আজঃ বুধবার ০৪ আগস্ট ২০২১
শিরোনাম

আগামী লকডাউনেও কারখানা খোলা থাকবে, আশা গার্মেন্ট মালিকদের

প্রকাশিত:রবিবার ১৮ জুলাই ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ১৮ জুলাই ২০২১ | ১৭২জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

ঈদের বাকি মাত্র আর দুই দিন। তবে দেশের অনেক পোশাক কারখানায় ঈদের ছুটি শুরু হয়েছে রবিবার (১৮ জুলাই) থেকে। জানা গেছে, পর্যায়ক্রমে কারখানা মালিকরা শ্রমিকদের ছুটি দিচ্ছেন।

অনেক ক্ষেত্রে সরকারি ছুটি সঙ্গে শ্রমিকদের পাওনা ছুটি সমন্বয় করা হচ্ছে বলেও জানা গেছে। এতে শ্রমিকরা ৭ থেকে ১০ দিন ছুটি পাবেন। তবে ৩০ জুলাইয়ের মধ্যে এর সীমা ঠিক রাখতে চান মালিকরা। শ্রম মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, মালিক চাইলে শ্রমিকদের ছুটি বাড়াতে পারবে। তবে সরকারের পক্ষ থেকে তিন দিন ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে।

এদিকে, ২৩ জুলাই সকাল ৬টা থেকে ৫ আগস্ট পর্যন্ত ফের লকডাউনের ঘোষণা দিয়ে রেখেছে সরকার। এই সময়ে তৈরি পোশাক খাতের কারখানা খোলা রাখতে সরকারের শীর্ষ পর্যায়ে চিঠি দিয়েছে ও বৈঠক করেছে খাত সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ী নেতারা। তবে এই সময়ের মধ্যে উৎপাদনমুখী শিল্প কল-কারখানা কর্মীদের কাজে ফিরতে ৩০ জুলাই থেকে শ্রমিকদের যাতায়ত শিথিল করা হতে পারে। সরকারের পক্ষ থেকে সহসায় এই নির্দেশনা আসবে বলে জানা গেছে।

ব্যসায়ীদের শীর্ষ বাণিজ্য সংগঠন এফবিসিসিআই সভাপতি মো. জসিম উদ্দিন এক বিবৃতিতে উৎপাদনমুখী সব শিল্প কারখানা সচল রাখতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, করোনা পরিস্থিতে সব শিল্প কারখানা বন্ধ রাখা হলে অর্থনৈতিক কার্যক্রম বন্ধ থাকবে এবং সাপ্লাই চেইন (সরবরাহ ব্যবস্থা) সম্পূর্ণ বিঘ্নিত হবে। এতে উৎপাদন থেকে ভোক্তা পর্যন্ত প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে জড়িত সবাই ক্ষতিগ্রস্ত হবে।’ খাত সংশ্লিষ্ট বাণিজ্য সংগঠনগুলোর পক্ষ থেকে কারখানা খোলা রাখতে এবং শ্রমিকদের যাতায়াত নিরাপদ করতে প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি দেওয়া হয়েছে।

যৌথ এই চিঠিতে স্বাক্ষর করেছেন বিকেএমইএ সভাপতি একেএম সেলিম ওসমান, বিটিএমএ সভাপতি মোহাম্মদ আলী খোকন, বিজিএমইএ সভপতি ফারুক হাসান, বিটিটিএলএমইএ সভাপতি শাহাদাত হোসেন সোহেল, বিজিএপিএমইএ সভাপতি আল কাদের প্রধান।

চিঠিতে নেতারা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে আবেদন করেন, ঈদের ছুটি সংক্ষিপ্ত করে যত দ্রুত সম্ভব কারখানা খুলে দিলে দেশের রপ্তানিখাত বহুমূখী বিপর্যয়ের আশঙ্কা থেকে রক্ষা পাবে। তবে প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে যে সিদ্ধান্ত আসবে তা শিল্প ও কারখানা মালিকরা মেনে নেবেন বলে চিঠিতে উল্লেখ করা হয়।


