আজঃ শুক্রবার ০১ মার্চ ২০২৪
শিরোনাম

২৭ মিনিটের ব্যবধানে রাজধানীতে তিনটি বাসে আগুন

প্রকাশিত:রবিবার ০৩ ডিসেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:রবিবার ০৩ ডিসেম্বর ২০২৩ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

২৭ মিনিটের ব্যবধানে রাজধানী ঢাকায় তিনটি বাসে আগুন দিয়েছে দুর্বৃত্তরা। সায়েদাবাদ, গাবতলী টার্মিনাল ও আগারগাঁওয়ে পৃথক ঘটনায় এসব বাসে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে।

রোববার সকাল ৬টা থেকে বিএনপি ও সমমনা রাজনৈতিক দলগুলোর ডাকা ৪৮ ঘণ্টার অবরোধের আগের রাতে এসব অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।

শনিবার রাত ১০টা ৪৮ মিনিটে সায়েদাবাদে একটি বাসে আগুন দেওয়ার ঘটনা ঘটে। এ বিষয়ে ফায়ার সার্ভিস সদর দপ্তরের ডিউটি অফিসার রাকিবুল হাসান জানান, সায়েদাবাদে বাসে আগুনের ঘটনায় ফায়ার সার্ভিস পৌঁছানোর আগেই নিভিয়ে ফেলে স্থানীয়রা। এ ঘটনায় হতাহতের কোনো খবর পাওয়া যায়নি।

রাত ১১ টা ৯ মিনিটের দিকে গাবতলী আন্তঃজেলা বাস টার্মিনালে পদ্মা লাইনের একটি বাসে অগ্নিসংযোগের খবর পায় ফায়ার সার্ভিস।

সদর দপ্তরের ডিউটি অফিসার রাকিবুল হাসান জানান, রাত ১১ টা ৯ মিনিটে খবর আসে রাজধানীর গাবতলী আন্তঃজেলা বাস টার্মিনালে দাঁড়িয়ে থাকা পদ্মা লাইনের একটি বাসে অগ্নিসংযোগ করা হয়েছে। এর তিন মিনিটের মাথায় কল্যাণপুর ফায়ার স্টেশন থেকে দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে অগ্নিনির্বাপণের কাজ শুরু করে।

রাত সোয়া ১১ টার দিকে আগারগাঁওয়ে বেতার ভবনের সামনে ভূঁইয়া পরিবহনের একটি বাসে আগুনের ঘটনা ঘটে। ডিউটি অফিসার জানান, রাত সোয়া ১১ টার দিকে খবর আসে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বেতার ভবনের সামনে দাঁড়িয়ে থাকা ভূঁইয়া পরিবহনের একটি বাসে অগ্নিসংযোগ করা হয়েছে। এরপর ঘটনাস্থলে মোহাম্মদপুর ফায়ার স্টেশন থেকে দুটি ইউনিট পাঠানো হয়। তারা গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।

তবে কে বা কারা অগ্নিসংযোগ করেছে, কোনো যাত্রী হতাহত হয়েছেন কি না তাৎক্ষনিকভাবে এ তথ্য জানাতে পারেননি ফায়ার কর্মকর্তা।

প্রসঙ্গত, দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল বাতিল, সরকারের পদত্যাগ, নির্দলীয় সরকার গঠন ও কারাবন্দী নেতাদের মুক্তির দাবিতে ডাকা বিএনপির ফের ৪৮ ঘণ্টার অবরোধ শুরু হচ্ছে রোববার ভোর ৬টা থেকে। এ অবরোধ চলবে মঙ্গলবার (৫ নভেম্বর) ভোর ৬টা পর্যন্ত। ২৮ অক্টোবরের মহাসমাবেশে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনার পর এ নিয়ে নবম দফার অবরোধ শুরু হচ্ছে।

