আজঃ রবিবার ০৩ মার্চ ২০২৪
শিরোনাম

২০৩০ বিশ্বকাপ আয়োজন করতে চায় মরক্কো

প্রকাশিত:বুধবার ১৫ মার্চ ২০২৩ | হালনাগাদ:বুধবার ১৫ মার্চ ২০২৩ | অনলাইন সংস্করণ
ক্রীড়া প্রতিবেদক

Image

স্পেন-পর্তুগালের সঙ্গে ২০৩০ ফুটবল বিশ্বকাপ আয়োজন করতে চায় কাতার বিশ্বকাপে সাড়া জাগানো মরক্কো। বিশ্বকাপের শতবর্ষী আসরের আয়োজক হওয়ার লড়াইয়ে নতুন সহযোগী দেশ পেল স্পেন ও পর্তুগাল।

প্রাথমিকভাবে স্পেন ও পর্তুগালের সঙ্গী হতে চেয়েছিল ইউক্রেইন। তবে, রাশিয়ার সঙ্গে দেশটির যুদ্ধ এখনও চলছে। তাই এগিয়ে এসেছে মরক্কো।

২০২২ ফিফা ক্লাব বিশ্বকাপও আয়োজন করে মরক্কো। বেশ কয়েকবার বিশ্বকাপ আয়োজনের স্বত্ব পেতে লড়াই করেছে মরক্কো। সবচেয়ে কাছাকাছি গিয়েছিল তারা ২০১০ সালে। সেবার দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে হেরে যায় দেশটি। ২০৩০ বিশ্বকাপের আয়োজক নির্ধারতি হবে ২০২৪ সালে।

প্রসঙ্গত, ২০২২ কাতার বিশ্বকাপে চমক জাগানো পারফরম্যান্স উপহার দেয় মরক্কো। প্রথম আফ্রিকান দল হিসেবে তারা খেলে সেমি-ফাইনালে, সেখানে ফ্রান্সের কাছে হেরে যায় দলটি। পরে তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে হেরে চতুর্থ হয় তারা।

২০২৬ বিশ্বকাপ যৌথভাবে আয়োজন করবে যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো ও কানাডা।


আরও খবর



বেইলি রোডে আগুন: ভবন মালিকের ম্যানেজার গ্রেপ্তার

প্রকাশিত:শনিবার ০২ মার্চ 2০২4 | হালনাগাদ:শনিবার ০২ মার্চ 2০২4 | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

রাজধানীর বেইলি রোডে গ্রিন কোজি কটেজে আগুন লাগার ঘটনায় আরও একজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গ্রেপ্তারের নাম হামিমুল হক বিপুল। তিনি ভবন মালিকের ম্যানেজার।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) রমনা জোনের অতিরিক্ত উপপুলিশ কমিশনার মো. আক্তারুল ইসলাম। তিনি বলেন, ভবন মালিকের ম্যানেজারকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। রাজধানীর ধানমন্ডি এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

রমনা থানা পুলিশ জানিয়েছে, বেইলি রোডের গ্রিন কোজি কটেজে আগুনের ঘটনায় এ নিয়ে চারজনকে গ্রেপ্তার করা হলো। অন্যরা হলেন ওই ভবনে চুমুক রেস্তোরাঁ দোকানের দুই মালিক আনোয়ারুল হক ও শফিকুর রহমান এবং কাচ্চি ভাই রেস্তোরাঁর ম্যানেজার জয়নুদ্দিন জিসান। তাদেরকে শুক্রবার বিভিন্ন সময়ে গ্রেপ্তার করা হয়।

বৃহস্পতিবার রাত পৌনে ১০টার দিকে রাজধানীর বেইলি রোডের গ্রিন কোজি কটেজ ভবনের ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ৪৬ জনের মৃত্যুর খবর মিলেছে।


আরও খবর



জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে যৌন নিপীড়নের দায়ে বরখাস্ত শিক্ষক জনি

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২০ ফেব্রুয়ারী ২০24 | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২০ ফেব্রুয়ারী ২০24 | অনলাইন সংস্করণ
বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি

