আজঃ শনিবার ২৩ অক্টোবর ২০২১
শিরোনাম

৪৩তম বিসিএস পরীক্ষার্থীদের মানতে হবে যেসব শর্ত

প্রকাশিত:বুধবার ১৩ অক্টোবর ২০২১ | হালনাগাদ:বুধবার ১৩ অক্টোবর ২০২১ | ৫৬০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

আগামী ২৯ নভেম্বর ৪৩তম বিসিএসের প্রিলিমিনারি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। এ পরীক্ষায় প্রার্থীদের জন্য জরুরি নির্দেশনা প্রকাশ করেছে সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসসি)।

বুধবার কমিশন থেকে এ সংক্রান্ত জরুরি নির্দেশনা প্রকাশ করা হয়।

এতে বলা হয়, প্রিলিমিনারি পরীক্ষাকেন্দ্রে বই-পুস্তক, সব ধরনের ঘড়ি, মোবাইল ফোন, ক্যালকুলেটর, ইলেকট্রনিক ডিভাইস, ব্যাংক/ক্রেডিট কার্ড সদৃশ কোনো ডিভাইস, গহনা, ব্রেসলেট ও ব্যাগ আনা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। নিষিদ্ধ সামগ্রীসহ কোনো প্রার্থী পরীক্ষা কেন্দ্রে প্রবেশ করতে পারবেন না।

পরীক্ষা কেন্দ্রের গেটে এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট-পুলিশের উপস্থিতিতে প্রবেশপত্র এবং মেটাল ডিটেক্টরের সাহায্যে মোবাইল ফোন, ঘড়ি, ইলেকট্রনিক ডিভাইসসহ নিষিদ্ধ সামগ্রী তল্লাশির মধ্য দিয়ে প্রার্থীদের পরীক্ষা কেন্দ্রে প্রবেশ করতে হবে।

পরীক্ষার দিন উল্লিখিত নিষিদ্ধ সামগ্রী সঙ্গে না আনার জন্য প্রার্থীর মোবাইল ফোনে এসএমএস পাঠানো হবে। এসএমএস বার্তার নির্দেশনা অনুসরণ করতে হবে।

পরীক্ষার সময় প্রার্থীরা কানের ওপর কোনো আবরণ রাখবেন না, কান খোলা রাখতে হবে। কানে কোনো ধরনের হিয়ারিং এইড ব্যবহারের প্রয়োজন হলে বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শপত্রসহ আগেই কমিশনের অনুমোদন গ্রহণ করতে হবে।

পরীক্ষার কেন্দ্রে কোনো প্রার্থীর কাছে বর্ণিত সামগ্রী পাওয়া গেলে তা বাজেয়াপ্তসহ বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (বয়স, যোগ্যতা ও সরাসরি নিয়োগের জন্য পরীক্ষা) বিধিমালা ২০১৪-এর বিধি ভঙ্গের কারণে সংশ্লিষ্ট প্রার্থীর প্রার্থিতা বাতিলসহ ভবিষ্যতের জন্য কর্ম কমিশন সকল নিয়োগ পরীক্ষায় প্রার্থীকে অযোগ্য ঘোষণা করবে।

নিউজ ট্যাগ: পিএসসসি বিসিএস

আরও খবর



নবমীর সাজে বিতর্কে নুসরাত

প্রকাশিত:শুক্রবার ১৫ অক্টোবর ২০২১ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৫ অক্টোবর ২০২১ | ৬৫৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

পরিচিতি পেয়েছেন টালিউডের সিনেমায় অভিনয় করে। সেখানকার প্রথম সারির নায়িকা তিনি।এছাড়া পশ্চিমবঙ্গের লোকসভা নির্বাচনে বিজয়ী একজন সাংসদ নুসরাত। তাই ধর্ম-বর্ণের বাঁধ মানেন না তিনি।

আবারও সেই প্রমাণ দিলেন নুসরাত। দুর্গাপূজা উপলক্ষে সেজেছেন অভিনেত্রী। সেই ছবি আবার শেয়ার করেছেন ইনস্টাগ্রামে। কিন্তু বিপত্তি বাঁধল সেখানেই। কারণ নেটিজেনরা তার এমন রূপের প্রশংসা যেমন করছে, তেমনি সমালোচনাও করছে।

নবমীতে দেওয়া ছবিটিতে নুসরাতকে দেখা গেল গাঢ় ফিরোজা রঙের শাড়িতে। তার হাতে রয়েছে শাঁখা-পলা। কপালে রয়েছে লাল টিপ। এই ছবির কমেন্ট বক্সে তাকাতেই দেখা গেল একটি প্রশ্ন, শাঁখা-পলা পরেছো, কিন্তু কার নামের দিদি, সেটাই জানতে চাইছিলাম?

