আজঃ মঙ্গলবার ২০ এপ্রিল ২০21
শিরোনাম

৫৪ হাজার শিক্ষক নিয়োগে গণবিজ্ঞপ্তি, আবেদন শুরু ৪ এপ্রিল

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ৩০ মার্চ ২০২১ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ৩০ মার্চ ২০২১ | ১৯০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image
বেসরকারি স্কুল-কলেজ, মাদারাসা ও কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এন্ট্রি লেভেলের ৫৪ হাজারের বেশি পদে শিক্ষক পদে নিয়োগ সুপারিশ পেতে আগামী ৪ এপ্রিল থেকে আবেদন শুরু হবে

দেশে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসমূহে মোট ৫৪ হাজার ৩০৪ জন শিক্ষক নিয়োগের গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ। এর মধ্যে স্কুল ও কলেজ পর্যায়ে ৩১ হাজার ১০১ জন, মাদ্রাসা, কারিগরি ও ব্যবসায়ী ব্যবস্থাপনা ২০ হাজার ৯৯৬জন, সংরক্ষিত ২ হাজার ২০৭ জন।

মঙ্গলবার (৩০ মার্চ) বিকেলে এই গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে সরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ। গণবিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়- বেসরকারি স্কুল-কলেজ, মাদারাসা ও কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এন্ট্রি লেভেলের ৫৪ হাজারের বেশি পদে শিক্ষক পদে নিয়োগ সুপারিশ পেতে আগামী ৪ এপ্রিল থেকে আবেদন শুরু হবে। প্রার্থীরা ৪ এপ্রিল সকাল ১০টা থেকে অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন। ৩০ এপ্রিল রাত ১২টা পর্যন্ত প্রার্থীরা আবেদনের সুযোগ পাবেন।

http://ngi.teletalk.com.bd অথবা www.ntrca.gov.bd ওয়েবসাইটের মাধ্যমে আবেদন গ্রহণ করা হবে। অনলাইনে সঠিকভাবে ফরম পূরণ করে সাবমিট করতে হবে। ফরম সাবমিটের পর প্রার্থীদের মোবাইলে এসএমএস পাঠিয়ে টাকা জমা দেওয়াসহ পরবর্তী নির্দেশনা জানিয়ে দেওয়া হবে। আবেদনের ফি নির্ধারণ করা হয়েছে ১০০ টাকা।

গণবিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ২০১৮ খ্রিষ্টাব্দের ১২ জুন এমপিও নীতিমালা জারির আগে যারা সনদ অর্জন করা প্রার্থীরা যাদের বয়স ৩৫ এর বেশি হয়ে গেছে তারাও আবেদনের সুযোগ পাবেন। বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ইনডেক্সধারী যে সকল শিক্ষক নিবন্ধন সনদধারী কর্মরত আছেন তারাও অনলাইনে নিয়োগের জন্য আবেদন করতে পারবেন। তবে তাদের নিয়োগের আবেদনসমূহ অন্যান্য প্রার্থীদের ন্যায় জাতীয় মেধাতালিকার ভিত্তিতে বাছাইপূর্বক নিষ্পত্তি করা হবে।


আরও খবর



দেশে করোনায় ১ দিনে সর্বোচ্চ মৃত্যু

প্রকাশিত:শনিবার ১০ এপ্রিল ২০২১ | হালনাগাদ:শনিবার ১০ এপ্রিল ২০২১ | ১২৩জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

করোনাভাইরাসে গেল ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু হয়েছে ৭৭ জনের। আজ শনিবার (১০ এপ্রিল) বিকেলে করোনাভাইরাস নিয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

এর আগে গত ৭ এপ্রিল দেশে একদিনে করোনায় সাত হাজার ৬২৬ জন শনাক্ত হয়। যা দেশে করোনায় একদিনে শনাক্তে সর্বোচ্চ রেকর্ড। আর গত ৬ এপ্রিল একদিনে শনাক্ত হয়েছিল সাত হাজার ২১৩ জন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য মতে, ২০২০ সালের ৮ মার্চ দেশে করোনা ভাইরাসের প্রথম রোগী শনাক্ত হয়। এর ১০ দিন পর ১৮ মার্চ করোনায় আক্রান্ত হয়ে প্রথম একজনের মৃত্যু হয়। এরপর ধীরে ধীরে আক্রান্তের হার বাড়তে থাকে।

নিউজ ট্যাগ: করোনা ভাইরাস

আরও খবর



করোনায় ভারতে একদিনে ফের রেকর্ড সংক্রমণ

প্রকাশিত:শুক্রবার ১৬ এপ্রিল ২০২১ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৬ এপ্রিল ২০২১ | ৭৬জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

