আজঃ বৃহস্পতিবার ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১
শিরোনাম

২৭ সেপ্টেম্বরের পর খুলছে বিশ্ববিদ্যালয়

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ৪০৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

আগামী ২৭ সেপ্টেম্বরের মধ্যে দেশের সব বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের টিকার জন্য রেজিস্ট্রেশন কাজ শেষ করা হবে। এরপর বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ তাদের একাডেমিক কাউন্সিলের অনুমোদন নিয়ে পাঠদান কার্যক্রম শুরু ও আবাসিক হল খুলতে পারবে।

মঙ্গলবার (১৪ সেপ্টেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হল খোলা ও ক্লাসে পাঠদান শুরুর বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) এবং বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর উপাচার্যদের সঙ্গে বৈঠক করেন শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি। বৈঠক থেকে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।

সিদ্ধান্তের বিষয়টি নিশ্চিত করে মঙ্গলবার দুপুরে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের তথ্য ও জনসংযোগ কর্মকর্তা এম এ খায়ের বলেন, ২৭ সেপ্টেম্বরের মধ্যে দেশের সব সরকারি-বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের টিকার জন্য রেজিস্ট্রেশন কাজ শেষ করতে হবে। এরপর বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ তাদের একাডেমিক কাউন্সিলের অনুমোদনক্রমে বিশ্ববিদ্যালয়ে পাঠদান কার্যক্রম শুরু করতে পারবে। বিশ্ববিদ্যালয় চাইলে তাদের আবাসিক হল খুলে দিতে পারবে। তবে সেক্ষেত্রে যেসব বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের টিকার একটি ডোজ নেওয়া হয়েছে এবং যাদের ক্যাম্পাসের মধ্যে সুযোগ আছে সেখানে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সহায়তায় স্বাস্থ্য কেন্দ্র স্থাপন করে টিকা কার্যক্রম শুরু করতে হবে।

তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের মধ্যে যাদের জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) নেই, তাদের জন্ম নিবন্ধন নম্বর ইউজিসিতে পাঠাতে হবে। সুরক্ষা অ্যাপে জন্ম নিবন্ধন নম্বর যুক্ত করে টিকার জন্য সেসব শিক্ষার্থীরা নিবন্ধন করতে পারবেন।

এর আগে গত ২৬ আগস্ট করোনা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার বিষয়ে দেশে করোনাভাইরাস প্রতিরোধে গঠিত টেকনিক্যাল কমিটির সঙ্গে শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বৈঠকে ধাপে ধাপে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলো খোলার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল।

তখন জানানো হয়েছিল বিশ্ববিদ্যালয় খোলা শুরু হবে আগামী ১৭ অক্টোবর থেকে। তবে এর আগে সব বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইউজিসিতে টিকা সংক্রান্ত তথ্য পাঠাতে হবে। যেসব বিশ্ববিদ্যালয় শতভাগ টিকার আওতায় আসবে সেগুলো আগে খুলবে।

করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের পর ২০২০ সালের ১৭ মার্চ দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেওয়া হয়। দেড় বছর পর গত রোববার থেকে প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো খুলে দেওয়া হয়। সোমবার খুলেছে মেডিকেল কলেজ, ডেন্টাল ও নার্সিং সংক্রান্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান।


আরও খবর



পাঞ্জশিরে বেসামরিক জনগণকেও হত্যা করছে তালেবান

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ৩০৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

পাঞ্জশির উপত্যকায় কমপক্ষে ২০ জন বেসামরিক নাগরিককে হত্যা করেছে তালেবান। সেই সাথে এই উপত্যকার সাথে সব রকমের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়েছে। এ অবস্থায় সংবাদ সংগ্রহ কঠিন হয়ে পড়লেও, তালেবানের মানুষ হত্যার প্রমাণ রয়েছে বলে জানিয়েছে বিবিসি।

বিবিসির তথ্য মতে, উপত্যকার একটি রাস্তার ধারের ভিডিও ফুটেজ পাওয়া গেছে, যেখানে দেখা যায়, একজন সাধারণ ব্যক্তিকে ঘিরে রেখেছে সশস্ত্র তালেবান সদস্যরা। এরপর গুলির শব্দ এবং দেখা যায় লোকটি মাটিতে লুটিয়ে পড়েছে। নিহত ওই ব্যক্তি সেনাবাহিনীর সদস্য কিনা তা ভিডিওতে স্পষ্ট বোঝা না গেলেও একজন প্রত্যক্ষদর্শী জোর দাবি জানিয়েছেন যে, ওই ব্যাক্তি সাধারণ মানুষ।