আরেক অনুসারী বিস্ময় প্রকাশ করে লিখেছেন, মুসলমান হয়ে এই অবস্থা! যদিও কোনো মন্তব্যেরই প্রতিক্রিয়া জানাননি অভিনেত্রী।

নুসরাত জাহান মুসলমান হলেও বিয়ে করেছিলেন হিন্দু ধর্মের নিখিল জৈনকে। সেই সংসার অবশ্য ভেঙে গেছে। গত বছরই নিখিলকে ছেড়ে চলে আসেন নুসরাত। তাদের বিবাহবিচ্ছেদের মামলা এখনো মীমাংসা হয়নি।

এদিকে নুসরাত বর্তমানে সংসার করেন অভিনেতা যশ দাশগুপ্তের সঙ্গে। গত আগস্টে তিনি যশের পুত্র সন্তানের মা হয়েছেন। ছেলের নাম রেখেছেন ঈশান। অভিনয়, রাজনীতি, সংসার আর স্বামী-সন্তান নিয়ে তুমুল ব্যস্ততায় কাটছে নুসরাতের সময়।

নিউজ ট্যাগ: নুসরাত জাহান

আরও খবর



ইকুয়েডরের কারাগারে নিহত বেড়ে ১১৬

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ৭২০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

দক্ষিণ আমেরিকার দেশ ইকুয়েডরের কারাগারে দাঙ্গায় নিহত বেড়ে ১১৬ জনে দাঁড়িয়েছে।  গুয়ায়েকিল কারাগারের এই দাঙ্গা দেশটির ইতিহাসের সবচেয়ে ভয়াবহ বলে জানিয়েছেন কর্মকর্তারা।

মঙ্গলবারের এ ঘটনা নিয়ে চলতি বছর আন্দিজ পর্বতমালার এ দেশটির কারা ব্যবস্থায় তৃতীয়বারের মতো প্রাণঘাতী দাঙ্গার ঘটনা ঘটল।  এই দাঙ্গায় অন্তত পাঁচ জনের শিরচ্ছেদ করা হয়েছে। আর বাকিরা গুলিতে নিহত হয়েছেন।

গুয়াইয়াস প্রদেশের পেনিতেনসিয়ারিয়া ডেল লিতোরাল এ দাঙ্গার ঘটনাটি ঘটেছে। গত কয়েক মাসে এই কারাগারের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে অপরাধী গোষ্ঠীগুলোর মধ্যে বেশ কয়েকটি প্রাণঘাতী দাঙ্গার ঘটনা ঘটেছিল।

স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, ইকুয়েডরে কার্যক্রম চালানো মেক্সিকান মাদক পাচার চক্র এই দাঙ্গার নির্দেশ দেয়। ইকুয়েডরের কারাগার কর্তৃপক্ষের পরিচালক বলিভার গারজন কারাগারের পরিস্থিতিকে ভয়াবহ বলে আখ্যায়িত করেছেন।

রাষ্ট্রীয় কারা সংস্থা এসএনএআই এক বিবৃতিতে বলেছে, সেন্টার ফল দ্য ডেপারভেইশন অব লিবার্টি গুয়াইয়াস এন ১-এর বেশ কয়েকটি এলাকায় গুলি ও বিস্ফোরণের কারণে সতর্কতা জারি করা হয়।

এর আগে ফেব্রুয়ারিতে ইকুয়েডরের আরেকটি কারাগারে দাঙ্গায় অন্তত ৭৯ জন এবং জুলাইয়ে ২২ জন নিহত হয়েছিল। দেশটির কারাগারগুলোতে বর্তমানে ৩৯ হাজার কারাবন্দি আছেন।


আরও খবর



মাধ্যমিকে শিক্ষক হতে ১৫ লাখ টাকা পর্যন্ত ঘুষ: টিআইবি

প্রকাশিত:বুধবার ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:বুধবার ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ৮১০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

দেশের মাধ্যমিক শিক্ষা কার্যক্রমে অধ্যক্ষ, প্রধান শিক্ষক বা সহকারী প্রধান শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ পেতে তিন থেকে ১৫ লাখ টাকা পর্যন্ত ঘুষ লেনদেন হয় বলে জানিয়েছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টান্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)। এছাড়া অন্যান্য পদেও নিয়মবহির্ভূত আর্থিক লেনদেনের চিত্র পেয়েছে দুর্নীতিবিরোধী সংস্থাটি। এই অর্থ আদায়ের সঙ্গে জড়িত রয়েছেন স্থানীয় রাজনৈতিক নেতা, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের গভর্নিং বডি, এসএমসি, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষকসহ শিক্ষা বোর্ডের কর্মকর্তারা।

