আজঃ শনিবার ২৩ অক্টোবর ২০২১
শিরোনাম

২০ প্রতিষ্ঠানের কাছে জিম্মি সোনালী ব্যাংক

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১২ অক্টোবর ২০২১ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১২ অক্টোবর ২০২১ | ৬৭৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

শীর্ষ ২০ খেলাপি প্রতিষ্ঠানের কাছে জিম্মি রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন সোনালী ব্যাংক। ঋণের অর্থও আদায় হচ্ছে না, আবার অর্থ আদায়ে দৃশ্যমান কোনো ব্যবস্থাও নিতে দেখা যাচ্ছে না। ফলে মন্দ ঋণের বোঝা চেপে বসেছে ব্যাংকটির ঘাড়ে। দিনের পর দিন দুর্বল হয়ে পড়ছে আর্থিক প্রতিষ্ঠানটি।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, নানা অব্যবস্থাপনা ও অনিয়ম-দুর্নীতির মাধ্যমে দেওয়া এসব ঋণ ফেরত পাওয়ার সম্ভাবনা খুবই কম। তবে বিদ্যমান আইনের যথাযথ প্রয়োগ নিশ্চিত করতে পারলে অনিয়ম কিছুটা কমে আসবে। কিন্তু বাস্তবতা হলো, বিড়ালের গলায় ঘণ্টা বাঁধার লোক খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না।

এ বিষয়ে বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ব্যাংক ম্যানেজমেন্টের (বিআইবিএম) সাবেক মহাপরিচালক ড. মইনুল ইসলাম বলেন, এটা অনেক পুরোনো এবং পাতানো খেলা। এর সঙ্গে ব্যাংকের পর্ষদ, ব্যাংকার ও সরকার জড়িত। সব জায়গায় একটা অসাধু চক্র থাকে। তারাই এই অপকর্ম করে। শুধু সোনালী ব্যাংক নয়, পুরো ব্যাংকিং খাতে এ চিত্র। ঋণ পুনঃতপশিলের পাশাপাশি অর্থঋণ আদালতেও আটকে আছে প্রায় ২ লাখ কোটি টাকার খেলাপি ঋণ। যদিও সব সময় বলে থাকি প্রকৃত খেলাপি ঋণ ৪ লাখ কোটি টাকা ছাড়িয়ে গেছে। কিন্তু মামলা চলমান থাকায় এসব টাকাকে খেলাপি বলা যাচ্ছে না। পুরো টাকাই বিদেশে পাচার হয়ে গেছে। এ টাকা আদায়ের সম্ভাবনা নেই। তবুও বিশেষ ট্রাইব্যুনাল গঠন করে এসব টাকা আদায়ের চেষ্টা করতে হবে।

সোনালী ব্যাংকের হালনাগাদ এক প্রতিবেদন অনুযায়ী ২০২০ সালের ডিসেম্বর শেষে ব্যাংকের খেলাপি ঋণের অঙ্ক দাঁড়িয়েছে ১০ হাজার ৭২১ কোটি টাকা, যা বিতরণ করা ঋণের ২০ দশমিক ৪৮ শতাংশ। এর মধ্যে শীর্ষ ২০ খেলাপির কাছেই পাওনা ৪ হাজার ৮৩ কোটি টাকা, যা মোট খেলাপির ৩৮ শতাংশ। চলতি বছরে এসব বড় খেলাপির কাছ থেকে ঋণ আদায়ের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে ২ হাজার ২৩২ কোটি টাকা। কিন্তু জানুয়ারি থেকে আগস্ট পর্যন্ত শীর্ষ ১৬ খেলাপি প্রতিষ্ঠান থেকে এক টাকাও আদায় হয়নি। এর মধ্যে রয়েছে হলমার্ক গ্রুপের সহযোগী প্রতিষ্ঠান মেসার্স টি অ্যান্ড ব্রাদার্সের ৪৯০ কোটি টাকা, মেসার্স হলমার্ক গ্রুপের ৪৮৪ কোটি টাকা, তাইপে বাংলা ফেব্রিক্সের ৩৩২ কোটি টাকা, মেসার্স ফেয়ার অ্যান্ড ফেব্রিক্সের ৩১৬ কোটি টাকা, মেসার্স রহমান গ্রুপের ৩১৪ কোটি টাকা, মেসার্স লীনা গ্রুপের ২১৫ কোটি টাকা, রতনপুর স্টিল রিরোলিং মিলসের ১৮২ কোটি টাকা, মেসার্স মেঘনা কনডেন্স মিল্কের ১৩১ কোটি টাকা, মেসার্স সোনালী জুট মিলের ১২৭ কোটি টাকা, মেসার্স এ কে জুট ট্রেডিংয়ের ১১৭ কোটি টাকা, মেসার্স ওয়েস্টার্ন মেরিন শিপইয়ার্ডের ১১৬ কোটি টাকা, মেসার্স সুপ্রিম জুট অ্যান্ড নিটেক্সের ১০৬ কোটি টাকা, মেসার্স ইস্টার্ন ট্রেডার্স ৯৩ কোটি টাকা, ফারুক ডাইং নিটিং অ্যান্ড ম্যানুফেকচারিংয়ের ৯০ কোটি টাকা, মেসার্স সানবীম টেক্সটাইল মিলস লিমিটেডের ৮৬ কোটি টাকা এবং মেসার্স সাইয়ান করপোরেশনের ৭৬ কোটি টাকা। তবে এ সময়ে বাকি চার খেলাপি প্রতিষ্ঠান থেকে আদায় হয়েছে লক্ষ্যমাত্রার ০.৪৩ শতাংশ মাত্র।