করোনাভাইরাসের নতুন কেন্দ্র হয়ে উঠেছে ভারত। দেশটিতে গত কয়েকদিন ধরে একদিনে সর্বোচ্চ আক্রান্তের রেকর্ড হচ্ছে। একদিনে মৃত্যুর সংখ্যাও হাজার ছাড়িয়েছে। এরই মধ্যে ব্রাজিলকে টপকে বিশ্বে করোনা হতাহতের সংখ্যায় দ্বিতীয় অবস্থানে উঠে এসেছে ভারত। হাসপাতালের মর্গ ও শ্মশানে লাশের ভিড় বেড়েছে বলে জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম।

ওয়ার্ল্ডোমিটারের তথ্য অনুযায়ী, গত একদিনে ভারতে আক্রান্ত হয়েছে দুই লাখ ১৬ হাজার ৮৫০ জন এবং মৃত্যু হয়েছে ১ হাজার ১৮৩ জনের। দেশটিতে মোট আক্রান্তের সংখ্যা এক কোটি ৪২ লাখ ৮৭ হাজার ৭৪০ জন এবং মারা গেছে এক লাখ ৭৪ হাজার ৩৩৫ জন।

এরই মধ্যে দেশটির বেশ কয়েকটি রাজ্য ফের কড়াকড়ি জারি করেছে। কারফিউ জারি করেছে ছত্তিশগড় ও দিল্লি। দিল্লিতে চার ও পাঁচতারকা হোটেলকে করোনা হাসপাতলে রুপান্তর করা হচ্ছে।

এরই মধ্যে টিকা প্রদানের আরও বড় প্রকল্প হাতে নিয়েছে ভারত। দেশটি তৃতীয় টিকা হিসেবে রাশিয়ার স্পুত্নিক ভির জরুরি ব্যবহারের অনুমোদন দিয়েছে। এই টিকা তারা উৎপাদন করবে।

বিশ্বে করোনায় ক্ষতিগ্রস্ত দেশের তালিকায় সবার ওপরে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। সে দেশে এখন পর্যন্ত করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হিসেবে শনাক্ত হয়েছে ৩ কোটি ২২ লাখ ২৪ হাজার ১৩৯ জন এবং মারা গেছে পাঁচ লাখ ৭৮ হাজার ৯৯৩ জন।

শুক্রবার সকাল পর্যন্ত বিশ্বে করোনায় মারা গেছেন ২৯ লাখ ৯৯ হাজার ২৪৬ জন। আক্রান্ত হয়েছেন ১৩ কোটি ৯৬ লাখ ৭০ হাজার ৮০০ জন। আক্রান্তদের মধ্যে সুস্থ হয়েছেন ১১ কোটি ৮৭ লাখ ৫৫ হাজার ৭৬৮ জন এবং বর্তমানে আক্রান্ত অবস্থায় রয়েছেন ১ কোটি ৭৯ লাখ ১৫ হাজার ৭৮৬ জন।


আরও খবর



প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বাধীন সরকার মুজিবনগর সরকারের লক্ষ্য বাস্তবায়ন করছে : শ ম রেজাউল করিম

প্রকাশিত:শনিবার ১৭ এপ্রিল ২০২১ | হালনাগাদ:শনিবার ১৭ এপ্রিল ২০২১ | ২০৭জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

শনিবার (১৭ এপ্রিল) ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস উপলক্ষ্যে পিরোজপুর জেলা প্রশাসন আয়োজিত আলোচনা সভায় রাজধানীর বেইলি রোডের সরকারি বাসভবন থেকে ভার্চুয়ালি সংযুক্ত হয়ে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এ মন্তব্য করেন।

এসময় মন্ত্রী বলেন, ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল গঠিত স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম সরকার তথা মুজিবনগর সরকারের লক্ষ্যই ছিল শোষণমুক্ত এবং ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ গঠন। সে লক্ষ্যেই শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকার কাজ করে যাচ্ছে। ধর্ম, বর্ণ, গোষ্ঠী নির্বিশেষে বাংলাদেশের সকল মানুষকে শোষণ ও বঞ্চনার হাত থেকে মুক্ত করে তাদের মৌলিক মানবাধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য শেখ হাসিনা অবিরাম প্ররিশ্রম করে যাচ্ছেন। তিনি ইতোমধ্যে বাংলাদেশকে বিশ্বের বুকে উন্নয়নের রোল মডেলে পরিণত করেছেন।

