আজঃ বৃহস্পতিবার ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১
শিরোনাম

২৪ ঘণ্টায় রামেক হাসপাতালে ৫ জনের প্রাণহানি

প্রকাশিত:শনিবার ১১ সেপ্টেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:শনিবার ১১ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ৪৭৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

গত ২৪ ঘণ্টায় রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালের করোনা ইউনিটে আরও ৫ জন মারা গেছেন। তাদের মধ্যে করোনায় একজন এবং করোনা উপসর্গে ৪ জন মারা গেছেন। চিকিৎসাধীন অবস্থায় শুক্রবার (১০ সেপ্টেম্বর) সকাল ৯টা থেকে শনিবার (১১ সেপ্টেম্বর) সকাল ৯টার মধ্যে তারা মারা যান। শনিবার (১১ সেপ্টেম্বর) রামেক হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল শামীম ইয়াজদানী নিশ্চিত করেন।

তিনি জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা সংক্রমণে হাসপাতালে একজন মারা গেছেন। তিনি পাবনা জেলার বাসিন্দা। এ ছাড়া করোনা উপসর্গ নিয়ে মারা গেছেন নাটোরের ২ জন, রাজশাহীর একজন ও নওগাঁর একজন। এই ৫ জনের মধ্যে ২ জন মারা গেছেন হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যাকেন্দ্রে (আইসিইউ)। এ ছাড়া ৩, ১৪ ও ২৯/৩০ নম্বর ওয়ার্ডে একজন করে মারা গেছেন।

এই এক দিনে ৪ জন পুরুষ এবং একজন নারীর মৃত্যু হয়েছে হাসপাতালে। তাদের মধ্যে ২ জনের বয়স ৬১ বছরের ওপরে। এ ছাড়া ৫১ থেকে ৬০ বছর বয়সী একজন, ৪১ থেকে ৫০ বছর বয়সী একজন এবং ১১ থেকে ২০ বছর বয়সী একজন মারা গেছেন। পরিচালক আরও জানান, শনিবার সকাল ৯টা পর্যন্ত ২৮৬ শয্যার রামেক করোনা আইসোলেশন ইউনিটে রোগী ভর্তি ছিলেন ১৫৯ জন। একদিন আগেও এই সংখ্যা ছিল ১৫৩।

বর্তমানে রাজশাহীর ৭৬ জন, চাঁপাইনবাবগঞ্জের ২৫ জন, নাটোরের ১৯ জন, নওগাঁর ১০ জন, পাবনার ১২ জন, কুষ্টিয়ার ৮ জন, চুয়াডাঙ্গার ৪ জন এবং জয়পুরহাটের একজন হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন।

হাসপাতালে করোনা নিয়ে ভর্তি রয়েছেন ৫৮ জন। করোনা উপসর্গ নিয়ে ভর্তি রয়েছেন ৬৬ জন। করোনা ধরা পড়েনি ভর্তি ৩১ জনের। এ ছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় ভর্তি হয়েছেন ১৮ জন। এই একদিনে হাসপাতাল ছেড়েছেন ১৩ জন।

এর আগে শুক্রবার (১০ সেপ্টেম্বর) রামেক হাসপাতাল ল্যাবে ৯৪ জনের নমুনা পরীক্ষা হয়েছে। এর মধ্যে করোনা ধরা পড়েছে ১২ জনের নমুনায়। একই দিনে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ ল্যাবে নমুনা পরীক্ষা হয়েছে আরও ১৮৫ জনের। এর মধ্যে করোনা শনাক্ত হয়েছে ১০ জনের। পরীক্ষার অনুপাতে রাজশাহীর ৭ দশমিক ৬১ শতাংশ, নাটোরের ১২ দশমিক ৫০ শতাংশ এবং চাঁপাইনবাবগঞ্জের ৮ দশমিক ৩৩ নমুনায় করোনা ধরা পড়েছে।

প্রসঙ্গত, চলতি সেপ্টেম্বরের এই ১১ দিনে রামেক হাসপাতালের করোনা ইউনিটে মারা গেছেন ৭৫ জন। এর মধ্যে করোনায় ২৪ জন, করোনা সংক্রমণের উপসর্গ নিয়ে ৪২ জন এবং করোনা নেগেটিভ সত্ত্বেও অন্যান্য শারীরিক জটিলতায় ৭ জনের মৃত্যু হয়।

এর আগে গত আগস্ট মাসে রামেক হাসপাতালের করোনা ইউনিটে মারা গেছেন ৩৭৪ জন। তাদের মধ্যে করোনায় ১৫৪ জন, করোনা সংক্রমণের উপসর্গ নিয়ে ১৮৬ জন এবং করোনা নেগেটিভ সত্ত্বেও অন্যান্য শারীরিক জটিলতায় ৩৪ জনের মৃত্যু হয়।