নিউজ ট্যাগ: বাসে আগুন

আরও খবর



এবার সুন্নতে খৎনা করাতে গিয়ে আইডিয়াল শিক্ষার্থীর মৃত্যু

প্রকাশিত:বুধবার ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

শিশু আয়ানের মৃত্যুর রেশ না কাটতেই এবার মালিবাগের জেএস ডায়াগনস্টিক অ্যান্ড মেডিকেল চেকআপ সেন্টারে মতিঝিল আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজের এক শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়েছে। চতুর্থ শ্রেণিতে পড়ুয়া ওই শিক্ষার্থীর নাম আহনাফ তাহমিন আয়হাম (১০)। স্বজনদের অভিযোগ, লোকাল অ্যানেস্থেসিয়া দেওয়ার কথা থাকলেও তারা ফুল অ্যানেস্থেসিয়া দিয়েছে। যে কারণে আহনাফের আর জ্ঞান ফেরেনি। গতকাল মঙ্গলবার রাত ৮টায় আহনাফকে সুন্নাতে খৎনা করাতে অপারেশন থিয়েটারে নেওয়া হয়। এর ঘণ্টাখানেক পর তাকে মৃত ঘোষণা করা হয়।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মালিবাগের জেএস ডায়াগনস্টিক অ্যান্ড মেডিকেল চেকআপ সেন্টারে অর্থোপেডিক ও ট্রমা সার্জন ডা. এস এম মুক্তাদিরের তত্ত্বাবধানে মঙ্গলবার রাতে সন্তানকে সুন্নাতে খৎনা করাতে আসেন শিশু আয়হামের বাবা ফখরুল আলম ও মা খায়কুন নাহার চুমকি। রাত আটটার দিকে খৎনা করানোর জন্য অ্যানেস্থেসিয়া দেওয়ার পর আর ঘুম ভাঙেনি আহনাফের। এর ঘণ্টাখানেক পর হাসপাতালটির পক্ষ থেকে শিশুটিকে মৃত ঘোষণা করা হয়।

স্বজনদের অভিযোগ, লোকাল অ্যানেস্থেসিয়া দেওয়ার কথা থাকলেও ফুল অ্যানেস্থেসিয়া দেওয়া হয় আহনাফকে। যে কারণে তার জ্ঞান ফেরেনি।

আহনাফের বাবা ফখরুল আলম বলেন, আমরা চিকিৎসককে বলেছিলাম যেন ফুল অ্যানেস্থেসিয়া না দেওয়া হয়। তারপরও আমার ছেলের শরীরে সেটি পুশ করেন ডাক্তার মুক্তাদির। আমি বারবার তাদের পায়ে ধরেছি। আমার ছেলেকে যেন ফুল অ্যানেস্থেসিয়া না দেওয়া হয়। 

আরও পড়ুন>> সাম্প্রদায়িকতার বিষবৃক্ষ মুলোৎপাটনই আজকের দিনের অঙ্গীকার: ওবায়দুল কাদের

তিনি বলেন, আমার সন্তানকে অ্যানেস্থেসিয়া দিয়ে হত্যা করা হয়েছে। এই মৃত্যুর দায় মুক্তাদিরসহ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ সবারই। আমি তাদের কঠোর শাস্তি চাই।

এদিকে ঘটনার পরই ডায়াগনস্টিক সেন্টার থেকে উধাও হয়ে যান অভিযুক্ত চিকিৎসক ডা. মুক্তাদির। তিনি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) অর্থোপেডিক বিভাগের জয়েন্ট ব্যথা, বাতব্যথা, প্যারালাইসিস বিশেষজ্ঞ হিসেবে পরিচয় দিয়ে চিকিৎসা দিতেন বলে জানা গেছে। এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে জেএস ডায়াগনস্টিক অ্যান্ড মেডিকেল চেকআপ সেন্টার কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলেও কাউকে পাওয়া যায়নি।

প্রসঙ্গত, গত ৮ জানুয়ারি রাজধানীর সাতারকুল বাড্ডার ইউনাইটেড মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে সুন্নাতে খৎনা করাতে গিয়ে লাইফ সাপোর্টে থাকা শিশু আয়ান মারা যায়। টানা সাত দিন লাইফ সাপোর্টে ছিল আয়ান।


আরও খবর



বিশ্ব ইজতেমার দ্বিতীয় পর্বে ৬ মুসল্লির মৃত্যু

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
গাজীপুর প্রতিনিধি

Image

গাজীপুরের টঙ্গীর তুরাগ তীরে বিশ্ব ইজতেমার দ্বিতীয় পর্ব শুরু হয়েছে। তিন দিনব্যাপী এই ইজতেমা শুরুর আগে ও পরে ছয় মুসল্লির মৃত্যু হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় বিশ্ব ইজতেমার দ্বিতীয় পর্বের মিডিয়া সমন্বয়কারী মোহাম্মদ সায়েম এ তথ্য জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, মৃতদের মধ্যে পাঁচজন বার্ধক্যজনিত কারণে মারা গেছেন। অপরজন ইজতেমা ময়দানে পৌঁছার সময় বাসের ধাক্কায় নিহত হন। তাদের মধ্যে চারজনের পরিচয় পাওয়া গেছে। বিশ্ব ইজতেমার ময়দানেই তাদের জানাজা অনুষ্ঠিত হয়েছে। যাদের তথ্য ও ঠিকানা পাওয়া গেছে তাদের স্বজনদের কাছে লাশ হস্তান্তর করা হয়েছে।

