আজঃ বৃহস্পতিবার ১৩ মে ২০২১
শিরোনাম

আবারও বাংলাদেশ বিরোধী প্রচারে আলজাজিরা

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২০ এপ্রিল ২০21 | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২০ এপ্রিল ২০21 | ১২১জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image
২০০৯ সালের পর থেকেই বাংলাদেশের নানা ঘটনা নিয়ে অপপ্রচার করে চলেছে আলজাজিরা। ওই বছর তিন ব্যক্তির গুম হওয়ার সঙ্গে বাংলাদেশের একজন ঊর্ধ্বতন নিরাপত্তা ও সামরিক কর্মকর্তার যোগসাজশ নিয়ে বিতর্কিত প্রতিবেদন করে তারা

আবারও বাংলাদেশবিরোধী অপপ্রচারে নেমেছে কাতারভিত্তিক মিডিয়া নেটওয়ার্ক আলজাজিরা। ভাসানচরে প্রত্যাবাসন করা রোহিঙ্গাদের নিয়ে সম্প্রতি একটি নেতিবাচক প্রতিবেদন প্রচার করে চ্যানেলটি। তবে বাস্তব চিত্র হলো, কক্সবাজারের বিভিন্ন ক্যাম্প থেকে স্বেচ্ছায় ভাসানচরে যাওয়া রোহিঙ্গারা সেখানে আগের তুলনায় অনেক ভালো পরিবেশে রয়েছেন। ভাসানচরে প্রত্যাবাসিত রোহিঙ্গাদের সাক্ষাৎকারের ভিত্তিতে দেশি-বিদেশি অনেক গণমাধ্যমে সেখানকার সঠিক তথ্য তুলে ধরা হলেও আলজাজিরা তাদের প্রতিবেদনে অনেক তথ্য গোপন করেছে।

শুধু প্রত্যাবাসিত রোহিঙ্গারাই নয়, জাতিসংঘের টেকনিক্যাল টিম এবং ১০টি দেশের কূটনৈতিক দলও ভাসানচর পরিদর্শন করে তাদের সন্তুষ্টির কথা জানিয়েছে। ঠিক সেই মুহূর্তে আলজাজিরার ভাসানচর নিয়ে নেতিবাচক সংবাদ প্রচার নতুন ষড়যন্ত্রের অংশ বলে মনে করছেন অনেকে। এর আগেও বিভিন্ন সময় ভুয়া তথ্য দিয়ে উস্কানিমূলক সংবাদ প্রচার করে সমালোচনার মুখে পড়েছে চ্যানেলটি।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে নিরাপত্তা বিশ্নেষক এয়ার কমডোর (অব.) ইশফাক এলাহী চৌধুরী বলেন, ভাসানচর নিয়ে আলজাজিরা যা প্রচার করেছে, এটা স্রেফ অপসাংবাদিকতা। এর আগেও নানা ইস্যুতে ভুল ও মিথ্যা তথ্য দিয়ে সংবাদ প্রচার করে তারা বিতর্ক তৈরি করে। হলুদ সাংবাদিকতার কারণে মধ্যপ্রাচ্যের অনেক দেশ চ্যানেলটি প্রত্যাখ্যান করেছে। পশ্চিমা মিডিয়ার বিকল্প প্ল্যাটফর্ম হিসেবে দাঁড়াতে গিয়ে তারা অনেক ক্ষেত্রেই নৈতিক মানদণ্ড বজায় রাখছে না।

ইশফাক এলাহী বলেন, ভাসানচরে যেসব রোহিঙ্গাকে নেওয়া হয়েছে, তারা আগের তুলনায় সব দিক থেকে ভালো রয়েছেন। বাংলাদেশ যেভাবে ভাসানচরে রোহিঙ্গাদের জন্য আবাসস্থল তৈরি করেছে, তা এক অনন্য উদাহরণ। অনেক পরিচ্ছন্ন পরিবেশে তাদের রাখা হয়েছে। বিশ্বের বহু দেশে শরণার্থী শিবিরের করুণ দশা। আলজাজিরা ভাসানচর নিয়ে যে মিথ্যাচার করেছে, এটা শেষ পর্যন্ত কেউ বিশ্বাস করবে না। কারণ সবাই দেখেছেন, সেখানে রোহিঙ্গারা কেমন পরিবেশে জীবনযাপন করছে।

একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির সভাপতি শাহরিয়ার কবির বলেন, শুরু থেকে বাংলাদেশের সাম্প্রদায়িক শক্তি ও মানবতাবিরোধীদের পক্ষে অবস্থান নিয়েছে আলজাজিরা। বিশ্ববাসী দেখেছে, কীভাবে বিভিন্ন সময় চ্যানেলটি আইএস ও আল কায়দার মুখপত্র হিসেবে কাজ করেছে। এটিকে গণমাধ্যম বলতে রাজি নই আমি। সরকারকে আরও সতর্ক হতে হবে। আরও কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া উচিত। প্রধানমন্ত্রীকে নিয়েও তারা যে অপপ্রচার চালিয়েছে, তা জঘন্য।

অনেকে বলছেন, সম্প্রতি সরকার ও সেনাবাহিনীকে নিয়ে মিথ্যাচার করে আলজাজিরা। হেফাজতের পক্ষেও তাদের সমর্থন ব্যক্ত করে সংবাদ প্রচার করে আসছে। আলজাজিরা যুদ্ধাপরাধীদের পক্ষেও তাদের অবস্থান ব্যক্ত করে ধারাবাহিক প্রতিবেদন করেছে।

সম্প্রতি আলজাজিরায় প্রচারিত একটি প্রতিবেদনে অন্যতম প্রধান চরিত্র হিসেবে বাংলাদেশি নাগরিক সামিউল আহমেদ খান ওরফে সামিকে উপস্থাপন করা হয়। ওই প্রতিবেদন প্রচারের পর সামিউলের নাম আবার সামনে আসে। একাধিক গোয়েন্দা সংস্থা তার ব্যাপারে এরই মধ্যে তদন্ত শুরু করে। গোয়েন্দা সূত্র জানায়, অনেক আগে থেকেই নানা ধরনের অপকর্মে জড়িয়ে পড়েছিলেন সামিউল। র‌্যাব কর্মকর্তা পরিচয়ে আর্থিক প্রতারণায় জড়িত থাকার ঘটনায় ২০০৬ সালে গ্রেপ্তারও হন তিনি। এ ছাড়া ২০২০ সালের মে মাসে র‌্যাবের একজন কর্মকর্তা ডিজিটাল সিকিউরিটি আইনে রমনা থানায় একটি মামলা করেন। ওই মামলার ১১ আসামির মধ্যে ৬ নম্বর আসামি ছিলেন সামি। অপকর্মের জন্য তিনি সেনানিবাসে নিষিদ্ধও ছিলেন। তবে আলজাজিরা তাদের প্রতিবেদনে তার অতীত সব অপকর্ম চেপে যায়।

অভিযোগ আছে, ২০০৯ সালের পর থেকেই বাংলাদেশের নানা ঘটনা নিয়ে অপপ্রচার করে চলেছে আলজাজিরা। ওই বছর তিন ব্যক্তির গুম হওয়ার সঙ্গে বাংলাদেশের একজন ঊর্ধ্বতন নিরাপত্তা ও সামরিক কর্মকর্তার যোগসাজশ নিয়ে বিতর্কিত প্রতিবেদন করে তারা। এতে মানবতাবিরোধী অপরাধে জড়িতদের পক্ষেও প্রচার চালায় চ্যানেলটি। মানবতাবিরোধী অপরাধে জামায়াতে ইসলামীর নেতা মো. কামারুজ্জামানের মৃত্যুদণ্ডের চূড়ান্ত রায়ের পর 'বাংলাদেশ পার্টি চিফ টু হ্যাং ফর ওয়ার ক্রাইমস' শিরোনামে এক প্রতিবেদনে ৩০ লাখ মানুষের শহীদ হওয়ার বিষয়টি নিয়ে ব্যঙ্গ করে বলা হয়, ইতিহাসবিদদের হিসাবে মুক্তিযুদ্ধে তিন থেকে পাঁচ লাখ মানুষ মারা গেছে।

ওই প্রতিবেদন প্রকাশের পর বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, 'আলজাজিরা নিউজ চ্যানেলের প্রচারিত প্রতিবেদনটি মিথ্যা ও মানহানিকর। এটি বানোয়াট ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বিভ্রান্তিকর, যা উগ্রবাদী সংগঠন জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে কুখ্যাত ব্যক্তিদের যোগসাজশে রাজনৈতিক মদদপুষ্ট অপপ্রচার বলে স্পষ্ট। বাংলাদেশের প্রগতিশীল এবং ধর্মনিরপেক্ষ নীতির বিরোধিতা করছে চ্যানেলটি।'