আরও খবর
বিস্কুটের কার্টন থেকে নবজাতক উদ্ধার

বৃহস্পতিবার ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১

বগুড়ায় ধানক্ষেতে মিলল নারী ইউপি সদস্যের লাশ

বৃহস্পতিবার ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১




নুসরাতকে দিয়ে বিচ্ছু সামশু সিন্ডিকেটের ফের ষড়যন্ত্রমূলক মামলা

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ৫৯০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

ষড়যন্ত্রমূলক মিথ্যা মামলা দিয়ে দেশের বৃহত্তর শিল্পগোষ্ঠী বসুন্ধরা গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সায়েম সোবহান আনভীরকে ঘায়েল করতে ব্যর্থ হয়ে এবার নতুন চক্রান্তে লিপ্ত হয়েছেন হুইপ সামশুল হক চৌধুরী ওরফে বিচ্ছু সামশু এবং তার ছেলে নাজমুল করিম শারুন চৌধুরী। তাদের সরাসরি হস্তক্ষেপে এবার আটজনকে আসামি করে ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে মামলা দায়ের করা হয়েছে। গতকাল সোমবার মামলাটি করেন মোসারাত জাহান মুনিয়ার বোন নুসরাত জাহান তানিয়া।

তবে সূত্র জানায়, এ মামলার পেছনে কলকাঠি নাড়ছেন সামশু-শারুন সিন্ডিকেট। বিচ্ছু সামশু সিন্ডিকেটের অপকর্মের বিপক্ষে যারাই সোচ্চার হয়, তাদের দমনে সামনে আনা হয় মুনিয়া ইস্যু। আর, ঘুরেফিরে মুনিয়ার বোন নুসরাতই তাদের মূল অস্ত্র বা দাবার গুটি। গতকালের এ মামলায় এমন কিছু ব্যক্তিকে আসামি করা হয়েছে, যাঁরা দেশের বৃহত্তর শিল্পগোষ্ঠীর নেতৃত্ব দিয়ে দেশকে এগিয়ে নিচ্ছেন। তাঁদের মতো সম্মানিত ব্যক্তিদের আসামি করার মধ্য দিয়ে মূলত দেশের উন্নয়নের অগ্রযাত্রায় কুঠারাঘাত করা হয়েছে। এ ছাড়া মামলায় এমন কয়েকজনকে আসামি করা হয়েছে, যাঁদের সঙ্গে ওই ঘটনার দূরতম সম্পর্ক নেই। এ মামলার ঘটনায় বিস্ময় প্রকাশ করেছেন তারা।

তথ্য মতে, গত ১৮ আগস্ট পটিয়ার যুগ্ম জেলা জজ আদালতে বসুন্ধরা গ্রুপের চেয়ারম্যান, ব্যবস্থাপনা পরিচালকসহ ১১ জনকে আসামি করে একটি মামলা করে সামশু-শারুন সিন্ডিকেট। গতকাল ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে দায়েরকৃত মামলাটিও সেই ষড়যন্ত্রের অংশ বলে মনে করা হচ্ছে। ব্যক্তিগত হিংসা, আক্রোশ ও ব্লাকমেইলিংয়ের উদ্দেশ্যে মামলাটি করা হয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

জানা গেছে, গতকাল দায়েরকৃত মামলায় নুসরাতের আইনজীবী হলেন ব্যারিস্টার এম সারোয়ার হোসেনের বিরুদ্ধে একুশে আগস্ট গ্রেনেড হামলার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে। তিনি রাষ্ট্রবিরোধী গুজব ও অপপ্রচারকারী চক্রের অন্যতম হোতা। তার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রবিরোধী ষড়যন্ত্র এবং নাশকতার একাধিক মামলা রয়েছে। মুনিয়া ইস্যু নিয়ে তারা এর আগেও রাষ্ট্রবিরোধী ষড়যন্ত্রে মেতে উঠেছিলেন।

জানা গেছে, বিচ্ছু সামশু সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে সরকারি করোনা ভ্যাকসিন চুরি, ইয়াবা ব্যবসার গোমর ফাঁস, অবৈধ ভিওআইপি ব্যবসা, ব্যাংকার মোর্শেদ হত্যাসহ একাধিক অনিয়ম এবং দুর্নীতি নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ করে আসছিল বসুন্ধরা গ্রুপের মালিকানাধীন বিভিন্ন গণমাধ্যম। আর, সে কারণে বসুন্ধরা গ্রুপের চেয়ারম্যান, ব্যবস্থাপনা পরিচালকসহ পরিবারের একাধিক সদস্যকে আসামি করা হয়েছে।