এদিকে ঋণ অবলোপন থেকে আদায় পরিস্থিতি আরও খারাপ। সোনালী ব্যাংকের প্রতিবেদন অনুযায়ী শীর্ষ ২০ গ্রাহক প্রতিষ্ঠানের ঋণ অবলোপন করা হয়েছে ২ হাজার ৭২৯ কোটি টাকা। এর মধ্যে গত ৮ মাসে ১৮ প্রতিষ্ঠান এক টাকাও ফেরত দেয়নি। বাকি দুই প্রতিষ্ঠান থেকে আগস্ট পর্যন্ত আদায় হয়েছে মাত্র ১৮ কোটি টাকা, যা বার্ষিক লক্ষ্যমাত্রার ৬.৮৬ শতাংশ।

প্রতিবেদন পর্যালোচনায় দেখা যায়, বহুল আলোচিত হলমার্ক গ্রুপের ১ হাজার ২২৯ কোটি টাকা অবলোপন করেছে সোনালী ব্যাংক। তবে গত ৮ মাসে আদায় হয়নি এক টাকাও। হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল করপোরেট শাখা থেকে জালিয়াতি হওয়া এসব টাকার পুরোটাই এখন আদায় অনিশ্চিত। নারায়ণগঞ্জ করপোরেট শাখার গ্রাহক মেসার্স নিউ রাখী টেক্সটাইল মিলসের ১২৩ কোটি টাকা অবলোপন করা হয়েছে। এর বিপরীতে কোনো টাকাই ফেরত আসেনি। কাগজে-কলমে রয়ে গেছে নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা। চলতি বছরে এই গ্রাহক থেকে ১২ কোটি টাকা আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছিল সোনালী ব্যাংক। কিন্তু ৮ মাস পার হয়ে গেলেও আদায়ের তালিকা শূন্য। এছাড়া আগ্রাবাদ করপোরেট শাখার গ্রাহক মেসার্স জাসমির ভেজিটেবল অয়েলের অবলোপন ১০৬ কোটি টাকা। ১০ কোটি টাকা আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করলেও জানুয়ারি থেকে আগস্ট পর্যন্ত কোনো টাকা আদায় হয়নি। একই অবস্থা ৯৬ কোটি টাকা অবলোপন করা রমনা করপোরেট শাখার গ্রাহক মেসার্স ফেয়ার এক্সপোর। কোনো টাকা ফেরত নেই। অবলোপনের এক টাকাও ফেরত না দেওয়া গ্রাহকের তালিকায় আরও রয়েছে মেসার্স আলফা টোবাকো। যশোর করপোরেট শাখার এই গ্রাহকের অবলোপনের পরিমাণ ৯৬ কোটি টাকা। ঢাকার স্থানীয় কার্যালয়ের গ্রাহক মেসার্স ওয়ান স্পিনিং মিলসের অবলোপন করা হয়েছে ৯৪ কোটি টাকা। কিন্তু ফেরত আসেনি এক টাকাও। ফরিদপুর শাখা মেসার্স রোকেয়া টেক্সটাইল মিলসের ৮৩ কোটি টাকা অবলোপন করা হলেও তিনি কোনো টাকা ফেরত দেননি গত ৮ মাসে। নারায়ণগঞ্জ করপোরেট শাখার গ্রাহক মেসার্স সাহিল ফ্যাশন লিমিটেড। ১৮ কোটি টাকা অবলোপনের বিপরীতে ৮ কোটি টাকা আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা থাকলেও জানুয়ারি থেকে আগস্ট পর্যন্ত