আরও খবর
আজ ব্যাংক বন্ধ

বুধবার ০৪ আগস্ট ২০২১




গত ২৪ ঘণ্টায় রাহশাহীতে ১৯ জনের মৃত্যু

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৩ আগস্ট ২০২১ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ০৩ আগস্ট ২০২১ | ৪৯জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা ও উপসর্গে আরও ১৯ জন মারা গেছেন। এরমধ্যে করোনায় ৭ জন এবং উপসর্গ নিয়ে ১২ জনের প্রাণহানি হয়েছে। এ নিয়ে ৬৪তম দিনে রামেকে সবমিলিয়ে ৯৫০ জনের মৃত্যু হয়েছে।

মঙ্গলবার (০৩ আগস্ট) সকালে রামেক হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল শামীম ইয়াজদানী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

শামীম ইয়াজদানী বলেন, গত ২৪ ঘণ্টায় যে ১৯ জন মারা গেছেন তাদের মধ্যে রাজশাহীর ৭, নাটোর ৫, চাঁপাইনবাবগঞ্জের ৪, নওগাঁ ২, পাবনার ১ জন মারা গেছেন। মৃতদের স্বাস্থ্যবিধি মেনে দাফন করার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, গেল ২৪ ঘণ্টায় রাজশাহী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের দুই ল্যাবে করোনা পরীক্ষা হয়েছে ৩২৮ জনের আর করোনা শনাক্ত হয়েছে ৯১ জনের। পরীক্ষা বিবেচনায় শনাক্তের হার ২৭ দশমিক ৭৪ ভাগ।

এছাড়াও রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে দফায় দফায় ওয়ার্ড ও শয্যা সংখ্যা বাড়ানোর পরও উপচে পড়ছে রোগীর সংখ্যা। এখানে করোনা ইউনিটে ২০টি আইসিইউসহ শয্যা সংখ্যা রয়েছে ৫১৩টি এরমধ্যে রোগী ভর্তি রয়েছে ৩৯২ জন আর গত ২৪ ঘণ্টায় ভর্তি হয়েছেন ৪৭ জন।


আরও খবর



শিল্পকারখানা খোলার খবরে দৌলতদিয়া ঘাটে যাত্রীদের ভীড়

প্রকাশিত:শনিবার ৩১ জুলাই ২০২১ | হালনাগাদ:শনিবার ৩১ জুলাই ২০২১ | ৬৩জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

করোনাভাইরাসের সংক্রমণরোধে চলমান কঠোর বিধিনিষেধের মধ্যে আগামীকাল রবিবার (১ আগস্ট) থেকে রফতানিমুখী শিল্প-কারখানা খুলে দেয়ার ঘোষণা দিয়েছে সরকার। এ খবরে রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে ঢাকামুখী যাত্রীদের ভিড় বেড়েছে।

শনিবার (৩১ জুলাই) সকাল থেকেই দৌলতদিয়া ঘাট থেকে ছেড়ে আসা প্রতিটি ফেরিতে যাত্রীদের ভিড় ছিল চোখে পড়ার মত। তবে ফেরি পারাপারের সময় স্বাস্থ্যবিধি ও সামাজিক দূরত্ব মানছেন না যাত্রীরা।

এদিকে, গণপরিবহন বন্ধ থাকায় আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর চোখ ফাঁকি দিয়ে ভেঙে ভেঙে দৌলতদিয়া ঘাটে এসে ফেরিতে উঠছেন যাত্রীরা। দক্ষিণাঞ্চলের বিভিন্ন জেলা থেকে যাত্রীরা অতিরিক্ত ভাড়া দিয়ে মাইক্রোবাস, প্রাইভেটকার, মাহেন্দ্রা, মোটরসাইকেল, অটোরিকশায় করে ঘাটে আসছেন তারা।

ঢাকামুখী যাত্রীরা জানিয়েছেন, আগামীকাল থেকে তাদের কারখানা খুলছে। এ জন্য ভোগান্তি সত্বেও ঢাকায় আসছেন। দূরপাল্লার বাস বন্ধ থাকায় ভেঙে ভেঙে আসতে হচ্ছে তাদের। একইসঙ্গে কয়েকগুণ বেশি ভাড়া গুনতে হচ্ছে।

বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন করপোরেশনের (বিআইডব্লিউটিসি) দৌলতদিয়া ঘাটের ব্যবস্থাপক শিহাব উদ্দিন বলেন, বর্তমানে দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটে ছোট-বড় মিলিয়ে আটটি ফেরি চলাচল করছে। তবে ঘাটে পারের অপেক্ষায় কোনো সিরিয়াল নেই।