গত ২৬ এপ্রিল গুলশানের একটি ফ্ল্যাট থেকে মোসারাত জাহান মুনিয়ার মরদেহ উদ্ধার করেছিল পুলিশ। ঘটনার দিনই গুলশান থানায় আত্মহত্যা প্ররোচনার অভিযোগে বসুন্ধরার এমডিকে আসামি করে মামলা করেছিলেন মুনিয়ার বোন নুসরাত। ওই মামলাটি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করেন গুলশান থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আবুল হাসান। তদন্তের ধাপে ধাপে তিনি সংশ্লিষ্ট সবার সঙ্গে কথা বলে ঘটনার চুলছেঁড়া বিশ্লেষণ করেন। শেষপর্যন্ত মুনিয়ার মৃত্যুর ঘটনায় কোন সম্পৃক্ততা না পাওয়ায় মামলা থেকে বসুন্ধরা গ্রুপের এমডির নাম প্রত্যাহার করে ১৯ জুলাই আদালতে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেন। ২২ জুলাই ওই প্রতিবেদন গ্রহণ করেন আদালত। শুনানী শেষে গত ১৮ আগস্ট আদালত এই মামলা থেকে বসুন্ধরার এমডিকে অব্যাহতি প্রদান করেন। পাশাপাশি পুলিশের প্রতিবেদনের বিরুদ্ধে দাখিলকৃত নুসরাতের নারাজি আবেদনও খারিজ করেন আদালত।

তবে অনুসন্ধান বলছে, মুনিয়ার মৃত্যুর রহস্য শারুন চৌধুরীর সম্পৃক্ততা রয়েছে। এমনকি শারুনের বিরুদ্ধে মুনিয়াকে হত্যার অভিযোগও উঠেছিল। বিচ্ছু সামশু এবং তার ছেলের বিপক্ষে কেউ অবস্থান নিলেই নেমে আসে ভয়ংকর নির্যাতন। প্রতিশোধ নিতে শারুন চৌধুরী এতটাই ভয়ংকর হয়ে ওঠেন যে, প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করতে নিজের বান্ধবী মুনিয়াকে হত্যা করেন। আর, নিজের অপকর্ম ঢাকতে এবং প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করতে মুনিয়ার বোন নুসরাতকে কোটি টাকা দিয়ে বশ করে সাজানো মামলায় বসুন্ধরা গ্রুপের এমডিকে ফাঁসানোর অপচেষ্টা চালিয়েছিলেন।

এদিকে, মুনিয়াকে হত্যার অভিযোগে আদালতে শারুনের বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলার আবেদন করেছিলেন মুনিয়ার বড় ভাই আশিকুর রহমান সবুজ। কিন্তু নুসরাতের আত্মহত্যা প্ররোচনার মামলা চলমান থাকায় আদালত তখন সবুজের আবেদনটি স্থগিত রাখেন। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, যেখানে সবুজের মামলার আবেদনটি স্থগিত রাখা হয়েছে, সেখানে নুসরাতের আরেকটি মামলা নিয়ে মাতামাতির বিষয়টি রহস্যজনক। অথচ চাইলে এখন সবুজের মামলাটি আমলে নিয়ে তদন্ত শুরু করা যেত।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, নতুন এ মামলায় স্বনামধন্য ব্যবসায়ী ছাড়াও নিরপরাধ কয়েকজনকে আসামি করা হয়েছে। তাদের মধ্যে আছেন শারুন চৌধুরীর সাবেক স্ত্রী সাইফা রহমান মিম। মুনিয়ার সঙ্গে শারুনের পরকীয়ার জের ধরে তিনি স্বামীর সংসার ছেড়ে এসেছিলেন। শারুনের নানা অপকর্মের স্বাক্ষী এই মিমকেও তাই নতুন মামলায় যুক্ত করা হয়েছে। এমনকি প্রথম মামলায় তদন্ত কর্মকর্তাকে সত্য তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করায় নতুন মামলায় আসামি করা হয়েছে নিরপরাধ বাড়িওয়ালা দম্পতিকেও।

অন্যদিকে, নুসরাতের নতুন মামলায় আসামি করা হয়েছে গত মাসে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে গ্রেপ্তার হওয়া মডেল ফারিয়া মাহবুব পিয়াসাকেও। তাকে এ মামলায় আসামি করার কারণ হিসেবে জানা গেছে, গ্রেপ্তারের পর রিমান্ডে পিয়াসা শারুন চৌধুরী সম্পর্কে স্পর্শকাতর অনেক তথ্য ফাঁস করে দিয়েছিলেন। যার কিছু অডিও রেকর্ড ভাইরাল হওয়ায় বিপাকে পড়ে যান শারুন। সেই ক্ষোভ থেকে নুসরাতের এই সাজানো মামলায় পিয়াসাকেও আসামি করিয়েছেন শারুন চৌধুরী।