কোনো টাকা আদায় নেই। আগ্রাবাদ করপোরেট শাখার অপর গ্রাহক মেসার্স ইমাম ট্রেডার্স। ৮০ কোটি টাকা অবলোপন করা হয়েছে এই গ্রাহকের। তবে আদায় হয়নি কোনো টাকা। এছাড়া মেসার্স সুমিস সোয়েটার, মেসার্স ইউনিটি নিটওয়্যার, মেসার্স সিদ্দিক ট্রেডার্স, মেসার্স কেপিএফ টেক্সটাইল, মেসার্স মুন নিটওয়্যার, মেসার্স এআর খান সাইজিং অ্যান্ড ফেব্রিক্স, মেসার্স সাহিল নিটওয়্যার, যাদু স্পিনিং মিলস এবং মাস্ক সোয়েটার অবলোপন করা ঋণের কোনো টাকা ফেরত দেয়নি। তবে মেসার্স ইম্পেরিয়াল ডাইয়িং অ্যান্ড হোসিয়ারি লিমিটেড এবং মেসার্স রিভারসাইড লেদার অ্যান্ড ফুটওয়্যার লিমিটেড ফেরত দিয়েছে ১৮ কোটি ৭১ লাখ টাকা।

সার্বিক বিষয়ে জানতে চাইলে সোনালী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মো. আতাউর রহমান প্রধান বলেন, ছোট গ্রাহকের ঋণ ফেরত আসছে। এছাড়া বড়দের মধ্যে একটি অংশ ভালো। এর বাইরে নতুন ঋণও নিয়মিত আছে। কিন্তু পুরোনো এবং ইচ্ছাকৃত ঋণখেলাপিরা সবচেয়ে বিপজ্জনক। এটি সবাই জানেন। তবে ঋণ আদায়ে সব ধরনের চেষ্টা অব্যাহত আছে। ইচ্ছাকৃত ঋণখেলাপির সংজ্ঞা নির্ধারণ নিয়ে কাজ করছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এরপর হয়তো কোনো একটা সমাধান বেরিয়ে আসবে।


আরও খবর
নাটকীয় উত্থানে ঘুরে দাঁড়াল পুঁজিবাজার

বৃহস্পতিবার ২১ অক্টোবর 20২১

নাটকীয় উত্থানে ঘুরে দাঁড়াল পুঁজিবাজার

বৃহস্পতিবার ২১ অক্টোবর 20২১




৫ অক্টোবর: ইতিহাসের এই দিনে

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৫ অক্টোবর ২০২১ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ০৫ অক্টোবর ২০২১ | ৫৩৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image
কলকাতা হাইকোর্টের প্রাক্তন বিচারপতি ফতিমা বিবি ভারত সুপিমকোর্টের প্রথম মহিলা বিচারপতি মনোনীত হন

৫ অক্টোবর ২০২১,মঙ্গলবার। ১৯ আশ্বিন, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ। গ্রেগরীয় বর্ষপঞ্জী অনুসারে বছরের ২৭৮তম (অধিবর্ষে ২৭৯তম) দিন। বছর শেষ হতে আরো ৮৭ দিন বাকি রয়েছে। এক নজরে দেখে নিন ইতিহাসের এ দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনের জন্ম-মৃত্যুদিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।

