। এরপরই বের হতে থাকে তার একের পর এক অবৈধ আয়ের খবর। একদিকে হারান স্বীয় পদ, অন্যদিকে জোর তদন্তে নামে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

অনুসন্ধানে খোঁজ মেলে মতিউর আর তার পরিবারের অবৈধ সম্পদের পাহাড়ের। এই অনুসন্ধান চলাকালেই দুদকের নজরে পড়ে এনবিআরের প্রথম সচিব ও অতিরিক্ত কর কমিশনার কাজী আবু মাহমুদ ফয়সালের ওপর। নিজের এবং স্বজনদের নামে কোটি কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ গড়েছেন তিনিও। মতিউর ও ফয়সালের বিশাল অবৈধ সম্পদ অর্জনের খবর যখন মানুষের মুখে মুখে, ঠিক তখনই অবৈধভাবে কোটি টাকা অর্জনকারী আরেক এনবিআর কর্মকর্তার খোঁজ পেল দুদক।

প্রাথমিক অবস্থায় প্রায় ৪ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের দায়ে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) কাস্টমস বিভাগের সাবেক সহকারী কমিশনার মোখলেছুর রহমান, তার স্ত্রী কান্তি রহমান ও ছেলে ফাইজুর রহমানের বিরুদ্ধে ইতোমধ্যে অভিযোগপত্র দেওয়ার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। কমিশনের পক্ষ থেকে অভিযোগপত্র অনুমোদন পাওয়ার পর এখন চলছে আদালতে দাখিল করার প্রক্রিয়া।

দুদক সূত্রে জানা গেছে, শিগগির এনবিআরের এ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে তদন্ত কর্মকর্তা ও দুদকের সহকারী পরিচালক আলমগীর হোসেন আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করবেন। এনবিআরের কাস্টমস বিভাগের সদস্য আলোচিত মতিউর রহমান ও কর বিভাগের প্রথম সচিব কাজী আবু মাহমুদ ফয়সালের বিরুদ্ধেও অনুসন্ধান চলছে।

এদিকে সোমবার (১ জুলাই) রাজস্ব বোর্ডের সাবেক আরেক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জনের দায়ে মামলা হয়েছে। ৭ কোটি ৭৫ লাখ ৭ হাজার ৪৯৯ টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সাবেক সহকারী পরিচালক বদরুন নাহারের নামে মামলা করেছে দুদক।

দুদক সূত্রে জানা গেছে, সাবেক এনবিআর কর্মকর্তা মোখলেছুর ও তার পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে চার কোটি টাকার অবৈধ সম্পদের খোঁজ পাওয়া গেছে। মোখলেছুর রহমান ঘুষ ও দুর্নীতির মাধ্যমে অর্জিত অর্থ দিয়ে স্ত্রী ও ছেলের নামে সম্পদ গড়ে নিজেকে রক্ষার চেষ্টা করেছেন। এমনকি দুদকের কাজে বাধা তৈরি করতে বিভিন্ন সময়ে উচ্চ আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন। অবশ্য আইনগত সব জটিলতা কাটিয়ে শেষ পর্যন্ত মোখলেছুর রহমানের পরিবারের তিন সদস্যকে এখন চার্জশিটভুক্ত করতে সক্ষম হয়েছে কমিশন।

জানা গেছে, গত ২৫ জুন কমিশনের পক্ষ থেকে কাস্টমস কর্মকর্তা মোখলেছুর রহমানসহ তিন জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিলের জন্য অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ২০২১ সালের ২ নভেম্বর দুদকের ময়মনসিংহ জেলা কার্যালয়ে তাদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছিল।

তদন্ত প্রতিবেদন সূত্রে জানা যায়, মো. মোখলেছুর রহমান খান ১৯৮০ সালের কাস্টমস ও এক্সসাইজ অফিস বিভাগে পরিদর্শক পদে যোগদান করেন। ২০১২ সালে সহকারী কমিশনার পদে পদোন্নতি পান তিনি। ২০১৬ সালের ৫ আগস্ট সহকারী কমিশনার হিসেবে ঢাকা দক্ষিণ কাস্টমস এক্সসাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেট থেকে অবসর গ্রহণ করেন। চার্জশিটে দ্বিতীয় আসামি মোখলেছুরের স্ত্রী কান্তি রহমান। তাদের দুই ছেলের মধ্যে একজন ব্রিটিশ পাসপোর্টধারী এবং অন্যজন একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেন।