পুলিশকে সত্য বলায় দুই বাড়িমালিকও চক্ষুশূল : আত্মহত্যা প্ররোচনার মামলা তদন্তের একপর্যায়ে মুনিয়ার বাড়িওয়ালার জবানবন্দি নিয়েছিলেন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কর্মকর্তারা। সে সময় ওই বাড়ির মালিক শারমিন ও তাঁর স্বামী ইব্রাহীম আহাম্মদ রিপন গুলশান থানা পুলিশকে জানিয়েছিলেন, মুনিয়ার বাসা ভাড়ার সঙ্গে আনভীরের কোনো ধরনের সম্পৃক্ততা ছিল না। নুসরাত এবং তার স্বামী মিজানুর রহমান নিজেদের জাতীয় পরিচয়পত্র জমা দিয়ে বাসা ভাড়া নিয়েছিলেন। তদন্ত কর্মকর্তাকে সত্য তথ্য দেওয়ায় বাড়িমালিকরাও শারুন সিন্ডিকেটের চক্ষুশূলে পরিণত হন। ষড়যন্ত্রমূলক এ মামলায় তাঁদের দুজনকেও আসামি করা হয়েছে।

মুনিয়ার ভাইয়ের মামলা অন্ধকারে : এদিকে, মুনিয়ার মৃত্যুর ছয়দিনের মাথায় গত ২ মে শারুনকে আসামী করে ঢাকার সিএমএম আদালতে একটি হত্যা মামলার আবেদন (নম্বর ১০২১/২০২১) করেন নিহতের ভাই আশিকুর রহমান সবুজ। মহানগর হাকিম মোর্শেদ আল মামুন ভুঁইয়া আবেদনটি গ্রহণ করলেও মুনিয়ার বোনের করা আত্মহত্যায় প্ররোচনার মামলার তদন্ত চলায় নতুন আবেদনের কার্যকারিতা স্থগিত থাকবে বলে জানিয়েছিলেন।

ওই আবেদনে সবুজ দাবি করেন, বসুন্ধরা গ্রুপের এমডি সায়েম সোবহান আনভীরের সঙ্গে শারুনের ব্যবসায়িক দ্বন্দ ছিল। এ কারণে শারুন মুনিয়ার মাধ্যমে আনভীরের ব্যবসায়িক ও ব্যক্তিগত তথ্য জানার চেষ্টা করেন। কিন্তু এতে অসম্মতি জানালে মুনিয়ার ওপর ক্ষিপ্ত হন শারুন। এর প্রতিশোধ নিতে শারুনই সহযোগীদের নিয়ে মুনিয়াকে হত্যা করেন।

সবুজের দাবি, তাঁর বোন মুনিয়াকে হত্যা করা হয়েছে। হত্যা করেছেন শারুন চৌধুরী ও তার সহযোগীরা। ঘটনার দিন শারুন তাঁর বোন মুনিয়ার ফ্ল্যাটের ডুপ্লিকেট চাবি নিয়ে ঢুকে অজ্ঞাতনামাদের সাহায্য নিয়ে হত্যা করেন। পরে তাঁর বোনের লাশ ফ্যানের সঙ্গে ঝুলিয়ে রেখে কৌশলে বাসা থেকে বের হন। সবুজের দাবি, তার বোন নুসরাত জাহান আত্মহত্যা প্ররোচনার মামলা করার আগে তার সঙ্গে কোনো আলোচনা করেননি। নুসরাত প্রকৃত ঘটনা জানেন না বলেও দাবি করেন তিনি।

গোমর ফাঁস করায় পিয়াসাও আসামি : গত ১ আগস্ট অভিযান চালিয়ে অস্ত্র, মাদকসহ ফারিয়া মাহবুব পিয়াসা নামে কথিত এক মডেলকে গ্রেপ্তার করে র‌্যাব। এসময় মরিয়ম আক্তার মৌ নামে তার এক সহযোগীকেও গ্রেপ্তার করা হয়। এরপর তাদের রিমান্ডে নিলে যেন কেঁচো খুঁড়তে গিয়ে সাপ বেরিয়ে আসার মতো ঘটনা ঘটে। পিয়াসার জবানবন্দিতে উঠে আসে বিভিন্ন রাঘববোয়ালের অনেক কুকীর্তির কথা। সেসব রাঘববোয়ালদের মধ্যে অন্যতম শারুন চৌধুরী। রিমান্ডে পিয়াসা খুলে দেন নারী কেলেঙ্কারীসহ শারুন-সামশুলের অন্ধকার জীবনের নানা অধ্যায়। পিয়াসার সেই জবানবন্দি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছিল।

