আজঃ বুধবার ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪
শিরোনাম

৫ লক্ষণ: অবহেলা করলে হাড়ের বিপদ অবধারিত

প্রকাশিত:সোমবার ১৪ মার্চ ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ১৪ মার্চ ২০২২ | অনলাইন সংস্করণ
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে হাড়ের স্বাস্থ্যেরও অবক্ষয় হয়। হাড়ের যত্নের ক্ষেত্রে অধিকাংশ মানুষই খুব উদাসীন। অতিরিক্ত পরিমাণে বাইরের খাবার, ভাজাভুজি, জাঙ্ক ফুড হাড়ের স্বাস্থ্যের ক্ষতি করে। ধূমপায়ীদের ক্ষেত্রেও হাড়জনিত সমস্যা বাড়ে। হাড়ের সমস্যাগুলি শরীরে বাসা বাঁধার আগে কিছু উপসর্গ দেখলেই আগে থেকেই সতর্ক হন।

১) অনেকেই পিঠে ব্যথার সমস্যায় ভোগেন। নানা কারণেই এই ব্যথা হতে পারে। শরীরচর্চা ও যোগাসনের মাধ্যমে এই ব্যথা দূর করা সম্ভব। তবে এই সমস্যা দীর্ঘদিনের হলে বুঝবেন আপনার হাড়ের স্বাস্থ্য ভাল নেই।

২) নখের স্বাস্থ্যও বলে দেবে আপনার হাড় মজবুত আছে কি না! বারবার নখ ভেঙে গেলে বুঝতে হবে শরীর দুর্বল হাড়ের ইঙ্গিত দিচ্ছে।

৩) কোনও কিছু আঁকড়ে ধরতে গেলে হাতে ব্যথা লাগছে? হাড়ের শক্তি ও নমনীয়তা হ্রাস পেলে এমনটা হতে পারে।

৪) দাঁতের মাড়ি আলগা হয়ে গেলেও দুর্বল হাড়ের লক্ষণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। বয়েসের আগেই দাঁত পড়তে শুরু করলে তা দুর্বল হাড়ের লক্ষণ।

৫) হাড় দুর্বল হয়ে গেলে চোট আঘাতের ঝুঁকি বাড়ে। শরীরচর্চার কিংবা হাঁটাচলার সময় সামান্য আঘাতেই যদি হাড়ে চিড় ধরে তাহলে সতর্ক হন। হাড়ের স্বাস্থ্যের প্রতি যত্নশীল হন।

নিউজ ট্যাগ: হাড়ের বিপদ

আরও খবর
খাতনা করার আগে-পরে যেসব বিষয় জানা জরুরি

সোমবার ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

নারীর জন্য প্রয়োজনীয় পাঁচ ভিটামিন

রবিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




জ্ঞানবাপী মসজিদে পূজা চলবে: হাইকোর্টের রায়

প্রকাশিত:সোমবার ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

ভারতের জ্ঞানবাপী মসজিদের চত্বরে পূজা চলবে বলে রায় বহাল রেখেছেন এলাহাবাদ হাইকোর্ট। আজ সোমবার এলাহাবাদ হাইকোর্ট মুসলিম পক্ষের আবেদন খারিজ করে দেয়। অর্থাৎ জ্ঞানবাপী মসজিদের 'ব্যস জি কা তয়খানাতে' হিন্দুদের পুজোপাঠ জারি থাকবে। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এই সময়ের এক প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা যায়।

ভারতের উত্তরপ্রদেশের জ্ঞানবাপী মসজিদের তহখানায় পূজা করার অনুমতি দিয়েছিলেন বারাণসীর জেলা আদালত। পরে এ নির্দেশনা বাতিল চেয়ে মুসলিমদের পক্ষ থেকে এলাহাবাদ হাইকোর্টে আবেদন করা হয়। এবার রায়ে পূজার পক্ষেই নির্দেশনা আসলো।

এর আগে গত ৩১ জানুয়ারি জ্ঞানবাপী মসজিদের তহখানায় পূজা করার অনুমতি দেন বারাণসী জেলা আদালত। এ অনুমতির কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই সেখানে পূজা ও আরতি করা হয়। পূজার সময় উপস্থিত ছিল প্রশাসনের লোকজনও। জেলা আদালতের সেই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে ভারতের সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয় অঞ্জুমান ইন্তেজামিয়া মসজিদ কমিটি।