মাওলানা জুবায়েরের অনুসারীরা ২, ৩ ও ৪ ফেব্রুয়ারি ইজতেমায় অংশগ্রহণ করেন। চার দিন বিরতির পর মাওলানা সাদ কান্ধলভীর অনুসারীরা ৯ ফেব্রুয়ারি থেকে ইজতেমার কার্যক্রম শুরু করেছেন। রোববার (১১ ফেব্রুয়ারি) আখেরি মোনাজাতের মাধ্যমে শেষ হবে এবারের বিশ্ব ইজতেমা।


আরও খবর



অ্যান্টিবায়োটিক খাচ্ছেন? জেনে নিন কী কী পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হতে পারে

প্রকাশিত:সোমবার ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
জীবন ধারা ডেস্ক

Image

অ্যান্টিবায়োটিক্স বা অ্যান্টিব্যাক্টেরিয়াল আসলে এক ধরনের ক্ষমতাশালী ওষুধ, যা ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণের হাত থেকে বাঁচায়। তবে এর সমস্যা হচ্ছে এটি এমন কিছু ব্যাকটেরিয়াও ধ্বংস করে দেয়, যা শরীরের জন্য উপকারী। অ্যান্টিবায়োটিক সেবনের ফলে যেসব পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা দেবে সে ব্যাপারে বাড়তি কিছু যত্নেরও প্রয়োজন আছে।

ব্রিটেনের জাতীয় স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ, যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় রোগ নিয়ন্ত্রণ সংস্থা ও বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা এ বিষয়ে কী পরামর্শ দিয়েছেন আসুন জেনে নেয়া যাক।

ভালো ব্যাকটেরিয়া, খারাপ ব্যাকটেরিয়া : মানবদেহে প্রায় ৪০ ট্রিলিয়ন ব্যাকটেরিয়া রয়েছে। এর মধ্যে কিছু ভালো ও খারাপ রয়েছে। এই ব্যাকটেরিয়া শরীরকে একটি ভারসাম্যের মধ্যে রাখে। অ্যান্টিবায়োটিকের কাজ ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস করা। এটি ভালো না খারাপ সেটা অ্যান্টিবায়োটিক বুঝতে পারে না। তাই কোনো রোগী অ্যান্টিবায়োটিক নিলে  শরীরের খারাপ  ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস হয়। পাশাপাশি ভালো ব্যাকটেরিয়াও নষ্ট হয়ে যায়। এতে শরীর প্রাকৃতিক ভারসাম্য হারায়। ফলে সবচেয়ে সাধারণ যে দু'টি সমস্যা দেখা দেয় তা হলো ডায়রিয়া ও ছত্রাক সংক্রমণ।

ডায়রিয়া : শরীরে যেসব ব্যাকটেরিয়া আছে, বেশিরভাগই আমাদের পাচনতন্ত্রে থাকে। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অন্ত্রের ভালো ব্যাকটেরিয়া খাবার হজম করা থেকে শুরু করে ক্ষতিকর ভাইরাস, পরজীবী থেকে শরীরকে রক্ষা করতে সাহায্য করে। অ্যান্টিবায়োটিক অন্ত্রের ভালো ব্যাকটেরিয়াও মেরে ফেলে এবং বৃদ্ধি বন্ধ করে দেয়। ফলে রোগীর মারাত্মক ডায়রিয়া, বদহজম, বমি বমি ভাব, জ্বর, পেটে ব্যথা, ক্ষুধামন্দা, মাথা ঘোরানো ইত্যাদি সমস্যা দেখা দেয়।

যা করতে হবে : অ্যান্টিবায়োটিকের প্রভাবে পেটে সমস্যা দেখা দিলে  প্রোবায়োটিক ও প্রিবায়োটিক সমৃদ্ধ খাবার ভালো কাজ করবে। এসব খাদ্য অন্ত্রে ব্যাকটেরিয়ার সুস্থ ভারসাম্য ফেরাতে, এককথায় পেট সুস্থ রাখতে সাহায্য করবে বলে জানিয়েছেন পুষ্টিবিদরা। এক্ষেত্রে প্রোবায়োটিক যুক্ত খাবারের উৎকৃষ্ট উদাহরণ হতে পারে দই। তবে দইটি যেন অবশ্যই রং ও চিনিমুক্ত হয়। এতে হজম প্রক্রিয়া দ্রুত ও কার্যকর হবে। এছাড়া অন্ত্রে ব্যাকটেরিয়ার ভারসাম্য ফেরাতে প্রিবায়োটিক যুক্ত খাবারও কাজে দেবে। প্রিবায়োটিক হচ্ছে প্রোবায়োটিকের উল্টো।