সূত্র জানায়, এ ঘটনায় পিয়াসার ওপর ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন শারুন। তাই পিয়াসাকে ঘায়েল করতে নুসরাতের নতুন মামলায় কৌশলে তাকেও আসামি করা হয়।

সাবেক স্ত্রীকেও ফাঁসাতে চান শারুন : অনেক সুখের স্বপ্ন নিয়ে শারুন চৌধুরীর সঙ্গে ঘর বেঁধেছিলেন সাইফা রহমান মিম। কিন্তু বিয়ের কিছুদিন না যেতেই সেই স্বপ্ন ভেঙে যায় তার। মাদকসেবী ও অর্থলোভী স্বামীর হাতে প্রায়ই শারীরিক নির্যাতনের শিকার হতে হয়েছে তাকে। নির্যাতনের পেছনে ছিল মুনিয়ার সঙ্গে তার স্বামী শারুনের পরকীয়া। এর প্রতিবাদ করতে গিয়ে শারুনের নির্মম নির্যাতনের শিকার হন সাইফা রহমান মীম। এরপরও মুখ বুজে সংসার টিকিয়ে রাখতে চেয়ছিলেন মিম। একপর্যায়ে শারুন যখন তাকে প্রাণে মারার চেষ্টা করেন তখন আর চুপ থাকেননি মিম। শারুন ও শ্বশুর সামশুল হক চৌধুরী ওরফে বিচ্ছু সামশুসহ পরিবারের নির্যাতন সইতে না পেরে শেষপর্যন্ত শারুনকে তালাক দেন তিনি। শুধু তাই নয়, ভয়ংকর শারুন চৌধুরী সাইফা মীমের একমাত্র শিশু কন্যাকেও জোর করে আটকে রাখেন। এই ঘটনায় মিম আদালতে ৩০৬, ৩০৭, ৩২৭, ৩৪০ ও ৩৭৭ ধারায় একটি মামলার আবেদন করেন। তবে করোনা পরিস্থিতির কারণে সেই আবেদন গ্রহণ করেননি আদালত।

এ বিষয়ে মীম গণমাধ্যমকে বলেছিলেন, শারুনের শারীরিক-মানসিক নির্যাতনের কারণে আমি কয়েক দফা সুইসাইড করার চেষ্টা করি। মোসারাত জাহান মুনিয়াসহ বহু নারীর সঙ্গে শারুনের ঘনিষ্ঠতা ছিল। মুনিয়ার সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা নিয়ে কথা বললে সে আমাকে বেধড়ক মারধর করে। এমনকি আমি ও আমার মা-বাবাকে হত্যার হুমকি দেয়। তার সঙ্গে সবসময় পিস্তল থাকে, ওই পিস্তল উঁচিয়ে ভয় দেখায়।

মীম আরও বলেন, শেষপর্যন্ত তাদের নির্যাতনের কাছে হার মানতে হয়। মুনিয়ার পরকীয়ার কারণেই আমাকে ঘরছাড়া হতে হয়েছিল। এমনকি আমার শিশুকন্যাকেও আবার বুক থেকে কেড়ে নিয়েছে। একটিবার দেখতেও দেয় না। এখন প্রতিশোধ নিতে সেই শারুনের বান্ধবী মুনিয়ার বড় বোন বাদী হয়ে আমার বিরুদ্ধেও মামলা করেছে। কিন্তু আমি যে মামলা শারুনের বিরুদ্ধে করতে চেয়েছিলাম সেটা শারুন সিন্ডিকেটের অদৃশ্য হাতের ইশারায় মামলাটি আমলে নেয়া হয়নি।



আরও খবর
স্বামী হত্যায় স্ত্রীর যাবজ্জীবন

বৃহস্পতিবার ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১

আদালতে হাজির করা হচ্ছে ইভ্যালির রাসেলকে

বৃহস্পতিবার ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১




করোনায় আরও ৩৮ জনের মৃত্যু

প্রকাশিত:শুক্রবার ১০ সেপ্টেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১০ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ৬৬০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে আরও ৩৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে মোট মৃত্যু হয়েছে ২৬ হাজার ৮৩২ জনের। শুক্রবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে পাঠানো করোনাবিষয়ক নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনায় নতুন শনাক্ত হয়েছেন ২ হাজার ৩২৫ জন। এ নিয়ে দেশে করোনায় মোট শনাক্তের সংখ্যা দাঁড়াল ১৫ লাখ ২৭ হাজার ২১৫ জনে।