এদিকে স্থানীয় একটি সূত্র বিবিসিকে জানিয়েছে, এলাকার এক দোকানদারেরও মৃত্যু হয়েছে তালেবানের নির্যাতনে। আবদুল সামি নামের ওই দোকানদার ভেবেছিলেন, সাধারণ দরিদ্র খেটে খাওয়া মানুষ, যার সাথে যুদ্ধের কোন সম্পর্ক নেই, তাকে কেন হত্যা করবে তালেবান? কিন্তু শেষ রক্ষা হয়নি। প্রতিরোধ যোদ্ধাদের কাছে মোবাইল ফোনের সিম কার্ড বিক্রি করার অভিযোগে তাকে গ্রেপ্তার করা হয় এবং পরে তার মরদেহ পাওয়া যায়।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, ওই ব্যক্তির মরদেহে নৃশংস নির্যাতনের চিহ্ন দেখেছেন তারা। পাঞ্জশিরে এ ধরণের কমপক্ষে ২০টি হত্যার প্রমাণ রয়েছে বিবিসির কাছে।

তালেবান আফগানিস্তানের দখল নিলেও শুধুমাত্র এই উপত্যকাটিই এর বাইরে ছিল। আর এই পাঞ্জশির উপত্যকা বরাবরই প্রতিরোধের কেন্দ্রবিন্দু। এখানকার নেতা আহমদ শাহ মাসউদের অধীনে গড়ে ওঠা তালেবান প্রতিরোধ বাহিনী এর আগে ২০০১ সালেও একইভাবে তালেবান প্রতিরোধ করেছিল। শুধু তাই নয়, তার আগে সোভিয়েত বাহিনীর আগ্রাসনের সময়ও এই উপত্যকা থেকে জোর প্রতিরোধ ছিল তাদের। উপত্যকাটি পুরোটাই ঘিরে রেখেছে পাহাড়। যেকারণে কারও পক্ষেই এই অঞ্চলের দখল নেয়া সহজ নয়। এখন দেখার বিষয় এবারে কী হতে চলেছে।

এদিকে পাঞ্জশিরের সাধারণ জনগণকে স্বাভাবিক জীবন যাপনের পরামর্শ দিচ্ছেন তালেবান শীর্ষ নেতারা। যদিও বাস্তবের চিত্র অনেকটাই আলাদা। এখন এই উপত্যকার বেশিরভাগ রাস্তা-ঘাট ফাঁকা, হাট-বাজারেও মানুষের ভিড় নেই। লোকজন এলাকা ছেড়ে পালানোর চেষ্টা করছে। এরইমধ্যে এই উপত্যকায় খাদ্য ও খাবারের ঘাটতি হতে পারে বলেও সতর্কতা জারি করা হয়েছে।


আরও খবর
বিশ্বজুড়ে বেড়েছে করোনায় আক্রান্ত ও মৃত্যু

বৃহস্পতিবার ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১




হাইকোর্টে জামিন পেলেন সেই ঝুমন দাশ

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ১৮৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

হেফাজতের সাবেক নেতা মামুনুল হকের বক্তব্যকে কেন্দ্র করে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে করা মামলায় গ্রেপ্তার সুনামগঞ্জের শাল্লার ঝুমন দাশকে ১ বছরের জন্য জামিন দিয়েছেন হাইকোর্ট। বৃহস্পতিবার (২৩ সেপ্টেম্বর) হাইকোর্টের বিচারপতি মোস্তফা জামান ইসলাম ও বিচারপতি কেএম জাহিদ সারওয়ার কাজলের সমন্বয়ে গঠিত ভার্চুয়াল বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

আদেশে আদালত বলেন, তাকে ১ বছরের জন্য জামিন দেওয়া হলো। এসময়ে তিনি দেশের বাইরে যেতে পারবেন না, এমনকি আদালতের অনুমতি ছাড়া তিনি সুনামগঞ্জের বাইরেও যেতে পারবেন না।

আদালতে এদিন জামিন আবেদনের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী জেড আই খান পান্না, নাহিদ সুলতানা যুথি ও মো. আশরাফ আলী। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন আইনজীবী সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল মিজানুর রহমান।

গত মঙ্গলবার (২১ সেপ্টেম্বর) ঝুমন দাশের জামিন আবেদনের বিষয়ে শুনানি শেষ করে আদেশের জন্য আজ বৃহস্পতিবার (২৩ সেপ্টেম্বর) দিন ধার্য করেছিলেন হাইকোর্টের একই বেঞ্চ।