Image

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবি) যৌন নিপীড়নের অভিযোগে পাবলিক হেলথ অ্যান্ড ইনফরমেটিক্স বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মাহমুদুর রহমান জনিকে বরখাস্ত করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

সোমবার (২০ ফেব্রুয়ারি) বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক নূরুল আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক সিন্ডিকেট সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার ও সিন্ডিকেট সচিব আবু হাসান বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট কর্তৃক গঠিত স্ট্রাকচার্ড কমিটির তদন্ত প্রতিবেদন বিবেচনা করে মাহমুদুর রহমান জনিকে বরখাস্তের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

এর আগে, ২০২২ সালের ২১ নভেম্বর মাহমুদুর রহমান জনি ও একই বিভাগে সেসময় সদ্য নিয়োগ পাওয়া প্রভাষক আনিকা বুশরা বৈচির একটি অন্তরঙ্গ ছবি (সেলফি) বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন স্থানে পোস্টারিং করা হয়।

একইসঙ্গে বিভাগের শিক্ষক পদে আবেদনকারী ৪৩ ব্যাচের আরেক ছাত্রীর সঙ্গে অন্তরঙ্গ কথাবার্তার অডিও প্রকাশ্যে আসে জনির বিরুদ্ধে। যেখানে মাহমুদুর রহমান জনি ভুক্তভোগীকে জোরপূর্বক গর্ভপাত করানোর কথা শোনা যায়। এছাড়া, জনির সঙ্গে ছাত্রলীগের একাধিক নেত্রীর অনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন এবং অশালীন চ্যাটিংয়ের ছবি ও তথ্য উঠে আসে।

সর্বশেষ ২০২৩ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর কুরিয়ারযোগে সাংবাদিকদের কাছে উপাচার্যকে গালিগালাজ করার অডিও ক্লিপ সম্বলিত একটি ভিডিও, দায়মুক্তিপত্র প্রত্যাহার সংক্রান্ত আবেদনপত্র ও একটি উড়োচিঠি আসে। সেখানে ৫২ সেকেন্ডের অডিও ক্লিপে মাহমুদুর রহমান জনিকে বলতে শোনা যায়, বাট ইউ ফরগেট, আই ওয়াজ ওয়ন্স আপন এ টাইম, আই ওয়াজ দ্য এক্স প্রেসিডেন্ট অফ বিএসএল-জেইউ। আমি হয়তো ধরা খাবো, ধরা খাবো না এমন বলছি না। কিন্তু ধরা খাওয়র আগে আমি চার-পাঁচটা মুখ শেষ করে দেবো।


আরও খবর
জাবির ‘ডি’ ইউনিটের ফল প্রকাশ

বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




জান্তাবাহিনীর নির্মমতার শিকার হয়ে গর্ভবতী নারী-শিশুসহ ৬ জন নিহত

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

মিয়ানমারের এক গর্ভবতী নারী ও ৩ শিশুসহ ৬ কারেনি নৃগোষ্ঠীর সদস্যকে হত্যা করেছে জান্তাবাহিনী। নিহতদের মধ্যে ৩ জন নারী ও ৩ জন শিশু। শিশুদের সবার বয়সই ১০ বছরের নিচে। কায়াহ রাজ্যের শাদাও শহরে এই ঘটনা ঘটেছে। একই দিনে, শাদাও থেকে ২৪৯ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

মিয়ানমারের সংবাদমাধ্যম ইরাবতীর এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত সপ্তাহের রোববার জান্তাবাহিনী শাদাও শহরে অভিযান শুরু করে। সে সময় বিনা কারণে জান্তাবাহিনী ৩ নারীকে হত্যা করে। তাদের মধ্যে একজন গর্ভবতী ছিলেন। এ ছাড়া তাদের সঙ্গে থাকা ৩ শিশুকেও হত্যা করে জান্তাবাহিনী।