হিন্দুত্ববাদী শাসক যোগী আদিত্যনাথের রাজ্যের একদল হিন্দু দাবি করেছে, জ্ঞানবাপী মসজিদের ওজুখানা চত্বরে অসম্পূর্ণ শিবলিঙ্গের অস্তিত্ব মিলেছে। এ ছাড়া মসজিদটিতে হনুমান, বিষ্ণু, নান্দীর মূর্তিও থাকারও দাবি করছে তারা। তাই তাদের পূজা করতে দিতে হবে। এক পর্যায়ে ঘটনাটি আদালত পর্যন্ত গড়ায়। বারাণসি ও এলাহাবাদ হাইকোর্টে রায় আসে যে সেখানে পূজা চলবে। বিচারপতি রোহিত রঞ্জন আগরওয়ালের সিঙ্গেল বেঞ্চ এদিন এই রায় দেয়।

এই জয়ের পর আইনজীবী বিষ্ণু শংকর জৈন বলেন, 'আঞ্জুমান ইন্তেজামিয়ার প্রথম আবেদনই খারিজ করে দিয়েছে এলাহাবাদ হাইকোর্ট। ১৭ এবং ৩১ জানুয়ারি বারাণসী জেলা আদালতের রায় বহাল রাখার কথা জানিয়েছে হাইকোর্ট। অর্থাৎ জ্ঞানবাপী মসজিদের ব্যস জি কা তহখানাতে পূজা চলবে।'

নিউজ ট্যাগ: হাইকোর্ট মসজিদ

আরও খবর
সৌদি আরবে এক দিনে সাতজনের শিরশ্ছেদ

বুধবার ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




সরকারি হাসপাতালে ওষুধ পান না ৬৯ শতাংশ রোগী

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
স্বাস্থ্য ডেস্ক

Image

সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা ৬৯ দশমিক ৩৪ শতাংশ রোগীকে বাইরে থেকে ওষুধ কিনতে হয়। জন্মের পরপরই মায়ের দুধ থেকে বঞ্চিত হয় দেশের ১৩ দশমিক ৭ শতাংশ শিশু। ৫০টির বেশি নীতিমালা, আইন থাকার পরেও এখনো নিশ্চিত হয়নি দেশের মানুষের জন্য নিরাপদ খাদ্য। এমন সব তথ্য উঠে এসেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বিভিন্ন গবেষণায়।

আজ সোমবার রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এসব গবেষণা প্রবন্ধ উপস্থাপন করা হয়। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্ল্যানিং মনিটরিং অ্যান্ড রিসার্চ (পিএমআর) আয়োজিত গবেষণা প্রতিবেদন প্রকাশ অনুষ্ঠানে তিনটি সেশনে প্রকাশ করা হয় বিষয়ভিত্তিক ১৪টি গবেষণা প্রতিবেদন। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রশ্নপত্রের ভিত্তিতে এই গবেষণাগুলো করা হয়।

অনুষ্ঠানের উদ্বোধনী অধিবেশনে সভাপতির বক্তব্য দেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. এ বি এম খুরশীদ আলম। স্বাগত বক্তব্য দেন পিএমআরের লাইন ডিরেক্টর অধ্যাপক ডা. মাজহারুল ইসলাম।

এ সময় আরও বক্তব্য দেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আহমেদুল কবির এবং জাতীয় প্রতিষেধক ও সামাজিক চিকিৎসা প্রতিষ্ঠানের (নিপসম) পরিচালক অধ্যাপক ডা. মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা।

দেশের হাসপাতালগুলোয় সংক্রমণ রোধ ও নিয়ন্ত্রণের (আইপিসি) অবস্থাবিষয়ক এক গবেষণায় বলা হয়, বেশির ভাগ হাসপাতালে আইপিসি কমিটি আছে। কিন্তু অধিকাংশ কমিটি কার্যকর নয়। অধিকাংশ হাসপাতালেই নেই আইপিসির জন্য নির্দিষ্ট জনবল। সরকারি ৬০ শতাংশ হাসপাতালে আইপিসি ব্যবস্থাপনা নেই। আর বেসরকারি হাসপাতালের ৫০ শতাংশে এই ব্যবস্থাপনা নেই। ফলে হাসপাতাল থেকে যেসব রোগের সংক্রমণ হয়, সেটি বাড়বে। এই সংক্রমণ মারাত্মক ও অ্যান্টিবায়োটিক প্রতিরোধী হয়।