বুধবার ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে গবেষণাপত্র তুলে ধরে টিআইবি। নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামানসহ সংস্থাটির কর্মকর্তারা এতে উপস্থিত ছিলেন। গবেষণায় বলা হয়েছে, শুধু শিক্ষক নিয়োগ নয়, সরকারি প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক বদলিতেও নিয়মবহির্ভূত আর্থিক লেনদেন চলছে।

টিআইবির ভাষ্য অনুযায়ী, অধ্যক্ষ, প্রধান শিক্ষক, সহকারী প্রধান শিক্ষকের ক্ষেত্রে সাড়ে তিন থেকে ১৫ লাখ টাকা, এনটিআরসিএর সুপারিশকৃতদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যোগদানের ক্ষেত্রে ৫০ হাজার থেকে দুই লাখ টাকা, সহকারী গ্রন্থাগারিক নিয়োগে দুই থেকে তিন লাখ টাকা, শিক্ষক এমপিওভুক্ত পাঁচ হাজার থেকে এক লাখ টাকা, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন ও নিরীক্ষায় ৫০ হাজার থেকে পাঁচ লাখ টাকা, পাঠদান অনুমোদন এক থেকে পাঁচ লাখ টাকা, স্বীকৃতি নবায়ন পাঁচ থেকে ৩০ হাজার টাকা এবং শিক্ষক বদলিতে এক থেকে দুই লাখ টাকা ঘুষ লেনদেন হচ্ছে।

টিআইবি বলছে, মাধ্যমিক শিক্ষার প্রসার বা মানোন্নয়নে সরকারের বিভিন্ন ইতিবাচক পদক্ষেপ রয়েছে। তবে তা সত্ত্বেও গুরুত্বপূর্ণ এই খাতের প্রত্যাশিত উৎকর্ষ অর্জনে এখনো ঘাটতি আছে। ২০১০ সালে জাতীয় শিক্ষানীতি হলেও এখনো অনেক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় বাস্তবায়িত হয়নি। দীর্ঘদিন অতিবাহিত হলেও নীতিগতভাবে প্রাধান্য না পাওয়ায় শিক্ষা আইনটি এখন পর্যন্ত পাস হয়নি।

গবেষণার ভিত্তিতে ২০টি সুপারিশ করেছে টিআইবি। সেগুলো হলো-

১. শিক্ষানীতি ২০১০ এর আলোকে পরিকল্পনা প্রণয়ন ও বাস্তবায়নে অতি দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে।

২. মাঠ পর্যায়ে সরাসরি রাজস্বখাতের আওতাভুক্ত সমন্বিত জনবল কাঠামো তৈরি করতে হবে।

৩. বয়স অনুযায়ী যেসব শিক্ষার্থীর জন্য কোভিড-১৯ টিকা প্রযোজ্য তাদের দ্রুত টিকার আওতায় আনতে হবে। অনলাইনে শিক্ষকদের দক্ষতা বৃদ্ধি, ঝরে পড়া শিক্ষার্থীদের শ্রেণিকক্ষে ফিরিয়ে আনা, শিক্ষার্থীদের শেখার ঘাটতি পূরণ ইত্যাদি ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা প্রণয়ন ও বাস্তবায়নে পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে।

আর্থিক বরাদ্দ সংক্রান্ত

৪. ইউনেস্কোর সুপারিশ অনুযায়ী জাতীয় বাজেটে শিক্ষা খাতে বরাদ্দ বাড়াতে হবে।

৫. এমপিওভুক্ত শিক্ষক ও কর্মচারীদের আর্থিক সুবিধা সামাজিক বাস্তবতার নিরিখে বৃদ্ধি করতে হবে। দ্রুত অবসর ভাতা প্রদানে বাজেটে বরাদ্দ রাখা এবং নতুন শিক্ষাক্রমে শিক্ষকদের অধিকতর দক্ষ করে তুলতে এবং শিক্ষক-শিক্ষার্থী অনুপাতে বৈষম্য দূরীকরণে প্রয়োজনীয় অর্থ ও অন্যান্য বিষয়ে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

৬. শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সরবরাহকৃত ল্যাপটপ, প্রজেক্টরসহ অন্যান্য উপকরণ রক্ষণাবেক্ষণে প্রতিষ্ঠানসমূহের অনুকূলে আর্থিক বরাদ্দ প্রদান করতে হবে।