মোখলেছুর রহমান চাকরিকালে নিজ নামে ৫৪ লাখ ৯৮ হাজার ৪০৬ টাকার স্থাবর এবং দুই কোটি ৭৭ লাখ ৮৮ হাজার ৬৭৫ টাকার অস্থাবর সম্পদের মালিকানা অর্জন করেছেন। তার মোট স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদের পরিমাণ তিন কোটি ৩২ লাখ ৮৭ হাজার ৮১ টাকা। তার পারিবারিক ব্যয় এক কোটি ৬৩ লাখ ৪২ হাজার ২৪৬ টাকাসহ মোট অর্জিত সম্পদের পরিমাণ ৪ কোটি ৯৬ লাখ ২৯ হাজার ৩৩৩ টাকা। এর বিপরীতে তার মোট আয় পাওয়া যায় ৪ কোটি ৩০ লাখ ৮২ হাজার ২২০ টাকা। অর্থাৎ ৬৫ লাখ ৪৭ হাজার ১১৩ টাকা অবৈধ হিসাব হিসেবে প্রমাণ পাওয়া গেছে। যা দুদক আইন ২০০৪ এর ২৭(১) ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ।

মোখলেছুরের স্ত্রী কান্তি রহমানের নামে তিন কোটি ৪১ লাখ ৭০ হাজার ২০৫ টাকার স্থাবর এবং ৬ লাখ ৭৯ হাজার টাকার অস্থাবর সম্পদসহ মোট তিন কোটি ৪৮ লাখ ৪৯ হাজার ২০৫ টাকার সম্পদের বিবরণ পেয়েছে দুদক। যা পারিবারিক ব্যয়সহ মোট চার কোটি ২৯ লাখ ৩৬ হাজার ৩৭১ টাকা হয়। আর ওই সম্পদের বিপরীতে জ্ঞাত আয়ের উৎসের সঙ্গে সংগতিপূর্ণ অর্থাৎ গ্রহণযোগ্য আয় পাওয়া যায় মাত্র এক কোটি ১৮ লাখ ৯ হাজার ৭১৮ টাকা। অর্থাৎ ৩ কোটি ১১ লাখ ২৬ হাজার ৬৫৩ টাকা অবৈধ হিসাবে প্রমাণিত হয়েছে দুদকের তদন্তে।

এদিকে, তৃতীয় আসামি ও মো. মোখলেছুর রহমান খানের বড় ছেলে মো. ফয়জুর রহমান খান বর্তমানে বিদেশে থাকলেও তার বিরুদ্ধে আইনগত অপরাধ মিলেছে দুদকের তদন্তে। একটি বেসরকারি কোম্পানিতে চাকরিরত অবস্থায় ফয়জুর রহমান ২০০৯ সালের ২৫ নভেম্বর গুলশান মডেল টাউন আবাসিক এলাকার সিডব্লিউএন (বি) ব্লকের ৩৬ নং রোডে জেনেটিক রিচমন্ড নামের একটি ভবনে কার পার্কিং স্পেসসহ ২১ লাখ ৩৮ হাজার ৮১৯ টাকায় ১৯৫০ বর্গফুটের ফ্ল্যাট ক্রয় করেন। দালিলিক মূল্য ওই টাকা হলেও বাস্তবে ফ্ল্যাটের মূল্য ছিল দুই থেকে তিন কোটি টাকা। এছাড়া, তার নামে কিশোরগঞ্জে ৫০ শতক জমি ও ৫ লাখ ৭৯ হাজার ৮০০ টাকা ব্যাংক ব্যালেন্সসহ অস্থাবর সম্পদ মিলিয়ে মোট ২৭ লাখ ৮৩ হাজার ৬১৯ টাকার সম্পদের সন্ধান মিলেছে। যার বিপরীতে তার প্রমাণযোগ্য মোট আয় পাওয়া যায় ৪০ হাজার টাকা। এখানে ২৭ লাখ ৪৩ হাজার ৬১৯ টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনে তার বাবা মো. মোখলেছুর রহমান খান তাকে প্রত্যক্ষভাবে সহযোগিতা করেছেন এবং তিনি তার বাবার অবৈধ উপায়ে অর্জিত সম্পদকে বৈধ করার অপচেষ্টা করেছেন। কৌশল হিসেবে নিজের নামে রেখে তার বাবাকে আমমোক্তার নিয়োগ করেছেন। সে কারণে মো. ফাইজুর রহমান খানকে সহযোগী আসামি করা হয়েছে।


আরও খবর
কে এই আবেদ আলী

সোমবার ০৮ জুলাই ২০২৪