কায়াহের বিদ্রোহী গোষ্ঠী কারেনি আর্মি জানিয়েছে, শাদাও শহরে প্রবেশ করে জান্তাবাহিনী গণহারে ধরপাকড় চালিয়ে ২৪৯ জনকে গ্রেপ্তার করে। তাদের মধ্য থেকে পুরুষেরা পালিয়ে গেলেও ওই গর্ভবতী নারী ও অপর দুই প্রতিবন্ধী নারী ও যথাক্রমে ৩, ৫ ও ৭ বছর বয়সী তিন শিশু পালাতে ব্যর্থ হয়। পরে জান্তাবাহিনী নির্যাতন চালিয়ে এই ৬ জনকে হত্যা করে।

পরে কারেনি আর্মি ও কারেনি ন্যাশনালিটিজ ডিফেন্স ফোর্সের সদস্যরা যৌথ অভিযানের সময় শাদাও শহর থেকে এই ৬ জনের মরদেহ উদ্ধার করে। নিহত ৩ নারীর পরিচয়ও প্রকাশ করেছে তারা। নিহত নারীরা হলেনসোয়ে মেল, লাও মেল এবং মে মোহ। তাদের সবার বয়সই ৩০ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে।

কারেনি আর্মি জানিয়েছে, নিহত শিশুদের একজন সোয়ে মেলের নাতি এবং একজন লাও মেলের কন্যা। অপর শিশুর পরিচয় এখনো জানা যায়নি বলে জানিয়েছে গোষ্ঠীটি।

স্থানীয় সংবাদমাধ্যম কান্তারাবতী টাইমস জানিয়েছে, তৃতীয় শিশুটিকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। যখন তাকে খুঁজে পাওয়া যায় তখনো তার শ্বাস চলছিল। কিন্তু উদ্ধারকারীরা শিশুটিকে বাঁচাতে পারেনি। শিশুটির পিঠে গুলির একটি বড় ক্ষত ছিল এবং ব্যাপক রক্তক্ষরণের কারণে শিশুটি উদ্ধারের একটু পরই মারা যায়।


আরও খবর



কোকাকোলা বাংলাদেশ কিনছে তুর্কি কোম্পানি

প্রকাশিত:শনিবার ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
অর্থ ও বাণিজ্য ডেস্ক

Image

মালিকানা পরিবর্তন হচ্ছে কোকাকোলা বাংলাদেশ বেভারেজেস লিমিটেডের। কোম্পানিটি কিনে নিচ্ছে তুরস্কের কোকাকোলা আইসেক (সিসিআই)। এ জন্য তুর্কি কোম্পানিটিকে গুনতে হবে ১৩ কোটি মার্কিন ডলার। বাংলাদেশি মুদ্রায় যা ১ হাজার ৪৩০ কোটি টাকা।

এরই মধ্যে একটি চুক্তি সম্পন্ন করেছে তুর্কি কোম্পানিটি। বৃহস্পতিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) নিজেদের ওয়েবসাইটে এ সংক্রান্ত এক আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে সিসিআই জানিয়েছে, ১৩ কোটি ডলারের বিনিময়ে কোকাকোলা বাংলাদেশের শতভাগ শেয়ার অধিগ্রহণ করবে সিসিআই। প্রতিষ্ঠানটির শেয়ার কিনতে অর্থায়ন করবে সিসিআই ইন্টারন্যাশনাল হল্যান্ড বিভি। সিসিআই তার সম্পূর্ণ মালিকানাধীন সাবসিডিয়ারি সিসিআইএইচবিভি ও কোকাকোলা কোম্পানির একটি সাবসিডিয়ারির সঙ্গে এই চুক্তি করেছে, যার প্রধান শেয়ারহোল্ডার হবে সিসিআইএইচবিভি।