প্রিবায়োটিক খাবারে জটিল কার্বোহাইড্রেট থাকে যা সহজে হজম হয় না, সময় লাগে। কাঁচা কলা, ঠান্ডা ভাত, সেদ্ধ ঠান্ডা আলু, আটার রুটি, পাস্তা, ওটস, বিভিন্ন ধরনের ডাল যেমন ছোলা, মসুর, কিডনি বিন। এছাড়া মটরদানা, পেঁয়াজ, রসুন, ভুট্টা, কাজু, পেস্তা বাদাম, ইত্যাদি প্রিবায়োটিক যুক্ত খাবারের উৎস। সেইসঙ্গে বিভিন্ন ফল যেমন তরমুজ, ডালিম, খেজুর, ডুমুর, জাম্বুরা ও শাক, বাঁধাকপি কাজে দেবে। এসব খাবার অন্ত্রের প্রাচীরকে সুগঠিত করে তোলে।

গবেষণায় দেখা গেছে, কিছু অ্যান্টিবায়োটিক অন্ত্রের ওপর দীর্ঘস্থায়ী প্রভাব ফেলতে পারে। এতে শরীরের ভারসাম্য আগের অবস্থায় ফিরিয়ে আনতে কিছুটা সময় লাগে। অ্যান্টিবায়োটিকের ফলে যে ক্ষতি হয়েছে সেটা পুনরুদ্ধার করতে অনেকের প্রায় ছয় মাস বা সেটারও বেশি সময় লেগেছে বলে গবেষণায় দেখা গেছে। এছাড়া নিয়মিত ব্যায়াম করা, বিশেষ করে হাঁটাহাঁটি বা দৌড়ানো, অন্ত্রের স্বাস্থ্য ফেরাতে সাহায্য করবে।

ছত্রাক সংক্রমণ : ছত্রাক সংক্রমণ বা ইস্ট ইনফেকশনে প্রধানত নারীরা ভুগে থাকেন। নারীদের যোনিপথে যে ভালো ব্যাকটেরিয়া থাকে, তা ছত্রাকের সংক্রমণ থেকে রক্ষা করতে কাজ করে। কিন্তু অ্যান্টিবায়োটিকের প্রভাবে ওই ব্যাকটেরিয়া যখন মরে যায়, তখন সহজেই যোনিতে ছত্রাকের সংক্রমণ দেখা দেয়। এমনটা হলে নারীদের উচিত হবে চিকিৎসকের পরামর্শ নেয়া।

ইস্ট ইনফেকশন হলে যোনি এবং এর আশপাশে তীব্র চুলকানি ও জ্বালাপোড়া হয়। বিশেষ করে সহবাস ও প্রস্রাবের সময় ব্যথা ও জ্বালাপোড়া করে। অনেক সময় রক্তও যেতে পারে। সেই সঙ্গে পানির মতো পাতলা বা পনিরের মতো ভারী স্রাব হয়। যোনিপথে ফুঁসকুড়ি ও তলপেটে তীব্র ব্যথা হতে পারে।

করণীয় : অ্যান্টিবায়োটিক খাওয়ার মধ্যেই কিংবা ছাড়ার সঙ্গে সঙ্গে এ ধরনের লক্ষণ দেখা দিলে চিকিৎসককে জানাতে হবে। সেই সঙ্গে নারীদের উচিত হবে পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা, নিয়মিত শুকনো সুতির অন্তর্বাস পরা এবং যেটাই পরবেন সেটি যেন শরীরের সঙ্গে লেগে না থাকে, যথেষ্ট ঢিলেঢালা হয়। প্রতিদিন কয়েকবার, বিশেষ করে প্রতিবার টয়লেট শেষে গরম পানিতে যোনিপথ পরিষ্কার করে নিতে হবে।