ঘটনাবলি

১৭৮৯ - ফরাসি বিপ্লবের সূচনা হয়।

১৭৯৬ - ব্রিটেনের বিরুদ্ধে স্পেনের যুদ্ধ ঘোষণা হয়।

১৮০৮ - ভিলহেল্ম ভাইৎলিং, তিনি ছিলেন জার্মান কারুশিল্পী এবং উনিশ শতকের বিপ্লবী।

১৮৬৪ - ঘূণিঝড়ে কলকাতাও সংলগ্ন অঞ্চলে ১৭ হাজার লোকের মৃত্যু হয়।

১৯১০ - তুরস্কের শাসন থেকে বুলগেরিয়ার স্বাধীনতা ঘোষণা করা হয় এবং প্রথম ফার্দিনান্দ জার নির্বাচিত হন।

১৯১০ - তুরস্কের শাসন থেকে বুলগেরিয়ার স্বাধীনতা ঘোষণা করে।

১৯১১ - পর্তুগালের রাজা মনোয়েল ক্ষমতাচ্যুত হয়ে পলায়ন করে।

১৯১৪ - জার্মান ও ফরাসি বিমানের আক্রমণের মধ্য দিয়ে প্রথম আকাশ যুদ্ধ শুরু হয়।

১৯৪৭ - কলকাতা ফিল্ম সোসাইটি স্থাপিত হয়।

১৯৮৯ - কলকাতা হাইকোর্টের প্রাক্তন বিচারপতি ফতিমা বিবি ভারত সুপিমকোর্টের প্রথম মহিলা বিচারপতি মনোনীত হন।

১৯৯০ - একীভূত জার্মানির প্রথম সংসদ অধিবেশন হয়।

২০০২ - ডেটন শান্তিচুক্তির পর নিজস্ব তত্ত্বাবধানে প্রথম সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।

 

জন্ম

১৮০৮ - ভিলহেল্ম ভাইৎলিং, জার্মান কারুশিল্পী এবং উনিশ শতকের বিপ্লবী। (মৃ. ১৮৭১)

১৮২৯ - চেস্টার এ. আর্থার, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ২১তম রাষ্ট্রপতি। (মৃ. ১৮৮৬)

১৮৬৪ - লুই ল্যুমিয়ের, তিনি ছিলেন ফরাসি পরিচালক ও প্রযোজক। (মৃ. ১৯৪৮)

১৮৭৯ - ফ্রান্সিস পেটন রাউস, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী আমেরিকান রোগবিদ্যাবিৎ। (মৃ. ১৯৭০)

১৮৮৭ - মার্টিন লুথার কিং, তিনি ছিলেন নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ফরাসি বিচারক।

১৮৯৪ - ধূর্জটিপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়, প্রখ্যাত বাঙালি লেখক ও অর্থনীতিবিদ।(মৃ.০৫/১২/১৯৬১)

১৮৯৫ - হেমন্তকুমার বসু,অনুশীলন সমিতির সদস্য ও ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামী।(মৃ.২০/০২/১৯৭১)

১৯০২ - ল্যারি ফাইন, মার্কিন অভিনেতা ও গায়ক।

১৯০৬ - মীরা দত্তগুপ্ত,ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামের এক বিপ্লবী ও জননেত্রী।(মৃ.১৮/০১/১৯৮৩)

১৯২৩ - গ্লিনিস জন্স, ব্রিটিশ অভিনেত্রী, নৃত্যশিল্পী, পিয়ানোবাদক ও গায়িকা।

১৯৩০ - রেইনহার্ড সেল্টেন, তিনি নোবেল পুরস্কার বিজয়ী জার্মান অর্থনীতিবিদ।

১৯৩৬ - ভাকল্যাভ হ্যাভেল, চেক প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রপতি, প্রখ্যাত রাজনীতিবিদ, নাট্য নির্মাতা ও কবি।

১৯৪০ - বব কাউপার, সাবেক অস্ট্রেলীয় ক্রিকেটার।

১৯৪৯ - পিটার এক্‌রয়েড, ব্রিটিশ ঔপন্যাসিক, কবি ও জীবনীকার।

১৯৬৭ - গাই পিয়ার্স, ইংরেজ বংশোদ্ভূত অস্ট্রেলিয়ান অভিনেতা ও গায়ক।

১৯৭৫ - কেট উইন্সলেট, ইংরেজ অভিনেত্রী ও গায়িকা।

১৯৮৩ -মাশরাফি বিন মুর্তজা, বাংলাদেশী ক্রিকেটার ও সংসদ সদস্য।

১৯৮৭ - নাজমুল হোসেন, বাংলাদেশী ক্রিকেটার।

 