এ বিষয়ে সিসিআইয়ের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা করিম ইয়াহি বিবৃতিতে বলেছেন, আমরা সিসিবিবি অধিগ্রহণের জন্য শেয়ার কেনার চুক্তি স্বাক্ষর করতে পেরে আনন্দিত। এই চুক্তিকে আমরা ভবিষ্যতের সম্ভাবনাময় বাজারে প্রবেশের দারুণ সুযোগ হিসেবে দেখছি।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, কোকাকোলা বাংলাদেশ দেশে কোক ব্র্যান্ডের পানীয় উৎপাদন, বিক্রয় ও বিতরণ করে। ২০০৯ সালে প্রতিষ্ঠিত কোম্পানিটি রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ ও ঢাকা অঞ্চলের প্রায় ১০ কোটি গ্রাহককে সেবা দেয়। প্রতিষ্ঠানটির তিন শতাধিক কর্মচারী রয়েছে। এছাড়া একটি বোতলজাত প্ল্যান্ট, তিনটি গুদামসহ প্রায় তিন লাখ বিক্রয়কেন্দ্র রয়েছে কোম্পানিটির। তাদের ডিস্ট্রিবিউটরের সংখ্যা ৫০০।

বিগত ৫ বছরে সিসিবিবি বাংলাদেশের বাজারে ক্রমাগত প্রতিযোগিতামূলকভাবে শক্তিশালী অবস্থান ধরে রেখেছে। এতে ২০২৩ সালের হিসাবে দেশের স্পার্কলিং ক্যাটাগরির বাজারের ৪৫ দশমিক ৩ শতাংশ আধিপত্য ধরে রেখেছে কোকাকোলা বাংলাদেশ।

কোকাকোলা ব্র্যান্ডের পণ্য উৎপাদন, বিতরণ ও বাজারজাত করে থাকে সিসিআই। এই কোম্পানির কার্যক্রম পরিচালিত হয় ১১টি মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশে। এর মধ্যে রয়েছে তুরস্ক, তুর্কমেনিস্তান, আজারবাইজান, ইরাক, জর্ডান, কাজাখস্তান, কিরগিজস্তান, পাকিস্তান, সিরিয়া, তাজিকিস্তান ও উজবেকিস্তান।

নিউজ ট্যাগ: কোকাকোলা

আরও খবর



মালিতে সেতু থেকে বাস নদীতে পড়ে নিহত ৩১

প্রকাশিত:বুধবার ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

পশ্চিম আফ্রিকার দেশ মালিতে সেতুতে বাস উল্টে নদীতে পড়ে ৩১ জন নিহত হয়েছেন। এ ছাড়া আহত হয়েছেন ১০ জন। বুধবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

প্রতিবেদনে বলা হয়, স্থানীয় সময় মঙ্গলবার বিকেল পাঁচটার দিকে মালিতে একটি বাস উল্টে সেতু থেকে নদীতে পড়ে তলিয়ে যায়। এতে বাসটিতে থাকা ৩১ যাত্রী নিহত হয়েছেন। বাসটি মালির কেনিয়েবা শহর থেকে প্রতিবেশী দেশ বুরকিনা ফাসো যাচ্ছিল। পথে বাগোই নদী পার হওয়ার সময় সেতুতে বাসটি উল্টে নিচে পড়ে যায়। আহত ১০ জনের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা গুরুতর।

মালির পরিবহন মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে বলেছে, সম্ভাব্য কারণ হিসেবে মনে করা হচ্ছে, চালক গাড়ির নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলায় দুর্ঘটনাটি ঘটে। নিহতদের মধ্যে মালির এবং পশ্চিম আফ্রিকার অন্যান্য দেশের নাগরিকও রয়েছেন।

মালিতে সড়ক দুর্ঘটনা খুব সাধারণ বিষয়। দেশটির অনেক রাস্তা এবং যানবাহনের অবস্থা বেশ খারাপ। পাশাপাশি ধারণক্ষমতার বেশি যাত্রী পরিবহন করা

দেশটিতে সড়ক দুর্ঘটনার অন্যতম কারণ। চলতি মাসের শুরুতে মালির রাজধানী বামাকো অভিমুখে যাওয়ার সময় একটি বাস ও ট্রাকের সংঘর্ষে ১৫ জন নিহত হন। একইসঙ্গে ওই দুর্ঘটনায় ৪৬ জন আহত হয়েছিলেন।


আরও খবর