এছাড়া গোসলের সময় বালতিতে কিংবা বাথটাবে গরম পানি পূর্ণ করে সেখানে কিছুক্ষণ বসে থেকে সেক দেয়া যেতে পারে। দীর্ঘ সময় ধরে ভেজা পোশাকে থাকা যাবে না। যেমন সাঁতারের বা ঘামে ভেজা পোশাক দ্রুত বদলে ফেলতে হবে। তবে কোনও অবস্থাতেই যোনিপথ সাবান পানিতে ধোয়া যাবে না। বাজারে অনেক ধরনের ইন্টিমেট ওয়াশ রয়েছে। চিকিৎসকরা সেগুলো ব্যবহার করতেও মানা করেছেন। সেই সঙ্গে যেসব টিস্যু বা স্যানিটারি প্যাড রঙিন বা সুগন্ধিযুক্ত, সেগুলো ব্যবহার করাও এড়িয়ে যেতে হবে। অ্যান্টিবায়োটিকের প্রভাবে আরও দুটি সমস্যা হয় যা গুটিকয়েকের মধ্যে দেখা যায়।

আলোক সংবেদনশীলতা : অ্যান্টিবায়োটিক ত্বককে সাময়িক সময়ের জন্য সূর্যালোকের প্রতি সংবেদনশীল করে তুলতে পারে। এই অবস্থাকে ফটোসেনসিটিভিটি বলে। ফলে ত্বক অল্প সময়েই রোদের সংস্পর্শে পুড়ে যায়, ত্বক বিবর্ণ হয়ে পড়ে। অনেক সময় ফোস্কা বা প্রদাহ দেখা দিতে পারে। অনেকের রোদে গেলে চুলকানি হয়। এক্ষেত্রে উচিত হবে, যতটা সম্ভব সরাসরি রোদ এড়িয়ে চলা।

কিডনি রোগ : ন্যাশনাল কিডনি ফাউন্ডেশনের মতে, কিডনি শরীরে অ্যান্টিবায়োটিক ওষুধের অবশিষ্টাংশ ফিল্টার করে বের করে দেয়। যখন সঠিকভাবে কাজ করে না, তখন এই ওষুধগুলো জমা হতে থাকে, যা কিডনিকে আরও ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে। তাই এ রোগে আক্রান্ত রোগীদের অ্যান্টিবায়োটিক দেয়ার আগে চিকিৎসকরা কিডনির কার্যকারিতা পরীক্ষা করে থাকেন। এক্ষেত্রে রোগীদেরও উচিত হবে চিকিৎসককে নিজের জটিলতার সম্পর্কে জানানো।

অন্যান্য পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া : অ্যান্টিবায়োটিকের প্রভাবে অনেকের গলা, গালে, মুখের তালুতে বা জিহ্বায় সাদা দাগ পড়তে পারে। খাওয়া বা গিলে ফেলার সময় ব্যথা হয় এবং দাঁত মাজার সঙ্গে রক্তপাত হয়। এছাড়া শ্বাসকষ্ট, চুলকানি, ফুসকুড়ি, ঠোঁট/মুখ/জিহ্বা ফুলে যাওয়ার মতো অ্যালার্জিজনিত পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াও দেখা দেয়।

তবে এ ধরনের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা দেয়ার আশঙ্কা খুবই কম। তবুও যদি দেখা দেয় বিন্দুমাত্র দেরি না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। সাধারণত অ্যান্টিবায়োটিক গ্রহণ বন্ধ করে দিলে অর্থাৎ এর কোর্স সম্পন্ন হলে এই সমস্যাগুলো ঠিক হতে শুরু করে। যারা ইতোমধ্যে নানা ধরনের ওষুধ নিচ্ছেন যেমন, গর্ভ-নিরোধক খাচ্ছেন, তাদের অ্যান্টিবায়োটিক খাওয়ার আগে বিষয়টি চিকিৎসককে জানানো দরকার।

গবেষণায় দেখা গেছে, অ্যান্টিবায়োটিক গ্রহণের সময় মদপান করলে ওষুধের কার্যকারিতা কমে যায়; সেই সঙ্গে জটিল পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা দেয়ার আশঙ্কাও বেড়ে যায়।


আরও খবর
২৯ ফেব্রুয়ারি: ইতিহাসের এই দিনে

বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

আজকের রাশিফল: বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৪

বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




ঢাকার সঙ্গে উত্তরবঙ্গের রেল যোগা‌যোগ স্বাভাবিক

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
জেলা প্রতিনিধি

Image

টাঙ্গাইলের বাসাইলে টাঙ্গাইল কমিউটার ট্রেনের ইঞ্জিন বিকল হওয়ার ৩ ঘণ্টা পর বৃহস্পতিবার বেলা ১১টার দিকে ঢাকার সঙ্গে উত্তরবঙ্গের ট্রেন যোগাযোগ শুরু হয়েছে।