গত ২৪ ঘণ্টায় নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে ২৭ হাজার ২৩০টি। পরীক্ষা করা হয় ২৬ হাজার ৮৭৮টি নমুনা। পরীক্ষার বিপরীতে শনাক্তের হার ৮ দশমিক ৬৫ শতাংশ। এ পর্যন্ত মোট ৯২ লাখ ২ হাজার ৭৯০টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। সেই তুলনায় শনাক্তের হার ১৬ দশমিক ৬০ শতাংশ।

আর গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা থেকে সুস্থ হয়েছেন ৩ হাজার ৮৫৬ জন। এ নিয়ে মোট সুস্থ হলেন ১৪ লাখ ৭২ হাজার ৬৭ জন।

গত বছরের ৮ মার্চ দেশে প্রথম তিনজনের শরীরে করোনাভাইরাস ধরা পড়ে। এর দশদিন পর ১৮ মার্চ দেশে প্রথম একজনের প্রাণ কেড়ে নেয় ভাইরাসটি। সেই বছর সর্বোচ্চ মৃত্যু হয়েছিল ৬৪ জনের। কিন্তু এবার সবচেয়ে বেশি মৃত্যু দেখেছে দেশ। গত ৭ জুলাই প্রথমবারের মতো দেশে করোনায় মৃতের সংখ্যা ২০০ ছাড়িয়ে যায়। বেশকিছু দিন ২ শতাধিক মৃত্যু হয়।  এরপর গত ১৩ আগস্ট মৃত্যুর সংখ্যা ২০০ এর নিচে নামা শুরু করে। দীর্ঘদিন শতাধিক থাকার পর গত ২৮ আগস্ট মৃত্যু ১০০ এর নিচে নেমে আসে।


আরও খবর
করোনায় শনাক্ত ও মৃত্যু আরও কমল

বৃহস্পতিবার ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১




মুসলিমদের বিরুদ্ধে উসকানিদাতা উইরাথুকে মুক্তি

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ৫৫০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

মিয়ানমারের আলোচিত বৌদ্ধ ভিক্ষু আসিন উইরাথুকে মুক্তি দিয়েছে দেশটির সামরিক জান্তা। কট্টর জাতীয়তাবাদ ও মুসলিমবিরোধী অবস্থানের কারণে বহুবার আসিন উইরাথু আলোচনায় এসেছেন। এ ছাড়া সামরিক বাহিনীর প্রতি অনুরাগী হিসেবেও তিনি পরিচিত।

গতকাল সোমবার মিয়ানমারের সামরিক সরকার জানায়, উইরাথুর বিরুদ্ধে সব অভিযোগ তুলে নেওয়া হয়েছে। তবে এর কোনো কারণ উল্লেখ করা হয়নি।

আসিন উইরাথু একটি সামরিক হাসপাতালে চিকিৎসা নেবেন বলে জানানো হয়। তবে তার শারীরিক অবস্থা সম্পর্কেও বিস্তারিত কিছু বলা হয়নি।

গত ফেব্রুয়ারিতে সামরিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে পতন হওয়া নির্বাচিত সরকারের বিরোধিতা করায় কারাগারে ছিলেন এই বৌদ্ধ ভিক্ষু। আটক হওয়ার আগে বিভিন্ন অনুষ্ঠানে বক্তৃতায় তৎকালীন ক্ষমতাসীন নেত্রী অং সান সু চি ও তাঁর দল ন্যাশনাল লীগ ফর ডেমোক্রেসির কড়া সমালোচনা করেছিলেন আসিন উইরাথু।

মুসলিমবিদ্বেষী বিশেষ করে রোহিঙ্গাদের লক্ষ্য করে দেওয়া বক্তব্যের কারণে আসিন উইরাথু বৌদ্ধ বিন লাদেন হিসেবে আখ্যায়িত হন। ২০১৯ সালে তার বিরুদ্ধে ঘৃণা ছড়ানো এবং সরকারের অবমাননার অভিযোগ আনা হয়। গত বছরের নভেম্বরে তিনি আত্মসমর্পণ করেন।


আরও খবর
বিশ্বজুড়ে বেড়েছে করোনায় আক্রান্ত ও মৃত্যু

বৃহস্পতিবার ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১




১০০ পত্রিকার ডিক্লেয়ারেশন বাতিলের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে: তথ্যমন্ত্রী

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৪ আগস্ট ২০২১ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৪ আগস্ট ২০২১ | ৮১৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image
গণমাধ্যমের বিকাশের জন্য প্রধানমন্ত্রী যেভাবে কাজ করেছেন সেটি অন্য কোনও সরকার করেনি। আজকে ৩৭টির মতো টেলিভিশন চ্যানেল, দুই একটি আরও অন এয়ারে আসবে খুব শিগগিরই