আরও খবর



এলপিজির দাম বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৯ এপ্রিল ২০২১ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২৯ এপ্রিল ২০২১ | ৯৪জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

বিশ্ববাজারের সঙ্গে সমন্বয় করে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের (এলপিজি) দাম বেসরকারি খাতে কমিয়েছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। বেসরকারি খাতে ১২ কেজি সিলিন্ডারের খুচরা মূল্য ৯৭৫ টাকা থেকে কমিয়ে ৯০৬ টাকা করা হয়েছে। আগামী ১ মে থেকে তা কার্যকর হবে।

সরকারি সাড়ে ১২ কেজি এলপিজির দাম আগের ৫৯১ টাকাই থাকছে। গাড়িতে ব্যবহৃত এলপিজির নতুন দাম প্রতি লিটার ৪৪ টাকা ৭০ পয়সা। এর আগে এটি ছিল ৪৭ টাকা ৯২ পয়সা।

আজ বৃহস্পতিবার এক সংবাদ সম্মেলনে নতুন দাম ঘোষণা করে বিইআরসি। দাম কার্যকর করা নিয়ে বিইআরসির চেয়ারম্যান মো. আবদুল জলিল বলেন, আদেশ বাস্তবায়নে কমিশন অবশ্যই ব্যবস্থা নেবে।

সংবাদ সম্মেলনে বিইআরসির চেয়ারম্যান বলেন, সৌদি সিপির ভিত্তিতেই দাম সমন্বয় করা হয়েছে। তাই এর বাইরে অন্যকিছু বিবেচনা করা হয়নি। প্রপেন ও বিউটেনের প্রতি টন সৌদি সিপি গড়ে ৫৪০ দশমিক ৫০ মার্কিন ডলার ধরে হিসাব করা হয়েছে। এর সঙ্গে সম্পর্কিত মূসক ও ডলারের বিপরীতে টাকার মান ধরে আনুপাতিকহারে পরিবর্তন হয়েছে।

দাম ঘোষণার আদেশে বলা হয়, দাম সমন্বয়ে গঠিত বিইআরসির কমিটি ২৫ এপ্রিল কমিশনের কাছে প্রস্তাব করে। এরপর ২৮ এপ্রিল অনলাইনে শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। এতে নতুন দাম চূড়ান্ত করা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন বিইআরসির সদস্য মোহম্মদ আবু ফারুক, মকবুল ই ইলাহি চৌধুরী, মোহাম্মদ বজলুর রহমান, মো. কামরুজ্জামান প্রমুখ।

নিউজ ট্যাগ: এলপিজি

আরও খবর



জাতিসংঘের মাদকদ্রব্য বিষয়ক কমিশনের সদস্য হলো বাংলাদেশ

প্রকাশিত:বুধবার ২১ এপ্রিল 20২১ | হালনাগাদ:বুধবার ২১ এপ্রিল 20২১ | ১০১জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

জাতিসংঘের মাদকদ্রব্য বিষয়ক কমিশনের (সিএনডি) সদস্য হিসেবে আগামী তিন বছরের জন্য নির্বাচিত হয়েছে বাংলাদেশ। জাতিসংঘের অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিষদের (ইকোসক) সহযোগী সংস্থা সিএনডিয়ের এ নতুন পরিষদ ২০২২ সালের জানুয়ারি মাসে দায়িত্বভার গ্রহণ করবে।

স্থানীয় সময় মঙ্গলবার নিউইয়র্কস্থ জাতিসংঘ সদরদফতর ইকোসকের ব্যবস্থাপনা সভায় সদস্য রাষ্ট্রসমূহের প্রত্যক্ষ ভোটে এ নির্বাচন হয়। এতে বাংলাদেশ ছাড়াও সৌদি আরব, দক্ষিণ কোরিয়া এবং ইরান এশিয়া প্যাসিফিক অঞ্চল থেকে সংস্থাটির কার্যকরী পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হয়েছে।