এর আগে গত ১৫ মার্চ সুনামগঞ্জের দিরাইয়ে হেফাজতে ইসলাম শানে রিসালাত নামে এক সমাবেশের আয়োজন করে। সেখানে হেফাজত নেতা মামুনুল হকের ভাস্কর্যবিরোধী বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে ঝুমন দাশ নামে এক তরুণ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে স্ট্যাটাস দেন বলে অভিযোগ ওঠে। তা হেফাজতের দৃষ্টিতে আপত্তিকর মনে হয়। তারা পরদিন এর প্রতিবাদে সমাবেশও করে। ওই ফেসবুক পোস্টকে কেন্দ্র করে সুনামগঞ্জের শাল্লা উপজেলার নোয়াগাঁও গ্রামে সংখ্যালঘুদের বাড়িঘরে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটে।

পরে ১৬ মার্চ রাতে ঝুমন দাশকে আটক করা হয় ও তার বিরুদ্ধে শাল্লা থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. আবদুল করিম বাদী হয়ে থানায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা করেন। এ মামলায় ৩ আগস্ট নিম্ন আদালতে খারিজের পর গত ২২ আগস্ট হাইকোর্টে জামিন আবেদন করা হয়।



আরও খবর
পায়রা সেতুর নাম পরিবর্তনের দাবিতে মানববন্ধন

বৃহস্পতিবার ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১

বিস্কুটের কার্টন থেকে নবজাতক উদ্ধার

বৃহস্পতিবার ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১




আমরা করোনা মোকাবিলায় সক্ষম হয়েছি: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ১৬০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ করোনা মোকাবিলা করতে সক্ষম হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক। তিনি বলেন, করোনা মহামারির মধ্যেও আমাদের জিডিপি ৬- এর ওপরে রয়েছে। আমরা খাদ্য ও প্রোটিন উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণ। এখন সবজি রপ্তানি করছি।

বৃহস্পতিবার সকালে হোটেল রেডিসন ব্লুতে মুজিববর্ষ উপলক্ষে বিশেষ প্রকাশনার মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, এখন সংক্রমণ চার শতাংশের মধ্যে রয়েছে। অনেকের কাজ ও ব্যবসা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, এ ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে কাজ করতে হবে।’ জাহিদ মালেক বলেন, গর্ভবতীদের পুষ্টি নিশ্চিত করা সম্ভব হলে সুন্দর আগামী প্রজন্ম পেতে সক্ষম হব। করোনার সময়েও আমরা খাদ্য উৎপাদন অব্যাহত রেখেছি।

তিনি আরও বলেন, পরিবেশ দূষণের কারণে স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়ছে। এজন্য পানি ও বায়ুদূষণ রোধ করতে হবে। শিল্প-কলকারখানার বর্জ্য পানিতে মিশতে দেওয়া যাবে না। পরিবেশ দূষণ রোধ ইটভাটা বন্ধ করতে হবে।

বাংলাদেশ পুষ্টি পরিষদ আয়োজিত অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডিজিটাল এমঅ্যান্ডই পদ্ধতির উদ্বোধন করে বলেন, এমঅ্যান্ডই- এর মাধ্যমে প্রত্যেক মন্ত্রণালয় তাদের পুষ্টি লক্ষ্যমাত্রা হালনাগাদ করবে, অনলাইনের মাধ্যমে সবাই তা দেখতে পাবে। এভাবে আমরা ২০৪১ সালের মধ্যে সবার জন্য পুষ্টি কার্যক্রম তরান্বিত করতে সক্ষম হব।’ স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ সচিব লোকমান হোসেন মিয়া অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন।

অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল বাসার মোহাম্মদ খুরশীদ আলম বলেন, আমাদের জমি কমলেও ফসলের উৎপাদন বেড়েছে। তবে এখনো সবার জন্য পুষ্টি নিশ্চিত করা করা বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দেখা দিয়েছে।



আরও খবর
কিশোর গ্যাং নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নতুনভাবে ভাবতে হবে

বৃহস্পতিবার ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১




পাচারের সময় ভিজিডির ৮৪ বস্তা চাল জব্দ

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২১ সেপ্টেম্বর 20২১ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২১ সেপ্টেম্বর 20২১ | ৩১০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলায় ভিজিডির ৮৪ বস্তা সরকারি চাল পাচার করার প্রস্তুতিকালে জব্দ করা হয়েছে।

সোমবার রাতে উপজেলায় সোহাগী ইউনিয়ন পরিষদ থেকে ওই ৮৪ বস্তা চাল জব্দ করা হয়। এর মধ্যে ২১ বস্তা খোলা ছিল।

জানা যায়, ওই ইউনিয়ন পরিষদ থেকে ইউপি সদস্য ফজলুল হকের সহায়তায় ভিজিডির চাল পাচার করা হচ্ছে বলে ইউএনওর কাছে অভিযোগ আসে। অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে রাতেই ইউএনও সহকারী কমিশনার ভূমিকে ব্যবস্থাগ্রহণের নির্দেশ দেন।