গত দুই বছরে ৪৫০টি পত্রিকার ডিক্লেয়ারেশন থাকার পরও এক কপিও বের করেনি বলে জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ। এর মধ্যে ১০০ পত্রিকার ডিক্লেয়ারেশন বাতিল করার জন্য জেলা প্রশাসনকে ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে বলে জানান তিনি।

মঙ্গলবার (২৪ আগস্ট) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির নসরুল হামিদ মিলনায়তনে জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে সাংবাদিকতায় বঙ্গবন্ধু শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি এ তথ্য জানান।

হাছান মাহমুদ বলেন, বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা সাংবাদিক সমাজের জন্য যা কিছু করেছেন, তা অতীতে কেউ করেননি। পার্শ্ববর্তী দেশের সঙ্গে যদি আমরা তুলনা করি, সেই তথ্যে আমরা দেখতে পাই, আওয়ামী লীগ সরকার সাংবাদিকদের জন্য যে ব্যবস্থাগুলো ইতোমধ্যে গ্রহণ করেছে, আশেপাশের দেশে তা করা হয়নি। যারা বড় বড় কথা বলেন এবং দলাদলি করেন, তারা কিন্তু এই কাজগুলো করেননি। গণমাধ্যমের বিকাশের জন্য প্রধানমন্ত্রী যেভাবে কাজ করেছেন সেটি অন্য কোনও সরকার করেনি। আজকে ৩৭টির মতো টেলিভিশন চ্যানেল, দুই একটি আরও অন এয়ারে আসবে খুব শিগগিরই। এতোগুলো প্রাইভেট চ্যানেলের কারণে কিন্তু অনেকগুলো কর্মসংস্থান হয়েছে। এই যে এত মেধাবী শিক্ষার্থীরা সাংবাদিকতায় লেখাপড়া করে বের হচ্ছে, এই প্রাইভেট চ্যানেলগুলো না থাকলে তারা কোথায় চাকরি করতো। একইসঙ্গে পত্রপত্রিকার সংখ্যা ৪৫০ ছিল, সেখান থেকে এক হাজার ২৫০ হয়েছে। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে অনলাইন গণমাধ্যম।

হাছান মাহমুদ বলেন, যেসব পত্রিকা ডিক্লেয়ারেশন নিয়ে সেই অনুযায়ী চলে না বা পত্রিকা বের করে না, সেগুলোর ডিক্লেয়ারেশন রাখার যৌক্তিকতা কী? আমি খোঁজ নিয়েছি ৪৫০ পত্রিকা গত দুই বছরে একটি কপিও বের করেনি। আমরা তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করছি। এই পত্রিকাগুলো করে কী? তারা বিভিন্ন সাংবাদিকদের নিয়োগ দেয়, একটা কার্ড দেয় এবং তাদের কোনও বেতন দেয় না। এগুলো হচ্ছে ভুতুড়ে পত্রিকা। এসব পত্রিকায় যারা কাজ করে তারা বেতন পায় না, ফলে চাঁদাবাজিতে লিপ্ত হয়, নানা কিছুর সঙ্গে যুক্ত হয়। আর সেই বদনাম সাংবাদিক সমাজের ওপর পড়ে। এ জন্য এসব ভুতুড়ে পত্রিকার বিরুদ্ধে আমরা ব্যবস্থা গ্রহণ শুরু করেছি। ইতোমধ্যে ১০০টি ডিক্লেয়ারেশন বাতিল করার জন্য বিভিন্ন জেলা প্রশাসনের কাছে নাম পাঠানো হয়েছে। আমরা ধীরে ধীরে বাকিদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা গ্রহণ করবো। কারণ তারা বিজ্ঞাপনে ভাগ বসায়, যেদিন বিজ্ঞাপন পায় সেদিন এক কপি ছাপায়।

অনলাইন গণমাধ্যম প্রসঙ্গে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী বলেন, এটি আজকের যুগের বাস্তবতা। এটি মেনে নিতে হবে। আমরা যথেচ্ছভাবে অনলাইনের রেজিস্ট্রেশন দিচ্ছি না। এখন পর্যন্ত পত্রিকার অনলাইন সংস্করণসহ এখনও ১৫০ অতিক্রম করেনি রেজিস্ট্রেশন দেওয়া, আবেদন ৫ হাজারের বেশি। আমরা খুব ভেবে চিন্তা, তথ্য উপাত্ত সংগ্রহ করে অনলাইন গণমাধ্যমের রেজিস্ট্রেশন দিয়েছি।