নির্বাচনে জয়লাভের পর জাতিসংঘে নিযুক্ত বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত রাবাব ফাতিমা বলেন, সিএনডিয়ের এ নির্বাচনটি ছিল অত্যন্ত প্রতিযোগিতাপূর্ণ। বাংলাদেশ এতে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৪৩ ভোট পায়। এই বিজয় বহুপাক্ষিক ফোরামে বাংলাদেশের নেতৃত্বের ওপর আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের আস্থারই বহিঃপ্রকাশ।

তিনি আরো বলেন, আমরা বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মের মাদক ও মাদকজাতীয় দ্রব্যের ক্রমবর্ধমান অবৈধ ব্যবহার নিয়ে ভীষণ উদ্বিগ্ন। সংশোধনমূলক দৃষ্টিকোণ থেকে এসব সমাধান করা প্রয়োজন। মাদকদ্রব্যের অপব্যবহারের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সহযোগিতা জোরদার করার ক্ষেত্রে কমিশনের সদস্য হিসেবে আমরা সর্বাত্মক প্রচেষ্টা গ্রহণ করব।

নিউজ ট্যাগ: জাতিসংঘ সিএনডি

আরও খবর



ইফতারে হালিম খাওয়ার উপকারিতা

প্রকাশিত:রবিবার ০৯ মে ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ০৯ মে ২০২১ | ৪৯জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

রোজার মাসে অনেকেরই প্রিয় খাবার হালিম। এমন অনেক মানুষ আছেন, ইফতারে তাদের হালিম ছাড়া চলেই না। হালিম সাধারণত পুরান ঢাকাবাসীর ঐতিহ্যবাহী খাবার, তবে সে গণ্ডি পেরিয়ে সারাদেশেই বেড়েছে মুখরোচক এ খাবারের কদর। তবে সারাদিন রোজা রাখার পর উচ্চ প্রোটিনযুক্ত এ খাবারটি শারীরিক অবস্থা বিবেচনায় খাওয়ার পরামর্শ বিশেষজ্ঞদের।

নানান পদের ডাল, মাংস ও বিভিন্ন রকমের মশলার সংমিশ্রণে তৈরি করা হয় এ খাবারটি। খেতে সুস্বাদু হওয়ায়, মধ্যবিত্ত থেকে উচ্চবিত্ত সব শ্রেণির মানুষের কাছে রয়েছে এ খাবারটির সমান কদর। নানান মশলার ব্যবহার এবং রান্নার কৌশলের ভিন্নতার কারণে দোকান ভেদে এ খাবারটির স্বাদও হয় ভিন্ন।

ইতিহাসবিদদের মতে, মোঘলদের হাত ধরেই আমাদের দেশে এ খাবারের প্রচলন শুরু হয়েছে। রান্না শেষে ধনিয়া পাতা, আদা কুচি, ভাজা পেঁয়াজ ও বিট লবণ দিয়ে, পরিবেশন করা হয় এ খাবারটি। পাত্রের আকার ভেদে দেড়শ থেকে হাজার টাকায় বিক্রি হয় হালিম। দাম কিছুটা বেশি হলেও কমতি নেই ক্রেতাদের।

বিভিন্ন রকম ডাল ও মাংস দিয়ে তৈরি করা হয় বলে, ইফতারে পুষ্টির চাহিদা পূরণে সক্ষম হালিম। তবে সারাদিন রোজা থাকার পর শারীরিক অবস্থা বিবেচনায়, খাবারটি এড়িয়ে চলার পরামর্শ বিশেষজ্ঞদের।


আরও খবর



বাঙালিদের বৈশাখী শুভেচ্ছা জানালেন জো বাইডেন

প্রকাশিত:বুধবার ১৪ এপ্রিল ২০২১ | হালনাগাদ:বুধবার ১৪ এপ্রিল ২০২১ | ১১০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

বাঙালি ও বাংলাদেশের মানুষদের পহেলা বৈশাখের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন এবং ফার্স্ট লেডি জিল বাইডেন। বুধবার মার্কিন প্রেসিডেন্টের ভেরিফায়েড টুইটার অ্যাকাউন্ট থেকে এক টুইটে এ শুভেচ্ছা জানানো হয়েছে।