প্রশাসনের উপস্থিতি টের পেয়ে পাচারকারীরা অফিস তালাবদ্ধ করে পালিয়ে যায়। পরে ইউপি চেয়ারম্যানের উপস্থিতিতে সহকারী কমিশনার ভূমি ও মহিলাবিষয়ক কর্মকর্তা ইউনিয়ন পরিষদে স্টোররুমে চালের বস্তা খোলা দেখতে পেয়ে তাদের সন্দেহ হয়। এ সময় ৮৪ বস্তা চাল জব্দ করা হয়। এর মধ্যে ২১ বস্তা খোলা ছিল।

এ বিষয়ে ইউএনও হাফিজা জেসমিন অভিযোগের সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, ঘটনাস্থলে সহকারী কমিশনার ভূমি ও মহিলাবিষয়ক কর্মকর্তাকে পাঠানো হয়েছে।

এ সম্পর্কে সহকারী কমিশনার ভূমি অনামিকা নজরুল জানান, অভিযুক্ত ইউপি সদস্য ফজলুল হক গা ঢাকা দিয়েছে। ৮৪ বস্তা চাল জব্দ করা হয়েছে। বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে।

এ ব্যাপারে ইউপি চেয়ারম্যান হাবিবুর রহমান অভিযোগের সত্যতা শিকার করেন।

নিউজ ট্যাগ: চাল জব্দ

আরও খবর



কেন চাকরিতে প্রবেশের বয়স বাড়ছে না, জানালেন প্রতিমন্ত্রী

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ২৭৮০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা বৃদ্ধির দাবি অনেক দিনের। করোনার সময় সেটা আরও জোরালো হয়েছে। তবে করোনার সময়ে বিশেষ বিবেচনার কথা বলা হলেও সার্বিক বিবেচনায় আছে বিতর্ক।

জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন জানিয়েছেন, আপাতত সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা বৃদ্ধির কোনো পরিকল্পনা নেই। মঙ্গলবার (১৪ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদে প্রশ্নোত্তরে বিএনপির সংসদ সদস্য মোশাররফ হোসেনের প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী এ তথ্য জানান। স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে প্রশ্নোত্তর টেবিলে উত্থাপিত হয়।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, আগে বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বড় ধরনের সেশনজট থাকলেও বর্তমানে উল্লেখযোগ্য সেশনজট নেই বললেই চলে। ফলে শিক্ষার্থীরা সাধারণত ১৬ বছরে এসএসসি, ১৮ বছরে এইচএসসি, ২৩-২৪ বছরে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করে থাকে। সাধারণ প্রার্থীদের জন্য চাকরিতে প্রবেশের সর্বোচ্চ বয়সসীমা ৩০ বছর। বিধায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জনের পরও তারা চাকরিতে আবেদনের জন্য কমপক্ষে ৬-৭ বছর সময় পেয়ে থাকে। এছাড়া ৩০ বছর বয়সসীমার মধ্যে একজন প্রার্থী চাকরির জন্য আবেদন করলে নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হতে ২/১ বছর সময় লাগলেও তা গণনা করা হয় না।

তিনি আরও বলেন, সম্প্রতি চাকরি থেকে অবসরের বয়সসীমা ৫৭ হতে ৫৯ বছরে উন্নীত হওয়ার ফলে বর্তমানে শূন্যপদের সংখ্যা স্বাভাবিকভাবেই কমেছে। এরই প্রেক্ষাপটে চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা বৃদ্ধি করা হলে বিভিন্ন পদের বিপরীতে চাকরিপ্রার্থীদের সংখ্যা ব্যাপক হারে বৃদ্ধি পাবে। ফলে নিয়োগের ক্ষেত্রে বেশি প্রতিযোগিতার সৃষ্টি হতে পারে। এতে করে যাদের বয়স বর্তমানে ৩০ বছরের বেশি তারা চাকরিতে আবেদন করার সুযোগ পেলেও ৩০ এর কম বয়সী প্রার্থীদের মধ্যে হতাশার সৃষ্টি হতে পারে। এ কারণে চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা আপাতত বৃদ্ধির কোনো পরিকল্পনা সরকারের নেই।

তবে কোভিড-১৯ পরিস্থিতির জন্য বিসিএস বাদে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগ বিভিন্ন ক্যাটাগরির সরকারি চাকরিতে সরাসরি নিয়োগের ক্ষেত্রে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করতে পারেনি, সেসব প্রতিষ্ঠানকে আগামী ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত প্রকাশিতব্য নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে প্রার্থীদের সর্বোচ্চ বয়সসীমা ২৫ মার্চ ২০২০ তারিখ নির্ধারণ করার অনুরোধ করা হয়েছে।


আরও খবর
কিশোর গ্যাং নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নতুনভাবে ভাবতে হবে

বৃহস্পতিবার ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১