মৃত্যু

১৫৬৫ - লডভিক ফেরারী, ইতালীয় গণিতবিদ ও অধ্যাপক।

১৮০৫ - লর্ড কর্নওয়ালিস, ব্রিটিশ ভারতের গভর্নর।

১৯১৮ - রলান্ড গারস, ফরাসি সৈনিক ও বৈমানিক।

১৯৬৮ - যোগেন্দ্রনাথ মণ্ডল, আধুনিক পাকিস্তান রাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় ও শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠাকালীন ব্যক্তিত্ব এবং বিশিষ্ট রাজনৈতিক নেতা। (জ. ১৯০৪)

১৯৭৪ - আবুল হাশিম, ভারত উপমহাদেশের বাঙালি রাজনীতিবিদ।

১৯৭৬ - লার্স অনসেজার, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী নরওয়েজীয়-মার্কিন রসায়নবিদ ও পদার্থবিদ।

১৯৮৪ - মুজিবুর রহমান খাঁ, বাঙালি সাংবাদিক ও সাহিত্যিক।

১৯৮৫ - আবদুস সাত্তার, বিচারপতি, বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি।

২০০৪ - মরিস উইলকিন্স, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ইংরেজ জীবপদার্থবিজ্ঞানী। (জ. ১৯১৬)

২০১০ - মেরি লেওনা জামিন, মার্কিন মডেল ও অভিনেত্রী।

২০১১ -স্টিভ জবস, অ্যাপল ইনকর্পোরেশনের প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা। (জ. ১৯৫৫)

২০২০ -শক্তি ঠাকুর, ভারতীয় বাঙালি গায়ক ও অভিনেতা।

২০২০ -মনসুর উল করিম, একুশে পদকপ্রাপ্ত বাংলাদেশি চিত্রশিল্পী ও অধ্যাপক। (জ. ১৯৫০)

 

ছুটি ও অন্যান্য

বিশ্ব শিক্ষক দিবস


আরও খবর
২১ অক্টোবর: ইতিহাসের এই দিনে

বৃহস্পতিবার ২১ অক্টোবর 20২১

২০ অক্টোবর: ইতিহাসের এই দিনে

বুধবার ২০ অক্টোবর ২০21




পিএসজির আক্রমনভাগের নেতৃত্ব দিবেন কে?

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ৪৯৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

পেনাল্টি হোক, কিংবা ফ্রি কিক, অথবা দলের সব আক্রমণ গড়ে দেওয়া, সেটা ফিনিশ করা, সবকিছুতে ছিল মেসির আধিপত্য। সে কারণেই পিএসজিতে যোগ দেওয়ার পর বড় একটা প্রশ্ন ছিল, বার্সেলোনায় যেমন টালিসমান ভূমিকায় ছিলেন মেসি, পিএসজিতেও সেটা থাকবেন কিনা।

তবে ফ্রান্সের সাবেক ফুটবলার নিকোলাস আনেলকা তেমন মনে করছেন না আদৌ। তার মতে মেসি নন, এমবাপেই পিএসজিতে সর্বময় কর্তা হওয়ার যোগ্য। সম্প্রতি ফ্রান্সের স্থানীয় দৈনিক ল্য প্যারিসিয়ানকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ কথা বলেন।

আনেলকার ভাষ্য, পিএসজির মেসিকে এমনভাবে ব্যবহার উচিত যাতে করে এমবাপের জন্য অনেক সুযোগ তৈরি হয়। মেসির এই পরিবেশে মানিয়ে নিতে সময় লাগবে। এমবাপে নাম্বার ওয়ান, তাকেই আক্রমনভাগের নেতৃত্ব দিতে হবে।

ফরাসি সাবেক এই তারকা আরো জানান, বার্সেলোনার সর্বময় কর্তা সত্ত্বাটা পিএসজিতে ভুলে যাওয়া উচিত মেসির। তিনি বলেন, মেসি বার্সেলোনার নাম্বার ওয়ান ছিল, কিন্তু পিএসজিতে মেসির এমবাপেকে সহযোগিতা করতে হবে।