আইপি টিভির জন্য ৬০০ আবেদন পড়েছে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, এখন আইপি টিভি নিয়ে অনেক কথা হয়েছে। হাইকোর্টেও একটা নির্দেশনা আছে। আইপি টিভির ক্ষেত্রেও আমরা খুবই সতর্কতার সঙ্গে দেখছি। এই দেশে কি শত শত আইপি টিভির প্রয়োজন আছে? আমি তো মনে করি এভাবে ব্যাঙের ছাতার মতো আইপি টিভি হচ্ছে। আমরা নীতিমালা করছি, আইপি টিভি কোনও সংবাদ প্রচার করতে পারবে না। যখন সংবাদ প্রচার কোরতে পারবে না তখন অনেক আইপি টিভি নিজেরাই বন্ধ করে দেবে। আমরা ধীরে ধীরে রেজিস্ট্রেশন দেবো, এখনও কাউকে দেওয়া হয়নি। রেজিস্ট্রেশনের পাশাপাশি ব্যবস্থা গ্রহণের কাজটিও করবো।

আলোচনা সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর সাবেক তথ্য উপদেষ্টা ইকবাল সোবহান চৌধুরী, সাংবাদিক নেতা মনজুরুল আহসান বুলবুল, ডিআরইউর সাবেক সভাপতি সাইফুল ইসলাম, বর্তমান সভাপতি মুরসালিন নোমানী এবং সাধারণ সম্পাদক মশিউর রহমান খান প্রমুখ।


আরও খবর



হাইকোর্টে জামিন পেলেন সেই ঝুমন দাশ

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ১৭০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

হেফাজতের সাবেক নেতা মামুনুল হকের বক্তব্যকে কেন্দ্র করে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে করা মামলায় গ্রেপ্তার সুনামগঞ্জের শাল্লার ঝুমন দাশকে ১ বছরের জন্য জামিন দিয়েছেন হাইকোর্ট। বৃহস্পতিবার (২৩ সেপ্টেম্বর) হাইকোর্টের বিচারপতি মোস্তফা জামান ইসলাম ও বিচারপতি কেএম জাহিদ সারওয়ার কাজলের সমন্বয়ে গঠিত ভার্চুয়াল বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

আদেশে আদালত বলেন, তাকে ১ বছরের জন্য জামিন দেওয়া হলো। এসময়ে তিনি দেশের বাইরে যেতে পারবেন না, এমনকি আদালতের অনুমতি ছাড়া তিনি সুনামগঞ্জের বাইরেও যেতে পারবেন না।

আদালতে এদিন জামিন আবেদনের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী জেড আই খান পান্না, নাহিদ সুলতানা যুথি ও মো. আশরাফ আলী। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন আইনজীবী সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল মিজানুর রহমান।

গত মঙ্গলবার (২১ সেপ্টেম্বর) ঝুমন দাশের জামিন আবেদনের বিষয়ে শুনানি শেষ করে আদেশের জন্য আজ বৃহস্পতিবার (২৩ সেপ্টেম্বর) দিন ধার্য করেছিলেন হাইকোর্টের একই বেঞ্চ।

এর আগে গত ১৫ মার্চ সুনামগঞ্জের দিরাইয়ে হেফাজতে ইসলাম শানে রিসালাত নামে এক সমাবেশের আয়োজন করে। সেখানে হেফাজত নেতা মামুনুল হকের ভাস্কর্যবিরোধী বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে ঝুমন দাশ নামে এক তরুণ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে স্ট্যাটাস দেন বলে অভিযোগ ওঠে। তা হেফাজতের দৃষ্টিতে আপত্তিকর মনে হয়। তারা পরদিন এর প্রতিবাদে সমাবেশও করে। ওই ফেসবুক পোস্টকে কেন্দ্র করে সুনামগঞ্জের শাল্লা উপজেলার নোয়াগাঁও গ্রামে সংখ্যালঘুদের বাড়িঘরে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটে।

পরে ১৬ মার্চ রাতে ঝুমন দাশকে আটক করা হয় ও তার বিরুদ্ধে শাল্লা থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. আবদুল করিম বাদী হয়ে থানায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা করেন। এ মামলায় ৩ আগস্ট নিম্ন আদালতে খারিজের পর গত ২২ আগস্ট হাইকোর্টে জামিন আবেদন করা হয়।



আরও খবর
বিস্কুটের কার্টন থেকে নবজাতক উদ্ধার

বৃহস্পতিবার ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১

বগুড়ায় ধানক্ষেতে মিলল নারী ইউপি সদস্যের লাশ

বৃহস্পতিবার ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১