মানবসম্পদ

৭. উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা-কর্মচারীদের খসড়া নিয়োগবিধি দ্রুত চূড়ান্ত করতে হবে।

৮. বেসরকারি সকল নিয়োগ এনটিআরসিএ/বেসরকারি শিক্ষক নির্বাচন কমিশনের মাধ্যমে সম্পন্ন করতে হবে।

৯. শিক্ষকদের পদোন্নতির সুযোগ বৃদ্ধিতে পদক্রম বৃদ্ধি করতে হবে।

প্রশিক্ষণ

১০. প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত শিক্ষকদের প্রশিক্ষণকালীন প্রশিক্ষণের ওপর কার্যকর মূল্যায়নে নিবিড় পরিবীক্ষণের ব্যবস্থা করতে হবে।

১১. প্রশিক্ষণের ওপর পরিপূর্ণ দক্ষতা ও জ্ঞান অর্জনে প্রদেয় প্রশিক্ষণের মেয়াদ বাড়াতে হবে।

অবকাঠামো ও লজিস্টিকস

১২. সব ধরনের কেনাকাটা ই-জিপির মাধ্যমে সম্পন্ন করতে হবে।

১৩. শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সরবরাহকৃত আইসিটি উপকরণের হালনাগাদ তথ্য সংরক্ষণে একটি কেন্দ্রীয় তথ্যভাণ্ডার থাকতে হবে।

১৪. সরকারিভাবে/শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নিজস্ব উদ্যোগে প্রতিটি শ্রেণিকক্ষ পর্যায়ক্রমে স্থায়ী মাল্টিমিডিয়ার আওতায় আনতে হবে।

স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা

১৫. দরপত্র, কার্যাদেশ, প্রকল্পের ক্রয় ও নিরীক্ষা সংক্রান্ত সকল হালনাগাদ তথ্য সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইটে প্রকাশ করতে হবে।

১৬. মনিটরিং অ্যান্ড ইভালুয়েশান উইংয়ের প্রকাশিত বার্ষিক পরিবীক্ষণ প্রতিবেদনে বিভিন্ন প্রকল্পের অনিয়ম-দুর্নীতি এবং দুর্বলতার কারণসমূহ সুনির্দিষ্টভাবে তুলে ধরতে হবে।

১৭. এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বার্ষিক মূল্যায়ন ব্যবস্থা থাকতে হবে।

অনিয়ম-দুর্নীতি

১৮. শিক্ষক ও কর্মচারী এমপিওর অনলাইন সফটওয়্যারটি আরও সহজবোধ্য এবং ওয়ান স্টপ সার্ভিস চালু করতে হবে।

১৯. বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অনিয়ম-দুর্নীতি বন্ধে এমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পর্যায়ক্রমে জাতীয়করণ করতে হবে।

২০. বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিচালনায় কমিটির সভাপতি ও সদস্যদের শিক্ষাগত যোগ্যতা নির্ধারণ করতে হবে।


আরও খবর



বাংলাদেশে ফের সম্প্রচার শুরু করেছে স্টার জলসা

প্রকাশিত:রবিবার ১৭ অক্টোবর ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ১৭ অক্টোবর ২০২১ | ৫৬৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

ভারতীয় টিভি চ্যানেল জি বাংলার পর এবার বিজ্ঞাপন ছাড়াই বাংলাদেশে সম্প্রচারে ফিরেছে স্টার জলসা। শনিবার (১৬ অক্টোবর) রাত থেকে চ্যানেলটি দেশের ক্যাবল টিভি ও ডিটিএইচে দেখা যাচ্ছে। এই দুটি চ্যানেলের সিরিয়ালগুলো বাংলাদেশি দর্শকদের কাছে অত্যন্ত জনপ্রিয়।

ক্যাবল অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (কোয়াব) জানায়, স্টার জলসা কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে ক্লিন ফিড পেয়ে পরিবেশকরা পরীক্ষামূলকভাবে সম্প্রচার শুরু করেছেন। চ্যানেলগুলোতে আগের মতোই সব অনুষ্ঠান সম্প্রচার করা হবে। তবে বিজ্ঞাপন বিরতিতে কোনো বিজ্ঞাপন দেখানো হবে না।

এদিকে নতুন করে চালু হওয়া স্টার জলসার অনুষ্ঠানের মধ্যে বিজ্ঞাপন বিরতিতে সম্মানিত গ্রাহক, বিজ্ঞাপন বিধিনিষেধের জন্য বিজ্ঞাপন সম্প্রচার বন্ধ রয়েছে। বিজ্ঞাপন বিরতি শেষে অতি শিগগিরই আমরা মূল অনুষ্ঠানে ফিরে আসছি। আমাদের সঙ্গে থাকার জন্য ধন্যবাদ, এই বার্তাটি দেখা যাচ্ছে।