টুইটে শুধু বাঙালিদেরই নয়, দক্ষিণ এবং দক্ষিণপূর্ব এশিয়ার বিভিন্ন সম্প্রদায়ের যেসব মানুষ বৈশাখ, নবরাত্রি, সংক্রান বা এ সপ্তাহে অন্য নতুন বছর উদযাপন করবেন, তাদের সবাইকেই শুভেচ্ছা জানিয়েছেন বাইডেন দম্পতি।

এদিন বাঙালি, কম্বোডিয়ান, লাও, বার্মিজ, নেপালি, সিংহলিজ, তামিল, থাই এবং ভিসু জনগোষ্ঠীকে নতুন বছরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন তারা।


আরও খবর



দেশব্যাপী তৃতীয় ধাপে লকডাউন ঘোষণা করেছে মালয়েশিয়া

প্রকাশিত:সোমবার ১০ মে ২০২১ | হালনাগাদ:সোমবার ১০ মে ২০২১ | ৭৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

মালয়েশিয়ায় করোনাভাইরাসের পুরোপুরি বিস্তার ঠেকাতে দেশব্যাপী তৃতীয় ধাপে লকডাউন ঘোষণা করেছে দেশটির প্রধানমন্ত্রী তান শ্রী মুহিউদ্দিন ইয়াসিন। একইসঙ্গে সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।

লকডাউনের পাশাপাশি আন্তঃজেলা ও আন্তঃরাজ্য ভ্রমণের ওপর কঠোর নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। সাধারণ মানুষের চলাচল নিয়ন্ত্রণে মোতায়েন রয়েছে সেনাবাহিনী। বিভিন্ন জায়গায় বসানো হয়েছে চেকপোস্ট।

স্থানীয় সময় সোমবার (১০ মে) সন্ধ্যায় কোভিড-১৯ ব্যবস্থাপনা বিষয়ক এক বিশেষ বৈঠকে এ লকডাউনের মেয়াদ বাড়ানোর কথা জানিয়েছেন মুহিউদ্দিন ইয়াসিন।

তিনি বলেন, মালয়েশিয়ায় করোনাভাইরাসের তৃতীয় ঢেউ শুরু হওয়ায় সংক্রমণ রোধে শর্তসাপেক্ষে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের পরামর্শক্রমে আগামী ১২ মে থেকে ৭ জুন পর্যন্ত দেশব্যাপী মুভমেন্ট কন্ট্রোল অর্ডার (এমসিও) বহাল থাকবে। পাশাপাশি ইতোমধ্যে সরকার ঘোষিত বিভিন্ন বিধিনিষেধগুলো ও আগের মতো বহাল থাকবে।

এর আগে গত ৭ মে থেকে ২০ মে পর্যন্ত রাজধানী কুয়ালালামপুরসহ বেশ কয়েকটি রাজ্যে লকডাউন ঘোষণা করা হলেও সংক্রমণের হার বেড়ে যাওয়ায় নতুন করে আবারও দেশব্যাপী এই লকডাউন ঘোষণা করা হয়।

তবে এই লকডাউন চলাকালে সব চাইল্ড কেয়ার, প্রি-স্কুল, নার্সারি এবং কিন্ডারগার্টেনগুলোকে অভিভাবকদের কাজ সহজ করার জন্য নির্ধারিত স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং পদ্ধতি (এসওপি) অনুযায়ী পরিচালনা করার অনুমতি দেওয়া হবে।এ সময় প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, মুভমেন্ট কন্ট্রোল অর্ডার (এমসিও) চলাকালীন সময়ে নিয়োগকর্তা এবং কর্মচারীদের অফিসের পরিবর্তে বাড়িতে থেকে কাজ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে এবং কর্মক্ষেত্রে ৩০ শতাংশের কম স্টাফ নিয়ে অফিস পরিচলনা করতে হবে।

দেশটিতে সোমবার (১০ মে) দুপুর পর্যন্ত পূর্ববর্তী ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৩ হাজার ৮০৭ জন এবং মৃত্যু হয়েছে ১৭ জনের। সব মিলিয়ে আক্রান্তের সংখ্যা ৪ লাখ ৪৪ হাজার ৪৮৪ জন। এখন পর্যন্ত দেশটিতে করোনায় মারা গেছেন ১ হাজার ৭০০ জন এবং সুস্থ হয়ে বাসায় ফিরেছেন ৪ লাখ ৫ হাজার ৩৮৮ জন।


আরও খবর