এই গবেষণায় দেখা গেছে, অ্যান্টিবায়োটিক কীভাবে ব্যবহার করা হবে, এর একটি গাইডলাইন থাকলেও হাসপাতালগুলোয় তা মানা হয় না। এক-চতুর্থাংশ হাসপাতালে হ্যান্ড হাইজেনিং স্টেশন অর্থাৎ যেখানে হাত ধোয়ার জন্য কার্যকরী ব্যবস্থা নেই। প্রতি বেডে একজন রোগী থাকার কথা থাকলেও হাসপাতালগুলোয় বেডের চেয়ে বহুগুণ বেশি রোগী থাকছে। উন্নত দেশে আইপিসি হার ৩ থেকে ৫ শতাংশ হলেও এশিয়ার দেশগুলোয় এই হার ৩০ থেকে ৪০ শতাংশ।

নিরাপদ খাদ্য ও জনস্বাস্থ্যবিষয়ক গবেষণায় দেখা গেছে, নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে দেশে আইন, নীতিমালা ও বিধিমালা রয়েছে ১৫২টির মতো। আইনের অভাব না থাকলেও সেগুলোর বাস্তবায়ন খুব একটা নেই। যে কারণে নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করা যাচ্ছে না।

তথ্যের ঘাটতি-সম্পর্কিত এক গবেষণা প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০৩০ সালের মধ্যে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে স্বাস্থ্য খাতের যে ৪০টি সূচক রয়েছে, এসব ক্ষেত্রে সরকার কাজ করলেও পরিপূর্ণ তথ্য নেই। এ ৪০টি সূচকের মধ্যে চারটির কোনো সঠিক তথ্যই নেই। অন্যদিকে, ১০ সূচকের আংশিক তথ্য রয়েছে। আর বাকি ২৬টি সূচকের যাচাই করার মতো তথ্য আছে, তবে তা পরিপূর্ণ নয়। যে চারটি সূচকের কোনো তথ্য নেই, তা হলো জন্মহার, অনিরাপদ পানি ও অনিরাপদ স্যানিটেশন ও স্বাস্থ্যবিধির অভাবে মৃত্যুহার, স্বাস্থ্য সুযোগ-সুবিধার অনুপাত (যেখানে সাশ্রয়ী মূল্যের প্রাসঙ্গিক প্রয়োজনীয় ওষুধের সুবিধা রয়েছে) এবং নির্বাচিত অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল প্রতিরোধী ব্যাকটেরিয়ার কারণে রক্তপ্রবাহের সংক্রমণের তথ্য।

জনস্বাস্থ্য পুষ্টি প্রতিষ্ঠানের পরিচালক অধ্যাপক ডা. শাহ গোলাম নবীর নেতৃত্বে পরিচালিত এক গবেষণায় দেখা গেছে, জন্মের পরপরই মায়ের দুধ থেকে বঞ্চিত হয় দেশের ১৩ দশমিক ৭ শতাংশ শিশু। জন্মের প্রথম ছয় মাস (এক্সক্লুসিভ ব্রেস্ট ফিডিং) মায়ের দুধ থেকে বঞ্চিত হয় ৬ শতাংশ শিশু। জন্মের প্রথম দুই বছর মায়ের দুধ পায় না ৭ দশমিক ৭ শতাংশ শিশু। এ ছাড়া ছয় মাস বয়সের পরেও মায়ের দুধের পাশাপাশি ৮ দশমিক ২ শতাংশ শিশু বাড়তি খাবার পায় না।

স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ, মিটফোর্ড হাসপাতালের পরিচালক ব্রি. জে. কাজী মো. রাশিদ উন নবীসহ ১৩ জন চিকিৎসক একটি গবেষণা পরিচালনা করেন। সেখানে দেশের সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাব্যবস্থা সম্পর্কে নেওয়া রোগীদের সুস্পষ্ট মতামত উঠে এসেছে।

গবেষণায় দেখা গেছে, সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা ৬৯ দশমিক ৩৪ শতাংশ রোগীকে ওষুধ কিনে খেতে হয়। যদিও তাদের হাসপাতাল থেকে বিনা মূল্যে ওষুধ পাওয়ার কথা ছিল। এ ছাড়া ১৮ শতাংশ রোগীকে সরকারি হাসপাতালের সেবা পাওয়ার জন্য টাকা দিতে হয়। হাসপাতালে ব্যক্তিগত নিরাপত্তা নিয়ে অসন্তুষ্ট ৭৮ দশমিক ৪৩ শতাংশ রোগী।