এর আগে সকাল ৮টার দিকে ট্রেনটি জেলার বাসাইল উপজেলার সোনালিয়া এলাকায় বিকল হয়। এ সময় টাঙ্গাইল, গাজীপুর ও সিরাজগঞ্জে বেশ কয়েকটি স্টেশনে বিভিন্ন গন্তব্যের ট্রেন আটকা পড়ায় ভোগান্তি পড়তে হয় যাত্রীদের।

বঙ্গবন্ধু পূর্ব রেলস্টেশনের টিকিট মাস্টার রেজাউল করিম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেছেন। বিকল ইঞ্জিনটি প্রথমে টাঙ্গাইলের ঘারিন্দা স্টেশনে নিয়ে আসা হয়। পরে ট্রেনটি ঢাকার উদ্দেশে চলে যায়।

এ বিষয়ে ট্রেনের পরিচালক (গার্ড) ওমর আলী বলেন, টাঙ্গাইলের ঘারিন্দা থেকে ছেড়ে আসার ১৫ মিনিট পরই ইঞ্জিন বন্ধ হয়ে যায়। এর পর থেকে আর ইঞ্জিন চালু হচ্ছিল না। পরে ঢাকা থেকে একটি সাহায্যকারী ট্রেন এসে ওই ট্রেনটি উদ্ধার করে


আরও খবর



না ফেরার দেশে অভিনেতা আহমেদ রুবেল

প্রকাশিত:বুধবার ০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
বিনোদন ডেস্ক

Image

দুই পর্দার জনপ্রিয় অভিনেতা আহমেদ রেজা রুবেল মারা গেছেন। বুধবার (৭ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় তার মৃত্যুর খবরটি নিশ্চিত করেছেন পরিচালক নুরুল আলম আতিক। 

মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৫৫ বছর। তবে এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত আহমেদ রেজা রুবেলের মৃত্যুর কারণ জানা যায়নি।

আজ সন্ধ্যায় নুরুল আলম আতিকের নতুন সিনেমা পেয়ার সুবাস’–একটি বিশেষ প্রদর্শনী ছিল। এ প্রদর্শনীতেই যোগ দিতে আসছিলেন আহমেদ রুবেল।

উল্লেখ্য, আহমেদ রেজা রুবেল বাংলাদেশী থিয়েটার, টেলিভিশন এবং চলচ্চিত্র অভিনেতা। তিনি তার কর্মজীবন শুরু করেন সেলিম আল দীনের ঢাকা থিয়েটার দলের মাধ্যমে। পরবর্তীতে বাণিজ্যিক সিনেমাসহ একাধিক চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন।

সিনেমায় অভিনয়ের পর টেলিভিশন নাটকে অভিনয় শুরু করেন তিনি। হুমায়ূন আহমেদের বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক চলচ্চিত্র শ্যামল ছায়া সিনেমা জনপ্রিয়তা এনে দেয় আহমেদ রেজা রুবেলকে।

অভিনয় শিল্পী সংঘের সভাপতি আহসান হাবীব নাসিম বলেন, আমরা উনার পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করছি। খুব শিগগিরই বিস্তারিত জানাব।

বর্তমানে এই অভিনেতার মরদেহ স্কয়ার হাসপাতালেই রাখা হয়েছে৷ সেখানে যাচ্ছেন তার সহকর্মীরা।

১৯৬৮ সালের ৩ মে চাঁপাইনবাবগঞ্জ শহরের রাজারামপুর গ্রামের এক সম্ভ্রান্ত পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন আহমেদ রাজিব রুবেল ওরফে আহমেদ রুবেল। তার বাবার নাম আয়েশ উদ্দিন।

চাঁপাইনবাবগঞ্জ শহরের ইসলামপুর মহল্লায় তার নানির বাড়ি। জন্মস্থান চাঁপাইনবাবগঞ্জ শহরে হলেও ছোটবেলা থেকেই বেড়ে উঠেছেন ঢাকা শহরে। পরিবারের সঙ্গে ঢাকার গাজীপুরে স্থায়ীভাবে বসবাস করছিলেন তিনি।

নিউজ ট্যাগ: আহমেদ রুবেল

আরও খবর
টেইলর সুইফট ইফেক্টে আক্রান্ত সিঙ্গাপুর

বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