শ ম রেজাউল করিম আরো যোগ করেন, মুজিবনগর সরকারের লক্ষ্য বাস্তবায়নে বর্তমান সরকার যখন উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির পথে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে তখনই একটি উগ্র সাম্প্রদায়িক চক্র সে অর্জন বিনষ্ট করার জন্য মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে চাইছে। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে বিজয় অর্জনের মাধ্যমে অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। ঘৃণ্য ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে ১৯৭৫ সালে বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পরই মূলত আবার সাম্প্রদায়িক গোষ্ঠী মাথাচাড়া দিয়ে উঠার সুযোগ পায়। ৭৫ পরবর্তী সরকারগুলো ধারাবাহিকভাবে স্বাধীনতাবিরোধী সাম্প্রদায়িক গোষ্ঠীকে বিভিন্নভাবে পৃষ্ঠপোষকতা দিয়ে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় প্রতিষ্ঠিত করেছিল। পরবর্তীতে বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা রাষ্ট্র ক্ষমতায় এসে যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের মাধ্যমে সাম্প্রদায়িক অপশক্তির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়েছেন। বিচারের রায় কার্যকর করে তাদের দর্প চূর্ণ করেছেন। এই সম্প্রীতির বাংলাদেশে আবার সাম্প্রদায়িক গোষ্ঠী মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে চাইলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবসে স্বাধীনতার স্বপক্ষের শক্তিকে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় ঐক্যবদ্ধ হয়ে উগ্র সাম্প্রদায়িক অপশক্তির বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়ার জন্য এসময় আহ্বান জানান মন্ত্রী।

পিরোজপুরের জেলা প্রশাসক আবু আলী মোঃ সাজ্জাদ হোসেনের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পিরোজপুরের পুলিশ সুপার হায়াতুল ইসলাম খান। পিরোজপুর জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডের সাবেক কমান্ডার গৌতম নারায়ণ চৌধুরী ও সমীর দাশ বাচ্চু, পিরোজপুর সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি তোফাজ্জল হোসেন, পিরোজপুর পৌরসভার কাউন্সিলর ছায়েদুল্লাহ লিটন, পিরোজপুর জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক অনিরুজ্জামান অনিক ও সাবেক সভাপতি মাকসুদুল ইসলাম প্রমুখ আলোচনা সভায় অংশগ্রহণ করেন।


আরও খবর



পুলিশের দুই গাড়িকে বাসের ধাক্কা, গুরুতর আহত ২১

প্রকাশিত:সোমবার ০৫ এপ্রিল ২০২১ | হালনাগাদ:সোমবার ০৫ এপ্রিল ২০২১ | ১১৩জন দেখেছেন
Image

কুমিল্লা-সিলেট মহাসড়কের যাত্রীবাহী বাসের ধাক্কায় পুলিশের দুই ঢহল গাড়িতে থাকা ২১ পুলিশ সদস্য গুরুতর আহত হয়েছেন। সোমবার (৫ এপ্রিল) সকাল ৮ টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে। আহতদের মধ্যে ৬ জনকে গুরুতর অবস্থায় ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সোমবার সকাল ৮ টার দিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা পুলিশের রিকুইজিশন করা দুটি পিকআপভ্যান ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহর বাইপাস কুমিল্লা-সিলেট মহাসড়কে দায়িত্ব পালন করছিলেন পুলিশ সদস্যরা। এ সময় বিপরীত দিক থেকে আসা ব্রাহ্মণবাড়িয়া ইকোনো পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একসঙ্গে থাকা পরপর পুলিশবাহী দুটি পিকআপ ভ্যানকে ধাক্কা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই পুলিশের ২১ সদস্য আহত হন।

ঘটনার পর হাইওয়ে পুলিশ এবং স্থানীয়দের সহায়তায় আহত পুলিশ সদস্যদের উদ্ধার করে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নিয়ে আসেন।

তাদের মধ্যে ১৯ জনের নাম পাওয়া গেছে। এরা হলেন-শাকিল আহম্মেদ (২১), নাসিম (২১), শওকত (২৫), জহিরুল (২০),  ওমর ফারুক,  রায়হান (২৫), বুলবুল (২২), মকুবল (৫৮), রাব্বী (২২), আলামিন (২২), হৃদয় (২৩), মো. ইউসুফ আলী, শরিফুল (২৫), রানা (২২), বিল্লাল (২৬), সুমন (২৩), হাসিবুল (২৫), বেলায়েত হোসেন (৫৬) ও সুজন (২৩)।

আহতদের মধ্যে ৬ জনের অবস্থা গুরুতর। তাদের উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

এদিকে ঘটনার খবর পেয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া পুলিশ সুপার (এসপি) মোহাম্মদ আনিসুর রহমান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. রইস উদ্দিন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর সার্কেল মোজাম্মেল রেজাসহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালে ছুটে আসেন। এ সময় তারা আহত পুলিশ সদস্যদের চিকিৎসার খোঁজখবর নেন এবং উন্নত চিকিৎসার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করেন।