আরও খবর



কাজিপুরে মাকে হত্যার দায়ে ছেলে-পুত্রবধূর মৃত্যুদণ্ড

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি

Image

সিরাজগঞ্জের কাজীপুরে মাকে হত্যার দায়ে ছেলে ও পুত্রবধূকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। মঙ্গলবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ তৃতীয় আদালতের বিচারক কানিজ ফাতিমা এ রায় দিয়েছেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- কাজীপুর উপজেলার দক্ষিণ রেহাইশুরিবেড় গ্রামের মৃত মোকসেদ আলী মণ্ডলের ছেলে আব্দুস সামাদ ও তার স্ত্রী রাশিদা খাতুন।অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ তৃতীয় আদালতের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) অ্যাডভোকেট শামসুল আলম বিষয়টি আজকের দর্পণকে নিশ্চিত করেছেন।

মামলা সূত্রে জানা যায়, সিরাজগঞ্জের কাজীপুর উপজেলার দক্ষিণ রেহাইগুরিবেড় গ্রামে আব্দুস সামাদের সঙ্গে তার বৃদ্ধ মা ফাতেমা বেগম একই বাড়িতে বসবাস করতেন। ২০১৬ সালের ১ নভেম্বর ভোরে ফাতেমা বেগমের গলাকাটা মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন স্বজনরা। পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায় এবং একটি ছুরি জব্দ করে। পরে আব্দুস সামাদের ভাই আব্দুল রহিম বাদী হয়ে কাজীপুর থানায় অজ্ঞাতদের আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। তদন্ত শেষে আদালতে চার্জশিট দেয় থানা পুলিশ। দীর্ঘদিন বিচারকার্য চলার পর ১৪ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আজ মঙ্গলবার দুপুরে আসামিদের উপস্থিতিতে বিচারক এ রায় প্রদান করেন।

নিউজ ট্যাগ: সিরাজগঞ্জ

আরও খবর
সিলেট নগরী থেকে গৃহবধূর গলিত লাশ উদ্ধার

বুধবার ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




বইমেলাকে কেন্দ্র করে সুনির্দিষ্ট হুমকি নেই : ডিএমপি

প্রকাশিত:বুধবার ৩১ জানুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ৩১ জানুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

বইমেলাকে কেন্দ্র করে সুনির্দিষ্ট হামলার হুমকি নেই বলে জানিয়েছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার হাবিবুর রহমান। বুধবার (৩১ জানুয়ারি) সকালে অমর একুশে বইমেলা প্রাঙ্গণ সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ডিএমপির নেওয়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা পরিদর্শন করতে এসে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

ডিএমপি কমিশনার বলেন, বইমেলা অসাম্প্রদায়িক আয়োজন। এই আয়োজনকে বিভিন্ন সময় হুমকির মুখে পড়তে হয়েছে। এখানে নাশকতা ও জঙ্গি তৎপরতার অতীত ঘটনা রয়েছে। এই বিষয়টি স্পষ্টভাবে মাথায় রেখে নিরাপত্তা পরিকল্পনা সাজানো হয়েছে। তবে সুনির্দিষ্ট কোনো হুমকি নেই।

বিভিন্ন সময় বেশ কিছু বইয়ের বিষয়ে আপত্তি জানিয়েছে পুলিশ। এবার এ ধরনের কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে কী না? জানতে চাইলে তিনি বলেন, কোনো বইয়ের লেখার বিষয়টি বাংলা একাডেমি দেখাশোনা করে থাকে। তবে এমন কোনো লেখা বা বিষয় যদি পাঠকের নজরে আসে বা গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয় এবং সেটি নিয়ে যদি কোনো সমালোচনা হয় তখন পুলিশের পক্ষ থেকে পর্যবেক্ষণ করা ও প্রয়োজন হলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রয়োজন হয়, তাহলে সেই ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। 