করোনার সংক্রমণ রোধে গত ২৩ জুলাই সকাল ৬টা থেকে কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়। এ বিধিনিষেধ চলবে আগামী ৫ আগস্ট মধ্যরাত পর্যন্ত। বিধিনিষেধে সব ধরনের গণপরিবহন, সরকারি-বেসরকারি অফিস বন্ধ আছে। খাদ্যপণ্য উৎপাদন-প্রক্রিয়াকরণ, চামড়া পরিবহন-সংরক্ষণ ও ওষুধ খাত ছাড়া বন্ধ রয়েছে সব ধরনের শিল্প-কারখানা।

এরমধ্যে গার্মেন্টসসহ সব ধরনের শিল্প-কারখানা খুলে দিতে সরকারের কাছে অনুরোধ জানিয়েছেন মালিকরা। বৃহস্পতিবার (২৯ জুলাই) সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলামের সঙ্গে বৈঠক করে বিভিন্ন ব্যবসায়ী সংগঠনের নেতারা এ দাবি জানান।

এরপরই শুক্রবার (৩০ আগস্ট) রফতানিমুখী শিল্প-কারখানা খুলে দেয়ার ঘোষণা দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় আগামী ১ আগস্ট সকাল ৬টা থেকে রফতানিমুখী সব শিল্প ও কলকারখানা আরোপিত বিধিনিষেধের আওতা বহির্ভূত রাখা হলো।

এদিকে, শিল্প-কারখানা খোলার অনুমতি দেয়ায় প্রধানমন্ত্রীসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে সাধুবাদ জানিয়েছে পোশাক শিল্প পরিবার তথা বিজিএমইএ, বিকেএমইএ এবং ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআই।



আরও খবর



খুলনা বিভাগে একদিনে করোনায় ৩৪ জনের মৃত্যু

প্রকাশিত:শুক্রবার ৩০ জুলাই ২০২১ | হালনাগাদ:শুক্রবার ৩০ জুলাই ২০২১ | ৮৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

খুলনা বিভাগে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় ৩৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে শনাক্ত হয়েছেন ৭৯৩ জন।

শুক্রবার (৩০ জুলাই) দুপুরে বিভাগীয় স্বাস্থ্য অধিদফতর সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। এর আগে বৃহস্পতিবার (২৯ জুলাই) বিভাগে ৪১ জনের মৃত্যু হয়েছিল।

স্বাস্থ্য পরিচালকের দফতর সূত্রে জানা যায়, গত ২৪ ঘণ্টায় বিভাগের মধ্যে সর্বোচ্চ আট জন করে মৃত্যু হয়েছে খুলনা ও কুষ্টিয়ায়। বাকিদের মধ্যে যশোরে সাত জন, ঝিনাইদহে পাঁচ জন, চুয়াডাঙ্গায় দুই জন, বাগেরহাট, সাতক্ষীরা, নড়াইল ও মেহেরপুরে একজন করে মারা গেছেন।

খুলনা বিভাগের মধ্যে প্রথম করোনা রোগী শনাক্ত হয় চুয়াডাঙ্গায় গত বছরের ১৯ মার্চ। করোনা সংক্রমণের শুরু থেকে শুক্রবার সকাল পর্যন্ত বিভাগের ১০ জেলায় মোট শনাক্ত হয়েছে ৯২ হাজার ৩৬১ জন। আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ২ হাজার ৩৬৯ জন। সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৬৭ হাজার ৭৭১ জন। 


আরও খবর



ঝাঁজ কমেছে কাঁচা মরিচ-পেঁয়াজের, বেড়েছে শসার

প্রকাশিত:শুক্রবার ৩০ জুলাই ২০২১ | হালনাগাদ:শুক্রবার ৩০ জুলাই ২০২১ | ১৮০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

চলমান লকডাউনের প্রভাব পড়েছে কাঁচাবাজারে। সপ্তাহের ব্যবধানে কমেছে মুরগি, ডিম, পেঁয়াজ, কাঁচা মরিচসহ সবজির দাম। তবে, অপরিবর্তিত রয়েছে অন্যান্য পণ্যের দাম।