ঘটনা সম্পর্কে কাউছার এবং রাশেদ নামে স্থানীয় দুই বাসিন্দা জানান, যাত্রীবাহী বাসটি অন্যায়ভাবে তার সাইডলাইন অতিক্রম করে পুলিশবাহী পিকআপ দুটিকে ধাক্কা দেয়। তাদের ধারণা বাসের চালক ঘুমিয়ে যাওয়ার কারণে এ ঘটনা ঘটেছে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর সার্কেলের দায়িত্বে থাকা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোজাম্মেল রেজা জানান, আহত পুলিশ সদস্যদের মধ্যে ৬ জনের অবস্থা গুরুতর। তাদের উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেলে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। দুর্ঘটনাকবলিত পিকআপসহ ঘাতক বাস এবং চালককে জব্দ করা হয়েছে।

নিউজ ট্যাগ: পুলিশ সদস্য

আরও খবর



বায়তুল মোকাররমে তাণ্ডব: অজ্ঞাত আসামি ৭০০

প্রকাশিত:রবিবার ২৮ মার্চ ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ২৮ মার্চ ২০২১ | ৯৩জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image
বিক্ষোভকারী বায়তুল মোকাররম মসজিদের উত্তর গেটে ও মসজিদের ভেতরে সরকারবিরোধী উসকানিমূলক-অবমাননাকর স্লোগান দিতে থাকে। তখন বায়তুল মোকাররমের ভেতরে দু’গ্রুপের মধ্যে পাল্টাপাল্টি ধাওয়া হয়

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীবিরোধী বিক্ষোভের জেরে বায়তুল মোকাররম এলাকায় সংঘর্ষের ঘটনায় অজ্ঞাত ৫০০-৭০০ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেছে পুলিশ।

শনিবার (২৭ মার্চ) ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) পল্টন থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. শামীম হোসেন বাদী হয়ে পল্টন থানায় মামলাটি দায়ের করেন। রবিবার (২৮ মার্চ) দুপুরে মামলার বাদী উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. শামীম হোসেন মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

মামলার এজাহার অনুযায়ী, ঘটনার দিন আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে ও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ প্রায় ১৩০০ রাউন্ড গুলি ছুড়েছে। সংঘর্ষের সময় কয়েকজন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছে। এ ঘটনায় অজ্ঞাত ৫০০-৭০০ জনকে আসামি করা হয়েছে। তবে মামলায় কারো নাম বা রাজনৈতিক পরিচয় উল্লেখ করেনি পুলিশ।

ঘটনার বর্ণনায় মামলার বাদী এজাহারে উল্লেখ করেন, বাংলাদেশের ৫০ বছর পূর্তিতে বিভিন্ন বিদেশি রাষ্ট্রপ্রধান বা সরকারপ্রধানদের বাংলাদেশে আগমনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদস্বরূপ কতিপয় বিক্ষোভকারী বায়তুল মোকাররম মসজিদের উত্তর গেটে ও মসজিদের ভেতরে সরকারবিরোধী উসকানিমূলক-অবমাননাকর স্লোগান দিতে থাকে। তখন বায়তুল মোকাররমের ভেতরে দুগ্রুপের মধ্যে পাল্টাপাল্টি ধাওয়া হয়।

এক পর্যায়ে এক গ্রুপ মসজিদের উত্তর গেট দিয়ে বের হলে ভেতরে থাকা অন্য গ্রুপ তাদের ওপর ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করে। পরে মসজিদের ভেতরে থাকা বিক্ষোভকারীরা বিভিন্ন প্রকার উসকানিমূলক ও সরকারবিরোধী স্লোগান দিতে দিতে বায়তুল মোকাররমের দক্ষিণ গেটে যান। ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তারা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখার অনুরোধ করলে তারা পুলিশের প্রতি চরম ক্ষিপ্ত হয়ে মারমুখী ভূমিকায় অবতীর্ণ হন। তখন পুলিশ গুলি ছোড়ে।

গত শুক্রবার (২৬ মার্চ) দুপুরে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর বাংলাদেশ সফরকে কেন্দ্র করে রণক্ষেত্রে পরিণত হয় বায়তুল মোকাররম এলাকা।

বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে জুমার নামাজ শেষে ইসলামি দলগুলো বিক্ষোভ মিছিল বের করার চেষ্টা করায় পুলিশের সঙ্গে তাদের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে অর্ধশতাধিক আহত হয়। এরপর দেশের বিভিন্ন জেলায় ব্যাপক সংঘর্ষ, ভাঙচুর ও অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।


আরও খবর