বিদেশি চ্যানেল বাংলাদেশে সম্প্রচার করতে হলে ক্লিন ফিড (মূল ভিডিও) পাঠাতে হবে। অনুষ্ঠানের ফাঁকে বিজ্ঞাপন প্রচার করে, এমন বিদেশি টেলিভিশন চ্যানেল সম্প্রচার করার সুযোগ বাংলাদেশের আইনে নেই। সেই নিয়ম বাস্তবায়নে সরকার কঠোর অবস্থানে গেলে পরিবেশক ও ক্যাবল অপারেটররা গত ১ অক্টোবর জি বাংলা, স্টার জলসা ও স্টার স্পোর্টসহ প্রায় ৬০টি বিদেশি চ্যানেলের সম্প্রচার বন্ধ করে দেয়। অবশেষে বিজ্ঞাপন ছাড়াই বাংলাদেশে সম্প্রচারে ফিরেছে ভারতীয় চ্যানেল দুটি।

উল্লেখ্য, টেলিভিশন প্রযুক্তিতে ক্লিন ফিড বলতে মূল ভিডিও সিগন্যালকে বোঝায়। পরবর্তীতে এই ভিডিওতে গ্রাফিকস এবং টেক্সট যুক্ত করা হয়। চ্যানেল কর্তৃপক্ষ প্রয়োজন অনুযায়ী ফিডের মাঝে মাঝে বিজ্ঞাপনের ক্লিপ যুক্ত করে। বাংলাদেশে বিদেশি চ্যানেলগুলো কোনো ধরনের অনুমতি ছাড়াই বিজ্ঞাপন বা অন্যান্য প্রচারণাসহ সম্প্রচার করে আসছিল।

নিউজ ট্যাগ: স্টার জলসা

আরও খবর



কুশিয়ারায় জেলের জালে আড়াই মণের বাঘাইড়

প্রকাশিত:সোমবার ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:সোমবার ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ৭২৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

সিলেটের কুশিয়ারায় জেলের জালে আড়াই মণ ওজনের একটি বাঘাইড় মাছ ধরা পড়েছে। সোমবার (২৭ সেপ্টেম্বর) ভোরে ফেঞ্চুগঞ্জের কুশিয়ারা নদীতে জেলেদের জালে মাছটি ধরা পড়ে। মাছটি বিক্রির জন্য দাম হাঁকানো হচ্ছে দেড় লাখ টাকা।

মাছের বিক্রেতা মো. আলাউদ্দিন জানান, বিশালাকারের ১০০ কেজি ওজনের বাঘাইড় মাছটি ফেঞ্চুগঞ্জের জেলেদের কাছে থেকে ৬০ হাজর টাকায় বিক্রির জন্য তিনি সিলেট নগরের লালবাজারে নিয়ে আসেন। এককভাবে কেউ না নিলে মাছটি কেটে কেজি দরে বিক্রি করা হবে।

সরেজমিনে দেখা যায়, বিশালাকারের বাঘাইড় মাছটি দেখতে লোকজন বাজারে ভিড় করেছেন। অনেকে মাছটি একবার ছুঁয়েও দেখছেন।

সিলেট নগরের সুবিদবাজার থেকে মাছ কিনতে লালবাজারে আসা রওনক জামান বলেন, 'বাজারে এত বড় মাছ কম উঠে। লোকমুখে বড় বাঘাইড় বাজারে উঠেছে শুনে তিনি কিনতে এসেছেন। কিন্তু দাম বেশি চাওয়া হচ্ছে। তবে কেজিতে বিক্রি করা হলে কেনার আগ্রহ আছে।'

মাছের বিক্রেতা মো. আলাউদ্দিন বলেন, মাছটি বিক্রির জন্য তিনি দেড় লাখ টাকা দাম চাচ্ছেন। অবশ্যই ৮০ বা ৯০ হাজার টাকা পেলে বিক্রি করে দেবেন। একত্রে মাছটি বিক্রি করতে না পারলে মঙ্গলবার (২৮ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টায় মাছটি কেটে বিক্রি করবেন। সেক্ষেত্রে কেজিপ্রতি দাম পড়বে দেড় থেকে ২ হাজার টাকা। কেজি দরে মাছ নিতে এরইমধ্যে ৮ জন নাম লিখিয়েছেন বলেও জানান তিনি।


আরও খবর