বিক্রেতারা বলছেন, লকডাউনের প্রভাব পড়েছে কাঁচাবাজারে। অতি প্রয়োজন ছাড়া ক্রেতারা বাজারে আসছেন না। তাই পণ্যের দাম কমেছে। বেচাকেনা একেবারেই কম বলে জানিয়েছেন তারা। শুক্রবার (৩০ জুলাই ) সকালে রাজধানীর মিরপুর ১১নম্বর বাজার, মিরপুর কালশী বাজার ও পল্লবী এলাকা ঘুরে এসব চিত্র উঠে এসেছে।

বাজারে বেশিরভাগ সবজির দাম কমেছে। এসব বাজারে প্রতি কেজি (গোল) বেগুন ৬০ টাকা, করলা ৪০ টাকা, ইন্ডিয়ান টমেটো ১২০ টাকা, বরবটি ৬০ টাকা। চাল কুমড়া পিস ৪০ টাকা, প্রতি পিস লাউ আকারভেদে বর্তমানে বিক্রি হচ্ছে ৫০ টাকায়, মিষ্টি কুমড়ার কেজি ৪০ টাকা, চিচিঙ্গা ৪০ টাকা, পটল ৩০ টাকা, ঢেঁড়স ৩০ টাকা, ধুন্দুল ৫০ টাকা, কচুর গাট ৪০ টাকা, কাকরোল ৪০ টাকা।

এ সব বাজারে আলু বিক্রি হচ্ছে ২৫ টাকা কেজি। পেঁয়াজের দাম কমে প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৪৫ টাকা।

এছাড়া এক সপ্তাহের ব্যবধানে প্রতিকেজি কাঁচা মরিচের দাম ৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। কাঁচাকলার হালি বিক্রি হচ্ছে ২৫ থেকে ৩০ টাকায়। পেঁপে প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৪০ টাকা। শসার দাম বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ৬০ টাকায়। লেবুর হালি বিক্রি হচ্ছে ১০ থেকে ১৫ টাকায়।

এছাড়া শুকনা মরিচ প্রতি কেজি ১৫০ থেকে ২৫০ টাকা, রসুনের কেজি ৮০ থেকে ১৩০ টাকা, আদার দাম ২০ টাকা বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ১০০ টাকা। হলুদ ১৬০ টাকা থেকে ২২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। চিনির প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৭৫ টাকা। এছাড়া প্যাকেট চিনি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৭৮ থেকে ৮০ টাকায়।

বাজারে আগের দামেই বিক্রি হচ্ছে চাল। বিআর-২৮ চাল বিক্রি হচ্ছে ৫২ থেকে ৫৪ টাকা, মিনিকেট ৬০ থেকে ৬২ টাকা, পাইজাম চাল বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ৫০ টাকা, নাজিরশাইল চাল বিক্রি হচ্ছে ৬৫ থেকে ৬৮ টাকা, পোলাওর চাল আগের দামেই ৯০ থেকে ১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

মিরপুর ১১ নাম্বার বাজারে চাল বিক্রেতা আমির হোসেন বলেন, বর্তমানে বাজারে চালের দাম আগের মতোই আছে। মূলত রাইস মিল মালিকরা প্রতি সিজনে চাল কিনে মজুদ করে রাখেন। তাদের ইচ্ছেমতো সপ্তাহে সপ্তাহে চালের দাম বাড়িয়ে দেন। এর প্রভাব বাজারে পড়ে। চালের দাম আবারও বাড়ার সম্ভাবনা আছে।

ডিমের দাম কমেছে। লাল ডিমের ডজন বিক্রি হচ্ছে ৯৫ থেকে ১০০ টাকায়। হাঁসের ডিমের দাম বেড়ে ডজন বিক্রি হচ্ছে ১৩৫ টাকা। সোনালী (কক) মুরগির ডিমের ডজন ১৫০ টাকা।

মুরগির দাম কমে বাজারে প্রতি কেজি সোনালি (কক) মুরগি বিক্রি হচ্ছে ২০০ থেকে ২১০ টাকায়। ব্রয়লার মুরগি কেজি বিক্রি হচ্ছে ১১০ থেকে ১২০ টাকা। লেয়ার মুরগি কেজি বিক্রি হচ্ছে ২১০ থেকে ২২০ টাকা।