চলতি মৌসুম শেষেই পিএসজিতে এমবাপের চুক্তি শেষ হয়ে যাবে। আনেলকা মনে করছেন, ফরাসি তারকার উচ্চাকাঙ্ক্ষাই তাকে দল ছাড়তে বাধ্য করবে। দল ছেড়ে গেলে যে খুব একটা ক্ষতি হবে তার, তেমনটাও মনে হচ্ছে না তার; বরং পিএসজি ছেড়ে গিয়ে এমবাপে জিতবেন ব্যালন ডিঅর, পূর্বানুমান আনেলকার।

লিওঁর বিপক্ষে মেসিকে মাঠ ছেড়েছিলেন ৭৬ মিনিটেই। সেদিন দেখা যায়, পিচ ছেড়ে যাওয়ার সময় কোচের সঙ্গেও হাত মেলাননি সাবেক বার্সা অধিনায়ক। চোখেমুখেও বিরক্তির ছাপ ছিল স্পষ্ট। এ নিয়ে আলোচনা সমালোচনাও কম হয়নি।

এই বিষয়ে সাবেক ফরাসি তারকার অভিমত, ছয়বারের ব্যালন ডিঅর জয়ী ফুটবলার যখন গোল পাচ্ছে না তখন আপনি তাকে ৭৫ মিনিটে উঠিয়ে দিতে পারেন না। এই বিষয়টি তাকে আঘাত দিতে পারে।

নিউজ ট্যাগ: পিএসজি

আরও খবর



দ্বিতীয় দিনের প্রথম ম্যাচে ব্যাটিংয়ে নেদারল্যান্ডস

প্রকাশিত:সোমবার ১৮ অক্টোবর ২০২১ | হালনাগাদ:সোমবার ১৮ অক্টোবর ২০২১ | ২৯৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের দ্বিতীয় দিনের প্রথম ম্যাচে মাঠে নামছে আয়ারল্যান্ড ও নেদারল্যান্ডস। আবুধাবির জায়েদ ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস জিতে আগে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন নেদারল্যান্ডসের অধিনায়ক পিটার সিলার।

কুড়ি ওভারের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে দুই দলের মুখোমুখি লড়াইয়ে এগিয়ে রয়েছে ডাচরা। এখন পর্যন্ত দুই দল খেলেছে ১২টি ম্যাচ। যেখানে নেদারল্যান্ডসের জয় সাত ম্যাচে আর আইরিশরা জিতেছে চারটি। পরিত্যক্ত হয়েছে এক ম্যাচ।

এছাড়া টি-টোয়েন্টির বিশ্ব আসরেও জয়জয়কার নেদারল্যান্ডসের।

 


আরও খবর



ফেলে দেওয়া ফোন দিয়ে চলে কোটি টাকার কারবার

প্রকাশিত:রবিবার ১৭ অক্টোবর ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ১৭ অক্টোবর ২০২১ | ৬৪৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

সব মোবাইল ফোনেই সোনা থাকে। শুধু সোনাই নয়, রুপো, তামাও লাগে মোবাইল ফোন তৈরির ক্ষেত্রে। সোনা বিদ্যুতের সুপরিবাহী। সেই সঙ্গে এর ক্ষয় হয় না, মরচে ধরে না। এই কারণেই মোবাইল ফোনের ইন্টিগ্রেটেড সারকিট (আইসি) বোর্ডের ছোট্ট কানেক্টারগুলিতে সোনা ব্যবহৃত হয়। এটা ঠিক যে খুবই সামান্য সোনা থাকে। কিন্তু অনেক বাতিল ফোন থেকে অনেক সামান্য মিলে বড় পরিমাণে সোনা সংগ্রহ হয়। আর তা দিতে চলে কোটি কোটি টাকার কারবার।

সাধারণ মোবাইল ফোন থেকে স্মার্টফোন বা আইফোন সব তৈরিতেই লাগে সোনা। তার পরিমাণ আলাদা আলাদা। হিসেব বলছে, এক একটি ফোনে ৩৪ থেকে ৫০ মিলিগ্রাম পর্যন্ত সোনা থাকে। একটি ফোনের হিসেবে সোনার পরমাণ সামান্যই। কিন্তু এখন যে হারে বর্জ্য মোবাইলের সংখ্যা বাড়ছে তাতে সংগৃহীত সোনার পরিমাণ অনেক।