আরও পড়ুন>> অব্যাহত রয়েছে শৈত্যপ্রবাহ, পঞ্চগড়ে তাপমাত্রা বেড়ে ৯.৩

হাবিবুর রহমান বলেন, বইমেলায় ডিএমপি পুলিশের পক্ষ থেকে ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। মেলায় একটি পুলিশ কন্ট্রোলরুম বসানো হয়েছে। এর মাধ্যমে মেলা ও এর আশপাশ পর্যবেক্ষণ করা হবে। নিয়মিত গোয়েন্দা নজরদারির পাশাপাশি মেলায় প্রবেশপথে কয়েক ধাপে নিরাপত্তা তল্লাশি করা হবে। মেলার ভেতর বাহিরে সার্বক্ষণিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা, ওয়াচ টাওয়ারসহ নিশ্ছিদ্র  নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, এবারের মেলায় বিশেষ একটি সুবিধা যুক্ত হয়েছে। মেট্রোরেলের একটি স্টেশন মেলার গাঁ ঘেঁষে। তাই দর্শনার্থীদের যাতায়াতের সুবিধা বাড়বে। এছাড়া সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের ইঞ্জিনিয়ার ইনস্টিটিউট গেট খুলে দেওয়া হচ্ছে। এতে দর্শনার্থীদের মেলায় প্রবেশ সহজ হবে।

ভাষার মাসের প্রথমদিন বিকেল ৩টায় বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণে মেলার উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সবমিলিয়ে বরাবরের মতো এবারো বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণ ও সোহরাওয়ার্দী উদ্যান অংশে থাকছে মেলার আয়োজন।


আরও খবর



আজ শেষ হচ্ছে একাদশ জাতীয় সংসদের মেয়াদ

প্রকাশিত:সোমবার ২৯ জানুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২৯ জানুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

আনুষ্ঠানিকভাবে আজ শেষ হচ্ছে একাদশ জাতীয় সংসদের মেয়াদ। বিদায়ী এই সংসদের যাত্রা শুরু হয় ২০১৯ সালের ৩০ জানুয়ারি আর শেষ হয় ২০২৩ সালের ২ নভেম্বর। এতে কার্যদিবস কম হলেও সর্বোচ্চসংখ্যক ২৫টি অধিবেশন বসেছে।

সর্বশেষ ২৫তম অধিবেশনের ৯ কার্যদিবসসহ এই সংসদের মোট কার্যদিবস ছিল ২৭২টি। এর আগে দশম সংসদে কার্যদিবস ছিল ৪১০ ও নবম সংসদে কার্যদিবস চলে ৪১৮।

অন্যদিকে আগামীকাল মঙ্গলবার (৩০ জানুয়ারি) ইতিহাসের সর্বোচ্চ সংখ্যক স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য নিয়ে বসছে দ্বাদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন। ওই দিন বিকেল ৩টায় রাষ্ট্রপতির ভাষণের মধ্য দিয়ে দ্বাদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন শুরু হবে।

ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগ গতবারের মতো এবারও স্পিকার হিসেবে শিরীন শারমিন চৌধুরী এবং ডেপুটি স্পিকার পদে শামসুল হক টুকুকে মনোনীত করেছে। সংসদ নেতা হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আর উপনেতা মতিয়া চৌধুরী। বিরোধী দলীয় নেতা হয়েছেন জাতীয় পার্টির জি এম কাদের ও উপনেতা আনিসুল ইসলাম মাহমুদ।

অধিবেশনের প্রথম দিনেই রাষ্ট্রপতি স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারকে শপথবাক্য পাঠ করাবেন বলে জানিয়েছে সংসদ সচিবালয়। এরপর নতুন সংসদ সদস্যদের উদ্দেশ্যে প্রথমবারের মত ভাষণ দেবেন রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন। পরে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর আনা ধন্যবাদ প্রস্তাবের ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নেবেন সদস্যরা।

নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা যায়, দ্বাদশ সংসদে আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য ২২৩, স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য ৬২, জাতীয় পার্টির ১১, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের ১, ওয়ার্কার্স পার্টির ১ আর কল্যাণ পার্টির ১ জন সংসদ সদস্য আছেন।

এবারই ইতিহাসে প্রথমবারের মতো বিরোধী দলের থেকে স্বতন্ত্র সংসদ সদস্যের সংখ্যা ছয় গুণ বেশি। সরকার প্রধান বলছেন, জাতীয় পার্টির পাশাপাশি সংসদে বিরোধী ভূমিকায় থেকে সরকারের গঠনমূলক সমালোচনা করার সবচেয়ে বেশি সুযোগ রয়েছে স্বতন্ত্র এমপিদের।

এদিকে অধিবেশন চলাকালে সংসদ ভবন ও আশপাশের এলাকার শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষার জন্য কিছু নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)।


আরও খবর