১১ নম্বর বাজারের মুরগি বিক্রেতা মো. রুবেল বাংলানিউজকে বলেন, ঈদ আর লকডাউনের কারণে বাজারে মুরগির দাম কমেছে। ক্রেতারা বাজারে খুব কম আসছেন। আমাদের বিক্রি নেই বললেই চলে। লকডাউন শেষে আরও বাড়তে পারে মুরগির দাম।

এসব বাজারে অপরিবর্তিত আছে গরু ও খাসির মাংস, মসলাসহ অন্যান্য পণ্যের দাম। বাজারে প্রতি কেজি খাসির মাংস বিক্রি হচ্ছে ৭০০ থেকে ৭৫০ টাকা, বকরির মাংস ৭০০ থেকে ৭৫০ টাকা, গরুর মাংস বিক্রি হচ্ছে ৬০০ টাকা।



আরও খবর
আজ ব্যাংক বন্ধ

বুধবার ০৪ আগস্ট ২০২১




করোনায় প্রথমবার দুই শতাধিক মৃত্যু দেখলো বাংলাদেশ

প্রকাশিত:বুধবার ০৭ জুলাই ২০২১ | হালনাগাদ:বুধবার ০৭ জুলাই ২০২১ | ১০৬জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image
গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের ইতিহাসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ১১ হাজার ১৬২ জনের শরীরে করোনা ভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। এ নিয়ে দেশে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৯ লাখ ১১ হাজার ৫৬৮ জনে

গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে আরও ২০১ জনের মৃত্যু হয়েছে, যা দেশে একদিনে করোনায় সর্বোচ্চ মৃত্যু। এনিয়ে দেশে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ালো ১৫ হাজার ৫৯৩ জনে। গত ১১ দিন ধরে করোনায় শতাধিক মৃত্যু দেখছে বাংলাদেশ।

বুধবার (৭ জুলাই) স্বাস্থ্য অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের ইতিহাসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ১১ হাজার ১৬২ জনের শরীরে করোনা ভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। এ নিয়ে দেশে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৯ লাখ ১১ হাজার ৫৬৮ জনে।

গত ২৪ ঘণ্টায় ৩৭ হাজার ১৪৭ জনের নমুনা সংগ্রহ করা হলেও পরীক্ষা করা হয়েছে ৩৫ হাজার ৬৩৯টি নমুনা। যেখানে শনাক্তের হার ৩১ দশমিক ৩২ শতাংশ। এ পর্যন্ত শনাক্তের মোট হার ১৪ দশমিক ৩১ শতাংশ। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, একদিনে নতুন করে সুস্থ হয়েছেন ৫ হাজার ৯৮৭ জন। এ নিয়ে সুস্থ হয়ে ওঠা রোগীর সংখ্যা ৮ লাখ ৫০ হাজার ৪০২ জন।

বয়সভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা যায়, মারা যাওয়া ২০১ জনের মধ্যে ষাটোর্ধ ১১৫ জন। এছাড়া ৫১ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে ৪৭ জন, ৪১ থেকে ৫০ বছরের মধ্যে ২৫ জন, ৩১ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে ৯ জন, ২১ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে ৪ জন ও ১১ থেকে ২০ বছরের মধ্যে ১ জন রয়েছে।

২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়াদের মধ্যে পুরুষ ১১৯ জন ও মহিলা ৮২ জন। যাদের মধ্যে বাসায় ১২ জন ছাড়া বাকিরা হাসপাতালে মারা গেছেন। একই সময়ে বিভাগওয়ারী পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০১ জনের মধ্যে খুলনা বিভাগে সর্বোচ্চ ৬৬ জন, ঢাকায় ৫৮ জন, রাজশাহীতে ১৮ জন, রংপুরে ১৪ জন, চট্টগ্রামে ২১ জন, ময়মনসিংহে ৮ জন, সিলেটে ৯ জন, বরিশালে ৭ জন মারা গেছেন।

গত বছরের ৮ মার্চ দেশে প্রথম ৩ জনের দেহে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়। এর ১০ দিন পর ১৮ মার্চ দেশে এ ভাইরাসে আক্রান্ত প্রথম একজনের মৃত্যু হয়।


আরও খবর
করোনায় আরও ২৩৫ জনের মৃত্যু

মঙ্গলবার ০৩ আগস্ট ২০২১