আবর্জনা থেকে সোনার মতো দামী ধাতু বের করার ব্যবসা চলছে রমরমিয়ে। সেখানে টন টন আবর্জনা থেকে এক গ্রাম সোনা পাওয়া যায়। সেখানে একটি হিসেব বলছে, ৪১টি মোবাইল ফোন থেকেই ১ গ্রাম সোনা পাওয়া যায়। ভারতীয় মুদ্রায় এখন যার গড় মুল্য সাড়ে পাঁচ হাজার টাকা। ওই হিসেবেই দেখা গিয়েছে, বিশ্বে প্রতি বছর বাতিল মোবাইল ফোন থেকে চার হাজার কোটি টাকার সোনা পাওয়া যায়।

মোবাইল ফোনে সোনা ব্যবহারের প্রধান কারণ এই ধাতু ভাল বিদ্যুৎ পরিবাহী। সোনা ছাড়া আর দুই ধাতু বিদ্যুতের সুপরিবাহী। রুপো এবং তামা। ফোনে সোনার কানেকটরগুলি ডিজিটাল ডাটা দ্রুত এবং যথাযথ স্থানান্তর করার জন্যও ব্যবহৃত হয়। মোবাইল ফোনের মত, সোনা কম্পিউটার ও ল্যাপটপের আইসিগুলিতেও ব্যবহৃত হয়। আর এই ভাবেই বাতিল মোবাইল, ল্যাপটপ ইত্যাদি দিয়ে চলে বড় আর্থিক অঙ্কের কারবার।

 

নিউজ ট্যাগ: পুরনো ফোন

আরও খবর



দিল্লির আদালতে গোলাগুলি, গ্যাংস্টারসহ নিহত ৪

প্রকাশিত:শুক্রবার ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ৬১০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

ভারতের দিল্লিতে আদালতের ভেতর গোলাগুলির ঘটনায় এক গ্যাংস্টারসহ চারজন নিহত হয়েছেন। এতে আহত হয়েছেন কয়েকজন। ভারতের একাধিক সংবাদমাধ্যম এ তথ্য জানিয়েছে।

শুক্রবার (২৪ সেপ্টেম্বর) দিল্লির রোহিণী আদালতে নিয়ে আসা হয়েছিল কুখ্যাত গ্যাংস্টার জিতেন্দ্র ওরফে গোগীকে। তাকে লক্ষ্য করে আগে থেকেই সেখানে হাজির ছিল তার প্রতিদ্বন্দ্বী একটি গ্যাংয়ের সদস্যরা।

ভারতীয় সংবাদ মাধ্যম আনন্দবাজারের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গোগীকে নিয়ে যখন আদালত চত্বরে ঢোকে পুলিশ। তখনই তার উপর হামলা চালায় দুইজন। এলোপাথাড়ি গুলির মধ্যে পড়ে ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় গোগীর। পাল্টা পুলিশের গুলিতে নিহত হয়েছে দুই হামলাকারী।

এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ঘটনার ফুটেজে গোলাগুলির শব্দ শোনা যায়। পুলিশ সদস্য ও আইনজীবীদের হুড়াহুড়ি করতে দেখা গেছে।

গোলাগুলিতে নিহত চারজনের মধ্যে দুই হামলাকারীও রয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তারা নিরাপত্তাকর্মীদের হাতে নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছেন প্রত্যক্ষদর্শীরা।

একাধিক প্রত্যক্ষদর্শী জানায়, বেশ কিছু অপরাধে জড়িত কুখ্যাত গ্যাংস্টার জিতেন্দর গোগী দিল্লির তিহার কারাগারে ছিলেন। তাকে রোহিনীর আদালতে তোলার সময় প্রতিদ্বন্দ্বী তিল্লু গ্যাংয়ের সদস্যরা সেখানে উপস্থিত হয়। হামলাকারীরা আইনজীবীর পোশাকে প্রকাশ্যে গুলি চালায়।


আরও খবর